ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ মা-বাবাকে অবহেলা করো না, জাহান্নাম নেমে আসবে পৃথিবীতে! রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার তামু ও তার সুপারহিরো বাবার গল্প বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচ ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকায় ১২তম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত আমরা শুধু কেপ ভার্দে নই, পুরো আফ্রিকার জন্য খেলছি: বুবিস্তা বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ খবরের কাগজের বাগেরহাট প্রতিনিধিকে প্রাণনাশের হুমকি আজ বিশ্ব সংগীত দিবস সৃজনশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ইতিহাসের পাতায় তিউনিসিয়া-জাপান ম্যাচ: ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০০তম লড়াই ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান স্পেনের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন এলোয় রুম: কুরাসাও গোলরক্ষকের বিশ্বরেকর্ড ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের সাম্বা সাম্বা সাম্বা, ফিরে এল সাম্বা নৃত্য ২১ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ড্রাগন-মাল্টার বাগান গড়ে সফল প্রবাসফেরত সাদেক ২১ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় কারাবন্দি এক ম্যাজিস্ট্রেট যশোরে জাপার ২৫ নেতার পদত্যাগ বগুড়ার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট নারায়ণগঞ্জের হাসপাতালে নেই জলাতঙ্কের টিকা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শতাধিক লেবার এমপি-মন্ত্রীর

উত্তরাঞ্চলে ৬০ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি

প্রকাশ: ১০ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৭ এএম
উত্তরাঞ্চলে ৬০ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি
জয়পুরহাটের হিচমী মণ্ডলপাড়ার একটি খেত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ধানগাছ কাটছেন দুই ব্যক্তি। ছবি: সাগর কুমার

সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় মন্থার প্রভাবে সৃষ্ট ঝড়-বৃষ্টিতে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমির ফসল আংশিক বা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২ লাখেরও বেশি কৃষক। সব মিলিয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে অন্তত ৬০ কোটি টাকায়।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ১ নভেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিনের ঝড়-বৃষ্টিতে রোপা আমন, সবজি, মসলা ও পান চাষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কৃষি অঞ্চলে—বগুড়া, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলায়। এ চার জেলার ক্ষতির পরিমাণই প্রায় ৩৮ কোটি টাকা।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোহেল শামসুদ্দীন ফিরোজ বলেন, ‘মন্থার প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে বগুড়া অঞ্চলের ১ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এতে ৪২ হাজার ৮১২ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যার আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৩৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু বগুড়াতেই সবজির ক্ষতি হয়েছে ৬ কোটি টাকারও বেশি। সব মিলিয়ে  ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৯ টন।’ চাষিদের করণীয় বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ধানের গাছগুলো দাঁড় করিয়ে বেঁধে দিলে ক্ষতি কম হবে। যেসব জমিতে পানি জমেছে, সেখান থেকে দ্রুত পানি বের করে দিলে ধান, সবজি ও মসলার ক্ষতি কমবে।’

শিবগঞ্জ উপজেলার ধোন্দাকলা গ্রামের কৃষক শ্রী নিৎপল এ বছর দশমিক ৪০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি চাষ করেছিলেন। প্রায় সাত হাজার চারা লাগাতে তার খরচ হয় ৬০ হাজার টাকা। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম ফুলকপি বিক্রি করে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় করব। কিন্তু বৃষ্টির কারণে পুরো খেত নষ্ট হয়ে গেছে। কোনো কপিই আর বিক্রির উপযোগী নেই।’

সদর উপজেলার মেঘাগাছা গ্রামের রবিউল ইসলাম জানান, তিনি মহাস্থান হাট থেকে পাইকারি সবজি কিনে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। তার পরিবার দশমিক ৫০ হেক্টর জমিতে গাজর, ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করেছিলেন। রবিউল বলেন, ‘বৃষ্টিতে গাজর, ফুলকপি আর বাঁধাকপির গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। আমাদের গ্রামের প্রায় সবাই ক্ষতির মুখে পড়েছে।’

