ঢাকা ১১ বৈশাখ ১৪৩১, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

নারী তুমি অনন্যা

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৪:০১ পিএম
নারী তুমি অনন্যা
নারী দিবসের বিশেষ আয়োজনে ‘ফ্যাশন প্লাস’-এর এবারের মডেল হয়েছেন বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএরসির ব্রান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স ডিপার্টমেন্টের ইনচার্জ এবং সফল নারী ব্যক্তিত্ব নাজিয়া খানম কণা । ছবি: শরিফ মাহমুদ

আগামী ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘নারীর সমঅধিকার, সমসুযোগ এগিয়ে নিতে হোক বিনিয়োগ’। এই দিনটিতে যেন নারীর ব্যক্তিত্ব ও স্বকীয়তা ফুটে ওঠে, সেই পরামর্শ নিয়ে এবারের আয়োজন। জানাচ্ছেন মেরিনা আহমেদ।

কথায় আছে, ‘যে রাঁধতে জানে, সে চুলও বাঁধতে জানে।’ যাদের ঘর ও বাহির- দুটিই সামলাতে হয়, তারা সবকিছু কীভাবে সামলান বলুন তো? কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষের রুচি, চাহিদা, প্রয়োজন, পছন্দ সবকিছুতেই এসেছে পরিবর্তন। আগে যেখানে অনেক বেশি কারুকাজ করা আসবাব, ভারী কাঠের আলমারি, লোহার সিন্দুকের প্রচলন ছিল; এখন  আধুনিক কোনো ঘরে এসবের স্থান হয় না। এখন আর ঘরে শাড়ি পেঁচিয়ে বসে থাকাটা খুব বেশি অর্থবোধক হয় না। সবাই চায় ঘরের জীবনের মতো বাইরেও যেন কাটানো যায় পরিপাটি সময়। এই পরিপাটি জীবনযাপনকেই বলে ‘টোটাল স্মার্টনেস’। তাই এবার স্মার্টনেস বজায় রাখার জন্য কিছু আলোচনা।

প্রথমেই বাচনভঙ্গি ও সাবলীল ভাষা

স্মার্টনেস ও ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটাতে সবার আগে যে বিষয়টির প্রতি খেয়াল রাখতে হবে, তা হলো কথাবার্তার ধরন। সুন্দর কথাবার্তা দিয়ে সহজেই অন্যকে আকৃষ্ট করা যায়। কথা বলার সময় অবশ্যই কিছু বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

  কথা অবশ্যই গুছিয়ে সুন্দর করে সাবলীলভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

  সব সময় হাসিমুখে কথা বলুন এবং কথা বলার সময় কখনোই মুখে ও কপালে বিরক্তির ছাপ রাখবেন না।

  অবশ্যই শুদ্ধ উচ্চারণের দিকে এবং কখনো আঞ্চলিক টান যেন না আসে সেদিকে খেয়াল হবে।

  চিৎকার করে কথা না বলা, যতটা সম্ভব নরম ও কোমল কণ্ঠে কথা বলুন।

  কথা বলার সময় অবশ্যই স্পষ্ট উচ্চারণ করতে হবে এবং মুদ্রাদোষগত শব্দ উচ্চারণ থেকে বিরত থাকতে হবে। 

আচরণে নমনীয় হোন

নিজেকে স্মার্টভাবে অন্যের কাছে প্রকাশ করার জন্য আচার-ব্যবহারের দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। নম্র, ভদ্র ও অমায়িক আচার-আচরণ দিয়ে একজন ব্যক্তি তার শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করতে পারে।

  বিনা কারণে কখনোই কারও সঙ্গে ধমকের সুরে কথা না বলাই ভালো।

  যে যা-ই প্রশ্ন করুক তার উত্তর দিন সুন্দর, মার্জিত ও অমায়িক ভাষায়।

  যতটা সম্ভব চেষ্টা করুন মেজাজ ঠাণ্ডা রাখতে এবং উগ্র ও অভদ্র আচরণ পরিহার করতে।

  কেউ আপনার সঙ্গে অভদ্র ভাষায় কথা বললেও আপনি মাথা ঠাণ্ডা রেখে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে তার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে তার মধ্যেও ভালো হওয়ার অনুভূতি জন্ম নিতে পারে।

