ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

দমচর্চা-প্রত্যয়ন পাঠের মধ্য দিয়ে মেডিটেশন দিবস পালিত

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৯:২৭ পিএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ০৯:২৭ পিএম
দমচর্চা-প্রত্যয়ন পাঠের মধ্য দিয়ে মেডিটেশন দিবস পালিত
ছবি : সংগৃহীত

‘ভালো মানুষ ভালো দেশ, স্বর্গভূমি বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (২১ মে) বিশ্ব মেডিটেশন দিবস পালন করেছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে বিশেষ মেডিটেশনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে চতুর্থবারের মতো এই কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। 

রাজধানীর পাশাপাশি আজ ভোর ৬টায় সারা দেশের বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে একযোগে প্রাণায়াম বা দমচর্চা, প্রত্যয়ন পাঠ ও মেডিটেশনের আয়োজন করে সংগঠনটি। আর এর মধ্য দিয়ে ধ্যানীরা সুস্থতা ও প্রশান্তির বাণী ছড়িয়ে দেন। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রাণায়াম, প্রত্যয়ন, অনুভূতি আর ধ্যানের মাধ্যমে মেডিটেশন (ধ্যান) চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা জানান, ভুল জীবনযাপন থেকে সৃষ্টি হয় বিভিন্ন রোগ। আর তার থেকে মুক্তি এবং টোটাল ফিটনেসের জন্য প্রয়োজন মেডিটেশন বা সুস্থ জীবনযাপন। প্রশান্তি নিয়ে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ নিয়মিত মেডিটেশন করে। নিয়মিত এই অনুশীলন, মানুষের ভেতরের ইতিবাচক সত্তাকে জাগিয়ে তোলে। আত্মশক্তির বিকাশ, রোগ নিরাময়, সাফল্য কিংবা প্রশান্তি লাভে মেডিটেশনের গুরুত্ব এখন প্রমাণিত সত্য। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণ সাধনে মেডিটেশন সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম। যা মানুষের মনকে স্থির করে, ক্রোধ কমায়।

এর আগে ভোর থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে ধ্যানপ্রেমী ছোট বড় নানা পেশার মানুষ জড়ো হতে থাকে। দিনটি উদযাপন করতে ঢাকার বাইরে থেকেও অসংখ্য মানুষ আসে। তাদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা আকরাম নামে একজন বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই সুপ্ত প্রতিভা লুকিয়ে আছে। আমরা অনেকেই হয়তো সে শক্তি সম্পর্কে নিশ্চিত নই। নিজেকে জানতে কিংবা নিজের সেই লুক্কায়িত প্রতিভা জাগ্রত করার প্রধান অস্ত্র হচ্ছে মেডিটেশন।’ 

খাদিজা নামের একজন এসেছেন নারায়ণগঞ্জ থেকে। তিনি জানান, এই মেডিটেশন উদযাপনে অংশগ্রহণ করতে তিনি ভোরের আলো ফোটার আগেই বের হয়েছেন। প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি মেডিটেশন করছেন। মেডিটেশন তার জীবন বদলে দিয়েছে।

নরসিংদী থেকে এসেছেন মোমেনা বেগম। তিনি বলেন, ‘নিজেকে সময় দেওয়া, স্থির হওয়াটা খুব জরুরি।  জীবনের সব ইতিবাচক পরিবর্তনে মেডিটেশন একটি কার্যকরী ওষুধ, যা পরিবারের সুস্থতা ও সামাজিক সুস্থতায়ও অবদান রাখে।’ 

