ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও থামেনি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬ হরিণাকুণ্ডুতে আ.লীগ–বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৬ ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সাঈদা শম্পার ‘মন বোঝে না’ চট্টগ্রামে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর ‘বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’ প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমান কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা! প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’ নায়িকা ববির কথিত স্বামী আবুল বাশার গ্রেপ্তার সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার সম্পর্কের পর বিয়ে হয়নি বলে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রায় কোর্টের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র খোলা ড্রামে ভোজ্যতেল: ভোক্তার অধিকার কোথায়? আগস্টের মধ্যেই ঢাকা-পাবনা রুটে সরাসরি ট্রেন: নৌপরিবহনমন্ত্রী গাজী গিয়াস উদ্দিনকে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার প্রদান তীব্র তাপপ্রবাহে করণীয় আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করুন নিত্যপণ্যের দামে কোনো চাপ নেই, বাজেট জনবান্ধব: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৭ মৃত্যু ছত্রিশ-চব্বিশের পরকীয়া নিয়ে তুলকালাম মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হারুন আল রশীদ খাল খননের পর ভরাট করে গাড়ির গ‍্যারেজ, কার গরজে?

সমকামী সেজে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ আইনজীবীদের

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
সমকামী সেজে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ আইনজীবীদের
প্রতীকী ছবি

যুক্তরাজ্যে অভিবাসী হিসেবে আশ্রয় পেতে সমকামী সেজে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন দেশটির কিছু আইনজীবী। এ বিষয়ে সহায়তা করার বিনিময়ে হাজার হাজার পাউন্ড নেওয়া হচ্ছে। বিবিসির অনুসন্ধানে আইন সংস্থা ও উপদেষ্টাদের এমন একটি বিশাল চক্রের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। 

ওই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব অভিবাসীর ভিসার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে, তাদের বানানো কাহিনি দেওয়া হচ্ছে বলার জন্য। সাজানো প্রমাণ জোগাড়ের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে রয়েছে সমর্থনপত্র, ছবি ও চিকিৎসা প্রতিবেদন। এরপর তারা পাকিস্তান বা বাংলাদেশে ফিরলে প্রাণনাশের আশঙ্কা আছে–এই যুক্তিতে সমকামী হিসেবে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরে আশ্রয়ের আবেদন করছেন।

এদিকে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, যারা এই ব্যবস্থাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনের পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে যুক্তরাজ্য থেকে অপসারণের মতো পদক্ষেপ রয়েছে। যুক্তরাজ্যের আশ্রয়ব্যবস্থায় তাদের সুরক্ষা দেওয়া হয়, যারা নিজ দেশে ফিরে গেলে ঝুঁকিতে পড়বেন–যেমন: পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে সমকামিতা অবৈধ। তবে বিবিসি নিউজের তদন্তে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে থাকতে চাওয়া অভিবাসীদের কাছ থেকে ফি আদায় করে আইন উপদেষ্টারা পদ্ধতিগতভাবে এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করছেন। এদের বেশির ভাগই শিক্ষার্থী, কর্মজীবী বা পর্যটক ভিসায় যুক্তরাজ্যে ছিলেন, যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। তারা ছোট নৌকায় বা অন্য অবৈধ পথে সদ্য আসা লোকজন নন। এখন এই গোষ্ঠীই সব আশ্রয় আবেদনের ৩৫ শতাংশ, ২০২৫ সালে যার সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। 

একটি আইন সংস্থা ভুয়া আশ্রয় আবেদন বানাতে সর্বোচ্চ সাত হাজার পাউন্ড দাবি করেছে। তারা বলেছে, এর ফলে স্বরাষ্ট্র দপ্তরে প্রত্যাখ্যানের সম্ভাবনা ‘খুবই কম’। ভুয়া আশ্রয়প্রার্থীরা বিষণ্নতায় অসুস্থ থাকার ভান করে চিকিৎসকদের কাছে গিয়েছেন, যাতে মামলা জোরদার করতে চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রমাণপত্র সংগ্রহ করতে পারেন। এমনকি একজন নিজেকে এইচআইভি পজিটিভ বলেও মিথ্যা বলেছেন। এক ইমিগ্রেশন উপদেষ্টা গর্ব করে বলেছেন, তিনি ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে ভুয়া দাবি তৈরি করতে সাহায্য করছেন। এমনকি তিনি দাবি করেন, গ্রাহকের সঙ্গে সমকামী যৌন সম্পর্কে জড়িত ছিলেন, এমন সাজানো কাউকে তিনি জোগাড় করেও দিতে পারেন।

