ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরসহ আশপাশের সীমান্তবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ঢলের এ পানিতে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট, পুকুর, সবজি খেত ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বানের পানিতে ভেসে গেছে বেশ কয়েকটি পুকুরের মাছ।
রবিবার সকাল থেকে স্থলবন্দর এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলা কালন্দি খাল দিয়ে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানি হু হু করে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এতে করে দক্ষিণ ইউনিয়নের আখাউড়া-আগরতলা সড়কের দুপাশের কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আবদুল্লাহপুর, বঙ্গেরচর, রহিমপুর, সাহেবনগর, মোগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া উমেদপুর, সেনারবাদী, কুসুমবাড়ি আওরারচর, ছয়ঘরিয়া, বাউতলা,নোয়াপাড়া, নিলাখাত, টানুয়াপাড়া, উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের টনকি, ইটনা, কর্নেল বাজারসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি নিম্ন এলাকা প্লাবিত হয়। ঢলের এ পানিতে নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট, পুকুর, সবজি ক্ষেত, ঘরবাড়ি তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের মৎস্য রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক মিয়া বলেন, গতরাত থেকে বন্দরের আশপাশ পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত রপ্তানিতে কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে পানি যেভাবে বাড়ছে এতে করে আখাউড়া-আগরতলা সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনজুর রহমান বলেন, হাওড়া নদীর পানি স্বাভাবিক গতিতেই বয়ে যাচ্ছে। তবে বিপৎসীমা পার করেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিএম রাশেদুল ইসলাম বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে নানা ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আকস্মিক এ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।
জুটন বনিক/সুমন/