ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কিশোরীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে রিকশাচালককে গণপিটুনি রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল সৌদি কারাগারে মৃত্যু, ২৮ দিন পর দেশে মরদেহ ইতিহাস গড়ার পথে হন্ডুরাসের রেফারি সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র মরক্কো ‘আন্ডারডগ’ নয়, ট্রফি জিততেই মাঠে নামবে: ওয়াহবি তামাকের বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া ব্যবহার করছেন গাজার ধূমপায়ীরা চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬: চাকরিপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস জনআকাঙ্ক্ষার বাজেট এবং নানামুখী চ্যালেঞ্জ হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা, পুলিশের এক সোর্স আটক রমেকে রোগীর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসক-স্বজনদের হাতাহাতি গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা, বিচার দাবি বাবার খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী যে অঙ্গের কারণে মানুষ জান্নাত অথবা জাহান্নামে যাবে জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের ২১ পরিবারে আর্থিক সহায়তা সোনারগাঁয় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার নেইমারকে ছাড়াই মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জাককানইবির এক শিক্ষার্থীর রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণে কর্মসূচি নিয়েছে সরকার : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ‘কষ্টদায়ক শিক্ষা’, বললেন প্যারাগুয়ে কোচ আলফারো সফল ব্যবসায়ী হতে চাইলে এড়িয়ে চলুন ৯টি বিষয় মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১৬৫২ যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১ ভয়ই ব্রাজিলকে সতর্ক রাখবে: আনচেলত্তি বোয়ালমারীতে মাদকের বিরুদ্ধে ‘মিনি ফুটবল বিশ্বকাপ’ উদ্বোধন আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত শরীয়তপুরে নারীকে চুল কেটে, আলকাতরা মেখে খুঁটিতে বেঁধে রাখল প্রতিপক্ষ
Nagad desktop

জলবায়ু সঙ্কট মোকাবিলায় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর প্রস্তুতি কেমন?

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:১৪ পিএম
আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:৩৩ পিএম
জলবায়ু সঙ্কট মোকাবিলায় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর প্রস্তুতি কেমন?
মালদ্বীপের বারোস আইল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সঙ্কটের সবচেয়ে করুণ স্বাক্ষী হতে যাচ্ছে ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলো। সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধি, আবহাওয়ার তীব্র পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক টানপোড়নে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে দেশগুলো। এসব সমস্যা মোকাবিলা করতে প্রায়ই কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হচ্ছে তারা। 

কয়েক দশক ধরেই কার্বন নিঃসরণের কারণে সৃষ্ট উষ্ণায়নে নিচু দ্বীপগুলো পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রী সেলসিয়াস বেড়ে যাওয়া সেই আশঙ্কারই প্রতিফলন। সলোমন দ্বীপপুঞ্জের কিছু নিচু দ্বীপ ইতোমধ্যেই পানিতে ডুবে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিচু দ্বীপগুলোও বন্যার কারণে ব্যাপক অর্থনৈতিক দুরাবস্থার মধ্যে রয়েছে।

২০৫০ সাল নাগাদ এসব সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চলের প্লাবন তিনগুন বেড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে ১১ গুণ। তাই আসন্ন এই দুর্যোগ মোকাবিলায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে দেশগুলো। 

জমি পুনরুদ্ধার

অবশ্যম্ভাবী প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সবচেয়ে অভিনব পদ্ধতি হচ্ছে জমি পুনরুদ্ধার। মালদ্বীপে এই পদ্ধতির ব্যাবহার সবচেয়ে বেশি। প্রায় ১ হাজার ২০০টি ছোট দ্বীপ মিলে গঠিত এই দেশের ভূখণ্ড পুরো পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিচু অবস্থানে রয়েছে।

বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, দ্রুতই এই দেশ প্লাবিত হয়ে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।

এই সমস্যার সমাধান করতে জমি পুনরুদ্ধার পদ্ধতি অবলম্বন করছে তারা। কয়েক দশক ধরে চলমান ব্যয়বহুল এই প্রকল্পের অধীনে ১৮৬টি দ্বীপের মাটি প্রায় তিন মিটার উঁচু করা হয়েছে।

তবে এই পন্থায় আবার অন্য সমস্যা রয়েছে। মাটি উঁচু করার কারণে ম্যানগ্রোভ ও প্রবাল প্রাচীর ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে ধ্বংস হচ্ছে দুর্যোগ প্রতিরক্ষার প্রাকৃতিক ব্যবস্থা। 