বিবিসির আন্ডারকভার প্রতিবেদককে এমনও বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে আশ্রয় পাওয়ার পর তিনি পাকিস্তান থেকে স্ত্রীকে নিয়ে আসতে পারবেন এবং পরে স্ত্রীকে লেসবিয়ান সাজিয়ে ভুয়া দাবি করা যাবে। আরেক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এক আইনজীবী বলেন, তিনি সমকামী বা নাস্তিক সেজে সফলভাবে আশ্রয় পেতে মানুষকে সহায়তা করেছেন। তিনি ১ হাজার ৫০০ পাউন্ড ফিতে ভুয়া দাবি করতে সাহায্যের প্রস্তাব দেন এবং প্রমাণ বানাতে আরও দুই থেকে তিন হাজার পাউন্ড লাগবে বলে জানান।

পূর্ব লন্ডনের বেকটনের এক শান্ত এলাকায় অবস্থিত একটি কমিউনিটি সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানে ১৭৫ জনের বেশি মানুষ জড়ো হন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সাউথ ওয়েলস, বার্মিংহাম ও অক্সফোর্ডের মতো দূরবর্তী এলাকা থেকেও এসেছেন, উরচেস্টার এলজিবিটি আয়োজিত একটি সভায় অংশ নিতে। সংগঠনটি নিজেদের সমকামী ও লেসবিয়ান আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য একটি সহায়তা গোষ্ঠী হিসেবে পরিচয় দেয়। এই গ্রুপের ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘শুধু প্রকৃত সমকামী আশ্রয়প্রার্থীরাই স্বাগত। কিন্তু বাইরে রাস্তায় আমাদের আন্ডারকভার প্রতিবেদকের কাছে ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা পুরুষরা সহজেই স্বীকার করেন–বাস্তবতা ভিন্ন।’ ফাহার নামে একজন বলেন, এখানে বেশির ভাগই সমকামী নয়। জিশান নামে আরেকজন বলেন, এখানে কেউই সমকামী নয়। এক শতাংশও না। ০.০১ শতাংশও না।

বিবিসির প্রতিবেদকের এই সভায় যাওয়ার শুরুটা হয় ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে–বার্মিংহাম ও লন্ডনভিত্তিক ইমিগ্রেশন আইন সংস্থা ল অ্যান্ড জাস্টিস সলিসিটরসের প্যারালিগ্যাল মাজেদুল হাসান শাকিলের কাছে যাওয়ার মাধ্যমে। আইনি কাজের পাশাপাশি শাকিল উরচেস্টার এলজিবিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। কিছুদিন আগে পর্যন্ত তিনি কমিউনিটি গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটে নিজের আইনি সেবার প্রচার করতেন। একটি সংক্ষিপ্ত ফোনালাপে শাকিল বলেন, ‘আশ্রয় চাইতে হলে নির্যাতনের আশঙ্কা থাকতে হবে এবং আমাদের প্রতিবেদকের সে ধরনের ভিত্তি আছে বলে মনে হয়নি।’ কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অপ্রত্যাশিতভাবে নিজেকে তানিসা বলে পরিচয় দেওয়া একজন ফোন করেন। এরপর তার সঙ্গে উর্দুতে কথাবার্তা হয়। তিনি অনেক বেশি আগ্রহ দেখান–সমকামী পরিচয়ের ভিত্তিতে কীভাবে আশ্রয়ের আবেদন করা যায়, তা ব্যাখ্যা করেন।

বিবিসি প্রতিবেদক যখন বলেন, তিনি সমকামী নন, তানিসা বলেন, ‘আমার কথা শোনো। এখানে কেউই আসল নয়। এখন এখানে বাঁচার একটাই পথ এবং সেটাই সবাই নিচ্ছে। কে তার নম্বর দিয়েছে–এ প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেও হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল ছবি ও প্রথম নাম মিলিয়ে আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে তিনি উরচেস্টার এলজিবিটির উপদেষ্টা তানিসা খান।’

সেই সন্ধ্যায় তানিসার সঙ্গে প্রাথমিক পরামর্শের জন্য প্রতিবেদক যান পূর্ব লন্ডনের ফরেস্ট গেটে। প্রথম বৈঠকটি কোনো আইনি পরামর্শক সংস্থার দপ্তরে নয়, বরং অনুষ্ঠিত হয় তার নিজের বাড়ির শোবার ঘরে। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে ভিসা পাওয়ার একটাই পথ খোলা–আশ্রয় ভিসা… 

