ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’ আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায় সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬-২০২৭: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা গাজীপুরে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ মিছিল প্রযুক্তির অপচ্ছায়া সড়কে ‘এআই ক্যামেরা’ ও অভিনব ডিজিটাল ডাকাতি বাবা দিবসে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: আমরা কি বাবা-মাকে হারাচ্ছি, নাকি তাদের সঙ্গে সময়ের সংযোগ হারাচ্ছি! ১০ দফা দাবিতে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের মানববন্ধন সোমবার মোহভঙ্গের বাংলাদেশ: যখন বুঝলাম সর্বনাশ হয়ে গেছে অরণ্যের অন্ত্যজ কথা বরিশালে গ্রেপ্তার এড়াতে ছাদ থেকে পড়ে আ. লীগ নেতার মৃত্যু ইরান ম্যাচে বেলজিয়ামের মূল ফোকাস নিজেদের খেলায়: গার্সিয়া কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু গোপনে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বিপ্লব দেব প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র জাহাজডুবির দুঃসহ অধ্যায় শেষে দেশে ফেরা সুনামগঞ্জে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুই উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হাইড্রোলিক হর্নের অত্যাচার ও বিপন্ন জনস্বাস্থ্য ‘কমল দাদার পাঠশালায়’ আদিবাসী শিশুদের পাশে ফারুক হোসেন একটি ব্রিজের অভাবে থমকে আছে জনজীবন সামাজিক অস্থিরতায় মানবতা হত্যা: প্রতিকার কোথায়? জার্মানির জয়ের নায়ক কে এই ডেনিজ উন্দাভ? অস্ট্রেলিয়ার দাপুটে জয়ে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ বাংলাদেশে সমৃদ্ধি ও বঞ্চনার পাহাড় গ্যালাক্সি ওয়াচে যেভাবে ব্যবহার করবেন গুগল ওয়ালেট শতকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মাসুদ চৌধুরী রিমান্ডে বাজার ছিল যার ঠিকানা, পরিচয় রয়ে গেল অজানা

আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ

প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০২৪, ১০:৫৪ এএম
আপডেট: ০৯ নভেম্বর ২০২৪, ১০:৫৮ এএম
আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ
নাব্য সংকটে বন্ধ রয়েছে মানিকগঞ্জের আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল। ছবি: খবরের কাগজ

যমুনা নদীতে নাব্য সংকটের কারণে বন্ধ রয়েছে মানিকগঞ্জের আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল। 

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাত ১১টা থেকে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনা এড়াতে এই পথের ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। 

ফলে, আরিচা ও কাজিরহাট প্রান্তে পারাপারের অপেক্ষায় আছে তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক। যা এই অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।

আরিচা ফেরিঘাটে অপেক্ষমাণ চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘসময় ফেরি বন্ধ থাকায় পণ্য পরিবহনে তাদের বেশ সমস্যা হচ্ছে।

চালক আব্দুল হালিম বলেন, ‘ফেরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পণ্য সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে আমাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি হচ্ছে এবং খরচও বেড়ে যাচ্ছে।’

কাজিরহাট প্রান্তেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ট্রাকচালক আনোয়ার হোসেন জানান, পণ্য পরিবহনের সময় এভাবে বিলম্ব হওয়ায় আমাদের লাভ কমে যাচ্ছে। যাত্রাপথে ফেরিঘাটে আটকে থাকায় খাবার ও পানি সংকটে পড়েছি আমরা।

বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নদীতে পানি কমে যাওয়ায় ফেরি চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। 

এই বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা ফেরিঘাটের ম্যানেজার আবু আব্দুল্লাহ বলেন, ‘নাব্য সংকটের কারণে নদীর বিভিন্ন অংশে পানি কমে গেছে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে আমরা সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছি। তবে দ্রুত খনন কাজ চালাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।’ 

ড্রেজিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলেই ফেরি চলাচল পুনরায় চালু হবে বলে তিনি আশাবাদী।

নাব্য সংকটের কারণে গত ২ নভেম্বর রাত ১০ টার দিকে আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে সাড়ে ৩৭ ঘন্টা পর পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হয়।

আসাদ জামান/সাদিয়া নাহার/

‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৭:১৪ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশিসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

