ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন কেজরিওয়ালের

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ০৮:৪৭ এএম
আপডেট: ২৮ মে ২০২৪, ০৮:৪৭ এএম
জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন কেজরিওয়ালের
অরবিন্দ কেজরিওয়াল

ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায় হবে এ নির্বাচন। ইতোমধ্যে ষষ্ঠ দফার ভোট হয়ে গেছে গত শনিবার। সপ্তম দফার ভোট হবে আগামী ১ জুন। 

নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে জামিনের আবেদন করে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আগামী ২ জুন পর্যন্ত তিনি জামিনে আছেন। এরপর তাকে আবার কারাগারে যেতে হবে। কিন্তু তিনি তার অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ আরও বাড়ানোর আবেদন করেছেন। গতকাল সোমবার তিনি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুরুতর স্বাস্থ্যের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়ানোর অনুরোধ করেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার এ আবেদন মঞ্জুর করা হবে কিনা, আদালত এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।

এনডিটিভি জানায়, কেজরিওয়াল দুর্নীতির মামলায় ৫০ দিন কারাগারে থাকার পর তার গত ১০ মে ২১ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন ভারতের শীর্ষ আদালত। চলমান লোকসভা নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নেওয়ার জন্য তাকে এই জামিন দেওয়া হয়।

তবে জামিনে মুক্ত থাকা অবস্থায় তাকে তার নিজস্ব কার্যালয় অথবা দিল্লির সচিবালয়ে যাওয়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেন আদালত। এ ছাড়া অত্যন্ত জরুরি না হলে কোনো আনুষ্ঠানিক ফাইলেও স্বাক্ষর না দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

ম্যাক্স হাসপাতালের একটি মেডিকেল টিম এরই মধ্যে কেজরিওয়ালের প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। এ বিষয়ে কেজরিওয়ালের আইনি পরামর্শদাতা বলেন, তার সুচিকিৎসার জন্য এসব পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর জামিন নিয়ে শুরু থেকেই সমালোচনা করে আসছেন বিজেপি নেতারা। সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। তবে জামিনের সঙ্গে জড়িত বিচারকরা দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, কেজরিওয়ালের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কিছু করা হয়নি। 

রাখাইনে বিমানবন্দর দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৫ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৫ পিএম
রাখাইনে বিমানবন্দর দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি
ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিম মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে থান্ডওয়ে বিমানবন্দর দখলে নিয়েছে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। বিমানবন্দরটি সমুদ্রসৈকতের আন্তর্জাতিক প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত। 

সোমবার (২৪ জুন) মায়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইরাবতি এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০২১ সালে জান্তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হওয়ার পর এবারই প্রথম বিমানবন্দর দখল করল বিদ্রোহীরা। 

গতকাল রবিবার (২৩ জুন) এএর ঘনিষ্ঠ এক সূত্র বিমানবন্দর দখলের বিষয়ে জানায়। 

তবে এএ এখনো সরাসরি এটি নিশ্চিত করেনি। রাখাইনে মোট চারটি বিমানবন্দর রয়েছে। তার মধ্যে থান্ডওয়ে একটি। যদিও জান্তা-সমর্থিত টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোতে থান্ডওয়ে বিমানবন্দর দখল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের কাছে সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। বিমানবন্দরে কোনো সংঘর্ষ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেছে জান্তা সরকার। 

সূত্র জানায়, জান্তা সৈন্যরা বিমানবন্দরে কামান মোতায়েন করেছে। কিছু জান্তা সেনা ওই স্থান থেকে পালিয়ে গেছে বলেও জানা যায়। মায়ানমারের সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি বলেন, ‘রবিবার সন্ধ্যায় জেইকতাও থেকে গোলাগুলির শব্দ শুনেছি। আমি শুনেছি, তারা (বিদ্রোহী সৈন্যরা) পদাতিক ব্যাটালিয়ন-৫৫-এর কিছু জান্তা সৈন্যকে ধাওয়া করেছে এবং এমনকি যারা অস্ত্র ত্যাগ করেছে তাদের ওপরও গুলি চালিয়েছে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আহত জান্তা সৈন্যরা ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়ন-৫৫-এ চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে তাদের থান্ডওয়ে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ব্যাটালিয়ন-৫৬৬ থেকে জান্তা সৈনিকদের পরিবারের নারীদের ব্যাটালিয়ন-৫৫তে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

এদিকে জান্তার প্রচারণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধটি বিমানবন্দর থেকে দূরে তিনটি স্থানে সীমাবদ্ধ ছিল। জান্তা সৈন্যরা ২ জুন থেকে থান্ডওয়ে বিমানবন্দর দখলে রেখেছে। সেখান থেকে লোকজন সরিয়ে নিয়ে তারা শক্তি বৃদ্ধির জন্য সৈন্য ও অস্ত্র মোতায়েন করেছে। 