মানবাধিকারভিত্তিক, যাকে বলা হয় গে কেস বা একই লিঙ্গ, অন্য কোনো ভিসার আশা নেই।’ তিনি জানান, হোম অফিসের সাক্ষাৎকারের জন্য বানানো গল্প মুখস্থ করতে হবে; পরীক্ষা দিতে তোমাকেই যেতে হবে… আমি সব প্রস্তুত করে দেব। ৪৫ মিনিটের এই আলোচনায় বোঝা যায় যে ভুয়া আশ্রয় দাবির প্রতারণা কতটা জটিল হতে পারে, আর তাই তা শনাক্ত করা কর্মকর্তাদের জন্য কতটা কঠিন।

২০২৩ সালে যে বছরটির সর্বশেষ তথ্য পাওয়া যায়, এলজিবিটি ভিত্তিতে করা ৩ হাজার ৪৩০টি আশ্রয় আবেদনের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় এবং যৌন অভিমুখিতার ভিত্তিতে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি নতুন আশ্রয় আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে প্রায় ৪২ শতাংশ আবেদন করেছিলেন পাকিস্তানি নাগরিকরা এবং আগের পাঁচ বছরেও প্রতিবছর তারাই এ ধরনের দাবির সংখ্যায় শীর্ষে ছিলেন। একই বছরে সব ধরনের আশ্রয় আবেদনের ক্ষেত্রে পাকিস্তানি নাগরিকরা ছিলেন মাত্র চতুর্থ। সর্বাধিক সাধারণ নাগরিকত্বের গোষ্ঠী এবং মোট আশ্রয় আবেদনের মাত্র ৬ শতাংশ তাদের ছিল। যৌন পরিচয়ের ভিত্তিতে করা আশ্রয় আবেদনের বিষয়ে এর চেয়ে সাম্প্রতিক কোনো তথ্য নেই।

তবে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের পরিসংখ্যানবিদরা লক্ষ্য করেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানি নাগরিকদের কাছ থেকে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা সামগ্রিকভাবে দ্রুত বেড়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থী বা কাজের ভিসায় থাকা বাংলাদেশ ও ভারতের অভিবাসীদের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২৩ সালে যৌন অভিমুখিতার কারণে নিপীড়নের শিকার হওয়ার দাবি করা আশ্রয়প্রার্থীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের আবেদন প্রাথমিক পর্যায়েই মঞ্জুর করা হয়েছিল।

হোম অ্যাফেয়ার্স সিলেক্ট কমিটির সদস্য লেবার এমপি জো হোয়াইট বলেন, বিবিসির অনুসন্ধানে যেসব আইন সংস্থা ও উপদেষ্টার ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে অবশ্যই কড়াকড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যাসেটলের এমপি জো হোয়াইট বিবিসি রেডিও ফোর এর টুডে অনুষ্ঠানে বলেন, তিনি চান পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করুক। সরকারের জন্য এটা একেবারেই অপরিহার্য যে তারা এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এ ধরনের প্রমাণ আমি আশা করি সরাসরি পুলিশের কাছে যাবে এবং পুলিশ তাদের কার্যক্রম শুরু করে পুরো বিষয়টি ভেঙে দেবে। তিনি আরও আহ্বান জানান, পাকিস্তান থেকে আসা লোকজনকে শিক্ষার্থী ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হোম অফিস যেন পদক্ষেপ নেয়, যেমনটি গত মাসে আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মায়ানমার ও সুদান থেকে আসা নাগরিকদের ক্ষেত্রে করা হয়েছিল, যেখানে সরকার ব্যাপক ভিসা অপব্যবহারের কথা বলেছিল।

কনজারভেটিভ দলের ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস ফিলিপ বলেন, বিবিসির অনুসন্ধান অনেক আশ্রয় দাবির কেন্দ্রে থাকা প্রতারণা উন্মোচন করেছে এবং চিহ্নিত আইন উপদেষ্টাদের অভিবাসন জালিয়াতির দায়ে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত। আশ্রয়ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ নতুন করে সাজাতে হবে, যাতে শুধু প্রকৃত ও ব্যক্তিগত নিপীড়নের শিকার খুব অল্পসংখ্যক মানুষ, যাদের দাবির পক্ষে বাস্তব প্রমাণ আছে, তারা যেন আশ্রয় পায়। আর অবৈধ অভিবাসীদের একেবারেই আশ্রয় চাইতে দেওয়া উচিত নয়।

গত মার্চে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ যুক্তরাজ্যের অভিবাসন বিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। এর ফলে যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের এখন কেবল অস্থায়ী সুরক্ষা দেওয়া হবে এবং তাদের মামলাগুলো প্রতি ৩০ মাস অন্তর পর্যালোচনা করা হবে। সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও থামেনি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও থামেনি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুন) দক্ষিণ লেবানন ও বেকা উপত্যকায় এসব হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ইসরায়েল দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে তারা এসব অভিযান চালিয়েছে।