২০২৩ সালে করা এক গবেষণার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মালদ্বীপের জমি পুনরুদ্ধারের কারণে ভবিষ্যতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধির আশঙ্কা আরও বাড়ছে। এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘জলবায়ু বিপর্যয়ের দুষ্টচক্র’ বলে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘ। 

মালদ্বীপের জলবায়ু বিষয়ক কর্মকর্তা বিষয়টির বিরূপ প্রভাব স্বীকার করলেও বর্তমান পরস্থিতিতে জমি পুনরুদ্ধারের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন। 

তিনি বলেন, ‘দেশের চারপাশেই সমুদ্র। এমন পরিস্থিতিতে ভূখণ্ডের সুরক্ষাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয়।’

তবে বৃহত্তর প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের চেষ্টাও করছেন বলে জানান তিনি। 

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সৃষ্টি

সমুদ্রবাঁধ নিমার্ণের মাধ্যমে কৃত্রিম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে অনেক দ্বীপরাষ্ট্র। সেশেলস ও  সামোয়াতে এই ধরণের পদ্ধতি দেখা যায়। তবে সামুদ্রিক ভাঙ্গন ও প্লাবন সাময়িকভাবে সামলানো গেলেও বাঁধগুলো মজবুত না হওয়ায় তা সহজেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

এই সমস্যার সমাধান করতে কিছু দেশ আবার প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সৃষ্টি করছে। ম্যানগ্রোভ গাছ লাগানোর মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে প্লাবন ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার পরিকল্পনা করছে তারা। 

নাগরিকত্ব বিক্রি

জলবায়ুর এই সঙ্কট মোকাবিলায় প্রচুর অর্থের যোগান দরকার। ছোট অর্থনীতির দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর এই সক্ষমতা নেই।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ডোমিনিকা দ্বীপ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। তবে দুর্যোগ মোকাবিলা করতে তাদের নেওয়া অভিনব পদ্ধতি হলো- নাগরিকত্ব বিক্রি। এতে ২ লাখ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে যে কেউ দেশটির নাগরিক হতে পারবে। এই খাত থেকেই বার্ষিক জিডিপির ৩০ শংতাশ অর্জন করছে ডোমিনিকা। 

অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্যোগ সতর্কতা পদ্ধতি ও ভূমিধ্বসপ্রবণ অঞ্চলের স্থিরতা টিকিয়ে রাখতে এই অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে।

তবে এতে কিছুটা দুশ্চিন্তা প্রকাশ করছে উন্নত দেশগুলো। ডোমিনিকার নাগরিকরা আগে ভিসা ছাড়াই যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করতে পারতেন। তবে সম্প্রতি এই সুবিধা বাতিল করেছে যুক্তরাজ্য প্রশাসন। 

অনুদানের চাপ সৃষ্টি

দীর্ঘদিন ধরেই দুর্যোগ মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর কাছে অনুদান দাবি করে আসছে দ্বীপরাষ্ট্রগুলো। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯ এ বার্ষিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার দাবি করে ছোট দ্বীপরাষ্ট্রের জোট এওএসআইএস।

তবে সব উন্নয়নশীল দেশের জন্য মোট ৩০০ বিলিয়ন ডলার অনুদান দিতে রাজি হয়েছে উন্নত দেশগুলো।

এ বিষয়ে এওএসআইএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিকাই রবার্টস বলেন, ‘আমাদের অঞ্চল যে পরিমাণ ক্ষতি সামলাতে হচ্ছে অর্থ সহায়তা দিয়ে সেটার ক্ষতিপূরণ হয় না।’ 

আইনগত ব্যবস্থা

কিছু দেশ জলবায়ু সঙ্কট মোকাবিলায় আইনের সাহায্য নিচ্ছে। উন্নত দেশগুলোকে অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করছে তারা। 

২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে জলবায়ু সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেক রাষ্ট্রের পদক্ষেপের নিশ্চয়তা আদায় করেছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু।

এ ঘটনায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হলেও ভবিষ্যতে জলবায়ু সঙ্কট মোকাবিলার পথ কিছুটা সুগম হয়েছে বলে ধারণা পরিবেশবাদীদের।

বাসস্থান স্থানান্তরের প্রচেষ্টা

নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার কারণে ফিজি সরকার বাসিন্দাদের উচু অঞ্চলগুলোতে পাঠাচ্ছে। 

টুভালু দ্বীপ আরও বেশি সঙ্কটের মুখে পড়েছে। ভূখণ্ডের প্রায় পুরোটাই তলিয়ে যাওয়ায় দেশের একটি ডিজিটাল সংস্করণ তৈরি করছে দেশটির সরকার। ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তাদের সংস্কৃতি সংরক্ষিত রাখার প্রচেষ্টাই এই পদক্ষেপ। সূত্র: বিবিসি

