ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ঢাকা-ক্যানবেরা বৈঠক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারে পাশে থাকতে চায় অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ১১:৪১ পিএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ১১:৪১ পিএম
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারে পাশে থাকতে চায় অস্ট্রেলিয়া
ছবি : বাসস

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারে পাশে থাকতে চায় অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার (২১ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সফররত অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। 

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি ও শিক্ষার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিবেশ ইস্যুতেও কথা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অভিন্ন ভাগ্য গড়তে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। আন্তর্জাতিক আইনকানুন মেনে ব্যবসা-বাণিজ্যকে এগিয়ে নিতে চাই। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংস্কারে আর্থিক সহায়তা দিয়ে প্রয়োজনে পাশে থাকতে চাই। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি বাংলাদেশ একা সমাধান করতে পারবে না। আমরা এই যাত্রায় একসঙ্গে থাকতে চাই।’

রোহিঙ্গা সংকট একা বাংলাদেশ সমস্যা নয় উল্লেখ করে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই সংকট পুরো বিশ্বের। আমরা একটি টেকসই সমাধান চাই। মায়ানমারের অস্থির পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করি। অস্ট্রেলিয়া এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়।’ 

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। আমাদের একটি চমৎকার সম্পর্ক আছে। গত ৫২ বছরের পথ চলায় অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি মসৃণ সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে ৪ বিলিয়ন ডলারের বিজনেস বাস্কেট রয়েছে। যদিও সাইজে এখনো যথেষ্ট ছোট।’ 

বাংলাদেশি পণ্যের অস্ট্রেলিয়ার বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পরও অব্যহত থাকব জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করবে দেশটি। এ ছাড়া তিনটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা দেবে দেশটি। মানব পাচার কমাতে একসঙ্গে কাজ করবে দুই দেশ। আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার। প্রশমনে সরাসরি যুক্ত থেকে সহযোগিতা করতে চায় অস্ট্রেলিয়া। কৃষি প্রযুক্তি, সহনশীল জাত বিনিময়ের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ হয়েছে। আমরা দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির পক্ষে। দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ শিক্ষা কার্যক্রম বাড়াতে চাই।’

এর আগে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পেনি ওং। এ ছাড়া দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জাদুঘরেও যান তিনি।

দুই দিনের এ সফরে আজ বুধবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কথা রয়েছে পেনি ওংয়ের। আজই তার ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে।

দুর্নীতিতে অভিযুক্তদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা পেলে ব্যবস্থা: আইজিপি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:৪৩ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:৪৩ পিএম
দুর্নীতিতে অভিযুক্তদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা পেলে ব্যবস্থা: আইজিপি
ছবি : খবরের কাগজ

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

সোমবার (২৪ জুন) পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ১১০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেগুন বাগিচায় আয়োজিত শোভাযাত্রা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি।

সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। এরপর আমরা দেখছি, শুনছি যে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নির্বিঘ্নে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, ‘পুলিশ যা করে, আইন মেনেই করে। তবে পুলিশ চাইলে যে কাউকে যেকোনো সময় স্টপ করতে পারে না। এ জন্য আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হয়। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিদের বিদেশযাত্রার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নির্দেশনা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সময় ঢাকা রেঞ্জের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রথম বুলেট নিক্ষেপকারী ঢাকা রেঞ্জ পুলিশ দেশ সেবায় আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করি।’

এর আগে শোভাযাত্রায় অংশ নেন রেঞ্জ পুলিশের সদস্যরা।

রাষ্ট্রায়ত্ত ৫৬ প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৫১ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:১৯ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:১৯ পিএম
রাষ্ট্রায়ত্ত ৫৬ প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৫১ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ৫১ হাজার ৩৯১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা পাওনা বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। 

সোমবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। 

অর্থমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রায় ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কাছে। এছাড়া বড় অঙ্কের টাকার মধ্যে চিনি কলগুলোর কাছে পাওনা প্রায় ৭ হাজার ৮১৩ কোটি টাকা; সার, রাসায়নিক ও ওষুধ শিল্পের কাছে ৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকা, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কাছে ৫ হাজার ১৮ কোটি টাকা, বাংলাদেশ বিমানের কাছে পাওনা ৪ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। 

চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো ব্যাংকেই আর্থিক সংকট নেই। তবে কতিপয় ব্যাংকে উচ্চ খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সমস্যা বিদ্যমান। এ সমস্যা নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন করে কর্মকর্তা নয়টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পর্যবেক্ষক হিসেবে এবং সাতটি ব্যাংকে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নিয়োজিত। 

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত হ্রাস পাওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হওয়ায় মানুষ আমানত তুলে বিনিয়োগ করছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাহীনতা বা মূল্যস্ফীতির কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানত কমছে না। 

এলিস/এমএ/

চলে গেলেন জল্লাদ শাহজাহান

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৬:১৫ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৬:১৫ পিএম
চলে গেলেন জল্লাদ শাহজাহান
জল্লাদ শাহজাহান ভূঁইয়া

টানা ৩২ বছর কারাগারে থাকা আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান ভূঁইয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) । 

সোমবার (২৪ জুন) ভোরে রাজধানীর শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ৭৪ বছর বয়সী শাহজাহানের। 

এদিন বিকেলে জল্লাদ শাহজাহানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজীব দে। তিনি জানান, ভোর ৫টার দিকে জল্লাদ শাহজাহানকে হেমায়েতপুর থেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার বাড়ির মালিক। বুকে ব্যথা অনুভব করায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় শাহজাহানকে। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহজাহানের বোন ফিরোজা বেগম জানান, লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর পলাশের ইছাখালীতে নিয়ে যাবেন। সেখানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।

নিহতের স্বজনরা জানান, সাভারের হেমায়েতপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন শাহজাহান। সেখানে আজ ভোরে তার বুকে ব্যথা ওঠে। পরে বাড়ির মালিক রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে এলে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ ঘাতক, ৬ জন যুদ্ধাপরাধী, কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, জঙ্গি নেতা বাংলাভাই, আতাউর রহমান সানীসহ আলোচিত ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করেছেন শাহজাহান। 

শাহজাহান ভূঁইয়া নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ইছাখালী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম হাছেন আলী ভূঁইয়া। নানান অপরাধে গ্রেপ্তারের পর শাহজাহান ১৯৯১ সালের ১৭ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে যান। ২০২৩ সালের ১৮ জুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। জল্লাদ শাহজাহান কারাভোগ শেষে মুক্তি পাওয়ার পর এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু কয়েক মাস পরই তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

অসংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধে জীবনযাপন পদ্ধতির পরিবর্তন জরুরি: স্পিকার

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:০২ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:০২ পিএম
অসংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধে জীবনযাপন পদ্ধতির পরিবর্তন জরুরি: স্পিকার
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, অসংক্রামক ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পেতে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। হৃদরোগের কারণে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেলে কীভাবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করা যায়, আক্রান্ত ব্যাক্তির প্রাণ বাঁচানো যায়- সেসব বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান সবার থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তনের মাধ্যমে সব অসংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

সোমবার (২৪ জুন) সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে আইপিডিআই ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ পার্লামেন্টারি স্টাডিজ (বিআইপিএস) দ্বারা আয়োজিত  'ওয়ার্কশপ অন এনসিডি অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড সিপিআর ট্রেনিং প্রোগ্রাম' শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বিশ্বে হৃদরোগের মতো অসংক্রামক ব্যাধির প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, হৃদরোগের ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যাপক গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে। এই কর্মশালা সিপিআর শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করতে সক্ষম করবে। ধরনের আয়োজনের জন্য তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। 

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা এমপি বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ও আইপিডিআই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী নন-কমিউনিকেবল ডিজিজের উপর এবং ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজেস এর প্রফেসর ও আইপিডিআই ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মহসিন আহমেদ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও সিপিআর নিয়ে লেকচার প্রদান করেন। 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ডা. মো. আব্দুল আজিজ, মো. তৌহিদুজ্জামান, রেজিয়া ইসলাম, কোহেলী কুদ্দুস, দ্রৌপদী দেবী আগরওয়ালা, মোছা. আশিকা সুলতানা, রুনু রেজা, জাতীয় সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত সহকারী, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিদের ব্যক্তিগত সহকারীসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

স্পিকার/এলিস

আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক তৈরিতে ভূমিকা রাখুন, বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৭:৫৫ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৭:৫৫ পিএম
আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক তৈরিতে ভূমিকা রাখুন, বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতি
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বিসিপিএসের নির্বাহী কমিটির একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন

চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) কে কার্যকরী ভূমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 

সোমবার (২৪ জুন) বঙ্গভবনে বিসিপিএসের নির্বাহী কমিটির একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এই নির্দেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। খবর বাসসের।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, চিকিৎসা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের নতুন নতুন উদ্ভাবনের ফলে চিকিৎসা বিজ্ঞানেও দ্রুত পরিবর্তন আসছে।

তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়ার পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ারও তাগিদ দেন। 

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি করা গেলে চিকিৎসা সেবার জন্য বিদেশমুখী প্রবণতা হ্রাস পাবে। পাশাপাশি মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে। জনগণও কম খরচে উন্নত চিকিৎসা পাবে।

প্রেস সচিব জানান, বিসিপিএসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি।

সাক্ষাৎকালে বিসিপিএসের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি বিসিপিএসের একাডেমিক কার্যক্রম ও ডিগ্রি প্রদানের সার্বিক প্রক্রিয়া রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। 

ওই সময় অধ্যাপক সহিদুল্লা জানান, বিসিপিএস থেকে ইতোমধ্যে ৮৮১৫ চিকিৎসক ফেলোশিপ (এফসিপিএস) এবং ৩৭৯১ চিকিৎসক মেম্বারশিপ (এমসিপিএস) লাভ করেছেন।

তিনি আরও জানান, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৬ জুন রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজগুলোর আদলে বিসিপিএস প্রতিষ্ঠা করেন। এই কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। 

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন।