ঢাকা ৬ বৈশাখ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

গোপীবাগে ৩৫ কোটি টাকার খাস জমি উদ্ধার

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৫৭ পিএম
গোপীবাগে ৩৫ কোটি টাকার খাস জমি উদ্ধার
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর গোপীবাগে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের খাস জমি উদ্ধার করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসক। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিল মৌজার আর কে মিশন রোডে অভিযান চালিয়ে এ জমি উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা জমিতে সাইনবোর্ড লাগানো হয়।

এসএ, আরএস ও মহানগর জরিপের ধারাবাহিকতায় সরকারের নামে ১নং খাস খতিয়ানে ১৬ আনায় রেকর্ড করা ১৭.৮০ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে ছিল। এই খাস জমিতে টিনের ছাপরা ঘর ও কিছু খাবার হোটেল ছিল।

ঢাকার জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমানের সার্বিক নির্দেশনা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শিবলী সাদিকের তত্ত্বাবধানে মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান অভিযান চালিয়ে মতিঝিল মৌজার ১ নং খতিয়ানের সিটি ৩৭৯৮ নং দাগের ১৭.৮০ শতক খাস জমি উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে খাস জমিতে সরকারের পক্ষে মালিকানা সাইনবোর্ড টাঙিয়ে জেলা প্রশাসন, ঢাকার দখল ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। 

এই অভিযান পরিচালনার সময় মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার ও সংশ্লিষ্ট ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, মতিঝিল থানার পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান জানান, ঢাকা জেলার বিভিন্ন স্থানে মূল্যবান অনেক খাস জমি বিভিন্ন দখলদার দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে আছেন। এসব খাস জমি রক্ষায় জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঢাকা শিশু হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
ঢাকা শিশু হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে
ছবি : খবরের কাগজ

ঢাকা শিশু হাসপাতালের কার্ডিয়াক আইসিইউ ইউনিটে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৫টি ইউনিটের চেষ্টায় শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) ২টা ২৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। 

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার লিমা খানম আগুন নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুপুর ১টা ৪৭ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাই। খবর পেয়ে প্রথমে দুই ইউনিট ও পরে আরও তিনটি ইউনিট যোগ দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। দুপুর ২টা ২৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণ এসেছে।’

তবে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণে ও হতাহতের কোনো খবর জানাতে পারেননি তিনি। 

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

সালমান/ 

ঢাকা শিশু হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০২:২৬ পিএম
ঢাকা শিশু হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা শিশু হাসপাতালের কার্ডিয়াক আইসিইউ ইউনিটে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৫টি ইউনিট কাজ করছে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার লিমা খানম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দুপুর ১টা ৪৭ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাই। খবর পেয়ে প্রথমে দুই ইউনিট ও পরে আরও তিনটি ইউনিট যোগ দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

সালমান/

জাতীয় পতাকার নকশাকার শিব নারায়ণ দাস মারা গেছেন

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০২:১১ পিএম
জাতীয় পতাকার নকশাকার শিব নারায়ণ দাস মারা গেছেন
শিব নারায়ণ দাস। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রথম পতাকার অন্যতম নকশাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা শিব নারায়ণ দাস মারা গেছেন।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

শিব নারায়ণ দাসের ছেলে অর্ণব আদিত্য দাস গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

শিব নারায়ণ দাস উচ্চতর শিক্ষার জন্য নিজের মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দান করেছেন। 

কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা শিব নারায়ণ দাসের বাবা সতীশচন্দ্র দাস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনারা তাকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। শিব নারায়ণ দাসের স্ত্রী গীতশ্রী চৌধুরী এবং তাদের এক ছেলে অর্ণব আদিত্য দাস।

শিব নারায়ণ দাস প্রথম ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন। ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন অংশ নিয়ে কারাবরণ করেন তিনি।

১৯৭০ সালের ৭ জুন ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত ছাত্রদের এক সামরিক কুচকাওয়াজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এই লক্ষ্যে ছাত্রদের নিয়ে একটি জয়বাংলা বাহিনী, মতান্তরে ‘ফেব্রুয়ারি ১৫ বাহিনী’ গঠন করা হয়। ছাত্রনেতারা এই বাহিনীর একটি পতাকা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়।

