যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে করা ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফল জালিয়াতি চেষ্টার মামলা খারিজ করেছে দেশটির আদালত। গত সোমবার এই আদেশ দেন বিচারক তানিয়া চুটকান। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই ফৌজদারি মামলাটি করেছিলেন বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথ। বিচার বিভাগের একটি আইন যা বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিচার নিষিদ্ধ করে, এটিকে সামনে রেখে স্মিথ নিজেই আদালতে অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে বিচারক তানিয়া ‘পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই’ মামলাটি খারিজ করেছেন। যার অর্থ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষে মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত করা যাবে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদ শেষে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে সাবেক পর্নতারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। তবে ট্রাম্প এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি বলেন, ‘মামলাগুলো ভিত্তিহীন ও আইনহীন। এসব কখনো সামনে আনাই উচিত ছিল না। যে মামলাগুলো হয়েছে তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। এটি আমাদের দেশের ইতিহাসে কিছু বাজে দৃষ্টান্ত।’
ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে চলা জেডি ভ্যান্সও মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘ট্রাম্প যদি নির্বাচনে হেরে যেতেন, তা হলে তাকে হয়তো জীবনের বাকি সময় কারাগারে কাটাতে হতো।’
‘ট্রাম্প বসার আগেই ক্যাম্পাসে এসে পড়ো’
জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে আসার আগেই বিদশি শিক্ষার্থীদের দ্রুত ক্যাম্পাসে চলে আসার জন্য মেইল করতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ট্রাম্পের জয়ের পর থেকেই অভিবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। এর মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হঠাৎ দেওয়া সতর্কবার্তা অনেককে আরও বেশি চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো ডেনভারের অধ্যাপক ক্লোই ইস্ট জানিয়েছেন, অভিবাসননীতির কঠোরতার আশঙ্কায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। সূত্র: বিবিসি