  নিচু মানসিকতা পরিহার করে এবং দৃষ্টিভঙ্গি সব সময় ইতিবাচক রেখে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন।

  কথা বলার ক্ষেত্রে সব সময় হাসি মুখে কথা বলুন।

শরীর সুন্দর রাখতে

নিজের সৌন্দর্যের কথা কে না ভাবে? অন্যের কাছে নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করার ক্ষেত্রে শারীরিক সৌন্দর্যও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। শারীরিক সৌন্দর্য বলতে শরীরের গঠন, ত্বক, হেয়ার স্টাইল, চলাফেরা ইত্যাদি বোঝায়। শারীরিক সৌন্দর্য দিয়ে সহজেই অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়।

  অফিস বা বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই ফেসওয়াশ দিয়ে নিয়মিত মুখ পরিষ্কার করতে হবে।

  হাত-পায়ের নখ ছোট রাখুন এবং নিয়মিত সুন্দর করে পরিষ্কার করুন।

  চেহারার সঙ্গে মিল রেখে হেয়ার কাট নিতে হবে। কারণ একেক কাট একেকজনের জন্য মানানসই।

  বাইরে বের হওয়ার আগে চুল সুন্দর করে ব্রাশ করে নিন।

  শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ব্যায়ামের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

মানানসই পোশাক পরুন

একজন ব্যক্তির রুচিবোধের পরিচয় পাওয়া যায় তার পোশাকের মাধ্যমে। শিক্ষা, কথাবার্তা, আচার-ব্যবহার যতই ভালো হোক না কেন, রুচিশীল পোশাক ব্যবহার না করার কারণে অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। আপনি কোথায় যাচ্ছেন সেই অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করুন। আসুন জেনে নিই, কোথায় কোন পোশাকে আপনি হতে পারেন আরও বেশি আকর্ষণীয়-

অফিস

পোশাক: এখানে সুতির পোশাকের বিকল্প নেই। হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির সালোয়ার-কামিজ, কুর্তা বা টপস পরুন। সঙ্গে চুড়িদার, কাবলি সালোয়ার বা প্যান্ট। বৃষ্টিতে হাফসিঙ্কের পোশাকও আরামদায়ক। রঙের ক্ষেত্রে শাড়ি পরতে চাইলে কোটা বা শিফন। চিকন পাড়ের সাদা, উজ্জ্বল নীল, গোলাপি বা হালকা সবুজ রংকে প্রাধান্য দিন। তাঁতের শাড়িও পরতে পারেন।

সাজ: অফিসের সাজ হালকা হবে। মুখে শুধু ফেস পাউডার লাগান। চোখে চিকন করে কাজল বা আইলাইনার ও ঠোঁটে ম্যাট লিপস্টিক দিন। সামনের চুল টেনে পাঞ্চ ক্লিপ দিয়ে আটকান বা পনিটেল করুন অথবা খোঁপা করে কাঁটা গুঁজে দিন। ছোট চুল হলে ব্লো ড্রাই করে ছেড়েও রাখতে পারেন। অবশ্যই হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করুন।

বাসা
পোশাক: আরামদায়ক সালোয়ার-কামিজ, টি-শার্ট, ট্রাউজার, কুর্তা বা সালোয়ার পরুন। তাঁত, সুতি বা নিট কাপড়কে প্রাধান্য দিন। হাতাকাটা বা বেবি হাতার ফ্রকও পরতে পারেন।

সাজ: অনেকে ভাবেন, বাড়িতে থাকলে সাজতে হয় না। তবে ফ্রেশ মুডের জন্য। পরিপাটি থাকতে তো বাধা নেই। সবাই ঘুম থেকে ওঠে ফ্রেশ হয়ে প্রথম কাজ হবে চুল আঁচড়ে বাঁধা। রাতের কাপড়টা পাল্টে নিন।