থান্ডওয়ে শহরের উপকণ্ঠে শ্বে কিয়াং পাইন গ্রামের পশ্চিমেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। মায়ানমারের গণমাধ্যম বলছে, জান্তা যুদ্ধবিমান থেকে আবাসিক এলাকায় বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। এতে বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছে। ভয়ে থান্ডওয়ের বাসিন্দারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র: ইরাবতি

দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাটারি কারখানায় আগুন, নিহত ১৬

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:১৭ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:১৭ পিএম
দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাটারি কারখানায় আগুন, নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদন কারখানায় আগুন লেগে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও পাঁচজন।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানী সিউলের দক্ষিণে হোয়াসিয়ংয়ে ব্যাটারি প্রস্তুতকারক একটি কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

স্থানীয় দমকল কর্মকর্তা কিম জিন-ইয়ং জানিয়েছেন, গুদামটিতে প্রায় ৩৫ হাজার ইউনিট ব্যাটারি ছিল। ব্যাটারি সেলগুলোতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ফলে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে আগুন লাগার কারণ এখনো স্পষ্ট জানা যায়নি। এদিকে আগুনের তীব্রতার কারণে উদ্ধারকারীদের পক্ষে মরদেহ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ এর আগে এক প্রতিবেদনে জানায়, কারখানার ভেতর থেকে প্রায় ২০ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

তবে কিম জিন-ইয়ং এক টেলিভিশন ব্রিফিংয়ে বলেছেন, অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন মারা গেছেন। পুড়ে গেছেন দুইজন। অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। কারখানার ভেতরে আটকে পড়া পাঁচজনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারীরা। সূত্র: রয়টার্স

পপি/

পশ্চিমবঙ্গে আটক বাংলাদেশের আনসার-আল-ইসলামের নেতা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:৪৫ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:৪৫ পিএম
পশ্চিমবঙ্গে আটক বাংলাদেশের আনসার-আল-ইসলামের নেতা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দেওয়া সূত্র ধরে এবং কিছু এনক্রিপ্টেড বা সুরক্ষিত গোপন মেসেজ ক্র্যাক করে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে অপারেট করা এক সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের কাঁকসা থেকে শনিবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় মহম্মদ হাবিবুল্লা নামে এক যুবকসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পর এমনটাই দাবি করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। 

বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল-ইসলামের একটি মডিউল বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই সক্রিয় ছিল। শাহাদত নামে সেই মডিউলের প্রধান বা আমির হিসেবে কাজ করতেন হাবিবুল্লা। কাঁকসা থানায় গ্রেপ্তার হাবিবুল্লার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং ইউএপিএ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল-ইসলামের সদস্য ছিলেন হাবিবুল্লা। সেই সংগঠনের অন্যতম সদস্য ‘ফিদায়েঁ’ ইসমাইল শাহাদত। মনে করা হচ্ছে তার নামেই তৈরি হয়েছে নতুন এই মডিউল। যার অর্থ, নিজে থেকে শহিদ হওয়া। অর্থাৎ আত্মঘাতী জঙ্গি বা ‘ফিদায়েঁ’। জিহাদের জন্য নিজের জীবন বিসর্জন দিতেও পিছপা হব না, এই সংকল্পের বীজই বুনে দেওয়া হতো সদস্যদের মধ্যে। সূত্রের দাবি, বিদেশে আত্মগোপন করে সালাউদ্দিন নাসের নামের একজন মডিউলটি অপারেট করেন।

মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় জাল বিছিয়ে তরুণ-তরুণীদের দলে টানতেন তারা। প্রথমে চলত স্ক্যানিং। দেখা হতো, কারা ইসলামিক মৌলবাদের প্রতি আগ্রহী। তারপর অডিও মেসেজ পাঠিয়ে চলত মগজ ধোলাই। ব্যবহার হতো বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ‘বিপ’। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ এক গ্রুপে চলত কথাবার্তা। সেই গ্রুপেই এখন কড়া নজর তদন্তকারীদের। সূত্রের দাবি, এইভাবে ‘রিক্রুট’ করা হয়েছিল হাবিবুল্লাকে। কম্পিউটার সায়েন্সের এই পড়ুয়া বেশির ভাগ সময়ই মোবাইল, ল্যাপটপে মুখ গুজে থাকতেন। এলাকায় কারও সঙ্গে বিশেষ মিশতেন না বলেই দাবি পড়শিদের। তবে আপাত শান্তশিষ্ট, মেধাবী হাবিবুল্লা যে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, তা মানতে পারছে না এলাকার বাসিন্দারা।

সম্প্রতি ঢাকার শাহিনবাগ, গুলিস্তান এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে নয়া ‍‍‍‘শাহাদত’ মডিউলের ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সূত্রের দাবি, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই বাংলার তিন চক্রীর হদিস মিলেছে। মূলত ঢাকা, সাতক্ষীরা, যশোর এলাকায় অপারেট করেন তারা। ধৃতদের রবিবার বর্ধমানের আদালতে পেশ করা হয়েছে। 

