শেষ হয়ে আসছে একাদশ জাতীয় সংসদের মেয়াদ। প্রথম অধিবেশন বসেছিল ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। কার্যকাল শেষ হবে আগামী ২৯ জানুয়ারি। চলতি সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। একাদশ সংসদের দুটি বছর (২০২০ ও ২০২১) কেটেছে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে। বিঘ্ন ঘটেছে সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও। ইতিহাসে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ততম অধিবেশন, সংক্ষিপ্ত বাজেট অধিবেশনসহ নানা ঘটনার আবর্তে কেটেছে একাদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রম।
সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ এই সংসদে পাস হয়েছে ১৪০টি আইন। বিগত পাঁচ বছরে বিদায়ী একাদশ জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালির নানা দিক সংক্ষেপে তুলে ধরছে খবরের কাগজ।
গ্রন্থনা: শাহনাজ পারভীন এলিস
* মোট অধিবেশন ছিল ২৪টি
* পাসকৃত মোট আইন ১৪০টি
* ৭ম, ১২তম এবং ২২তম অধিবেশনে কোনো আইন পাস হয়নি
* মারা গেছেন ৩১ এমপি
* আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ আইনের মধ্যে রয়েছে-
* জনপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধনী) আইন ২০২৩
* সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩
* জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন ২০২৩
* সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩
* কপিরাইট আইন ২০২৩
* সিইসি ও ইসি নিয়োগ আইন ২০২২
* ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইন ২০২০
* বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন ২০২৩
* নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন ২০২০
* সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন ২০২৩
প্রথম অধিবেশন
২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি শুরু হয় একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নেতৃত্বে শুরু হয় অধিবেশন। প্রথমেই ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ১৯৪ জন এমপি আলোচনা করেন। ২০ ফেব্রুয়ারি শপথ নেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা। ১০ কার্যদিবসে ৫০টি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়, যা সংসদীয় ইতিহাসে রেকর্ড। ২৬ কার্যদিবসে মোট পাঁচটি আইন পাস হয়।
দ্বিতীয় অধিবেশন
দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৪ এপ্রিল। অধিবেশন চলাকালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য শপথ নেন। পাঁচ কার্যদিবসে ৩টি আইন পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা শেখ হাসিনার জন্য জমা পড়া ৪৪টি প্রশ্নের মধ্যে ১১টির উত্তর দেওয়া হয়।
তৃতীয় অধিবেশন (বাজেট)
তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয় ২০১৯ সালের ১১ জুন। এটি ছিল তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন।
২০১৯ সালের ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তা শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; যা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সরকারি ও বিরোধী দলসহ অন্যান্য দলের ২৬৯ জন এমপির আলোচনা শেষে গত ৩০ জুন ওই বাজেট পাস করা হয়। ২১ কার্যদিবসে পাস হয় মোট ৭টি বিল।
চতুর্থ অধিবেশন
২০১৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া চতুর্থ অধিবেশনে মাত্র ৪ কার্যদিবসের সংক্ষিপ্ত এই অধিবেশনে একটি আইন পাস করা হয়।
পঞ্চম অধিবেশন
পঞ্চম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৯ সালের ৮ নভেম্বর। এ অধিবেশনে করোনা মহামারির আশঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিষয়ে প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর আগে সংসদে এই প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনা হয়। বিশ্বের সংসদীয় ইতিহাসে এটি ছিল এ ধরনের প্রথম প্রস্তাব গ্রহণ। এই অধিবেশনে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এমপিরা। শহীদ নূর হোসেনকে ইয়াবাখোর আখ্যায়িত করায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গার কঠোর সমালোচনা করা হয়। পরে সংসদে নিঃশর্ত ক্ষমা চান মসিউর রহমান রাঙ্গা। পাঁচ কার্যদিবসে ৩টি বিল পাস হয়।