রবিবার (২১ জুন) সকালে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত পাঁচ বাংলাদেশিই সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার বাসিন্দা।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। 

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

এতে নিহত প্রবাসীরা সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বাসিন্দা। নিহতরা হলেন- গাছবাড়ি এলাকার কাদের আহমদ, আগতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন, আমরপুর গ্রামের জিবাল উদ্দিন, মাঝতালুক গ্রামের মস্তাক আহমদ এবং একই গ্রামের জুবায়ের আহমদ। কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তাদের গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

এক শোকবার্তায় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা আমাদের এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মন্ত্রী জানান, কাতারস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

রিফাত/

সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর
ছবি: খবরের কাগজ

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তবে উজানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় কয়েকটি নদীর পানি বাড়ছে। বিশেষ করে সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এ কারণে বন্যার শঙ্কা প্রকাশ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

রবিবার (২১ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলার কোনো নদীর পানি এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে সুরমা, কুশিয়ারা, গোয়াইন ও পিয়াইন নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানির সমতল বাড়ছে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্ট। সেখানে বিপদসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার হলেও সকাল ৯টায় পানির সমতল ছিল ১২ দশমিক ১৪ মিটার। অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার মাত্র ৬১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে এই পয়েন্টে পানি বেড়েছে ১২ সেন্টিমিটার। একই নদীর সিলেট পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ৯ দশমিক ৩০ মিটার। সেখানে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার। ফলে পানি এখনো বিপৎসীমার দেড় মিটারের মতো নিচে রয়েছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় কানাইঘাট এলাকায় ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা জেলার পর্যবেক্ষণাধীন পয়েন্টগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। সিলেট নগর এলাকায় একই সময়ে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২ মিলিমিটার। কুশিয়ারা নদীর পরিস্থিতি মিশ্র। শেওলা পয়েন্টে পানি বেড়েছে। সেখানে সকাল ৬টায় পানির সমতল ছিল ১১ মিটার, যা সকাল ৯টায় বেড়ে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৫০ মিটার। যদিও এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৫ মিটার।

সিলেট পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ খবরের কাগজকে বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং স্থানীয় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে সুরমা ও কুশিয়ারার কয়েকটি পয়েন্টে পানির সমতল আরও বাড়তে পারে। এ কারণে আশঙ্কা করা হচ্ছে সিলেট অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে।

রিফাত/

১০ দফা দাবিতে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের মানববন্ধন সোমবার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
১০ দফা দাবিতে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের মানববন্ধন সোমবার
ছবি: সংগৃহীত

১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশের পাঁচটি ইসলামী ধারার ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারিরা সোমবার সকালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। 

ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত জুনিয়র অফিসার আরফান উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

রবিবার (২১ জুন) বিকালে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর পুনর্বহালের দাবিতে তারা আন্দোলনে নেমেছেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে।

এতে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৫ আগস্টের পর একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর প্রভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে ব্যাপক হারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলি, আইডি ইনঅ্যাকটিভ করা, প্রশাসনিক হয়রানি এবং তথাকথিত ‘দক্ষতা মূল্যায়ন’ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারিয়েছেন, যা হাজারো পরিবারকে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।

মানববন্ধন থেকে যে দাবিসমূহ উত্থাপন করা হবে: 

১. অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধাসহ অবিলম্বে পুনর্বহাল করতে হবে।
২. দক্ষ, অভিজ্ঞ, সৎ ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন করতে হবে।
৩. ব্যাংকের সকল পর্যায়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে এবং চাকরিরত অবস্থায় প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৪. ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
৫. গ্রাহকদের আমানতের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৬. মব সৃষ্টি করে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে।
৭. ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর ব্যাংকে সংঘটিত সকল অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৮. ব্যাংকের মানবসম্পদ (এইচআর) নীতিমালা অনুসরণ না করে নিয়োগপ্রাপ্ত দলীয় ক্যাডারদের অপসারণ করতে হবে এবং সকল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
৯. শাখা ব্যবস্থাপক থেকে শুরু করে ক্যাশ অফিসার পর্যন্ত যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী কাউন্টারে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকদের অর্থ পরিশোধ না করে কৃত্রিম সংকট ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন, তাদের চিহ্নিত করে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
১০. ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম, গ্রাহকসেবা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর আইনগত পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে।