আটকদের মধ্যে তিনজন সরাসরি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ এসটিএফের। কয়েকজন ওই জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে এসটিএফের হাতে ধরা পড়েছেন। আটক হাবিবুল্লার ভাই স্কুলছাত্র। তাকেও আটক করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবিবুল্লা পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদ থানা এলাকার মানকর কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের কম্পিউটার সায়েন্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। খবর পেয়ে কাঁকসা থানায় পৌঁছান আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিকরা। সেখানে ছিলেন কাঁকসার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারও।

এই মডিউলের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে বিশেষভাবে সুরক্ষিত বা এনক্রিপটেড মেসেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে কথাবার্তা বলতেন। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল কায়দার সঙ্গে যোগাযোগে থাকা আনসার-আল-ইসলামের মডিউল ভারত ও বাংলাদেশে নাশকতামূলক কাণ্ড ঘটাবে বলেই গোপনে কাজ করছিল মনে করছে এসটিএফ।

কাঁকসায় তার বাড়ি থেকেই হাবিবুল্লাকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। হাবিবুল্লাহ ছাড়াও তার বাবা মহম্মদ ইসমাইল মুন্না ও পরিবারের কয়েকজনকে আটক করেছে এসটিএফ। তার বাড়ি থেকে বেশ কিছু নথিও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে।

অনিয়মের অভিযোগে ভারতের পরীক্ষাপ্রধান বরখাস্ত

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:১৯ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:১৯ এএম
অনিয়মের অভিযোগে ভারতের পরীক্ষাপ্রধান বরখাস্ত
ছবি: সংগৃহীত

উচ্চশিক্ষার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে ভর্তি পরীক্ষাসমূহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে ভারতের ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) প্রধান সুবোধ কুমার সিংকে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

শনিবার (২২ জুন) তাকে বরখাস্ত করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। একই দিন তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার প্রদীপ সিং খারোলা।

অনিয়মের ঘটনায় রবিবারের মেডিসিন স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রবেশিকা পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে পিএইচডি ফেলোশিপের যোগ্যতা নির্ধারণ পরীক্ষাও। সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

এ ছাড়া দেশের সব বড় পর্যায়ের পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এনটিএর যাবতীয় কার্যক্রম ও কাজের পদ্ধতি খতিয়ে দেখে আগামী দুই মাসের মধ্যে বিশেষ রিপোর্ট কেন্দ্রে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিটিকে। এ ছাড়া নিট বা নেটসহ সব গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনয়নে পরামর্শ দেবে এই কমিটি।

নিটের প্রশ্ন ফাঁস ও অনিময়ের অভিযোগে ইউজিসি নেট পরীক্ষা বাতিলকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে তোলপাড় চলছে। বিষয়টি ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছে সরকারের ওপর। এমন পরিস্থিতিতে একাধিক পরীক্ষা বাতিলসহ এনটিএ-প্রধানকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিলেও দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বাড়ছে।

ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাকে ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রেন্স টেস্ট (এনইইটি) বা নিট বলা হয়। এই পরীক্ষার আয়োজন করে এনটিএ। আর নেট হলো গবেষণা ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রবেশিকা পরীক্ষা।

ইরানের র‌্যাপারের মৃত্যুদণ্ড বাতিল

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:১৩ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:১৩ এএম
ইরানের র‌্যাপারের মৃত্যুদণ্ড বাতিল
ইরানি র‍্যাপার তোমাজ সালেহি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের জনপ্রিয় র‍্যাপার তোমাজ সালেহির মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। 

শনিবার (২২ জুন) সালেহির আইনজীবী আমির রাইসিয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সরকারের সমালোচনা করে গান গাওয়ায় তাকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হয়েছিল। খবর সংবাদমাধ্যম বিবিসির।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) আমির রাইসিয়ান বলেন, সালেহির মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করেছেন ইরানের সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে নতুন করে শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ‘অপূরণীয় একটি বিচারিক ত্রুটি’ রুখে দিলেন সর্বোচ্চ আদালত।

গত এপ্রিলে সালেহিকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছিল। তখন সালেহির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহে সহায়তা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, দাঙ্গার উসকানিসহ নানা অভিযোগ আনা হয়েছিল।

এর আগে ২০২২ সালে পুলিশ হেফাজতে ২২ বছর বয়সী ইরানি কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে এতে একাত্ম হন সালেহি। আন্দোলনের সময় ৩২ বছর বয়সী এই গায়ক ইরানের দুর্নীতি, শাসনব্যবস্থা্র ত্রুটিসহ সরকারের নানা সমালোচনা করে গান করেন। এমন ঘটনায় তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তারও হন। বিভিন্ন সময় তাকে হুমকিও দেওয়া হলেও তিনি গান দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার ছিলেন।