নন্দীগ্রাম উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামের কৃষক আশরাফুল ইসলাম এ বছর প্রায় দুই হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ করেন। টানা বৃষ্টিতে তার খেত তলিয়ে যায়। বাধ্য হয়ে তিনি কাঁচা ধান কেটে নেন। আশরাফুল বলেন, ‘ধারণা ছিল চার টন ধান পাব, কিন্তু অপরিপক্ব হওয়ায় মিলবে হয়তো ৫০০ কেজির মতো। এক লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।’

রাজশাহী কৃষি অঞ্চলের চার জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর ও নওগাঁয়ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ৬৪৫ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে, এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ৮৯৯ জন চাষি। আর্থিক ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ১০ লাখ টাকারও বেশি।

রাজশাহীতে পানচাষিদের ক্ষতি তুলনামূলক বেশি। ২০ হেক্টর বরজের পান নষ্ট হয়ে গেছে, যার আর্থিক ক্ষতি প্রায় ২ কোটি ৮১ লাখ টাকা। বরেন্দ্র অঞ্চলের অনেক জায়গায় জমিতে পানি আটকে আছে, নুয়ে পড়েছে ধানের শিষ। ফলে শীতকালীন সবজিরও বড় ক্ষতি হয়েছে।

রংপুর কৃষি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও রংপুরে রোপা আমনসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আলু, মরিচ ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজসহ নানা ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৭৭ হেক্টর জমিতে। এতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।’

দিনাজপুর কৃষি অঞ্চল, যার অন্তর্ভুক্ত পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁ ও দিনাজপুর- তাতেও ফসলের ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। ওই অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘ঝড়-বৃষ্টিতে ফসল ক্ষতি হয়েছে ৩০৭ হেক্টর জমির, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি ২৭ লাখ টাকারও বেশি।’

তিনি জানান, আলুর জন্য খ্যাত এ অঞ্চলে কেবল আলুতেই ক্ষতি হয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার। ২৭০ টন সবজি ও ৮৯১ টন রোপা আমনও নষ্ট হয়েছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৮৭৩ টন ফসলের ক্ষতি হয়েছে । কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এবার ঝড়-বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আলু, বাঁধাকপি ও ফুলকপিতে। তবে আর্থিক দিক থেকে রোপা আমনের ক্ষতিই সবচেয়ে বড়।

উত্তরাঞ্চলের মাঠে এখনো অনেক ধান পড়ে আছে, কোথাও কোথাও জমিতে পানি আটকে রয়েছে। কৃষকরা আশঙ্কা করছেন, আবহাওয়া দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বাকি ফসলও নষ্ট হবে।

রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:১৩ এএম
রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

রংপুরে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে ধাপ জেল রোড এলাকার আরজি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশের ভবনের নিচতলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (২০ জুন)  দুপুরে রংপুর মহানগর ডিবি কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি রুমে অবস্থানরত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, রংপুর মহানগর কোতয়ালী থানার তাওরাত আকরাম, সাতগাড়া এলাকার বাধন মিয়া, ধাপ মোহাম্মদপুর এলাকার সাহেব আলী, বদরগঞ্জের তালুক দামোদরপুর এলাকার আতিকুর রহমান, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের তেলীপাড়া এলাকার হাফিজ আল মামুন ও আশরাফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের একটি নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে বলে তথ্য পাওয়া যায়। অভিযানে ১৫টি স্বাক্ষরিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, ৮টি স্বাক্ষরিত ব্ল্যাংক চেক, ৩টি জাতীয় পরিচয়পত্র, ৪টি মূল সার্টিফিকেট এবং ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি সাপ্লাই ও ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। চক্রটি প্রার্থীদের কাছ থেকে স্ট্যাম্প, চেক ও অর্থ সংগ্রহ করে প্রতারণা করে বলে জানা গেছে।

তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সেলিম/আমান

দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ রাখা ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। 