এই লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের (তৎকালীন ইকবাল হল) ১০৮নং কক্ষে ছাত্রলীগ নেতা আ স ম আবদুর রব, শাহজাহান সিরাজ, কাজী আরেফ আহমদ, মার্শাল মনিরুল ইসলাম পতাকার পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে বসেন। এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা স্বপন কুমার চৌধুরী, জগন্নাথ কলেজের ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা শিব নারায়ণ দাস, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সাধারণ সাধারণ সম্পাদক হাসানুল হক ইনু ও ছাত্রনেতা ইউসুফ সালাউদ্দিন।

সভায় কাজী আরেফের প্রাথমিক প্রস্তাবনার ওপর ভিত্তি করে সবার আলোচনার শেষে সবুজ জমিনের ওপর লাল সূর্যের মাঝে হলুদ রঙের বাংলার মানচিত্র খচিত পতাকা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। কামরুল আলম খান (খসরু) তখন ঢাকা নিউ মার্কেটের এক বিহারী দর্জির দোকান থেকে বড় এক টুকরো সবুজ কাপড়ের মাঝে লাল একটি বৃত্ত সেলাই করে আনলেন, এরপর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কায়েদে আজম হলের (বর্তমানে তিতুমীর হল) ৩১২নং কক্ষের এনামুল হকের কাছ থেকে অ্যাটলাস নিয়ে ট্রেসিং পেপারে আঁকা হলো পূর্ব পাকিস্তানের মানচিত্র।

শিব নারায়ণ দাস পরিশেষে তার নিপুণ হাতে মানচিত্রটি আঁকলেন লাল বৃত্তের মাঝে, এমনি করে রচিত হলো ‘ফেব্রুয়ারি ১৫ বাহিনী’র পতাকা, যা কিছুদিন পর স্বীকৃত হয় বাংলাদেশের প্রথম পতাকা হিসেবে। সূত্র : ইউএনবি

সালমান/

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৫ পিএম
প্রবাসীদের রেমিট্যান্স উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি : সমাজকল্যাণমন্ত্রী
ছীব : খবরের কাগজ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা আছে। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের উন্নয়নের একটি মূল চালিকাশক্তি। প্রবাসীদের জন্য এবং তাদের কল্যাণে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সব সময়ই কাজ করে যাচ্ছেন।’

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে শহরের বাবুরহাট সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের ব্যবস্থাপনায় প্রবাসীকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের ভাতা বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘একটা সময় ছিল প্রবাসীদের প্রতি পদে পদে নানা ধরনের প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হতে হতো। এখন ওইসব জায়গাগুলোতে কাজ করা হয়েছে। এখন আর ঢালাওভাবে প্রতারণার সুযোগ অনেক কমে গেছে। এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি মানুষ বৈধ ভিসা নিয়ে বিদেশে যায়। অবৈধ যাওয়ার সংখ্যা হয়তো একেবারে কমে আসছে। বিমানবন্দরে যেখানে আগে হয়রানি ছিল, সেখানে সেবা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রিভার) শ্রীমা চাকমা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাখাওয়াত জামিল সৈকত, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকার, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সফিকুর রহমান।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শরিফুল ইলাম/জোবাইদা/

জিম্মিদশার বর্ণনা দিলেন এমভি আবদুল্লাহর ক্যাপ্টেন

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৫ পিএম
জিম্মিদশার বর্ণনা দিলেন এমভি আবদুল্লাহর ক্যাপ্টেন
ছবি : সংগৃহীত

সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে পেরে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন এমভি আবদুল্লাহর ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আবদুর রশিদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সংযুক্ত আরব আমিরাতের পথে থাকা জাহাজটি থেকে টেলিফোনে খবরের কাগজকে জিম্মিদশার বর্ণনা দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

আবদুর রশিদ বলেন, ‘জলদস্যুদের সঙ্গে দুর্বিষহ দিন কেটেছে। প্রতিদিন মনে হতো আজই জীবনের শেষ দিন। ভারি ভারি অস্ত্র নিয়ে তারা জাহাজে অবস্থান নিয়েছিল। তাদের নির্দেশ মেনেই চলতে হয়েছিল। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিযানের কথা শুনে বেশি আতঙ্কগ্রস্ত ছিলাম। একদিন আমাদের ২৩ নাবিককে ব্রিজের ওপর তুলে রেখেছিল যেন বাইরের কেউ হামলা করতে না পারে। গত শনিবার রাতে এমভি আবদুল্লাহ থেকে নেমে যায় জলদস্যুরা।’

