ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছেন। নিহত তিনজনই হিজবুল মুজাহিদীনের সদস্য। তবে এখনো তাদের পরিচয় পুলিশ নিশ্চিত করেনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকালে পুলওয়ামা জেলার নাদার ত্রাল এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।
সূত্র জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী পুলওয়ামার আওয়ান্টিপোরা এলাকার নাদার ত্রালে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর ঘেরাও করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে।
এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, দক্ষিণ কাশ্মীরের আওয়ান্টিপোরায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়।
কাশ্মীর পুলিশ এক্স-এ এক পোস্টে জানায়, ‘আওয়ান্টিপোরার নাদার ত্রাল এলাকায় এনকাউন্টার শুরু হয়েছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’
এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তল্লাশির সময় জঙ্গিরা গুলি চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিনার কর্পস এক্স-এ জানায়, ‘গোয়েন্দা সংস্থার নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং শ্রীনগর সেক্টর সিআরপিএফ মিলে নাদার, ত্রাল, আওয়ান্টিপোরায় ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান শুরু করে। সেনারা সন্দেহজনক তৎপরতা দেখতে পেলে জঙ্গিরা ভারী অস্ত্র দিয়ে গুলি ছোঁড়ে।’
এর দুই দিন আগে দক্ষিণ কাশ্মীরের শোপিয়ানে তিন লস্কর-ই-তইয়েবার জঙ্গিকে হত্যা করা হয়।
শোপিয়ান জেলার কেলারের শুকরু বনাঞ্চলে ওই তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়। ‘অপারেশন কেলার’-এর সময় ভারতীয় সেনাবাহিনী বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে।
এক ভিডিওতে দেখা যায়, নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে একাধিক রাইফেল, গ্রেনেড, গুলি, ব্যাকপ্যাক ও মানিব্যাগ উদ্ধার করা হয়।
অপারেশন কেলার কী?
অপারেশন সিঁদুর শুরু হয় ৭ মে পাকিস্তান-সমর্থিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে, আর অপারেশন কেলার শুরু হয় ১৩ মে জম্মু ও কাশ্মীরের শোপিয়ানে জঙ্গিদের উপস্থিতির সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
অমিয়/