ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী ব্যবস্থাপক (এজিএম) এস কে সাকিল আহমেদকে (৩১) বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। তিনি খুলনা সদরের আরাজী ভবানীপুরের পাইকগাছা গ্রামের শায়েক তফিল উদ্দিনের ছেলে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোজাফফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এস কে সাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগে রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। তাকে খিলক্ষেত থানায় পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে আরইবির আইন শাখার পরিচালক (প্রশাসন) মো. আরশাদ হোসেন বাদী হয়ে খিলক্ষেত থানায় মামলায় করেন। মামলায় এজিএম সাকিলসহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চার কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১-এর এজিএম প্রকৌশলী মো. জাফর সাদিক খান ও নরসিংদীর বেলাব উপ–আঞ্চলিক কার্যালয়ের লাইন টেকনিশিয়ান মো. মইনুল হাসান।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আরইবির অধীনস্থ ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সারা দেশের গ্রামাঞ্চলে ১৪ কোটি মানুষকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। গত ২৮ জানুয়ারি বিভিন্ন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারী কেন্দ্রীয় কমিটি পরিচয়ে পরস্পর যোগসাজশে জরুরি সেবা বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য দেশি ও আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে জড়িত হয় এবং বিগত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালীদের মদদে অযৌক্তিক দাবি-দাওয়ার যড়যন্ত্র করে বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
জুয়েল/সুমন/অমিয়/