লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে থাকা অ্যাডমিরাল অ্যালভিন হোলসি প্রায় দুই বছর আগেই অবসরে যাচ্ছেন। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। ভেনেজুয়েলার সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝে প্রভাবশালী এই অ্যাডমিরালের পদত্যাগ নিয়ে নানান ধরণের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
রয়টার্সকে তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং ঘটনা সম্পর্কে অবগত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, হোলসিকে পদত্যাগে বাধ্য করেছেন প্রতিরক্ষা দফতরের (পেন্টাগন) প্রধান পিট হেগসেথ।
দুই কর্মকর্তা জানান, হেগসেথ অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক পরিকল্পনা ও অভিযান জোরদার করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সাউদার্ন কমান্ডের কার্যক্রমে তিনি হতাশ ছিলেন।
আরেকজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, হোলসিকে বরখাস্ত করা হবে কি না, এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয় তার পদত্যাগ ঘোষণার প্রায় দুই সপ্তাহ আগে।
এদিকে, হোলসি প্রকাশ্যে তার আগাম অবসরের কারণ জানাননি।
কিছু কর্মকর্তা ধারণা করছেন, ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মাদক সন্দেহভাজন নৌকায় সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার বিরোধিতা করেছিলেন তিনি।
তবে গত মঙ্গলবার আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে হোলসি জানান, তার সিদ্ধান্ত কমান্ড এরিয়ায় চলমান সামরিক অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এ তথ্য পলিটিকো-তে প্রকাশিত রিপাবলিকান এমপি মাইক রজার্সের মন্তব্য থেকে জানা গেছে।
শুক্রবার সকালে হোলসির পদে সাময়িকভাবে দায়িত্ব নেবেন তার ডেপুটি বিমানবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইভান পেটাস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন কমান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে কাজ করবেন।
ঘটনা সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোলসির স্থায়ী উত্তরসূরি হিসেবে স্পেশাল অপারেশন্স কমান্ডের ভাইস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফ্রাঙ্ক ডোনোভানকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবছেন, যদিও সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
সুলতানা দিনা/