অনুষ্ঠান

দিন: দিনে অনুষ্ঠান হলে হালকা রঙের পোশাক নিন। ওয়েস্টার্ন পোশাক বা সালোয়ার-কামিজ পরুন। সুতি ও হাফসিল্কের গর্জিয়াস পোশাকও পরতে পারেন। টপস ও জিন্স সবচেয়ে ভালো। মসলিন, কাতান, জামদানি শাড়িও দিনের অনুষ্ঠানে ভালো মানায়।

রাত: রাতের অনুষ্ঠানে গাঢ় রং বেছে নিন। স্লিভলেস-হাইনেকের কামিজ ও ব্লাউজ পরুন। কামিজ ও ব্লাউজে ভারী কাজ হলে ভালো মানাবে। শাড়ি পরলে এক রঙের আঁচল ও পাড়ে নকশা আছে এমন শাড়ি বেছে নিন। মানানসই গয়না পরুন। বেশি নকশার পোশাকের সঙ্গে হালকা গয়না পরুন। যদি কামিজের নেক লাইনে ভারী কাজ থাকে, তবে গলায় কিছু না পরে কানে ভারী দুল, আঙুলে একটু বড় আংটি পরতে পারেন। পোশাকের সঙ্গে মানানসই ব্যাগ নিন।

সাজ: পোশাকের মতো সাজও অনেকটা নির্ভর করে শরীর সুন্দর রাখতে অনুষ্ঠানের ধরনের ওপর। দিনের দাওয়াতে হালকা মেকআপ নিন। আর রাতের অনুষ্ঠানে দিনের চেয়ে একটু গাঢ় মেকআপ নিন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ওয়াটার বেজ ফাউন্ডেশন ও শুদ্ধ ত্বকে ক্রিম বেজ ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।

শুষ্ক ত্বকে ফাউন্ডেশন দেওয়ার আগে মুখে একট লোশন দিয়ে নিন। এবার কমপ্যাক্ট পাউডার লাগান। চোখ সাজাতে মেরুন, কফি, সবুজ, নীলচে শেড ব্যবহার করুন। চোখে অবশ্যই পানি নিরোধক মাশকারা এবং পেন্সিল আইলাইনার ও পাউডার ব্লাশঅন ব্যবহার করুন। রাতে দুই গালে খুব হালকা গোলাপি, পিচ অথবা ব্রোঞ্জ রঙের ব্লাশঅন লাগান।

ময়েশ্চারসমৃদ্ধ পিংক, কোরাল, ব্রেজ রঙের ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন। লিপস্টিক যেন আপনার স্কিন টোনের সঙ্গে মানায়। চুল টেনে বাঁধুন অথবা ছোট হলে বো ড্রাই করে ছেড়ে রাখুন। পছন্দমতো খোঁপাও করতে পারেন।

কলি

হজ সামগ্রীতে ২০ শতাংশ মূলছাড়, সঙ্গে লাগেজ ও হজ গাইডসহ গিফট বক্স

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৫৯ পিএম
হজ সামগ্রীতে ২০ শতাংশ মূলছাড়, সঙ্গে লাগেজ ও হজ গাইডসহ গিফট বক্স

এবার যারা হজে যাবেন, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় হজসামগ্রী এনেছে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটের আল-ইসলাম ব্রাদার্স। এসব সামগ্রী ২০ শতাংশ ছাড়ে কেনা যাবে। তাদের ৪০টি আইটেমের একসেট হজসামগ্রী কিনলে পাওয়া যাবে বিশেষ গিফট বক্স।

 ৪০ আইটেমের প্যাকেজ ওয়ান হজসমগ্রীর দাম ৬ হাজার ৫০০, প্যাকেজ টু ৯ হাজার ৫০০, প্যাকেজ থ্রি ১৪ হাজার ৫০০ ও ভিআইপি প্যাকেজ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা। ভিআইপি প্যাকেজের সঙ্গে লাগেজ, হজ গাইডসহ বিশেষ গিফট। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হাজী মো. মহিব উল্ল্যাহ রাজু বলেন, ইন্দোনেশিয়া ও দেশীও এহরাম বাঁধার টাওয়াল ও কাপড় সেট ১ হাজার থেকে ৭ হাজার ৫০০, তুর্কি স্পেশাল টাওয়াল ও কাপড় সেট ৭ হাজার থেকে ৭ হাজার ৫০০, এহরাম বাঁধার বেল্ট ১০০ থেকে ১ হাজার।

