ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন
Nagad desktop

Gender Discrimination বিষয়ক Writing Paragraph, ২৫তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
Gender Discrimination বিষয়ক Writing Paragraph, ২৫তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
লিঙ্গ বৈষম্য বলতে এমন মনোভাব, অভিব্যক্তি এবং ক্রিয়াকলাপ বোঝায় যা মানুষের মধ্যে পুরুষ ও নারী হিসাবে পার্থক্য করে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

Gender Discrimination

Gender Discrimination is a common matter in our country. Gender Discrimination refers to attitudes, expressions and actions that differentiate human beings as men and women, primarily, in respect of their biological identity. A human being is born free. That is to say, an individual has right to have a free life. But the traditional customs, beliefs and systems of our society neglect women’s right. From the ancient period our society is male dominated. So naturally males exercise control over the female. Gender Discrimination in Bangladesh begins at birth. The birth of a female child is not regarded as a happy event in our country. She is regarded as a liability and parents think that she has come to add to their misery. Her parents always think of getting her married off even before she attains physical and mental maturity. The status and security of women in their husbands houses depend on the dowry. If the expected dowry is not given, the members of the husbands family torture her and

আরো পড়ুন : How Education Makes You Competitive in Present World বিষয়ক Writing Paragraph, ২৪তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

sometimes in extreme cases, she may be killed. In most of the families, women do not play any role in decision-making. They are confined to household chores. Traditionally low priority is given to female education in our society. It is found that the female students are 24.5 percent as against 75.5 percent male students in the university level. The proportion of employed women is much lower than that of women. Even the employed women have to do household works. Women constitute half of our total population. Without their participation in the economic activities, no development of our country is possible. So, we should make the women well educated and self-reliant.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

How to learn English বিষয়ক Writing Paragraph, ৩০তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
How to learn English বিষয়ক Writing Paragraph, ৩০তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

How to learn English

Now English is used all over the world as a medium of communication. So, we must learn English to keep pace with the world. Many students of our country face various problems in learning English well. Here are given some suggestions about how to learn English. Firstly, a student should study all sorts of grammar and translation books. This will help him/her speak and write correct English. Secondly, he/she should read all sorts of English books, newspapers and magazines. It will help him/her internalize grammar and structures from reading. Thus he/she can develop the stock of vocabulary. Thirdly, he/she should listen

আরো পড়ুন : E-mail বিষয়ক Writing Paragraph, ২৯তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

to English on BBC and CNN programs and watch English films. This will help him/her use English correctly while speaking. Fourthly, he/she should practice writing English daily. For this, he/she can keep a diary and write a few pages every day. Thus his/her writing capacity will be improved. Finally, he/she must have the habit of speaking English in day-to-day life. He/she should give up shyness and should try to have lots of conversations with people. At first, he/she may not speak correctly but he/she maintain the continuity of speaking English. If a person follows the above methods, he/she will be able to read, write and speak English well.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
স্থলজ উদ্ভিদ। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন: জলজ প্রাণীদের কী ধরনের অভিযোজন ঘটে?

উত্তর: জলজ প্রাণীদের দেহ পানির পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত। এদের দেহ সাধারণত চ্যাপ্টা ও মসৃণ হয়, যাতে সহজে পানিতে চলাচল করতে পারে। জলজ প্রাণীদের পাখনা ও লেজ সাঁতার কাটতে সাহায্য করে এবং এরা ফুলকার মাধ্যমে পানিতে থাকা অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বাসকার্য চালায়।

প্রশ্ন: স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

উত্তর: স্থলজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য-
i. কাণ্ড শক্ত, মোটা ও দৃঢ় হয়, যা গাছকে মাটিতে সোজা করে দাঁড়িয়ে থাকতে সাহায্য করে।
ii. মূল মাটির গভীরে বিস্তৃত এবং শাখা-প্রশাখাযুক্ত হয়, ফলে গাছ সহজে উপড়ে যায় না।
iii. পাতাগুলো সাধারণত প্রশস্ত হয়, যাতে সূর্যালোক ভালোভাবে গ্রহণ করা যায়।
iv. শীতকালে অনেক উদ্ভিদ পানি সংরক্ষণের জন্য পাতা ঝরিয়ে ফেলে।
v. বনজ পরিবেশের উদ্ভিদ সাধারণত লম্বা ও বৃহৎ আকৃতির হয়।