নাইমুর/পপি/

যেভাবে ট্রিলিয়নিয়ার হলেন মাস্ক

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
যেভাবে ট্রিলিয়নিয়ার হলেন মাস্ক
ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন ইলন মাস্ক। গত শুক্রবার তার মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর শেয়ারবাজারে এক ঐতিহাসিক অভিষেকের পর এই প্রযুক্তি সম্রাটের মোট সম্পদ আকাশচুম্বী হয়ে দাঁড়ায়, যা তাকে বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নেয়ার’ বা লাখো-কোটিপতির মর্যাদায় ভূষিত করে।

কোম্পানিটির প্রাথমিক প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৩৫ ডলার। তবে বিনিয়োগকারীদের তুমুল আগ্রহের কারণে লেনদেনের শুরুতেই এর দাম ১১ শতাংশ লাফিয়ে ১৫০ ডলারে পৌঁছায়। শেয়ারের এই ঊর্ধ্বমুখী গতি এখানেই থেমে থাকেনি; দিনভর এটি প্রায় ১৭২ ডলারে ওঠানামা করতে থাকে। ফলে স্পেসএক্সের মোট বাজারমূল্য রেকর্ড ২ দশমিক ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে।

মাস্কের এই নতুন ট্রিলিয়নেয়ার খেতাব মূলত স্পেসএক্স এবং তার বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার বিপুল পরিমাণ শেয়ারের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। এর পাশাপাশি নিউরোটেকনোলজি প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক এবং টানেল নির্মাণকারী সংস্থা দ্য বোরিং কোম্পানির মতো ভবিষ্যতমুখী উদ্যোগগুলোতেও তার বড় অঙ্কের মালিকানা রয়েছে।

এর আগে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে জেফ বেজোসকে টপকে ১৮৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ ধনী হয়েছিলেন মাস্ক। আর এবার নিজের সম্পদকে তিনি নিয়ে গেলেন এক সম্পূর্ণ নজিরবিহীন উচ্চতায়।

মাস্কের মতে, তার জীবনের চূড়ান্ত ও ব্যয়বহুল স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতেই স্পেসএক্সকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০২৫ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যয় করতে গিয়ে কোম্পানিটি ৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার লোকসানের সম্মুখীন হয়েছিল।

এখন শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত এই নতুন পুঁজি মাস্ক ব্যবহার করতে চান বিশাল মহাকাশভিত্তিক ডেটা সেন্টার স্থাপন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে প্রতিযোগীদের ছাড়িয়ে যাওয়া এবং মঙ্গলে ১০ লাখ মানুষের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বসতি গড়ে তোলার চূড়ান্ত স্বপ্ন পূরণে। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ
প্রতীকী ছবি

ডেটে গিয়ে এক তরুণীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাওয়ানোর পর সেই খরচ ‘উসুল’ করার জন্য যৌন সুবিধা চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ভারতের গুরুগ্রামের বাসিন্দা হিমাংশু জাংরা। 

একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শোতে দেওয়া তার সেই মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর চাকরি হারাতে হয়েছে তাকে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিমাংশু কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরের একটি অনুষ্ঠানে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শো চলাকালে প্রণীতের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি নিজের একটি ডেটের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

হিমাংশুর দাবি, তিনি এক তরুণীকে নিয়ে ডেটে গিয়েছিলেন এবং দুজনে প্রায় ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খেয়েছিলেন। রাতের খাবারের পর ওই তরুণী যখন তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন, তখন তিনি নাকি বলেন যে খাবারের জন্য খরচ হওয়া ৩৭০ টাকা ‘উসুল’ করতে চান।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি বললাম, যে ৩৭০ টাকা খরচ হয়েছে, সেটা তো উসুল করবই।’

এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন হিমাংশু। অনেকেই তার মন্তব্যকে নারীর প্রতি অসম্মানজনক ও আপত্তিকর বলে আখ্যা দেন।

জানা গেছে, হিমাংশু ‘স্টারভিক ডিজাইন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

হিমাংশুর বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দেখে অনেকেই বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একাংশ তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান।

এ ঘটনার পর স্টারভিক ডিজাইনের প্রতিষ্ঠাতা বিবেক বিশ্বকর্মা একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা হিমাংশুকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছি। ভুলের পরিণতি ভোগ করতেই হয়। তবে আমরা আশা করি, এই ধরনের ঘটনা আত্মসমালোচনা, শিক্ষা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করবে। পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

অন্যদিকে, হিমাংশু তার মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছেন।

ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরও। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অমিয়/

ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’
ইংজি। ছবি: সংগৃহীত

চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তার ভিন্ন ফ্যাশন সচেতনতা, তারুণ্যদীপ্ত মনোভাব এবং দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

সাদা চুল এবং চমৎকার শারীরিক গঠনের অধিকারী এই প্রবীণ নারীর নাম ইংজি (Yingzi)। নেটিজেনরা তাকে ভালোবেসে 'তরুণী দাদী' (গার্লিস গ্রেন্ডমা) বলে ডাকছেন।

হাই হিল পরে শহরের রাস্তায় তার নাচ ও ক্যাটওয়াকের ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় ২০ লাখ ফলোয়ার অর্জন করেছে এবং এগুলোর ভিউ ১০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

ইংজি জানান, তার চিরসবুজ অবয়বের মূল রহস্য হলো নিজের স্টাইল ধরে রাখা। তিনি তরুণদের পছন্দের রঙচঙে পোশাক থেকে শুরু করে পপ, পাংক এবং গার্ল-গ্রুপ ফ্যাশনের পোশাকও দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরেন।

শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে তিনি প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টা যোগব্যায়াম করেন এবং বিকেল ৫টার পর আর কোনো খাবার খান না।

আশির দশকে স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে জাপানে থাকার সময় তিনি একটি রেস্তোরাঁ চালাতেন, যেখানে তার সৌন্দর্যের কারণে একটি সুপরিচিত জাপানি ম্যাগাজিনেও তার ছবি ছাপা হয়েছিল।

পরবর্তীতে চীনে ফিরে 'রিয়েল এস্টেট' ব্যবসায় সফল হয়ে তিনি নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেন এবং দাতব্য সংস্থায় লাখ লাখ ইউয়ান দান করেন।

৭০ বছর বয়সে তিনি প্রবীণ নারীদের একটি ফ্যাশন গ্রুপে যোগ দেন। এই গ্রুপটি নারীদের মনে সাহস জোগাতে, বয়সকে জয় করার পরামর্শ দিতে এবং পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করে।

সম্প্রতি তিনি সাংহাই ডিজনিল্যান্ডের একটি ফ্যাশন শোতে হেঁটে তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন।

ইংজির মতে, বয়স কোনো বাধা নয়, বরং একটি সম্পদ। তিনি ১২০ বছর বয়স পর্যন্ত এভাবেই সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তার এই ভিন্ন ধারার জীবনযাত্রা প্রবীণদের নিয়ে প্রচলিত সমাজিক ধারণা ভেঙে নতুন প্রজন্মকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

আজহার/অমিয়/

পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
ছবি: এআই

চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরীক্ষা ‘গাওকাও’ সামনে রেখে বহু শিক্ষার্থী হাসপাতালমুখী হচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, অক্সিজেন থেরাপি মস্তিষ্ককে ‘পুনরুজ্জীবিত’ করে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং পরীক্ষাজনিত উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে।

গাওকাও হলো চীনের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা, যা প্রতি বছর ৬ থেকে ৮ জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। 

দেশটিতে এই পরীক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়, কারণ এর ফলাফলই মূলত নির্ধারণ করে দেয় একজন শিক্ষার্থী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কোন বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গাওকাও পরীক্ষার্থীদের জন্য অক্সিজেন থেরাপির উপকারিতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। এসব পোস্টে দাবি করা হয়, এই থেরাপি ঘুমের মান উন্নত করে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সাধারণত হাসপাতালের হাইপারবারিক অক্সিজেন চেম্বারে পরিচালিত এই চিকিৎসা পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

পূর্ব চীনের জিয়াংসি প্রদেশের ইয়ংফেং কাউন্টি পিপলস হাসপাতাল গত ২৩ মে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে এই সেবা চালু করে। হাসপাতালটির তথ্য অনুযায়ী, চালুর এক সপ্তাহের মধ্যেই ৩০ জনের বেশি শিক্ষার্থী এই সেবা নিয়েছেন।

৯০ মিনিটের একটি সেশনের জন্য খরচ পড়ে ৯৬ ইউয়ান (প্রায় ১৫ মার্কিন ডলার)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, সেবাটির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ তাদেরও বিস্মিত করেছে।

হাসপাতালের হাইপারবারিক চেম্বার মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক দাই ফানবিং বলেন, উচ্চ ঘনত্বের অক্সিজেন গ্রহণের ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে, যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার বা মেরামতে সহায়তা করতে পারে। সাধারণত রক্ত সঞ্চালন বা অক্সিজেনের ঘাটতিজনিত রোগের চিকিৎসায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু শহরের হুয়াক্সি নং-৪ হাসপাতালও কয়েক বছর ধরে গাওকাও পরীক্ষার্থীদের জন্য এই সেবা দিয়ে আসছে।