মহিলা এহরাম সেট ৮০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০, মহিলাদের চুল বাঁধার টুপি ৫০ থেকে ১৫০, হাত মোজা ও পা মোজা ৫০ থেকে ২০০, মিনাব্যাগ ৬০ থেকে ৪৫০, পাসপোর্ট ব্যাগ ৩০ থেকে ৬০, জুতা রাখার ব্যাগ ১০ থেকে ২০, পাথর রাখার ব্যাগ ১০ থেকে ২০, প্লাস্টিক জায়নামাজ ২০০ থেকে ৩০০, কাটার বক্স ২০০ থেকে ৫০০, হজ ও ওমরাহ গাইড ২৫০, সৌদি আরবের ভ্রমণ বই ৯৬, কাঁধের ব্যাগ ৫০ থেকে ১০০, হিজাব ১৫০ থেকে ৭০০, হাওয়ার বালিশ ১৫০ থেকে ১ হাজার, বোডিং হোল্ডার ৩০০ থেকে ১ হাজার ২০০, সানক্যাপ ১০০ থেকে ২০০, পায়ের তাবেয়া ২০০, চামড়ার মোজা ৪০০ থেকে ১ হাজার, তায়াম্মুমের মাটি ৫০ থেকে ১০০, মিসওয়াক ২০ থেকে ৫০, সালোয়ার ২৫০ থেকে ৭৫০, ছাতা ১৫০ থেকে ৬০০, ছোট কোরআন শরিফ ১০০ থেকে ৪৫০ টাকা।

এ ছাড়া আছে পাঞ্জাবি, লুঙ্গি, গামছা, টাওয়াল, জুতা, টুপি, তসবি, আতর, বোরকা, গন্ধবিহীন সাবান, শ্যাম্পু, ভ্যাসলিন, রশি, লাগেজ, স্যান্ডেলসহ প্রয়োজনীয় হজসামগ্রী । কেনা যাবে পাইকারি ও খুচরা।

যোগাযোগ ০১৮৬৬৭৮০৬৭৭ এবং ০১৮২৩৮৮০১৫৮। শোরুম : ১ নং দোকান, ১ নম্বর উত্তর গেট (কোথাও শাখা নেই), বায়তুল মোকাররম, ঢাকা।

কলি

আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের কর্মশালা এবার চট্টগ্রামে

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:০৯ পিএম
আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের কর্মশালা এবার চট্টগ্রামে

ঢাকার ফ্যাশনশিল্পের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি ও নতুন মডেল তৈরির লক্ষ্যে আগামী ১ ও ২ মে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের বিশেষ কর্মশালা।

দেশের শীর্ষ গ্রুমিং প্রতিষ্ঠান আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্প (এএমটিসি) প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে কর্মশালার আয়োজন করতে যাচ্ছে। বন্দরনগরী চট্টগ্রামে এই বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে ১ ও ২ মে। মূলত ঢাকার ফ্যাশনশিল্পের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি ও নতুন মডেল তৈরির লক্ষ্যে এই কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এএমটিসির প্রধান তথা স্বনামখ্যাত মডেল, কোরিওগ্রাফার ও গ্রুমার আজরা মাহমুদ।
আজরা মাহমুদ মনে করেন, এই উদ্যোগ চট্টগ্রামের মডেলদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি পেশাদার প্রশিক্ষণেরও সুযোগ পাবে। এই কর্মশালায় যাঁরা অংশগ্রহণ করবেন, তাঁরা মডেলিং, উপস্থাপনা, মেকআপের নানা দিক সম্পর্কে অবহিত হতে পারবেন।

কোরিওগ্রাফার আজরা মাহমুদ

আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের এই উদ্যোগ কেবল চট্টগ্রামের মডেলিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্তদের দক্ষতা ও সম্ভাবনাকে বিকশিত করবে না; বরং বাংলাদেশের ফ্যাশনশিল্পে ঢাকার পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চট্টগ্রামে অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে।

আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে ফেস অব এশিয়া এবং মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের মতো মূল পর্বের শীর্ষ দশে জায়গা করে নেওয়া মডেল তৈরি করেছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ফেস অব এশিয়া এবং মিস অ্যান্ড মিস্টার সেলিব্রিটি ইন্টারন্যাশনালের জাতীয় পরিচালক হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশের ফ্যাশনশিল্পের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, মডেল, কোরিওগ্রাফার ও গ্রুমার আজরা মাহমুদের নেতৃত্বে এই গ্রুমিং প্রতিষ্ঠানটি প্রতিভাবান মডেলদের পেশাদার প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিচ্ছে। উল্লেখ্য,এই প্রতিষ্ঠানের জন্য আজরা মাহমুদ সম্মানিত হয়েছে ‘নুরুল কাদের সম্মাননা ২০২৩’–এ। আজরা মাহমুদের ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০২ সালে ইউ গট দ্য লুকে শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে।

এএমটিসির সব কর্মশালা পরিচালিত হয় অভিজ্ঞ পরামর্শদাতা ও শিল্পবিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে। সঙ্গে থাকে আজরার সার্বক্ষণিক গাইডেন্স ও যথাযথ সুযোগ-সুবিধা। ফলে এএমটিসি মডেলদের প্রতিভার পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশের পাশাপাশি তাদের স্বপ্নপূরণ করতে সহায়তা করে থাকে। এই কর্মশালায় অংশ নিতে নিবন্ধনের জন্য লগ ইন করতে হবে www.amtcbd.com-এ। দুদিনের কর্মশালার ফি ৬০০০ টাকা।

 কলি 

প্রশান্তির জন্য মেডিটেশন

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪২ পিএম
প্রশান্তির জন্য মেডিটেশন
মডেল হানি, ছবি: শরিফ মাহমুদ

আমাদের জীবন দিনে দিনে জটিল হচ্ছে। অফিস, পরিবার, রান্না, খাওয়া ছাড়াও আছে হাজার রকমের চিন্তা। সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে পৃথিবীর সবকিছু সম্পর্কে সহজে জানা সেই সঙ্গে চিন্তা-ভাবনা, চাওয়া-পাওয়ার ধরন পরিবর্তন হয়েছে। সবকিছু সহজলভ্যতার কারণে প্রত্যাশা-প্রাপ্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা। সময়ের সঙ্গে এসব মনস্তাত্ত্বিক চাপের কারণে ভেতরে তৈরি হয় অস্থিরতা। এই অস্থিরতাকে নিজের ভেতরে পুষে রাখলে ডিপ্রেশনসহ নানা মানসিক রোগের উৎপত্তি হতে পারে।

নিজের অস্থিরতাকে সংযম করতে হবে নিজের শান্তির জন্য। কাজের চাপ, ব্যস্ততায় অস্থিরতা কিছু সময়ের জন্য ভুলে থাকা গেলে ও একেবারে নির্মূল হয়ে যায় না। মানসিক অস্থিরতা দূর করার জন্য মেডিটেশন খুব কাজ দেয়। মেডিটেশন করলে বিভিন্ন সুবিধা লাভ করা সম্ভব। 

মেডিটেশনে কী কী উপকার হয় 
বাড়বে মনঃসংযোগ: মনঃসংযোগ বাড়াতে চাইলে ধ্যানের থেকে ভালো আর কিছুই হয় না। যদি আপনি কোনো কাজ নিয়ে সমস্যায় থাকেন, বুঝতে পারেন যে গভীর মনঃসংযোগ না হলে ওই কাজ সম্পন্ন হবে না, তাহলে নিয়মিত মেডিটেশন করার অভ্যাস করুন। দূর হবে অবসাদ। শুধু যে মন শান্ত, ধীরস্থির হয় বা মনঃসংযোগ বাড়ে তাই নয়, মানসিক অবসাদ দূর করতেও মেডিটেশন বা ধ্যানের গুরুত্ব অসীম। সকালবেলা কিছুক্ষণ মেডিটেশন করতে পারলে সারা দিন ফ্রেশ লাগবে আপনার।

