উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে মোহনলাল পলাশীর যুদ্ধে আসন্ন পরাজয় ও নিজের মৃত্যু অনিবার্য জেনেও সিরাজউদ্দৌলাকে এ কথা বলেছিলেন একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক ও অনুগত সেনাপতি হিসেবে।
পলাশীর যুদ্ধে মীর জাফর, রায়দুর্লভ, ইয়ার লুৎফ খাঁ তাদের সেনাবাহিনী নিয়ে পুতুলের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। যে কারণে বিশাল সেনাবাহিনী থাকা সত্ত্বেও নবাবকে পরাজয় বরণ করতে হয়। কিন্তু নবাবের পক্ষে দেশপ্রেমিক মোহনলাল, বদ্রে আলী প্রমুখ জীবন বাজি রেখে লড়াই করেন। যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মোহনলাল সিরাজউদ্দৌলাকে মুর্শিদাবাদে ফিরে গিয়ে সেনা সংগ্রহের পরামর্শ দেন। নবাব একাই ফিরে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে মোহনলাল ওপরের উক্তিটি করেছিলেন। কারণ তখনো চূড়ান্ত পরাজয় বাকি ছিল, শেষ শক্তি দিয়ে মোহনলাল লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন। প্রকৃত যোদ্ধা যে রণক্ষেত্র থেকে পিছু হটে না, প্রয়োজনে প্রাণ দেয়, সে বিষয়েই মোহনলাল নবাবকে জানান এবং শহিদ হতেই যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে যান।
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হয়েও দেশের স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে।
নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশীর যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় পরাজিত হয়ে রাজধানী মুর্শিদাবাদে ফিরে এসে দরবারে সমবেত জনতাকে দেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে আহ্বান করেন। নবাব জানান, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে তার এ চলে আসা পলায়ন নয়; বরং পুনর্গঠিত হয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা রক্ষার শেষ চেষ্টা করতেই তিনি এসেছেন। দেশপ্রেমিক সিরাজউদ্দৌলা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শেষবারের মতো দেশি-বিদেশি শত্রুর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি।
আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে নবাবের কাছ থেকে সেনা সংগ্রহের জন্য টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রতারকদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলা হয়েছে।
নবাব সিরাজউদ্দৌলা দেশের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইংরেজ ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উদ্বুদ্ধ করতে গেলে অনেকেই তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে সেনা সংগ্রহের কথা বলে পালিয়ে যান। এদের মধ্যে সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুর ইরিচ খাঁও ছিলেন। প্রসঙ্গত এসব শুনে নবাব জানান, সুযোগ সন্ধানী, স্বার্থপর, কাপুরুষরা চিরকাল এভাবেই পালিয়েছে। কিন্তু তাই বলে দেশপ্রেমিকের রক্তদান বৃথা যায়নি। নবাব এরপরও সবাইকে শত্রুর মোকাবিলায় দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত হতে আহ্বান জানান।
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে পলাশীর প্রান্তরে শহিদ বীর সেনাপতিদের ভূমিকা প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে।
পলাশীর প্রান্তরে মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ঘটে। নবাব যুদ্ধক্ষেত্র থেকে রাজধানীতে ফিরে অনেককে অর্থ দেন সেনা সংগ্রহের জন্য। তারাও শেষ পর্যন্ত প্রতারণা করে পালিয়ে যান। কিন্তু সুযোগ থাকলেও দেশপ্রেমিক বীর কখনো পালান না। যেমন পলাশীর প্রান্তর থেকে পালাননি বীর সেনাপতি মোহনলাল, মীর মদন, বদ্রে আলী এবং দেশপ্রেমিক যোদ্ধারা। সিরাজউদ্দৌলা সমবেত জনতার চিত্তে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগরণের উদ্দেশ্যে এসব কথা বললেও সাধারণ মানুষ সেদিন দেশপ্রেমের মর্ম বোঝেনি। অথচ পলাশীর বীররা চাইলেই বেইমানি করে অনেক সম্পদের মালিক হতে পারতেন; পারতেন নিজের জীবন বাঁচাতে।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা
কবীর
উত্তর: টুকটুক গুনগুনিয়ে গান গেয়ে উঠল কারণ পরের দিন থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হবে এবং দুদিন পর তার মামাতো ভাইবোনরা তাদের বাড়িতে আসবে। এই আনন্দে তার মনে খুশির জোয়ার বইছিল।
উত্তর: টুকটুক তার বাড়ির বাগানের কোণে ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় বিড়ালছানাটিকে দেখতে পেল।
আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
উত্তর: বিড়ালছানাটি ছিল কঙ্কালসার, কাদামাখা। আর সে কাঁপছিল এবং মনে হচ্ছিল তার একটি পা কেটে গেছে। এই অসহায় অবস্থায় বিড়ালছানাটি দেখে টুকটুকের মন ব্যথায় কেঁদে উঠল।
উত্তর: টুকটুক অত্যন্ত যত্নসহকারে বিড়ালছানাটির সেবা করেছিল। প্রথমে সে ছানাটিকে বাড়িতে এনে নরম তোয়ালে দিয়ে তার গা মুছিয়ে দিল। এরপর সে বিড়ালটির পায়ের কাটা জায়গাটা পরিষ্কার করে ওষুধ লাগিয়ে দিল। তার মা একটি ছোট পাত্রে দুধ দিলে বিড়ালছানাটি ধীরে ধীরে দুধ খেল। টুকটুকের এই আন্তরিক যত্নে বিড়ালছানাটি ক্রমেই সুস্থ ও হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠল।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা
কবীর
২০। প্রাণীর অন্ত্রে খাদ্য শোষিত হয় নিচের কোন প্রক্রিয়ায়?