তিনি বলেন, ‘১২ মার্চ, বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় সোমালিয়ার উপকূল থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ভারত মহাসাগর হয়ে যাচ্ছিলাম আমরা। এটি ছিল অনেকটা নিরাপদ সমুদ্রপথ। জাহাজের ডান পাশে অনেক দূরে একটি ফিশিং বোট দেখতে পাই। ফিশিং বোটটি দৃশ্যমান হওয়ার পর জাহাজটি বাঁয়ে ঘুরিয়ে দিই যেন আমার জাহাজ থেকে ওই জাহাজের ব্যবধান বেড়ে যায়।  হঠাৎ দেখি, নৌযানটি থেকে একটি স্পিডবোট সাগরে ভাসানো হচ্ছে। তখনই আমরা নিশ্চিত হয়ে যাই, জলদস্যুরা আসছে। স্পিডবোট দ্রুতগতিতে আমাদের দিকে আসতে থাকে। এমভি আবদুল্লাহ জাহাজে কয়লা বোঝাই থাকায় আমাদের গতি ছিল কম। ঘণ্টায় সাড়ে ১০ নটিক্যাল মাইল। স্পিডবোটটি কাছাকাছি চলে আসার পর একবার ঢেউ সৃষ্টি করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। উচ্চচাপে পানি ছিটানো হয়। আবার ডানে-বাঁয়ে জাহাজ ঘুরিয়ে স্পিডবোটটির গতি কমানোর চেষ্টা শুরু করি। তবে কোনো কিছুতেই কাজ হয়নি।’ 

ক্যাপ্টেন আবদুর রশিদ বলেন, ‘একই সময়ে জরুরি বার্তার বাটনে চাপ দিই। ইউকে এমটিওতে (যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন) যোগাযোগ করি। কাছাকাছি কোনো যুদ্ধজাহাজ পাইনি। কিছুটা হতাশ হয়ে পড়ি। চারজন জলদস্যু দ্রুত ব্রিজে উঠে প্রথমে দ্বিতীয় কর্মকর্তার মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ‘মাস্টার মাস্টার’ বলে আমাকে খুঁজতে থাকে। দ্বিতীয় কর্মকর্তা ভয় পেয়ে যান। প্রাণহানির শঙ্কায় আমি দ্রুত সেখানে গিয়ে হাত তুলি। তখনই জলদস্যুরা ‘অল ক্রু’ বলে চিৎকার করতে থাকে। এরপরই আমি সব নাবিককে ব্রিজে চলে আসার নির্দেশ দিই। এভাবেই জলদস্যুরা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় জাহাজের। আনন্দে তারা ফাঁকা গুলি ছোড়ে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যে প্রাণ নিয়ে এসেছি সেটিই আল্লাহর দরবারে বড় শুকরিয়া। জাহাজে আমাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করেছে জলদস্যুরা। খাবারের জন্য তাদের সরবরাহ করা দুম্বা খাওয়ার মতো ছিল না। তবে আমাদের প্রায় তিন মাসের শুকনো খবার মজুত ছিল। শেষে মুক্তিপণের টাকা পেয়ে জলদস্যুরা খুব আনন্দিত হয়েছিল। টাকাগুলো জাহাজে নিয়ে গুনে দেখে তারা।’  

তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমরা মুক্ত, তবে আমাদের মনের দুর্বিষহ চাপ এখনো যায়নি। মাঝে মাঝে মনে হয় এখনো জলদস্যুদের আক্রমণ হবে জাহাজে। তবে আমাদের জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ এখন ঝুঁকিমুক্ত। আমরা চট্টগ্রামে পৌঁছালেই জাহাজের ঘটনা মিডিয়াতে তুলে ধরব। বর্তমানে জাহাজটি ওমানের হামিরিয়া বন্দর থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে আছে। ২১ এপ্রিল ওমানে নোঙর করবে।’ 

আবদুস সাত্তার/পপি/