এসএন/

 

জাহাজডুবির দুঃসহ অধ্যায় শেষে দেশে ফেরা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম
জাহাজডুবির দুঃসহ অধ্যায় শেষে দেশে ফেরা
ক্যাপ্টেন শেখ মনির আহমেদ। ছবি: খবরের কাগজ

থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলে ‘এমভি সিলয়েড আর্ক‘নামক জাহাজ ডুবির ঘটনার চার মাস পনেরো দিন পর আইনি জটিলতা কাটিয়ে দেশে ফিরলেন জাহাজের মাস্টার ক্যাপ্টেন শেখ মনির আহমেদ। 

এরআগে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি দুর্ঘটনার কবলে জাহাজটি। গত ২৭ এপ্রিল জাহাজটির ১৫ জন নাবিক আদালতের মাধ্যমে মুক্তি লাভ করে ৩০ এপ্রিল ঢাকায় পৌঁছায়। তবে চলমান আইনি কার্যক্রমের কারণে ক্যাপ্টেন শেখ মনির আহমেদকে থাইল্যান্ডে অবস্থান করতে হয়েছিল। গত ১৮ জুন ক্যাপ্টেন মনির অস্থায়ী মুক্তি দেন থাইল্যান্ডের আদালত। আপিল প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় তিনি গত ১৯ জুন দেশে ফিরে আসেন। এরমধ্য দিয়ে জাহাজটিতে থাকা সকল নাবিক দেশে ফিরে এসেছেন। 

ক্যাপ্টেন শেখ মনির আহমেদ বলেন, আমাদের জাহাজ দুর্ভাগ্যজনক ডুবে যাওয়ার ঘটনার পর গত সাড়ে চার মাস ধরে কঠিন সময় অতিক্রম করতে হয়েছে। গত ১৮ জুন আদালতের মাধ্যমে আমার মুক্তির পথ সুগম হয়। ফলে আমি আমার পরিবার এবং অসুস্থ মায়ের কাছে ফিরে আসতে পেরেছি। বর্তমানে মামলার আপিল প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং থাইল্যান্ডের উচ্চতর বিচারিক কর্তৃপক্ষের নিকট মামলার পরবর্তী কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। নৌপরিবহন মন্ত্রী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর প্রতি আমার অনুরোধ, চলমান জটিল আইনি পরিস্থিতি থেকে দ্রুত মুক্তির স্বার্থে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করা হোক।

উল্লেখ্য জাহাজটি গত ৫ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাং বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। যাত্রাপথে জাহাজটি মারাত্মক ও বিপজ্জনকভাবে একদিকে কাত হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে ৭ ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলের অদূরে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর থাই কোস্টগার্ড জাহাজে অবস্থানরত ১৬ জন বাংলাদেশি নাবিককে সফলভাবে উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসে। 

ঘটনার পর থাই কর্তৃপক্ষ, জাহাজের ইনসুরেন্স কোম্পানি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজন জাহাজডুবির কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। জাহাজের সকল নাবিক তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করেন। গত ৩০ মার্চ পুলিশ তদন্তকারী কর্মকর্তা, সরকারি সার্ভেয়র এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২৭ এপ্রিল জাহাজটির অন্যান্য ১৫ জন নাবিক মুক্তি লাভ করেন এবং ৩০ এপ্রিল ঢাকায় পৌঁছে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান। তবে চলমান আইনি কার্যক্রমের কারণে ক্যাপ্টেন শেখ মনির আহমেদকে থাইল্যান্ডে অবস্থান করতে হয়েছিল।  

এসএন/

সুনামগঞ্জে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুই উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম
সুনামগঞ্জে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুই উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ছবি: খবরের কাগজ

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পানি উপচে তাহিরপুর-আনোয়ারপুর সড়ক ডুবে গেছে, ফলে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

এদিকে দোয়ারাবাজার উপজেলার খাসিমারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করায় রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এবং উজান থেকে ঢল নামায় জেলার সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো সময় পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।

আগামী আরও তিন দিন ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের সম্ভাবনা থাকায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে সীমান্ত এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি ৬৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২০ মিলিমিটার।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

দেওয়ান গিয়াস/রিফাত/