নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত কঠিন জ্বালানির ‘প্রলয়’ নামে কোয়াসি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের দুটি টানা পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে ভারত।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ভারত সরকার এ ঘোষণা করেছে। ২৮ ও ২৯ জুলাই ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) ওড়িশার উপকূলে এ ক্ষেপণাস্ত্র দুটি উৎক্ষেপণ করে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'ব্যবহারকারী মূল্যায়ন পরীক্ষার অংশ হিসেবে ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পাল্লার কার্যকারিতা যাচাই করার জন্য এই ফ্লাইট টেস্ট পরিচালিত হয়। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নির্ভুলভাবে নির্ধারিত পথে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে এবং সব পরীক্ষামূলক উদ্দেশ্য পূরণ করে।'
বিবৃতিতে জানানো হয়, “ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতিটি উপ-ব্যবস্থা প্রত্যাশানুযায়ী কাজ করেছে।”
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, 'প্রলয়' সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একটি কঠিন জ্বালানির কোয়াসি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যাতে রয়েছে আধুনিক নির্দেশনা ও ন্যাভিগেশন প্রযুক্তি, যা উচ্চমাত্রার নিখুঁততা নিশ্চিত করে। এটি বিভিন্ন ধরনের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য একাধিক ধরনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, 'এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতায় আরও নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধে কৌশলগত সহায়তা প্রদান করবে।'
চলতি জুলাই মাসে ভারত একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। এর আগে ১৭ জুলাই দুইটি স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়া লাদাখ অঞ্চলে উচ্চমাত্রার উচ্চতায় দুটি হাই-স্পিড ড্রোন লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করে ভারতের আকাশ প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।
পরীক্ষাগুলো ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও আধুনিক ও প্রস্তুত রাখার প্রমাণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। সূত্র: আনাদোলূ অ্যাজেন্সি
মেহেদী/