প্রসঙ্গত, ৭ বছর আগে উইল উইলিয়ামস নামে এক ব্রিটিশ মেডিটেশন প্রশিক্ষক প্রথম দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেন। তিনি ছিলেন অনিদ্রার রোগী। মেডিটেশনের মাধ্যমে নিরাময় লাভের পর এ সম্পর্কে আরও উৎসাহী হয়ে ওঠেন উইলিয়ামস। নিয়মিত  মেডিটেশন চর্চায় কমে যায় মনের রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ, হতাশা কিংবা মানসিক চাপ। নেতিবাচকতা থেকে দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায় ইতিবাচকতায়।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:৪০ পিএম
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা
জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করছেন নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুর ১২টা ২ মিনিটে স্মৃতিসৌধের শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। সেই সঙ্গে বীর শহিদদের সম্মানে সালাম প্রদান করেন তিনি।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে ওয়াকার-উজ-জামান স্মৃতিসৌধ এলাকায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান ৯ পদাতিক ডিভিশন জিওসি মেজর জেনারেল মঈন খান। শ্রদ্ধা জানিয়ে ১২টা ৫ মিনিটে  স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন সেনাপ্রধান। পরে ১২টা ১০ মি‌নি‌টে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের সফরসঙ্গী ছিলেন লে. জেনারেল মাজিবুর রহমান, মেজর জেনারেল যুবায়ের সালেহীন (এজি), মেজর জেনারেল সারোয়ার হোসেন, ব্রি. জেনারেল মুনিরুল ইসলাম (ডিপিএস) ও তার নিরাপত্তা অফিসার।

সাভার গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী ও জাতীয় স্মৃতিসৌধের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘সেনাপ্রধান দুপুরে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহিদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেনাপ্রধানের আগমন উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। সকাল থেকে দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। তবে দুপুরের পর থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ।’

ইমতিয়াজ/সালমান/

বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি টাকা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:০৩ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:০৭ পিএম
বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি টাকা
ছবি : খবরের কাগজ

ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছে উত্তরাঞ্চলের মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ। বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ হাজার ৬০০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫০ টাকা। 

সোমবার (২৪ জুন) বঙ্গবন্ধু সেতু সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ থেকে ২০ হাজার যানবাহন সেতু পারাপার হলেও ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে তা বাড়তে থাকে। গত শনিবার রাত ১২টা থেকে গতকাল রবিবার রাত ১২টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্তে ১৪ হাজার ৮৯৭টি যানবাহন পারাপার হয়। এ থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ২৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫০ টাকা। সেতুর পশ্চিম প্রান্তে ২২ হাজার ৭০৩টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার ৬০০ টাকা। 

বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে সেতুর উভয় প্রান্তে ১২টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় করা হলেও ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে উভয় প্রান্তে আলাদা মোটরসাইকেলের লেনসহ ১৮টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় করা হচ্ছে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে উত্তরাঞ্চলের মানুষ। এতে যানবাহনের চাপ রয়েছে।’

জুয়েল রানা/সালমান/

সব নাগরিকের বিচার পাওয়ার অধিকার আছে: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:০২ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:১৮ পিএম
সব নাগরিকের বিচার পাওয়ার অধিকার আছে: প্রধান বিচারপতি
ছবি: খবরের কাগজ

বিচারপ্রার্থী এবং অভিযুক্ত; সবারই ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে, এ নিয়ে বিচার বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতে বিচারপ্রার্থীদের জন্য আধুনিক সুবিধা সম্বলিত বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ উদ্বোধনের পর তিনি এ কথা বলেন।

গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে আদালত প্রাঙ্গনে নির্মিত বিচারপ্রার্থীদের বসার স্থান, ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, টয়লেট ও মুদিখানা তৈরি করা হয়।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘দ্রুত বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে প্রধান অন্তরায় মামলাজট, তাই মামলাজট কমানোর জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আদালতে আসা বিচারপ্রার্থী, অভিযুক্ত ও স্বাক্ষীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয় বিশ্রামাগার না থাকার কারণে। এই দুর্ভোগ লাঘবে একটি অনন্য উদ্যোগ বিচারপ্রার্থীদের জন্য আধুনিক সুবিধাসম্বলিত বিশ্রামাগার ন্যায়কুঞ্জ। সারাদেশের সব জজশিপে দ্রুত ন্যায়কুঞ্জ নির্মাণ করা হবে।’