তবে এ ঘটনায় জড়িত মূল অভিযুক্ত আমির হামজা প্রকাশ মিলন (৩২) পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (২০ জুন) রাত ১১ টায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২০ জুন) টেকনাফ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পানবাজার এলাকায় টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত হাজী আব্দুল করিম মার্কেটের ‘এস এস মোবাইল মিডিয়া অ্যান্ড ডিজিটাল স্টুডিও’ নামের একটি দোকানের পেছনের অংশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে দোকানটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় দোকানের মেঝেতে রাখা ২০টি কার্টনের মধ্যে প্রতি কার্টনে ৭২ ক্যান হিসেবে মোট ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশে উৎপাদিত ‘হান্টার ৫%’ বিয়ার জব্দ করা হয়।

তবে অভিযুক্ত আমির হামজা প্রকাশ মিলন ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের অবৈধ উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিক্রির বিরুদ্ধে তাদের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অব্যাহত রয়েছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, দোকানটির মালিক সেবক পালের কাছ থেকে উপ-ভাড়া নিয়ে আমির হামজা প্রকাশ মিলন দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে বিয়ার সংরক্ষণ ও ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

মো. শাহীন/অন্তরা/

টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের
ছবি: খবরের কাগজ

বান্দরবানের দুর্গম এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থী উখ্যাইংওয়ং মারমা। তিনি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু চরম দারিদ্র্য তার উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভর্তি ও প্রাথমিক খরচের জন্য এখন তার জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।

জানা গেছে, উখ্যাইংওয়ং মারমা বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম চান্দা হেডম্যানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সীমিত আয়ের পরিবারে জন্ম নেওয়া এই শিক্ষার্থী ছোটবেলা থেকেই নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন। জীবনের অনেকটা সময় তিনি সরকারি শিশু সদনে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও তিনি কখনো শিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন থেকে সরে যাননি।

উখ্যাইংওয়ং জানান, ২০২৩ সালে ফরহাদাবাদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.৬১ অর্জন করেন। পরে ২০২৫ সালে হাটহাজারী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ধারাবাহিক এই সাফল্যের ফল হিসেবে তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধাতালিকায় ৩৫৩৯তম স্থান অর্জন করেন ও বিবিএ (মার্কেটিং) বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফি, আবাসন, যাতায়াতসহ প্রাথমিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার টাকার প্রয়োজন তার। দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এই অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই এখনো তিনি ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেননি।

কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উখ্যাইংওয়ং। তিনি বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন নিয়ে নিজের মেধা আর পরিশ্রমের ওপর ভর করে এতদূর এসেছি। কিন্তু এখন অর্থের অভাবে যদি ভর্তি হতে না পারি, তাহলে শুধু আমার নয়, আমার বাবা-মায়েরও বহুদিনের স্বপ্ন ভেঙে যাবে। আমি চাই পড়াশোনা করে সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করতে।’
 
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, উখ্যাইংওয়ং মারমার মতো মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও মানবিক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। সামান্য আর্থিক সহায়তা একটি মেধাবী তরুণের জীবন বদলে দিতে পারে ও তাকে দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।

উখ্যাইংওয়ং মারমা তার ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি, দাতা সংস্থা ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। সময়মতো প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা না হলে তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থমকে যেতে পারে।

মেধা ও ইচ্ছাশক্তি থাকা সত্ত্বেও যেন অর্থের অভাবে একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ হারিয়ে না যায়- এমনটাই প্রত্যাশা তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের।

ড্রাগন-মাল্টার বাগান গড়ে সফল প্রবাসফেরত সাদেক

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪৭ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
ড্রাগন-মাল্টার বাগান গড়ে সফল প্রবাসফেরত সাদেক
ছবি: ড্রাগন ফলসহ অন্যান্য ফলের চাষ করে সফল হয়েছেন কক্সবাজারের টেকনাফের জিনাপাড়া এলাকার জাফর সাদেক।

দীর্ঘ ১৬ বছর সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে আধুনিক ফল চাষের মাধ্যমে সফলতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জাফর সাদেক। তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের জিনাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিজের স্বপ্ন, শ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি ড্রাগন, মাল্টা, পেয়ারা ও লেবুসহ বিভিন্ন ফলের বাগান গড়ে তুলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