আরো পড়ুন : জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

স্থলজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্য-
i. শ্বাসগ্রহণের জন্য এদের শক্তিশালী ফুসফুস থাকে।
ii. চলাচলের জন্য পা শক্ত ও উপযোগী গঠনের হয়।
iii. শিকারি প্রাণীদের ধারাল দাঁত ও নখর থাকে, যা শিকার ধরতে সাহায্য করে।
iv. অনেক প্রাণী আত্মরক্ষার জন্য পরিবেশের রং ধারণ করতে পারে।
v. পাখিদের ডানা, হালকা দেহ ও বায়ুথলি থলি থাকে, যা তাদের উড়তে সহায়তা করে।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক, বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১২তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৫৩ এএম
অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১২তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষক লেকচার দিচ্ছেন, শিক্ষার্থীরা তা শুনছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

গল্প : অতিথির স্মৃতি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৫৭। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্প অবলম্বনে মানবেতর প্রাণী সম্পর্কে আমাদের মনে যে ধারণার উদ্ভব হয়-
(ক) এ ধরনের প্রাণীরা নিরীহ প্রকৃতির হয়
(খ) এ ধরনের প্রাণীরা উপোস করে দিন কাটায়
(গ) এ ধরনের প্রাণীদের অন্য প্রাণীদের ওপর নির্ভর করতে হয়
(ঘ) এ ধরনের প্রাণীরা মানুষের সহানুভূতি চায়

৫৮। অতিথি গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে-
i. লেখকের সঙ্গে দেখা করার জন্য
ii. লেখকের মনের ভাব বোঝার জন্য
iii. লেখকের সঙ্গে মমতার সম্পর্কের জন্য
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) ii           (খ) iii 
(গ) i ও iii     (ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন : অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১১তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৫৯ ও ৬০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

সোহেল ও কামাল একই শ্রেণিতে পড়ে। তারা ও তাদের বাবা মিলে একটি পশুপাখির দোকানে গেল এবং একটি পাখি কিনে আনল। পথে দেখতে পেল একটি কুকুর মরে পড়ে আছে। এতে চারপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। তারা বিদ্যালয়ে প্রাণীর সৎকার বিষয়ে পড়েছিল। তাই তারা ও তাদের কয়েকজন বন্ধু মিলে মৃত কুকুরটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করল। শোনা যায় খাবার না পেয়ে কুকুরটি মারা যায়। 

৫৯। ওপরের উদ্দীপকের সঙ্গে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের নিচের কোনটি মিল আছে-
i. লেখকের     
ii. অতিথির 
iii. কুকুরের
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i ও ii     (খ) ii ও iii 
(গ) i ও iii     (ঘ) i, ii ও iii

৬০। উদ্দীপক ও ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্প পড়ে আমরা কোন বিষয়গুলো বুঝতে পারি? 
(ক) সব সৃষ্টিই একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল
(খ) প্রাণীরাও মানুষের মতো ক্ষিপ্ত হয়
(গ) প্রাণীরা শুধু খাবার গ্রহণের মাধ্যমেই বেঁচে থাকে না
(ঘ) প্রাণীদের প্রতিও যত্নশীল হওয়া উচিত

উত্তর: ৫৭. ঘ, ৫৮ খ, ৫৯. ঘ, ৬০. ঘ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
ভিজুয়াল বেসিক আবিষ্কার করেন মাইক্রোসফট কোম্পানি। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৪১. ভিজুয়াল বেসিক আবিষ্কার করেন কে?
ক. জর্ন স্ট্রাউস্ট্রপ                 খ. গিডো ভান রসাম     
গ. আইবিএম কোম্পানি        ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৪২. ক্যাশ মেমোরির বৈশিষ্ট্য হলো-
i. রেজিস্টারের চেয়ে আকারে বড় 
ii. রেজিস্টারের তুলনায় বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে 
iii. রেজিস্টারের তুলনায় গতি কম 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৪৩. একাধিক প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি মিলে কী তৈরি হয়?
ক. হার্ডওয়্যার      খ. সফটওয়্যার 
গ. প্রোগ্রাম          ঘ. ফার্মওয়্যার