অন্যদিকে হিজবুল্লাহ বলেছে, তারা লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর ‘অবাধ চলাচল’ মেনে নেবে না।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবানন এবং বেকা অঞ্চলে একাধিক বিমান ও ড্রোন হামলা হয়, যা হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাতে এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। তবে আলোচনা কবে শুরু হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননে সংঘাত অব্যাহত থাকলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

বিবিসি/এসএন

সম্পর্কের পর বিয়ে হয়নি বলে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রায় কোর্টের

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
সম্পর্কের পর বিয়ে হয়নি বলে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রায় কোর্টের
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতেই পারে। কিন্তু শুধুমাত্র সম্পর্ক ভেঙে গেছে এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলেই তাকে ধর্ষণ বলা যায় না। সম্প্রতি এক ধর্ষণ মামলার শুনানিতে এমনই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতে চলা ওই মামলার বিচারপ্রক্রিয়াও বাতিল করে দিয়েছে আদালত।

বিচারপতি বিবেককুমার সিং তার ৩৪ পৃষ্ঠার রায়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, অভিযোগকারিণী যদি প্রতিবারই নিজের সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্কে জড়িত হয়ে থাকেন, তাহলে সেই সম্পর্ককে ধর্ষণ বলা যায় না। 

আদালতের মতে, মামলার নথি ও প্রমাণ থেকে স্পষ্ট যে দুজনের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। পরবর্তীতে সেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়।

আদালত আরও জানায়, শুধুমাত্র বিয়ে হয়নি বলেই ধর্ষণের অভিযোগ করা হলে তা গ্রহণযোগ্য নয়। 

এই পরিস্থিতিতে মামলাটি চালিয়ে যাওয়া বিচারব্যবস্থার অপব্যবহার এবং সময়ের অপচয় বলেও মন্তব্য করে আদালত।

কী ছিল মামলার ঘটনা?

২০১৯ সালে এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি জানান, ২০১৪ সালে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়াগরাজে গেলে এক দূর সম্পর্কের আত্মীয় তাকে থাকার জায়গা খুঁজে পেতে সাহায্য করেন। সেই সূত্রে তাদের পরিচয় হয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

তরুণীর দাবি ছিল, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্ত তার সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। কিন্তু যখনই তিনি বিয়ের কথা তুলতেন, তখন তাকে মারধর করা হতো। পাশাপাশি, একসঙ্গে থাকার সময় তার একটি আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেলও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

২০২০ সালে পুলিশ চার্জশিট জমা দেয় এবং ২০২১ সালে নিম্ন আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে অভিযুক্ত ওই মামলা খারিজের আবেদন নিয়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

আদালতের পর্যবেক্ষণ

শুনানির সময় তরুণী আদালতকে জানান, ধর্ষণের অভিযোগ করার পর দুই পরিবারের উপস্থিতিতে তাদের একটি ‘প্রতীকী বিয়ে’ও হয়েছিল। এই তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আদালত মন্তব্য করে, অভিযুক্তকে বিয়েতে রাজি করানোর উদ্দেশ্যেই ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়ে থাকতে পারে।

এ ছাড়া মেডিকেল পরীক্ষায় তরুণীর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ফলে মারধরের অভিযোগেরও প্রত্যক্ষ প্রমাণ মেলেনি বলে আদালত উল্লেখ করেছে।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের উল্লেখ

রায়ে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের উল্লেখ করে বলা হয়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনাকে তখনই ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হবে, যখন প্রমাণিত হবে যে অভিযুক্ত শুরু থেকেই বিয়ে করার কোনো ইচ্ছা রাখতেন না এবং শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্কের উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

বর্তমান মামলায় এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে আদালত জানিয়েছে। বরং পাঁচ বছর ধরে চলা সম্পর্কের ভিত্তিতে আদালতের মত, এটি ছিল দুই প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পারস্পরিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক, যা পরে ভেঙে যায়।

ফলে আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে না হওয়া বা সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধর্ষণ হিসেবে দেখা যাবে না। প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি, প্রমাণ এবং অভিযুক্তের উদ্দেশ্য বিচার করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সূত্র: এইসময়

অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হলো সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হলো সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু
ছবি: সংগৃহীত

বিজ্ঞানীরা অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বার্ড ফ্লুর এইচ৫ স্ট্রেইন শনাক্ত করেছেন।