জানা যায়, প্রবাস থেকে ফিরে ইউটিউবে বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক ভিডিও দেখে আধুনিক ফলের বাগান গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেন সাদেক। পরে তিনি কয়েকজন শ্রমিকের সহায়তায় প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ড্রাগন ফল, মাল্টা, পেয়ারা, লেবুসহ বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা রোপণ করেন। প্রায় ১৭ মাসের নিবিড় পরিচর্যার পর বাগানে ফলন আসতে শুরু করে। বর্তমানে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই অধিকাংশ গাছে ফল ধরেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লানপাড়া এলাকায় সুফিয়া নুরিয়া মাদ্রাসার উত্তর পাশে প্রায় এক একর বর্গা নেওয়া জমিতে ড্রাগন, মাল্টা, পেয়ারা ও অন্যান্য ফলের চাষ করা হয়েছে। চারপাশে নেট বা ত্রিপল দিয়ে ঘেরা বাগানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়েছে। সারিবদ্ধভাবে রোপণ করা গাছগুলোতে এখন ফলের সমারোহ। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ বাগানটি দেখতে আসছেন। অনেকে ফল সংগ্রহও করছেন। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

দর্শনার্থী রবিউল আলম বলেন, ‘ফেসবুকে দেখে জানতে পারি টেকনাফে একজন ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে ড্রাগন, মাল্টা ও পেয়ারার বাগান গড়ে তুলেছেন। বন্ধুদের নিয়ে বাগানটি দেখতে এসেছি। বাগানটি পরিদর্শন করে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি।’

আরেক দর্শনার্থী আবদুল আজিজ বলেন, ‘টেকনাফে এমন একটি বাণিজ্যিক বাগান গড়ে উঠবে, তা কল্পনার বাইরে ছিল। টেকনাফের উর্বর মাটি এ ধরনের উদ্যোগ সফল হওয়ার বড় সম্ভাবনা তৈরি করেছে।’

বাগানের মালিক মৌলভী জাফর সাদেক জানান, প্রায় তিন কানি জমি ১০ বছরের জন্য বর্গা নিই। প্রতি কানির জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। এর পর প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা রোপণ করি। দীর্ঘ ১৭ মাস পরিচর্যার পর বাগানে ফলন আসতে শুরু করে। বর্তমানে অধিকাংশ গাছে ফল এসেছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক মাসে ড্রাগনসহ বিভিন্ন ফল বিক্রি করে তিন লাখ টাকার বেশি আয় করেছি। ড্রাগন ফল প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। আমার বাগানের সব ফলই সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত, নিরাপদ ও সুস্বাদু। আমার লক্ষ্য ছিল নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। তবে স্থানীয় অনেক মানুষ এখনো কৃষিকাজে আগ্রহ দেখান না।’

কৃষি বিভাগের সহযোগিতা প্রসঙ্গে সাদেক অভিযোগ করে জানান, কৃষি অফিস থেকে তিনি তেমন সহযোগিতা পাননি। ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা সমস্যার ভিডিও পাঠাতে বলত এবং কিছু পরামর্শ দিত। কিন্তু কখনো বাগান পরিদর্শনে আসেনি। এমনকি কৃষকদের জন্য ঘোষিত কৃষিকার্ডও এখনো হাতে পাইনি।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কৃষক জাফর সাদেকের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা তার বাগান পরিদর্শন করে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবেন। আগামী জুলাই মাস থেকে কৃষকদের মধ্যে কৃষিকার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। তখন নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সব কৃষককে কার্ড দেওয়া হবে।’

 

হাইকোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা বগুড়ার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
বগুড়ার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ
বগুড়ার মহাস্থানগড়ে ঘর তৈরি জন্য ভিত্তি তৈরির কাজ চলছে। ছবি: খবরের কাগজ