ক) পরিবহন খ) ব্যাপন
গ) অভিস্রবণ ঘ) প্রস্বেদন
২১। কলয়েডধর্মী পদার্থ নিচের কোনটি?
ক) কিউটিন
খ) ভেসলিন
গ) জিলোটিন
ঘ) পলিথিন
২২। প্রস্বেদন কোন ধরনের প্রক্রিয়া?
ক) শারীরবৃত্তীয় খ) রাসায়নিক
গ) ভৌত ঘ) জটিল
২৩। নিচের কোন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে?
ক) ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায়
খ) ব্যাপন প্রক্রিয়ায়
গ) অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায়
ঘ) প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায়
২৪। কোনটি পাতায় তৈরি খাদ্য পরিবহন করে?
ক) কিউটিকল
খ) জাইলেম টিস্যু
গ) ফ্লোয়েম টিস্যু
ঘ) কোষপ্রাচীর
২৫। উদ্ভিদের পরিবহন পথ নিচের কোনটি?
ক) জাইলেম
খ) ফ্লোয়েম
গ) কিউটিকল
ঘ) জাইলেম ও ফ্লোয়েম
২৬। পেপারোমিয়া কীসের নাম?
ক) বৃক্ষের খ) প্রাণীর
গ) ওষুধের ঘ) বসতির
উত্তর: ২০. গ, ২১. গ, ২২. ক, ২৩. ঘ, ২৪. খ, ২৫. ঘ, ২৬ ক।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ
কবীর
২৫. নিচের কোন বিষয়টি জলবায়ু বিদ্যার অন্তর্ভুক্ত নয়?
ক) বায়ুপ্রবাহ খ) বায়ু চাপ
গ) সমুদ্র স্রোত ঘ) ঘূর্ণিবাত
২৬. বৃষ্টিপাত প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
ক) ভূমিরূপে খ) সমুদ্র বিদ্যায়
গ) জীব ভূগোলে ঘ) জলবায়ু বিদ্যায়
২৭. নদীর উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন বিদ্যার মধ্যে পড়ে?
ক) ভূমিরূপ বিদ্যায় খ) জলবায়ু বিদ্যায়
গ) সমুদ্র বিদ্যায় ঘ) জীবমণ্ডল
২৮. ‘পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রাকৃতিক ভূচিত্রাবলির বিজ্ঞানসম্মত পাঠই হলো প্রাকৃতিক ভূগোল।’ এটি কার সংজ্ঞা?
ক) রিচার্ড হার্টশোর্নের
খ) ফ্রেডরিথ র্যাটজেলের
গ) American Heritage Science Dictionary-র
ঘ) ফেরেলের
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।
‘ক’ শাখাটি ভূ-অভ্যন্তরের গঠন ও উপাদান, খনিজ ও শিলা, পর্বত, সমভূমি, মালভূমি প্রভৃতি বিষয় নিয়ে কাজ করে। এ শাখা অধ্যয়ন করলে ওই বিষয়গুলো বিস্তারিত জানা যায়।
২৯. ‘ক’ শাখা বলতে উদ্দীপকে নিচের কোনটি নির্দেশ করা হয়েছে?
ক) জলবায়ুবিদ্যা খ) ভূমিরূপবিদ্যা
গ) সমুদ্র ভূগোল ঘ) জীব ভূগোল
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৩০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।
‘ক’ শাখাটি ভূ-অভ্যন্তরের গঠন ও উপাদান, খনিজ ও শিলা, পর্বত, সমভূমি, মালভূমি প্রভৃতি বিষয় নিয়ে কাজ করে। এ শাখায় অধ্যয়ন করলে ওই বিষয়গুলো বিস্তারিত জানা যায়।
৩০. ওপরের উদ্দীপকে বর্ণিত ‘ক’ শাখায় অন্যান্য যে বিষয় আলোচিত হয়-
i. ভূমিকম্প
ii. নদীর উৎপত্তি
iii. জলবায়ু
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) ii ও iii
গ) i ও iii ঘ) i, ii ও iii
আরো পড়ুন : প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
৩১. নিচের কোনটি প্রাকৃতিক ভূগোলের মূল আলোচ্য বিষয়?
ক) পৃথিবীর বর্ণনা খ) পরিবেশ ও প্রকৃতি
গ) পৃথিবীর জন্ম ঘ) খনিজ সম্পদ
৩২. একটি বিষয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি বারবার পরিবর্তিত হয়েছে। ওই বিষয়টি কী?
ক) জলবায়ু খ) পরিবেশ
গ) সময় ঘ) স্থান
৩৩. মহাকাশ ও মহাজাগতিক বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হয় ভূগোলের কোন শাখায়?
ক) জ্যোতির্বিদ্যায় খ) মানচিত্রাঙ্কন বিদ্যায়
গ) মহাকাশ বিদ্যায় ঘ) আবহাওয়া বিদ্যায়
নিচের চিত্রটি লক্ষ করে ৩৪ ও ৩৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।
৩৪। চিত্রে A, B, C মণ্ডল তিনটির পারস্পরিক সম্পর্ক আলোচনা করা হয় কোন ভূগোলে?
ক) প্রাকৃতিক ভূগোলে খ) গাণিতিক ভূগোলে
গ) আঞ্চলিক ভূগোলে ঘ) রাজনৈতিক ভূগোলে
৩৫। ওপরের চিত্রের জীবমণ্ডল নির্ভরশীল-
i. A মণ্ডলের ওপর
ii. B মণ্ডলের ওপর
iii. C মণ্ডলের ওপর
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii
গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
উত্তর: ২৫. গ, ২৬. ঘ, ২৭. ক, ২৮. গ, ২৯.খ, ৩০. ক, ৩১. গ, ৩২.খ, ৩৩. ক, ৩৪. ক, ৩৫. ঘ।
লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
কবীর