এক শিক্ষার্থী জানায়, অক্সিজেন থেরাপি নেওয়ার পর তার ঘুম ভালো হচ্ছে এবং দিনের বেলায় মনোযোগও বেড়েছে।

এক অভিভাবক বলেন, তার সন্তান চার বার এই থেরাপি নিয়েছে এবং এর ফলাফলে সন্তুষ্ট।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যবহারকারী হাইপারবারিক চেম্বারে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে লিখেছেন, ‘চেম্বারের ভেতর ছিল একদম শান্ত। শুধু নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পর ঘুমিয়ে পড়ি। বের হওয়ার পর মনে হয়েছে, যেন আমার মস্তিষ্ক নতুন করে চালু হয়েছে এবং চিন্তাভাবনা আরও পরিষ্কার হয়েছে।’

তবে চিকিৎসক দাই ফানবিং সতর্ক করে বলেছেন, হাইপারবারিক অক্সিজেন থেরাপি সবার জন্য উপযোগী নয় এবং এটি গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তিনি জানান, এমফাইসিমা, টিম্পানাইটিস এবং গুরুতর উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই থেরাপি উপযুক্ত নয়।

দাই আরও বলেন, ‘এই প্রবণতার বিষয়ে আমি সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করি। অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক গাওকাও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অক্সিজেন থেরাপিকে এক ধরনের জাদুকরী সমাধান হিসেবে দেখছেন, যা বাস্তবসম্মত নয়।’

জিয়াংসি প্রদেশের মনোবিজ্ঞানী উ পেইশুয়ে বলেন, পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য আরও সহজ ও বৈজ্ঞানিক উপায় রয়েছে। এর মধ্যে পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, রোদে সময় কাটানো এবং ব্যক্তিগত শখ চর্চা উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, ‘গাওকাও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে তথাকথিত অলৌকিক সমাধানের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস না রাখাই ভালো। এসব বিষয় অনেক সময় কেবল প্ল্যাসিবো প্রভাব সৃষ্টি করে। বাহ্যিক উপায়ের ওপর নির্ভর না করে নিজের দৈনন্দিন জীবনযাপন ও অভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা অধিক কার্যকর।’ সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

অমিয়/

এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য
ছবি: প্রতীকী

বিখ্যাত ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গিলিয়াড সায়েন্সেস এবং মের্ক-এর তৈরি এইচআইভির নতুন ওষুধ তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে।

এই চিকিৎসাপদ্ধতির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো- এটি প্রতিদিন সেবন করতে হবে না; সপ্তাহে মাত্র এক বার খেলেই চলবে।

ওষুধটি কীভাবে কাজ করে?

নতুন ট্যাবলেটটিতে মের্কের তৈরি আইসল্যাট্রাভির এবং গিলিয়াডের তৈরি লেনাক্যাপাভিরের উপাদানকে সমন্বয় রয়েছে। এটি এইচআইভি ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির বিভিন্ন ধাপকে একযোগে লক্ষ্যবস্তু করে। ফলে শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘ভাইরোলজিক্যালি সাপ্রেসড’ হিসেবে পরিচিত।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, টানা ৪৮ সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে এক বার সেবনযোগ্য এই ট্যাবলেট রোগীদের শরীরে এইচআইভি ভাইরাসকে সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। বর্তমানে বাজারে থাকা প্রতিদিন সেবনযোগ্য জনপ্রিয় ওষুধগুলো শরীরকে যতটুকু সুরক্ষা দেয়, সপ্তাহে মাত্র একটি ট্যাবলেটও ঠিক ততটুকুই কার্যকর ও শক্তিশালী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতিদিন নিয়ম করে ওষুধ সেবন করতে হয়। অনেক সময় ওষুধ খাওয়ার কথা ভুলে যাওয়া বা প্রতিদিন ওষুধ সেবনের কারণে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

গিলিয়াড সায়েন্সেসের কর্মকর্তা ড. জ্যারেড বেটেন বলেন, সপ্তাহে মাত্র এক বার ওষুধ সেবনের এই সুবিধা এইচআইভি আক্রান্ত মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এটি তাদের জীবনযাত্রায় আরও বেশি স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

ওষুধটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ট্রায়ালের সব তথ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। অনুমোদন পেলে এটিই হবে এইচআইভি চিকিৎসায় বিশ্বের প্রথম সপ্তাহে এক বার সেবনযোগ্য ওষুধ। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/