ষষ্ঠ অধিবেশন
ষষ্ঠ অধিবেশন শুরু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। এ অধিবেশন চলাকালে তিনজন সংসদ সদস্য মারা যান। ২৮ কার্যদিবসে মোট ৭টি বিল পাস হয়। সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য প্রশ্ন জমা পড়ে ১২৪টি। এর মধ্যে তিনি জবাব দেন ৫৫টির।
সপ্তম অধিবেশন
এটি ছিল সংসদের ইতিহাসে সংক্ষিপ্ততম অধিবেশন। ২০২০ সালের ১৮ এপ্রিল শুরু হয় সেই অধিবেশন। শেষ হয় মাত্র সোয়া ঘণ্টার মধ্যে। কারণ করোনাভাইরাসজনিত দুর্যোগ। সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল কম। এই অধিবেশনে কোনো আইন পাস হয়নি।
অষ্টম অধিবেশন (বাজেট)
বাজেট অধিবেশন শুরু হয় ২০২০ সালের ১০ জুন। ১১ জুন সংসদে বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর মাত্র দুই দিন আলোচনা আর সম্পূরক বাজেটের ওপর এক দিন আলোচনা হয়। অতীতে বাজেটের ওপর ৪০ থেকে ৬৫ ঘণ্টার মতো আলোচনার রেকর্ড থাকলেও ওই বাজেটের ওপর আলোচনা হয়েছে মাত্র ৫ ঘণ্টা ১৮ মিনিট। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে বাজেটের ওপর আলোচনার দিন ও ঘণ্টার হিসেবে এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সব থেকে সংক্ষিপ্ত বাজেট অধিবেশন। ৯ কার্যদিবসে ৫টি বিল পাস হয়।
নবম অধিবেশন
২০২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয় নবম অধিবেশন। মার্চে দেশে করোনাভাইরাসকবলিত সময়ে এটি ছিল তৃতীয় অধিবেশন। করোনার সংক্রমণ রোধে আগের দুটি অধিবেশনের মতোই সংসদ সদস্যরা মাস্ক ও গ্লাভস পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অধিবেশনে অংশ নেন। মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে ৬টি আইন পাস হয়।
দশম অধিবেশন
মুজিব জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এই বিশেষ অধিবেশন শুরু হয় ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ৪ নভেম্বর ১৯৭২ গণপরিষদে ভাষণ, ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ জাতীয় সংসদে দেওয়া ভাষণ শোনানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ৯ নভেম্বর উত্থাপিত কার্যপ্রণালি বিধির ১৪৭ বিধির আওতায় প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনা হয়। পরে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। আলোচনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শন তুলে ধরা হয়। ১০ কার্যদিবসে পাস হয়েছে ৯টি বিল।
একাদশ অধিবেশন
২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি শুরু হয় ১১তম অধিবেশন। এই অধিবেশনেও সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় ১৩৩ জন সংসদ সদস্য অংশ নেন। ১২ কার্যদিবসে ৬টি আইন পাস হয়েছে।
দ্বাদশ অধিবেশন
দ্বাদশ অধিবেশন শুরু হয় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল। করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে চলে তিন কার্যদিবস। কোনো আইন পাস হয়নি।
ত্রয়োদশ অধিবেশন (বাজেট)
এটি ছিল ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন। করোনা মহামারির মধ্যে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২০২১ সালের ২ জুন শুরু হয়ে ১২ কার্যদিবস চলে। ৩০ জুন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পাস হয়। এ বাজেটে মোট ব্যয়ের আকার ধরা হয় ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেন সরকারি, বিরোধী ও স্বতন্ত্র ৮৫ জন এমপি। ১২ কার্যদিবসে ৭টি আইন পাস করা হয়।
চতুর্দশ অধিবেশন
২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর শুরু হয় চতুর্দশ অধিবেশন। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে এই অধিবেশন চলে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সাত কার্যদিবসে ৯টি আইন পাস হয়।
পঞ্চদশ অধিবেশন
পঞ্চদশ অধিবেশন শুরু হয় ২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ আলোচনার আয়োজন করা হয়। ইউনেসকো কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর দ্য ক্রিয়েটিভ ইকোনমিকস’ প্রবর্তন করায় সংস্থাটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাধারণ আলোচনা হয়। এটি জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। নয় কার্যদিবসে পাস করা হয় ৯টি আইন।