বগুড়ায় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা মহাস্থানগড়ে হাইকোর্টের রায় ও পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইন উপেক্ষা করে নির্মিত হচ্ছে রাস্তাসহ নানা ধরনের স্থায়ী অবকাঠামো। প্রাচীন অবকাঠামো ভেঙে রাস্তা ও ঘর নির্মাণের বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হলেও নির্মাণকাজ বন্ধে কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মহাস্থান মাজারসংলগ্ন এলাকায় ইটের তৈরি একটি রাস্তা তিন মাস আগে নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে সেখানকার মাজার চত্বর এলাকায় ঘর নির্মাণ চলছে। বগুড়ায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে গত ১৭ জুন জেলা প্রশাসককে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে লিখিতভাবে জানানো হলেও জেলা প্রশাসন এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘যেহেতু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে অবকাঠানো নির্মাণ হচ্ছে তাই এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৯৬৮ সালের সংশোধিত পুরাকীর্তি আইনে বলা হয়েছে–তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ধ্বংস, অঙ্গহানি, এমনকি নিদর্শনে আঁচড় কাটাও দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু আড়াই হাজার বছরের পুরোনো মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক সাইটে মাজারসংলগ্ন এলাকা খনন করে রাস্তা এবং ঘর নির্মাণ করছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

মহাস্থান মাজারসংলগ্ন এলাকায় নতুন ঘর তৈরির কাজ তদারকি করছেন স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাচ্চু। তিনি জানান, মাজারভক্ত নারী-পুরুষের জন্য এ ঘর তৈরির কাজে সহযোগিতা করছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন আর আর্থিক সহযোগিতা করছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

কত টাকা ব্যয়ে এই ঘর তৈরি হচ্ছে–প্রশ্নের উত্তরে সাইফুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, ‘সেটি আমার জানা নেই, তবে যতটুক জেনেছি পুরো টাকাই সংগ্রহ করে দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।’ এ ছাড়া মাজারে মিষ্টি বিক্রেতা মো. মাসুদ মিয়া জানান, প্রায় তিন মাস আগে মাজারসংলগ্ন এলাকায় রাস্তা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। কত টাকায় রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তরে মাসুদ মিয়া বলেন, ‘আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কাছে এ তথ্য নেই। তবে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম টাকা দিয়েছেন এতটুকুই জানি। রাস্তাটি নির্মাণ করায় উপকার হয়েছে। বৃষ্টির সময় এ রাস্তায় চলাফেরা করতে খুব কষ্ট হতো, কিন্তু এখন আর সেই সমস্যা নেই।’

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্মকর্তারা জানান, সংরক্ষিত এ প্রত্নস্থলে যেকোনো অবকাঠামো নির্মাণের আগে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার কথা থাকলেও এখানে সেটি করা হয়নি। অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনাকে অবজ্ঞা করা হয়েছে, এ ছাড়া মানা হয়নি পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইনও।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানকে হাইকোর্টের নির্দেশ ও পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করে প্রত্নস্থলে অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।

তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের রায়ের বাইরে গিয়ে কোনো অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ নেই। তাই হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ অবকাঠামো তৈরির কাজ বন্ধ করা হবে।’ কিন্তু গতকাল শনিবার ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ঘর নির্মাণের কাজ চলছে এবং কাজ বন্ধ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়নি। 

গত শতাব্দীর শেষ দিকে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের প্রত্নতাত্ত্বিকরা মহাস্থানগড়ের এই প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় খনন করে প্রায় ২ হাজার ৪০০ বছরে পুরোনো মাটির চুলাসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক নিদর্শন পান। মৌর্যপূর্ব, মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন ও মুসলিম শাসনামলের নানা ধরনের নির্দেশনার ভান্ডার এই প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা। এখানে আগে খনন করে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের চেষ্টা করলে উচ্চ আদালত সেটি বন্ধের নির্দেশ দেন। ওই মামলার রায়ে ২০১২ সালে হাইকোর্ট প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকাটি রক্ষায় বেশ কিছু নির্দেশনা দেন। ওই রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এলাকাটি রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলছে স্থানীয় প্রশাসন।