অ্যাংজাইটি দূর করে মেডিটেশন: মানসিক অবসাদ বা চাপের পাশাপাশি অ্যাংজাইটি বা উৎকণ্ঠা বোধ দূর হয়। অনেকেই রয়েছেন সামান্য ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হয়ে যান। মেডিটেশন বা ধ্যান নিয়মিতভাবে অভ্যাসের মাধ্যমে এই উৎকণ্ঠা কমানো সম্ভব।

আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনে: আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই চরম সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এক্ষেত্রে মেডিটেশন করলে আপনি নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাও লাভ করবেন।
অন্যমনস্কতা দূর করে: অনেকের স্বভাব থাকে সবকিছু ভুলে যাওয়ার। এই অভ্যাস মারাত্মক আকার নিতে পারে। এই অমনোযোগ দূর করতেও মেডিটেশন বা ধ্যান খুব ভালোভাবে কাজ করে।

অনিদ্রার সমস্যা দূর করে: অনিদ্রার সমস্যা থাকলে সেটাও কমাবে। বলা ভালো, দূর করবে মেডিটেশনের অভ্যাস। মেডিটেশন করলে আমাদের শরীর শান্ত এবং শিথিল হয়। ফলে ভালো ঘুম হয়। শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং বিশ্রাম পাওয়া যায়।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: যেহেতু মেডিটেশন আমাদের মানবিক অনুভূতিগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এভাবে আমাদের রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করে: ব্রিদিং মেডিটেশন করলে মাইনর শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমে। মেডিটেশনে যেহেতু ব্রিদ ইন, ব্রিদ আউটের একটা অনুশীলন করা হয় তাই শ্বাসনালি পরিষ্কার ও ফুসফুস শক্তিশালী হয়।

এ ছাড়া প্যানিক অ্যাটাক, মানসিক ভীতি কম করা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মেডিটেশন। তবে আমাদের দেশে অপ্রচলিত বলে কোথা থেকে মেডিটেশন শুরু করবে, কীভাবে চালিয়ে যাবে এসব বিষয়ে ধারণা কম। মেডিটেশন করার জন্য বর্তমানে বিভিন্ন অ্যাপ প্রচলিত আছে। যেমন- ওরা, ব্রিদিং প্লাস, টেন পার্সেন্ট হ্যাপিয়ার, মাইন্ডফুলনেস উইথ পেটিট ব্যামব্যু, মাইন্ডফুলনেস অ্যাপ, স্মাইলিং মাইন্ড, ওমভানা। এগুলো সঠিক পদ্ধতিতে মেডিটেশন করতে সাহায্য করে।

কলি 

 

 

ঝটপট সুস্বাদু পাস্তা

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩৬ পিএম
ঝটপট সুস্বাদু পাস্তা

পাস্তা ছোট-বড় সবার পছন্দ। রুচিতে ভিন্নতা আনতে নাশতায় রাখতে পারেন মুখরোচক পাস্তার বিভিন্ন আইটেম। রেসিপি দিয়েছেন আফরোজা খানম মুক্তা

বাহারি পাস্তা

উপকরণ
পাস্তা ২ প্যাকেট, চিকেন ১ কাপ, ডিম ২টা, কোয়েলের ডিম ১০টা, আদা ও রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, সয়াসস ২ টেবিল চামচ, টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি, আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ফালি ৮-১০টা, লবণ স্বাদমতো, সয়াবিন তেল আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি
দুই প্যাকেট পাস্তা (দুই ডিজাইনের) ফুটন্ত পানিতে ছেড়ে ৫ মিনিট সেদ্ধ করে নিন। তারপর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন, কোয়েল পাখির ডিম সেদ্ধ করে ফুল করে কেটে রাখুন। কড়াইতে সয়াবিন তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি, ডিম, চিকেন কুচি দিয়ে সামান্য ভেজে নিন। এবার আদা ও রসুন বাটা, সয়াসস, টমেটো সস, লবণ দিয়ে কিছু সময় রান্না করুন। পরে কিছু পাস্তা দিয়ে নেড়ে কাঁচা মরিচ, ধনে পাতা কুচি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। এবার সার্ভিং ডিশে রেখে কোয়েলের ডিম ফুল করে কেটে সাজিয়ে দিন। তৈরি হয়ে গেল বাহারি পাস্তা।