শনিবার (২০ জুন) এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির কৃষিমন্ত্রী। অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাসটি এখন বিশ্বের সব মহাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। 

কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটি অভিবাসী সামুদ্রিক পাখি—ব্রাউন স্কুয়ার মধ্যে রোগটি পাওয়া গেছে। দেশটির জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থা পরীক্ষার মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, অসুস্থ আরেকটি পাখি জায়ান্ট পেট্রেলের নমুনাতেও সম্ভাব্য সংক্রমণের লক্ষণ পাওয়া গেছে।

এর আগে, অস্ট্রেলিয়া ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে এইচ৫ ধরনের বার্ড ফ্লু শনাক্ত হয়নি। এই ভাইরাসটি হাঁস-মুরগি ও বন্য পাখির ব্যাপক ক্ষতি করতে সক্ষম।

কলিন্স বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে এইচ৫ বার্ড ফ্লুর বিস্তার বিবেচনায় এটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত নয়, যদিও এটি হতাশাজনক। বর্তমানে কোনো ব্যাপক মৃত্যুর ঘটনা বা পোল্ট্রি খামারে সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, এ ঘটনাটি উদ্বেগজনক এবং আমার সরকার রোগটির বিস্তার রোধে ব্যবস্থা নেবে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে পারেন নেতানিয়াহু: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে পারেন নেতানিয়াহু: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে যে, নেতানিয়াহু ইরানের সঙ্গে হওয়া শান্তিচুক্তিটি নস্যাৎ করে দিতে পারেন।

লেবাননে সামরিক অভিযান নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হওয়ার খবরের মাঝেই এক নাটকীয় মন্তব্য সামনে এসেছে।

ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে একজন ‘যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ বলে প্রশংসা করেছেন।

সম্প্রতি ওয়াশিংটনের কাছে কাতার কর্তৃক উপহার দেওয়া নতুন 'এয়ার ফোর্স ওয়ান' বিমান উন্মোচনের পর ট্রাম্প বলেন, "ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের দারুণ সম্পর্ক। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একজন যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী এবং তার এই কৃতিত্ব পাওয়া উচিত।"

তবে অন্য এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প কিছুটা রসিকতা ও সতর্কতার সুরে বলেন, "নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো, তবে আমাদের তাকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তারা আমাকে সম্মান করে এবং আমি যা বলি তা শোনে।"

গত ১ জুন এক ফোনালাপে লেবাননে ইসরায়েলি হামলার কারণে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় ট্রাম্প নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এবং গালমন্দ করেছিলেন।

গোয়েন্দা সতর্কবার্তা ও যুদ্ধবিরতি:

দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্প প্রশাসনকে সতর্ক করেছে যে, নেতানিয়াহু ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারেন। চলতি বছরের শেষে ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নেতানিয়াহু লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার না করে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করতে চান।

এদিকে, চরম উত্তেজনার মাঝেই গত শুক্রবার আমেরিকা ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তবে ইসরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধ রাখলেই কেবল তারা এই যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে।

অন্যদিকে, সমস্যা সমাধানে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

কাতারের দেওয়া 'উড়ন্ত হোয়াইট হাউস' উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:০০ এএম
কাতারের দেওয়া 'উড়ন্ত হোয়াইট হাউস' উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাতারের উপহার দেওয়া নতুন ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ উন্মোচন করেছেন, যেটিকে তিনি 'উড়ন্ত হোয়াইট হাউস' বলে অভিহিত করেছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) ওয়াশিংটনের ঠিক বাইরে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে হ্যাঙ্গারের ভেতরে বিমানটি উন্মোচনের সময় ট্রাম্প এ কথা বলেন।

বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল বিমান উপহার পেয়ে উপসাগরীয় আমিরাতের প্রশংসা করেন তিনি।

তবে শত শত মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই বিমানটি উপহার দেওয়ায় নৈতিক, সাংবিধানিক এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, 'এই উপহার প্রত্যাখ্যান করা বোকামি। এটি যেকোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের চেয়ে বেশি দূরত্বে এবং দ্রুত গতিতে উড়তে পারে। বিমানটি আমার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরিতে দান করা হবে।'

এতে আরও উদ্বেগ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ।

উল্লেখ্য, নতুন বিমানটি ৪ জুলাই ২৫০তম মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে একটি ফ্লাইওভারে অংশ নেবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার প্রথম মেয়াদ থেকেই ১৯৯০-এর দশক থেকে ব্যবহৃত এই বিমানগুলো প্রতিস্থাপনের ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/