চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বহির্বিভাগের চিকিৎসা বন্ধ করে পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
বুধবার (১২ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ক্লাস বন্ধ রেখে চমেকের শিক্ষার্থীরাও এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি পালন শুরু হয়। আন্দোলনের অংশ হিসেবে একই দিন দুপুর ১২টায় মানববন্ধন শেষে সিভিল সার্জনের কাছে পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন তারা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানান, সম্প্রতি ম্যাটস, ডিএমএফ ইস্যুতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হঠকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবং পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে টানা দ্বিতীয় বারের মতো ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি এবং মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন চলছে। এতোদিন আন্দোলন চলমান থাকার পরও যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ বিক্ষোভে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজ, আইএএইচএস মেডিকেল কলেজ, সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ, বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ, মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছেন।
চমেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক মোহাম্মদ সাবিক হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, ‘বুধবার একটি দাবির রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এতে আমাদের পাঁচ দাবির একটি নিষ্পত্তি হচ্ছে। রায়ে এমবিবিএস, ডিবিএস ছাড়া অন্য কেউ নামের আগে ডাক্তার শব্দটি লিখতে পারবেন না বলা হয়েছে। এটি আমাদের একটি দাবি ছিল। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। তবে আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে।’
আউটডোর সেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভ পালনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দুপুর ১২টার দিকে আউটডোর এমনিতেই বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের আন্দোলনে রোগীদের তেমন ক্ষতি হয়নি।’