কাজাখস্তানে আজারবাইজান অ্যায়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্তের তদন্তে মতভেদ দেখা দিয়েছে। ‘ভুলবশত’ রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি ড্রোনের আঘাতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মত এক পক্ষের।
বুধবারের (২৫ ডিসেম্বর) এই দুর্ঘটনায় ৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
আজারবাইজানের তদন্ত কমিটির সন্দেহ, রাশিয়ার পান্তসির-এস প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির সরকারপন্থি সংবাদমাধ্যম ক্যালিবারও এই তথ্য সমর্থন করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনেও একই দাবি করা হচ্ছে।
তবে পুতিনের প্রেস সচিব দিমিত্রি পেসকভ এই বক্তব্য প্রত্যাখান করেছেন।
তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসার আগ পর্যন্ত এ ধরণের ‘গুজব’ বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে বিমান নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অসপ্রে ফ্লাইট সলিউশনসের বিশ্বাস, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ‘ভুলবশত’ আজারবাইজান অ্যায়ারলাইন্সের বিমানটিতে আঘাত করেছে।
দুর্ঘটনার সময় বিমানটির গন্তব্যস্থল রাশিয়ার গ্রজনি শহরে ড্রোন হামলা চলছিল।
মস্কোর বক্তব্যে পাখির পালের কারণে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বলা হলেও, ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে বিমানটির জ্বালানি মজুদের বাক্সে ছিদ্র খুজে পেয়েছে অসপ্রে ফ্লাইট সলিউশনসের দল।
রাশিয়ার বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ হেনরিক গ্রসবংগার্টও। বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা তার।
বেশিরভাগ বিশ্লেষকই মনে করেন, পাখির পাল বিমানে আঘাত করলেও উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারায় না।
গন্তব্যস্থল গ্রজনি শহর থেকে ২৬০ মাইল দূরে কাজাখস্তানের আতকাউ শহরে বুধবার দুর্ঘটনাটি ঘটে।
বিমানটির প্রস্তুতকারক এমব্রায়ের তদন্ত কার্যক্রমে কাজাখস্তান কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে। দ্য: নিউ ইয়র্ক টাইমস
নাইমুর/