প্রন স্পেশাল পাস্তা

উপকরণ
পাস্তা ১ প্যাকেট, চিংড়ি মাছ ৬টা, সয়াবিন তেল আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, সয়াসস ২ টেবিল চামচ, টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ৪ টেবিল চামচ, ওয়েস্টার সস ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, ক্যাপসিকাম হলুদ ও সবুজ ২ কাপ, লবণ স্বাদমতো, গোল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, পাস্তা মসলা ২ প্যাকেট। 

প্রণালি
পাস্তা সেদ্ধ করে ১ টেবিল চামচ সাদা তেল দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। কড়াইতে সয়াবিন তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে চিংড়ি লবণ, পাস্তা মসলা, সয়াসস, ওয়েস্টার সস, হলুদ, সবুজ ক্যাপসিকাম দিয়ে নেড়ে সেদ্ধ পাস্তা দিয়ে নিন। পরে টমেটো সস, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা কুচি দিয়ে ভালো করে নেড়ে আরও ৫ মিনিট রান্না করে গোল মরিচ গুঁড়া ছিটিয়ে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল প্রন স্পেশাল পাস্তা।

মিক্সড পাস্তা

উপকরণ 
গরুর মাংস সেদ্ধ ১ কাপ, ডিম ২টা পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, পাস্তা ১ প্যাকেট, কাঁচা মরিচ ৫/৬টা, টমেটো কুচি ২টা, সয়াবিন তেল আধা কাপ, সয়াসস ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ, আদা ও রসুন,বাটা ১চা চামচ, গোল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ। 

প্রণালি 
গরুর মাংস আদা ও রসুন বাটা আর লবণ পানি দিয়ে সেদ্ধ করে রাখুন। পরে পাস্তা সেদ্ধ করে ১ টেবিল চামচ সয়াবিন তেল দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। কড়াইতে সয়াবিন তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। এরপর ডিম ঝুরি করে ভেজে, সেদ্ধ মাংস, সয়া সস, টমেটো সস, গোল মরিচ গুঁড়া, লবণ দিয়ে ২-১ মিনিট রান্না করুন। পরে সেদ্ধ পাস্তা দিয়ে টমটো কুচি, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা কুচি, গোল মরিচ গুঁড়া দিয়ে নেডে আরও ২-৩ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল মজাদার মিক্সড পাস্তা।

কলি 

ওয়ালপেপারে বর্ণিল দেয়াল

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:১২ পিএম
ওয়ালপেপারে বর্ণিল দেয়াল

বাড়ির দেয়ালের সাজসজ্জা ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। আগে দেয়াল মানেই ছিল প্লাস্টার, ঘরে থাকত একই রঙের ব্যবহার। ধীরে ধীরে ঘরের দেয়ালে এল পরিবর্তন। দেয়ালে বৈচিত্র্য আনতে ব্যবহার করা শুরু হয় ওয়ালপেপারের। নানা রঙের ওয়ালপেপার ঘরের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। অন্দরের দেয়াল সাজাতে ওয়ালপেপার ব্যবহার নিয়ে লিখেছেন মোহাম্মদ আল আমিন

বসার ঘর
বসার ঘরে নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলতে ওয়ালপেপারের কদর বেশি। এই ঘরের জন্য ওয়ালপেপার নির্বাচন করার সময় দেয়ালের রঙ, টেক্সচার এবং আসবাবপত্রের নকশার প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। আসবাবের সঙ্গে মানিয়ে যায় এমন জ্যামিতিক ডিজাইন এবং সমৃদ্ধ রঙের প্যালেটগুলো ভালো লাগবে। হালকা রঙের কাঠের আসবাব হলে উজ্জ্বল ফিরোজা, নীল বা সবুজ ওয়ালপেপার বেছে নিতে পারেন।