৪৪. প্রথম আবিষ্কৃত কম্পিউটারে প্রোগ্রাম লেখা হতো কী দিয়ে?
ক. ০ ও ২ দিয়ে     খ. ০ ও ১ দিয়ে 
গ. ০ ও ৩ দিয়ে     ঘ. ০ ও ৯ দিয়ে

৪৫. কম্পিউটার প্রসেসর কোন পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন হিসাব করে? 
ক. অক্টাল      খ. ডেসিমেল 
গ. বাইনারি     ঘ. হেক্সাডেসিমেল

৪৬. নিচের কোনগুলো বাইনারি পদ্ধতির অঙ্ক?
ক. 1 ও 0     খ. 1 ও 8 
গ. 1 ও E     ঘ. 0 ও 7

৪৭. কোনটি বাইনারি অঙ্ক ব্যবহার করে বিশেষ সংকেত তৈরি করে?
ক. প্রোগ্রাম     খ. প্রসেসর 
গ. মেশিন       ঘ. রেজিস্টার

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৪৮. অ্যাসেম্বলি ও উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যবর্তী ভাষাকে কী বলে?
ক. অতি উচ্চ স্তরের ভাষা 
খ. মধ্যম স্তরের ভাষা 
গ. নিম্নমধ্য স্তরের ভাষা 
ঘ. অতি নিম্ন স্তরের ভাষা

৪৯. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা           খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. উচ্চ স্তরের ভাষা     ঘ. নিম্ন স্তরের ভাষা

৫০. প্রথম প্রজন্মের ভাষা নিচের কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা           খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. নিম্ন স্তরের ভাষা     ঘ. উচ্চ স্তরের ভাষা

৫১. ‘C’ প্রোগ্রামিং ভাষাটি কে প্রথম তৈরি করেন? 
ক. ডেনিস রিচি     খ. জর্ন স্ট্রাউস্ট্রপ 
গ. বিল গেটস        ঘ. স্টিভ জবস

৫২. লাইব্রেরি ফাংশন হচ্ছে-
i. আগে থেকে তৈরি করা বিভিন্ন বিষয়বস্তু 
ii. এক ধরনের বিশেষ স্টেটমেন্ট 
iii. শুধু গাণিতিক কাজে ব্যবহারযোগ্য নির্দেশ 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৫৩. ‘কম্পাইলার’ ও ‘ইন্টারপ্রেটার’ এর মধ্যে পার্থক্য হলো-
i. প্রোগ্রামটি অনুবাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
ii. কাজের গতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
iii. ভুল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৫৪. কোন কোম্পানি ১৯৯১ সালে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষার সূচনা করে?
ক. মাইক্রোসফট কোম্পানি 
খ. সান মাইক্রো সিস্টেম 
গ. অ্যাডোবি সিস্টেম 
ঘ. অ্যাপল কোম্পানি

উত্তর: ৪১. ঘ, ৪২. ঘ, ৪৩. খ, ৪৪. খ, ৪৫. ক, ৪৬. ক, ৪৭. খ, ৪৮. খ, ৪৯. খ, ৫০. ক, ৫১. ক, ৫২. ক, ৫৩. ঘ, ৫৪. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলা। ছবি- সংগৃহীত

নাটক : সিরাজউদ্‌দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে ফরাসিরা আর ইংরেজরা অর্থাৎ বিদেশি বেনিয়ারা যে এ দেশে এসেছে মূলত বাণিজ্য করার নামে অবাধলুণ্ঠন করতে, সিরাজউদ্‌দৌলা সে প্রসঙ্গেই এ কথা বলেছেন।
ইংরেজরা নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার নিষেধ সত্ত্বে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের নির্মাণকাজ চালিয়ে যান। ইংরেজদের এই নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে নবাব ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ দখল করে নেন এবং ওয়াটস ও হলওয়েলকে বন্দি করেন। বন্দিদের কাছে নবাবের নির্দেশ অমান্যের কারণ জানতে চাইলে হলওয়েল জানায়, তারা ফরাসিদের কাছ থেকে আত্মরক্ষার জন্য দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। হলওয়েলের এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে নবাব কটাক্ষ করে ওপরের উক্তিটি করেছেন। ফরাসিরা ডাকাত হলে ইংরেজরাও নিশ্চয় ভালো কিছু নয়, সেটি নবাব ভালোই জানতেন।