১৬তম অধিবেশন
২০২২ সালের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি। এ অধিবেশনে পাস করা গুরুত্বপূর্ণ আইন হলো- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২। ৩টি স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়। পাঁচ কার্যদিবসে ২৭ জানুয়ারি সমাপ্ত হয়।
১৭তম অধিবেশন
২০২২ সালের ২৮ মার্চ বসে ১৭তম অধিবেশন। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির তীব্রতা কমলেও পুরোপুরি নির্মূল না হওয়ায় ওই অধিবেশনেও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হয়। আট কার্যদিবস চলে। এই অধিবেশনে মোট ৯টি বিল পাস করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৩৫টি প্রশ্ন করেন আইনপ্রণেতারা। ১৭টির জবাব দিয়েছেন তিনি।
১৮তম অধিবেশন (বাজেট)
এটি ছিল ২০২২ সালের বাজেট অধিবেশন। শুরু হয় ২০২২ সালের ৫ জুন। ৯ জুন ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২০ কার্যদিবসে নতুন অর্থবছরের বাজেট ও আগের বছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর মোট ৩৮ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট আলোচনা করেন সরকারি ও বিরোধী দলের ২২৮ জন এমপি। মহামারিকবলিত আগের দুই বছরের চেয়ে ওই বাজেট অধিবেশনটি ছিল দীর্ঘ।
১৩ জুন বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ১৭ হাজার ৫২৪ কোটি ৬৪ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পূরক বাজেট সংসদে পাস হয়। ২৯ জুন অর্থবিলসহ পাস করা হয় চারটি আইন।
১৯তম অধিবেশন
২০২২ সালের ২৮ আগস্ট সূচিত অধিবেশনের প্রথম দিনই সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন শামসুল হক টুকু। ২০২২ সালের ২২ জুলাই ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে ডেপুটি স্পিকারের পদ এবং গাইবান্ধা-৫ আসনটি শূন্য হয়েছিল। পাঁচ কার্যদিবসে ৩টি বিল পাস করা হয়।
২০তম অধিবেশন
গত বছরের ৩০ অক্টোবর শুরু হয় ২০তম অধিবেশন। প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সর্বমোট ৪৪টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। তিনি ১৪টি প্রশ্নের উত্তর দেন। ছয় কার্যদিবসে ৪টি বিল পাস হয়।
২১তম অধিবেশন
২১তম অধিবেশন শুরু হয় গত ৫ জানুয়ারি। এই অধিবেশনে বিএনপিদলীয় এমপিদের পদত্যাগের ফলে শূন্য হওয়া ছয় আসনে উপনির্বাচনে বিজয়ী এমপিদের স্পিকার স্বাগত জানান। ১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ভাষণটি সংসদে শোনানো হয়। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সংসদে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ২৬ কার্যদিবসে উত্থাপিত ১৯টি বিলের মধ্যে পাস হয় ১০টি।
২২তম অধিবেশন
৬ এপ্রিল শুরু হয় ২২তম অধিবেশন। ৫ কার্যদিবসে কোনো আইন পাস হয়নি। জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ৭ এপ্রিল একাদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ স্মারক বক্তব্য রাখেন। ৬৩ জন সংসদ সদস্য মোট ১০ ঘণ্টা ২৭ মিনিট আলোচনায় অংশ নেন।
২৩তম অধিবেশন (বাজেট)
এই অধিবেশনটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের পঞ্চম ও একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ বাজেট অধিবেশন। গত ১৪ মে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন একাদশ জাতীয় সংসদের ২৩তম অধিবেশন আহ্বান করেন। ৩১ মে সূচিত অধিবেশন চলে ৬ জুলাই পর্যন্ত। ২২ কার্যদিবসে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট পাস ছাড়াও ১৪টি আইন পাস হয়।
২৪তম অধিবেশন
গত ৩ সেপ্টেম্বর শুরু হয় ২৪তম অধিবেশন। ৯ কার্যদিবসে মোট ৩৫টি বিল উত্থাপন করা হয়। তার মধ্যে ১৮টি আইন পাস করা হয়েছে। ১৩ সেপ্টেম্বর পাস হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত বিল ‘সাইবার সিকিউরিটি বিল- ২০২৩’ ও সংসদে ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন বিল-২০২৩’।
২৫তম অধিবেশন
আজ ২২ অক্টোবর রবিবার বসছে সংসদের ২৫তম ও শেষ অধিবেশন।
সালমান