এ ছাড়া ফুলেল নকশার ওয়ালপেপার এই ঘরে ভালো দেখাবে। ঘরের সিলিং ছোট বা কম হলে, হালকা রঙের ওয়ালপেপার নির্বাচন করলে ঘরটিকে বড় এবং ছাদকে উঁচু দেখাবে।এ ছাড়া ছোট ঘরকে বড় দেখাতে সাদা বা যেকোনো হালকা রঙের ব্যবহার করতে পারবেন। ঘর বড় হলে কমলা ও হলুদের মাঝামাঝি কোনো রং বেছে নিতে পারেন। তবে হিজিবিজি নকশার ওয়ালপেপার এড়িয়ে যাওয়া ভালো। বসার ঘর উজ্জ্বল দেখাতে চাইলে গ্লিটার ওয়ালপেপার ব্যবহার করতে পারেন। সোনালি বা রুপালি রঙের মেটালিক ওয়ালপেপারগুলো দিয়ে দেয়াল সাজালে বেশ সুন্দর দেখায়। 

খাবার ঘর 
খাবার ঘরে হালকা রঙের ওপর গাঢ় রঙের ফ্লোরাল নকশার ওয়ালপেপার ব্যবহার করলে ভালো। না হলে ঘর অন্ধকার ও ছোট দেখাবে। চাইলে যেকোনো একটা দেয়ালে ওয়ালপেপার লাগাতে পারেন। এ ছাড়া বেসিন লাগায়ো একটা দেয়ালে মেটালিক নকশার ওয়ালপেপার বেছে নিতে পারেন। যেহেতু ওয়ালপেপার প্রিন্টের ওপরে একটা তরল ভিনাইল আবরণ থাকে যা খুবই টেকসই হয়, এ কারণে ওয়ালপেপারগুলো সহজে পরিষ্কার করা যায়। 
বারান্দার ড্যাম্প ঢাকতে ওয়ালপেপার বেছে নিতে পারেন। চেকার বোর্ড কিংবা স্ট্রাইপের চাহিদাটা একটু বেশি। বারান্দা একটু উজ্জ্বল রঙের হলেও ওয়ালপেপার ভালো লাগে। তবে বারান্দায় আলোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকলে ভালো লাগবে। 

শোবার রুম
প্রাকৃতিক দৃশ্য আছে এমন ওয়ালপেপার বেডরুমে লাগালে ভালো হয়। তাহলে একটা সজীব অনুভূতি আসবে। সাধারণত বেডরুমে একটু হালকা আর কম নকশার ওয়ালপেপার লাগানোই ভালো। 

শিশুদের ঘর
শিশুদের ঘরে ওয়ালপেপার লাগানোর ক্ষেত্রে কার্টুনের ওয়াল পেপার বেছে নিতে পারেন। বাজারে এখন অনেক কার্টুন চরিত্রের ওয়ালপেপার পাওয়া যায়। শিশুর ঘরে কিছু লাগানোর আগে তার পছন্দ জেনে নেওয়া ভালো। এতে সে খুশি হবে, তার মানসিক বিকাশেও সাহায্য করবে। শিশুর ঘর গোলাপি রঙের হলে গোলাপি অথবা গোলাপি-সাদার মিশ্রণের ওয়ালপেপার দিয়ে সাজালে মানানসই হবে। 

দরদাম
সিল্ক,পলিয়েস্টার, ফাইবার ইত্যাদি নানা উপাদানের ওয়ালপেপার পাওয়া যায়। তবে সব থেকে বেশি দামি হলো সিল্ক ওয়ালপেপার। সাধারণত ওয়ালপেপার স্কয়ার ফুট হিসেবে কিনতে হয়। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন দামের ওয়ালপেপার রোল পাবেন। ঢাকার হাতিরপুল,এলিফ্যান্ট রোড, মহাখালী, বনানী থেকে ওয়ালপেপার কিনতে পারবেন। এ ছাড়া ঢাকার গ্রিন রোডে গ্রিন সুপার মার্কেটেও যেতে পারেন। তবে শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেট কিংবা নিজের ইচ্ছামতো বানিয়ে নিতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটেও খোঁজ নিতে পারেন।

কলি