প্রশ্ন: ‘ইংরেজদের আধিপত্য অত সহজেই মুছে যাবে নাকি?’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে ড্রেকের এই উক্তিটি দিয়ে ইংরেজদের সুকৌশলী কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। 
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার তাড়া খেয়ে ইংরেজরা কলকাতা দুর্গ ছেড়ে পালায়। তারা ভাগীরথী নদীতে ভাঙা ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে আশ্রয় নিলে সেখানে খাদ্য-বস্ত্রের সংকট দেখা দেয়। জুনিয়র অফিসার মার্টিন ও হ্যারি তাদের দুরবস্থার জন্য ড্রেককে দায়ী করেন। তখন ড্রেক দাম্ভিকতার সঙ্গে ইংরেজদের আধিপত্যের স্থায়িত্বের কথা বলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। গভর্নর ড্রেক ঠিকই জানতেন ইংরেজরা এত সহজে কলকাতা থেকে যাবে না; এমনকি আবারও কলকাতায় ফিরে আসবেন, দখলদারত্ব বজায় রাখবেন। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘ওর লোভের অন্ত নেই।’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে উমিচাঁদের লোভী মানসিকতা প্রসঙ্গে গভর্নর রজার ড্রেক ওপরের উক্তিটি করেছেন।
ব্যক্তিত্বহীন উমিচাঁদ ছিলেন প্রচণ্ড অর্থলোভী একজন মানুষ। অর্থের বিনিময়ে তিনি ইংরেজদের পক্ষে সব কাজ করার আগ্রহের কথা জানান; আবার অর্থ পেলে তলে তলে নবাবের হয়েও কথা বলেন। তার এ সবকিছু অর্থ উপার্জনের কৌশল মাত্র। ইংরেজদের কলকাতায় ব্যবসা করার জন্য মানিকচাঁদের হুকুমনামা আনতে উমিচাঁদ মধ্যস্বত্বভোগীর কাজ করেন। মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক দাবি করেন ড্রেকের কাছে। উমিচাঁদের এমন স্বভাব নতুন কিছু নয়, সে প্রসঙ্গেই ড্রেক কথাটি বলেছিলেন।

প্রশ্ন: ‘শওকতজঙ্গ নবাব হলে সবার উদ্দেশ্য হাসিল হবে’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটক থেকে জানা যায় শওকতজঙ্গ ঘসেটি বেগমের আস্থাভাজন হওয়ায় সে নবাব হলে ষড়যন্ত্রকারীদের স্বার্থসিদ্ধি ঘটবে, ওয়াটসের উক্তিতে এ কথা বিশেষভাবে প্রকাশ হয়েছে। 
আলীবর্দী খাঁ’র মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন তার দৌহিত্র সিরাজউদ্‌দৌলা। কিন্তু খালা ঘসেটি বেগমসহ অন্য চক্রান্তকারীরা এটি মেনে নিতে পারেননি। তারা সিরাজউদ্‌দৌলার খালাতো ভাই শওকতজঙ্গকেই যোগ্য উত্তরাধিকারী মনে করেন। কেননা, সিরাজউদ্‌দৌলা নবাব হওয়ায় তাদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থে-প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। ফলে ঘসেটি বেগমের পুত্র শওকতজঙ্গকে নবাব বানাতে পারলে নিজেদের স্বেচ্ছাচারিতায় কোনো অন্তরায় থাকবে না বলে মনে করে ষড়যন্ত্রকারীরা। এ কথা উমিচাঁদের চিঠিতে উল্লেখ থাকায় ড্রেক উচ্ছ্বসিত হয়ে বিষয়টি সবাইকে জানান।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর