ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাজেটে ওয়াশ বরাদ্দে ইতিবাচক পুনরুদ্ধার, তবে রয়ে গেছে চরম সমতার ঘাটতি বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই সোনারগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহনন, বিয়ের প্রলোভনে সর্বস্ব লুটের অভিযোগ শরীয়তপুরে আ. লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির মিছিল বাজেট: উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সম্ভাবনা ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মীদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধা দেবে গার্ডিয়ান ১ বছরের মধ্যে আমরা সব চা শ্রমিককে ফ্যামিলি কার্ড দেব: প্রধানমন্ত্রী ৫৪ বছর পর ধামরাই কলেজে বাস সার্ভিস উদ্বোধন অফিসে ঝামেলা সামলানোর ৭টি টিপস রাজবাড়ী হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ডায়ালাইসিস সেন্টার নিয়ে বড় ঘোষণা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে চীন ও তারেক রহমানের সফর বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় আসামির যাবজ্জীবন সিলেটে হাম ও হাম উপসর্গে মৃত্যু ৭০ ছাড়িয়েছে স্বপ্নের চাকরির খোঁজে তরুণদের ভিড়, ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যতিক্রমী জব ফেয়ার সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র পুঠিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ২ ভাই নিহত ডাক্তারের চেম্বারে একদিন চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড ফুটবল জার্সিতে শিশু যীশু: মেক্সিকো সিটির ক্যাথেড্রালে ভক্তদের অলৌকিক প্রার্থনা ফিফার বাপ স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে বেরোবি ছাত্রদল নেতার পদ স্থগিত জামালপুরে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড ও শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কুমিল্লায় চাকরি মেলা, কর্মসংস্থানের সন্ধানে তরুণ-তরুণীদের ঢল পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ চীনের ডেইরি কারখানায় উৎপাদন বাড়াচ্ছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি আমাদের ঘরগুলো কি রহমত শূন্য হচ্ছে? বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা গোল করার পর কান্নার কারণ জানালেন মেসি
Nagad desktop

যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন বিমানবাহিনী প্রধান

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৫, ০৯:১২ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন বিমানবাহিনী প্রধান
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান

সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। 

শনিবার (১৫ মার্চ) দিনগত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বিমানবাহিনী প্রধান ১৭ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন। সফরকালে বিমানবাহিনী প্রধান জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মোতায়েনকৃত ইউনিটের কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে জাতিসংঘে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবদান বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা করবেন। 

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, বিমানবাহিনী প্রধানের এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে, যা পেশাগত খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারিত করবে। বিমানবাহিনী প্রধান ওই সফর শেষে আগামী ২১ মার্চ দেশে ফিরবেন।

১ বছরের মধ্যে আমরা সব চা শ্রমিককে ফ্যামিলি কার্ড দেব: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
১ বছরের মধ্যে আমরা সব চা শ্রমিককে ফ্যামিলি কার্ড দেব: প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: খবরের কাগজ

আজকে আমাদের সরকার চা বাগানের মায়েদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছে। আজ আমরা হয়ত সবাইকে কার্ড দিতে পারিনি, কিন্তু আগামী একবছরের মধ্যে আমরা সব চা শ্রমিককে ফ্যামিলি কার্ড দেব বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার জন্য আজ অনেক আনন্দের দিন। আজ থেকে কয়েকমাস আগে আমি যখন নির্বাচনি প্রচারণায় সিলেটে আসি, তখন হবিগঞ্জে আমি বলেছিলাম, বিএনপি যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয় তাহলে আমরা চা শ্রমিক মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড দেব। আজ আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আজ আমাদের সরকার চা বাগানের মায়েদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছে। আজ আমরা সবাইকে হয়ত কার্ড দিতে পারিনি কিন্তু আগামী একবছরের মধ্যে সব চা শ্রমিককে আমরা ফ্যামিলি কার্ড দেব।

বাংলাদেশে মোট চার কোটির মতো পরিবার রয়েছে, পর্যায়ক্রমে আমরা সবার কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেব। আজকে আমরা শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, পাশাপাশি নারী চা শ্রমিকদের কাছে ঘর নির্মাণের জন্য ৫০ জনকে দুই লাখ টাকা করে দিয়েছি। এর বাইরেও চা শ্রমিকদের সন্তানরা যাতে লেখাপড়া করতে পারে সেজন্য তাদের প্রায় ১৫০ চা শ্রমিক সন্তানদেরকে বিশেষ স্কলারশিপ দিয়েছি। আজ আমরা প্রতিবন্ধীদেরও আর্থিক সহায়তা দিয়েছি।

আগামী জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের ৪০ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড দেব, এর জন্য আমরা বাজেটে বিশেষ বরাদ্দও রেখেছি।

এ ছাড়া ধর্মীয় গুরুরা মানবেতর জীবনযাপন করেন, আমরা নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, ধর্মীয় গুরুদের আমরা সম্মানিত ব্যবস্থা করবো। আমরা আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিও ধীরে ধীরে পূরণ করছি। আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই, মানুষকে সহযোগিতা করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন ধরে পত্রিকাগুলো দেখেন। আমরা দেখছি, আমরা যে বাজেট সংসদে উপস্থাপন করেছি সেই বাজেটে সব কার্ডের জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি। বাজেটে শিক্ষার্থীদের জন্য পড়ালেখা ও খেলাধুলার জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছি। সারাদেশের কোটি কোটি মানুষ যাতে সঠিকভাবে চিকিৎসা পেতে পারে সেজন্য আমরা প্রতি উপজেলার ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১ বছরের মধ্যে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করেছি, যাতে উপজেলার মানুষ স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন। কিন্তু বাজেটের পরে নিশ্চয়ই আপনারা দেখেছেন, যেই আমরা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি, অনেকে বলেছে এই বাজেট তারা মানে না। যেই বাজেটে আমরা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি, সেই বাজেট নাকি চানাচুরের মতো।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যেই বাজেট জনগণের বাজেট, যেই বাজেটের মাধ্যমে আমরা জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চাই, সেই বাজেটকে যারা চানাচুরের সঙ্গে তুলনা করে, যেই বাজেটে জনগণের জন্য স্বাস্থ্য সুবিধার অর্থ বরাদ্দ রেখেছি, কৃষক ভাইদের জন্য বরাদ্দ রেখেছি, আমাদের সন্তানরা যাতে ভালোভাবে লেখাপড়া শিখতে পারে তার সর্বোচ্চ বাজেট রেখেছি, সেই বাজেটকে তারা বলে গণবিরোধী বাজেট।

এই দেশের যারা শিল্পোদ্যোক্তা আছে, যারা মিল ফ্যাক্টরি তৈরি করতে পারে, যার ফলে আমার দেশের বেকার যুবকদের যাতে কর্মসংস্থান হয় সেজন্য আমরা এই দেশে যেসব দ্রব্য তৈরি হয় সেই একই দ্রব্য যদি কেউ বিদেশ থেকে আমদানি করে তার উপরে আমরা শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছি। যাতে করে বাংলাদেশের মিল কারখানাগুলো রক্ষা পায়। দেশের মিল কলকারখানাগুলো যদি চলে তাহলে আমাদের ছেলেমেয়েরা সেখানে চাকরি করতে পারবে। সেইজন্যেই আমরা দেশের মিল কলকারখানাকে বাজেটে সুরক্ষা দিয়েছি। আমরা সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস যেমন চাল, ডাল, তেল, চিনির ওপর আরোপিত পূর্বের সব শুল্ক উঠিয়ে দিয়েছি যাতে করে জিনিসের দাম না বাড়ে। জনগণের কথা চিন্তা করে আমরা ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর থেকে শুল্ক তুলে দিয়েছি। যেই বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়, সেই বাজেটকে একটি দল বলে গণবিরোধী বাজেট।

এখন জনগণের জন্য যেই বাজেটে সব ব্যবস্থা রেখেছি, সেই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে তারা কি কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে? তারা কখনোই জনগণের বন্ধু হতে পারে না। যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, সেটি সংসদের ভেতরে হোক কিংবা বাইরেই হোক, তাদের ব্যাপারে আপনাদেরকে সচেতন থাকতে হবে কারণ এসব লোকেরা, এসব দলগুলো দেশে যদি অশান্তি করার সুযোগ পায় তাহলে আমরা ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারবো না। এ দলগুলো যদি দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে তাহলে আমরা জনগণকে দেওয়া সুবিধাগুলো জারি রাখতে পারবো না। যারা এসব কাজে বাধা দেবে তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল, যতবারই এই দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে, যতবার মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পেরেছে, প্রত্যেকবার মানুষ ধানের শীষকে বিজয়ী করেছে এবং মৌলভীবাজারে যত বড় বড় স্কুল কলেজ, রাস্তাঘাট হয়েছে সবই বিএনপির নেতা মরহুম সাইফুর রহমানের সময়েই হয়েছিল। জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে পারবে না। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র কেউ নষ্ট করতে পারবে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কারা নষ্ট করেছিল আমরা সেটি ভালো করে জানি। আমরা দেখেছি, দেশ স্বাধীনের সময়, দেশ স্বাধীনের আগে এবং পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র বিনষ্টকারী, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়্‌যন্ত্রকারীরা একসঙ্গে ছিল। মুখে মুখে বলতো আমরা একসঙ্গে নাই, কিন্তু ভেতরে ভেতরে তারা একসঙ্গে কাজ করেছে এবং সবসময় বিএনপি বাংলাদেশের জনগণের কাতারে ছিল। সেজন্যে বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের শক্তি সেইজন্য বিএনপি সবসময় বলে জনগণই আমাদের সব ক্ষমতার উৎস। আমরা দেখেছি, বিভিন্ন সময় যখন দেশে জনগণ গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য ফুঁসে ওঠে, তখন আমরা বিভিন্ন সময় দেখেছি বিভিন্ন জনকে বিদেশে চলে যেতে। খালেদা জিয়া আপনাদেরকে রেখে কোথাও যাননি। খালেদা জিয়া বলেছিলেন, বাংলাদেশই হচ্ছে আমার প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক, তাই আমাদের সবার প্রথম ও শেষ ঠিকানা হচ্ছে বাংলাদেশ। আমাদের একটাই কাজ বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, মৌলভীবাজার ৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি।

প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বাটন টিপে ফ্যামিলি কার্ডের ১৫৫ জন উপকারভোগীগন নগদ অর্থ সহায়তা উদ্বোধন করেন। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, হায়াতুন বিবি, জখাতুন বিবি, সুলতানা আক্তার, রাশেদা বেগম, অনিতা রানী দাশ, সবিতা চন্দ, শিউলি দাশ, বাসনা দাশ চৌধুরী, ওয়াজেদা বেগম, আয়মনা বিবির হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী দুরারোগ্যব্যাধীতে আক্রান্ত সুধাংশু সূত্রধর, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য ও কান্তা সবরের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।
এ ছাড়াও তিনি ক্ষুদ্র জাতিসত্তার শিক্ষার্থী রাখী সিনহা, প্রভা দেববর্মা ও নিপামনি দেবীকে শিক্ষা সহসহায়তার অনুদানের চেক তুলে দেন।
পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে অর্চনা মুন্ডা, ললিতা গঞ্জু, কাজলী গঞ্জুকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। 

তিনি চা শ্রমিকদের টেকসই আবাসন সহায়তার জন্য ভগবতী ভর, কীর্তিমান শীল ও হালিমা বেগমের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন। এ ছাড়া দুঃস্থ অসহায় প্রতিবন্ধীদের বিশেষ অনুদান বাবদ কেশব আচার্য ও সিজিয়া খাতুনের কাছে চেক তুলে দেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ২৭৫ জনকে সহায়তা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুভ/নাঈম

রাজবাড়ী হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ডায়ালাইসিস সেন্টার নিয়ে বড় ঘোষণা

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
রাজবাড়ী হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ডায়ালাইসিস সেন্টার নিয়ে বড় ঘোষণা
রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হো‌সেন বকুল। ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা হাসপাতাল, এমনকি উপজেলা পর্যায়েও ধাপে ধাপে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে, যাতে দরিদ্র রোগীরা স্বল্প খরচে নিজ এলাকার কাছেই ডায়ালাইসিস সেবা নিতে পারেন।

তিনি বলেন, “আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কোনো মানুষ মারা যাক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছি। সেই লক্ষ্যেই দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করা হচ্ছে।”

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের জন্য একটি সমন্বিত ট্রিটমেন্ট প্ল্যান তৈরি করতে হবে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করতে হবে এবং হাসপাতালের মর্গে ফ্রিজার সংযোজন করা হবে। পাশাপাশি হাসপাতালের সেবার মান, চিকিৎসক ও কর্মচারীদের উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চিকিৎসক সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা করা হয়নি। আমরা এখন একটি কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছি। বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে এবং প্রশিক্ষণের সুযোগও বাড়ানো হবে।”

মন্ত্রী জানান, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে সম্প্রতি ১৪ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলেও তাদের মধ্যে ৬ জন এখনো যোগদান করেননি। এছাড়া একজন নারী চিকিৎসক দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে অন্যত্র প্র্যাকটিস করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে সাত দিনের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের বাইরে প্রদর্শিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট বাস্তবে চালু না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা শুধু আইসিইউ নয়, ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিটও স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি। এ বিষয়ে সভা ও টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের কাজ চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “এবারের বাজেটে ডায়ালাইসিস সেবার খরচ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে, যাতে মানুষ নিজ এলাকার কাছেই স্বল্প খরচে চিকিৎসা নিতে পারে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ), ভেন্টিলেটর, হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, সি-প্যাপ ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সরবরাহ করা হয়েছে।”

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর‌শেদ, সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ এবং রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান উপস্থিত ছিলেন।

সুমন বিশ্বাস/এসএন

বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বলছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বাজেট বলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘এই বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বাজেট বলছে। তারা জনগণের বন্ধু নয়। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এই গোষ্ঠীগুলো অশান্তি করার সুযোগ পেলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। তাই তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’

বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী এক বছরের মধ্যে চা-বাগানের সব নারী শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে নারী-পুরুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে না পারলে তাদের এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।’

চা-শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২ লাখ টাকা করে ৫০ জন চা-শ্রমিককে ঘর নির্মাণের জন্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৫০ জন চা-শ্রমিকের সন্তানকে বৃত্তি (স্কলারশিপ) দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরে ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আগামী পাঁচ বছরে উপজেলার ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছে। তাই সরকার নির্বাচিত হয়ে নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের অর্থ জনগণকে না দিয়ে বিদেশে পাচার করেছিল একটি দল। জনগণের টাকা পাচার হতে দেব না। জনগণের অর্থ দিয়ে জনগণের কাজ করা হবে। যারা বিদেশে টাকা পাচার করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রিফাত/

সিলেটে একদিনে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ এএম
সিলেটে একদিনে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
ঢাকা শিশু হাসপাতালে হামের উপসর্গে আক্রান্ত এক শিশু। ছবি: মাসুদ মিলন

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে এ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ জনে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সিলেট শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ ও ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া তিন শিশু হলো রাইয়ান, তাউসিফ ও আমায়রা। তাদের তিনজনের বয়সই ১ বছরের নিচে।

এদিকে বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ২৮৪ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে একজন এবং এই সময়ে ৫৬ জন সন্দেহভাজন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আজ ১৭ জুন পর্যন্ত বিভাগে মোট ৩২৩ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে চারজন নিশ্চিত হামের রোগী ছিলেন সেটি নিশ্চিত করা গেছে। বাকিরা সন্দেহভাজন।

রিফাত/

সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:০০ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:২৫ এএম
সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা
ছবি: মামুন হোসেন

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সিলেট বিভাগে সফরে আসছেন তারেক রহমান। এবার তিনি যাচ্ছেন মৌলভীবাজার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করতে। 

তবে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে আকাশপথে সিলেট এসে সিলেটে উপর দিয়ে সড়ক পথে মৌলভীবাজার যাচ্ছেন। তাই সিলেটের বিভিন্ন সড়কের পাশে দঁfড়িয়ে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ।

বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে যাওয়ার পথে চৌকিদেখি এলাকায় সবুজ চাবাগানের পাশে দাঁড়িয়ে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়েছন সিলেটের লাক্কাতুড়া চা বাগানের শ্রমিকরা। সড়কে পাশে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজে বাদ্যবাজনা বাজিয়ে গাড়িতে ফুল ছিটিয়ে  প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান চা শ্রমিকরা।

চা শ্রমিকদের পরেই সেখানে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। চৌকিদেখী পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবকদল-কৃষকদলসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন সিলেট মহানগর বিএনপির  সহ সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।

এছাড়াও সিলেট নগরীর আরও তিনটি  পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও  সিলেটের সাধারণ মানুষ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে স্বাগত জানান। এসময় প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে সবার অভিবাদন গ্রহণ করেন।

রিফাত/