বিশ্রামাগার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান, সিরাজগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ এম আলী আহম্মেদ, জেলা প্রশাসক মীর মো. মাহবুবুর রহমান, পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল প্রমুখ।

সিরাজুল ইসলাম/সাদিয়া নাহার/অমিয়

উপবৃত্তি, টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:৫৯ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৩১ পিএম
উপবৃত্তি, টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মাধ্যমিক থেকে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সত্যি খুব আনন্দিত আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি, এটা তারই একটি দৃষ্টান্ত। এইমাত্র যেটা উদ্বোধন করা হলো সেটা হলো স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি দেওয়া। এটা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে যার যার অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। নিজেরা সংগ্রহ করতে পারবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্টাইপেন্ড এবং টিউশন ফি বাবদ অর্থ বিতরণ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন্নাহার, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান।

একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ’ প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর ১৫ জন শিক্ষার্থী এবং ২১ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০২৩ সালের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড’ বিতরণ করেন।

‘বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ’ প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত ১৫ শিক্ষার্থীর প্রত্যেকেই ২ লাখ টাকা ও একটি সনদপত্র পেয়েছেন। 

এ ছাড়া, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড’ প্রাপ্ত ২১ শিক্ষার্থীর প্রত্যেকেই একটি সনদপত্র ও ৩ লাখ টাকা পেয়েছেন।

মোবাইল ফোন বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ে মাধ্যমিক থেকে স্নাতক পাস পর্যায়ে ৬৪ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মোট ২ হাজার ২০৮ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে।

অমিয়/

ঈদযাত্রায় ২৫১টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৬২

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:২১ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৩২ পিএম
ঈদযাত্রায় ২৫১টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৬২
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

ঈদুল আজহার আগে ও পরে ১৩ দিনে দেশে ২৫১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কমপক্ষে ৫৪৩ জন। 

সোমবার (২৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঈদুল আজহা উদযাপনকালে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

প্রতিষ্ঠানটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১১ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত এই ১৩ দিনে দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ৩২ জন নারী ও ৪৪টি শিশু রয়েছে। 

১২৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১০৪ জন, যা মোট নিহতের ৩৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৫১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৪৯ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ১৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ২৮ জন, অর্থাৎ ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

এই সময়ে ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। ১৬টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১০৪ জন (৩৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ), বাসযাত্রী ১১ জন (৪ দশমিক ১৯ শতাংশ), ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি আরোহী ১৫ জন (৫ দশমিক ৭২ শতাংশ), প্রাইভেটকার- মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ২৪ জন (৯ দশমিক ১৬ শতাংশ), থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা-টেম্পু) ৪৫ জন (১৭ দশমিক ১৭ শতাংশ), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-করিমন-ভটভটি-পাওয়ারটিলার) ৯ জন (৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ) এবং বাইসাইকেল আরোহী পাঁচজন (১ দশমিক ৯০ শতাশং) নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি (৩৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ৯১টি (৩৬ দশমিক ২৫ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ২৮টি (১১ দশমিক ১৫ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে ৩২টি (১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ) শহরের সড়কে এবং তিনটি (১ দশমিক ১৯ শতাংশ) অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪০ দশমিক ৯০ শতাংশ, মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটেছে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং অন্য যানবাহন দ্বারা মোটরসাইকেলে চাপা/ধাক্কায় দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩১ দশমিক ৮১ শতাংশ।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ২৮ দশমিক ৩৫ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ১৭ বছর। ৪৭ দশমিক ৭৬ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর এবং ২৩ দশমিক ৮৮ শতাংশের বয়স ৩৬ থেকে ৬০ বছর।

দুর্ঘটনায় ৯৯৮ কোটি ৫৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকার মানবসম্পদ ক্ষতি হয়েছে।

অমিয়/