ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সোনারগাঁয় ১০ টাকা চাঁদার জন্য হত্যা পক্ষপাতিত্বের প্রশ্নের আর্জেন্টিনা কোচের কড়া জবাব নিয়োগ দেবে মীনা বাজার ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন শুরু আগস্টে মাতামুহুরীতে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই সহোদরের মৃত্যু জাপানে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্প শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ ‘প্রাকৃতিক সুস্থতার জন্য হিজামা একটি অনন্য সুন্নত’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন: এমপি ফখরুল স্বাধীন সাংবাদিকতায় অপতথ্য ও গুজব বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এআই দিয়ে প্রবেশপত্র তৈরি, পরীক্ষার্থীসহ সহযোগীকে অর্থদণ্ড চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেলেন ৬ লেখক নিয়োগ দেবে এসএমসি, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা মতলবে ছেলের হাতে মা খুন প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল নেতা বহিষ্কার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন রিয়াদ মাহরেজ জার্মানি-নাগেলসম্যানের বিচ্ছেদ! থাইল্যান্ডে ধর্মীয় শোভাযাত্রা দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ সাদাপাথরে নিখোঁজ চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ৪০ জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু র‌্যাগিংয়ের দায়ে হাবিপ্রবির ৭২ শিক্ষার্থীকে শোকজ ফুটবলের উৎপত্তি প্রসঙ্গে আলাস্কার পাগল স্ল্যাকে১ ফুটবল খেলা চলছে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী টেড হিউজ ও মিরোস্লাভ হোলুবের কবিতা কৌতুকপ্রিয়তা আর সমাজ-নিরীক্ষণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী গ্রামে আমাদের বিশেষ আকর্ষণ ছিল পদ্মার নৌকাভ্রমণ

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক অবমাননার ঘটনায় ৪০১ জন শিক্ষকের প্রতিবাদ

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:৩১ পিএম
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক অবমাননার ঘটনায় ৪০১ জন শিক্ষকের প্রতিবাদ
প্রতীকী ছবি

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক অবমাননার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০১ জন প্রগতিশীল শিক্ষক।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহবুব আলম প্রদীপ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে শিক্ষকরা বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত, অপমানিত ও আহত করা হয়েছে। এমনকি মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত কিছু শিক্ষক আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছেন। এই ধরনের ঘটনায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্তরের শিক্ষক সমাজ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, যা শিক্ষকদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও পীড়াদায়ক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। অবিলম্বে এই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তারা।

গত এক বছরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষকদের চরিত্রহনন, কালার ট্যাগিং, কদর্য ভাষায় আক্রমণ, এমনকি আবাসিক এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে শত শত নিরপরাধ শিক্ষককে কর্মক্ষেত্রে লাঞ্ছিত করা হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে যেতে বাধা ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেদিন পবিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সমাজের ওপর এ ধরনের উশৃঙ্খল ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণকে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমর্থন করেছিলেন; আজ তারাই একই ধরনের উশৃঙ্খলতার শিকার হয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতিত ও সামাজিকভাবে অপমানিত হচ্ছেন।

এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মব সন্ত্রাসের কাছে নতজানু হয়ে অনেক প্রথিতযশা শিক্ষককে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত রেখেছেন, বয়কট করেছেন এবং চাকরিচ্যুত করার মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নিয়েছেন। মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে বরং তাদের নানাভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা আজ এক মারাত্মক হুমকি, অনিরাপদ ও চ্যালেঞ্জিং পেশায় পরিণত হয়েছে। মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতা, মর্যাদা ও সম্মানের পরিবর্তে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্র হয়ে পড়েছে মব সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য। মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষকতার মতো মহান পেশাকে ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, যা নজিরবিহীন ও চরম লজ্জাজনক। ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের মাধ্যমে মব সন্ত্রাসীরা নিজেদের পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে কলুষিত করেছে। যদি মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এভাবে শিক্ষক নিপীড়ন, নির্যাতন ও লাঞ্ছনার রীতি অব্যাহত থাকে, তবে অচিরেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হবে মেধাশূন্য— যা কারো কাম্য হতে পারে না। শিক্ষক নিপীড়ন বন্ধ, মব সন্ত্রাস দমন এবং চাকরিচ্যুত, বিরত রাখা, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত ও বয়কটকৃত সব শিক্ষককে সসম্মানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানানো হয়েছে। শিক্ষকরা বিশ্বাস করেন, এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

মেহেদী/

ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন শুরু আগস্টে

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০১ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন শুরু আগস্টে
ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি পেতে আগামী ১ আগস্ট থেকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন গ্রহণ চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে সম্প্রতি জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন আগামী ১ আগস্ট থেকে অনলাইনে গ্রহণ করবে সমাজসেবা অধিদপ্তর। এর আগে ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী এ বিষয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তির পাশাপাশি অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় হিজড়া, বেদে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও চা-শ্রমিকদের জন্য ভাতা এবং শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদনও অনলাইনে গ্রহণ করা হবে। আগ্রহীরা dss.bhata.gov.bd/online-application ঠিকানায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের নিজ নিজ স্থায়ী ঠিকানার ভিত্তিতে আবেদন করতে হবে। প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদনকারীর সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক।

এছাড়া আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইলফোন নম্বর অথবা নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে। ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করলে যোগাযোগের জন্য একটি সচল মোবাইল নম্বরও উল্লেখ করতে হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, যারা ইতোমধ্যে অন্য কোনো সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত সুবিধা পাচ্ছেন, তারা এ কর্মসূচির জন্য বিবেচিত হবেন না। এছাড়া আগে অনলাইনে আবেদন করে অপেক্ষমান তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।

নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন আবেদন এবং অপেক্ষমান তালিকায় থাকা আগের আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও বরাদ্দের প্রাপ্যতা অনুযায়ী চূড়ান্ত উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত উপকারভোগীরা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, আবেদন গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে কোনো ধরনের কারিগরি সমস্যা দেখা দিলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখার টেকনিক্যাল টিম ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

অন্তরা/

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন: এমপি ফখরুল

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন: এমপি ফখরুল
নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। ছবি: খবরের কাগজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে অসহায় দুঃস্থদের মধ্যে নগদ অর্থ সহযোগিতা দিয়ে মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন, নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নোয়াখালী-৫ আসনের কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা এবং সদরের দুই ইউনিয়নে ৪৫০ দুঃস্থ নারীর মধ্যে মানবিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফখরুল ইসলাম বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের সময় তার দেওয়া কথা রেখেছেন। ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ কার্ড পেয়ে জনগণ অত্যন্ত খুশি।'

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ত্রাণ সহায়তা থেকে আজ আমি আমার এলাকার সাড়ে চারশ অসহায় দুঃস্থ নারীদের মধ্যে ৯ লাখ টাকা বিতরণ করেছি। এ ছাড়াও গত দুই ঈদে এখানে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নগদ ২০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

ফখরুল ইসলাম জনগণকে সতর্ক করে বলেন, ভোট এলে একটি রাজনৈতিক দল বেহেশতের টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে ভোটারদেরকে বিভ্রান্ত করে। আমি জানি এ-সব কথা বলে অতীতে তারা সফল হয়নি ভবিষ্যতেও হবে না ইনশাআল্লাহ।

মন্জু/থিওটোনিয়াস/

জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০১ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সরকার মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। সরকারের মূল নীতি হল জাল যার, জল তার। এ নীতি অনুযায়ী প্রকৃত মৎস্যজীবীদের সুবিধার্থে জলাশয় উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় নেত্রকোণা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাওরাঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে দেশের সকল জলাশয় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত রাখবে সরকার। একই সঙ্গে বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে বোরো ফসল রক্ষায় নদী ও খাল খনন কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, ইজারা দিয়ে প্রভাবশালীরা যেভাবে হাওর বা জলাশয় দখল করে রাখতো এবং সাধারণ মানুষকে নামতে বাধা দিত, সেই প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। সরকার আইনিভাবে সকল বাধা দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ ও মৎস্যজীবীরা নির্বিঘ্নে জলাশয়ে মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।

এ ছাড়াও নদীর নাব্যতা যাতে না কমে যায় এবং জলাবদ্ধতায় যাতে মানুষ দুর্ভোগে না পড়ে, জলাশয়গুলোতে যাতে মৎস্য চাষ করতে পারে, সেই ব্যাপারে আমরা ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছি।

মত বিনিময়কালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

এ ছাড়াও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

থিওটোনিয়াস/

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা প্রদান এবং অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণ: ব্লু কার্বন অর্থায়নের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা’ শীর্ষক সেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ব্লু কার্বন ইকোসিস্টেমকে জলবায়ু সম্পদ, কমিউনিটি সম্পদ এবং উন্নয়ন সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। 

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ছাড়া, জলবায়ু অভিবাসন বিশ্লেষণের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভ বন ও উপকূলীয় জলাভূমি শুধু পরিবেশগত সম্পদ নয়, বরং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় জলবায়ু অবকাঠামো।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় অত্যন্ত সজাগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু ও বাস্তুতন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত। বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়াসহ এ অঞ্চলের দেশগুলো ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় ক্ষয়ক্ষতির মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তাই ব্লু কার্বন ম্যাপিং, কার্বন পরিমাপের অভিন্ন পদ্ধতি এবং আঞ্চলিক কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। 

সেশনে পাকিস্তানের পরিবেশমন্ত্রী শেজরা মানসাব আলী খান খারাল, মালদ্বীপের পরিবেশমন্ত্রী আলী শরীফ, এসকাপের নির্বাহী সচিব আরমিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা এবং বিভিন্ন দেশের পরিবেশমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

থিওটোনিয়াস/

প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। ছবি: সংগৃহীত

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রাপ্য সব ধরনের সেবা পর্যায়ক্রমে একটি ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ এর আওতায় আনবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অটিজম ও স্নায়ু বিকাশজনিত সমস্যা বিষয়ক সেল আয়োজিত প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, এমপি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কাজ শুরু করা হবে। পাশাপাশি অন্তত ১০টি জেলা বা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সমন্বিতভাবে নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিদ্যমান সক্ষমতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও বিকশিত করা হবে। তারা যে পণ্য উৎপাদন করবেন, সেগুলোর বাজারজাতকরণের ব্যবস্থাও করা হবে।

ফারজানা শারমীন বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে একই কমপ্লেক্সে একটি মাস্টার সার্ভিস সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগ্রহীরা প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। প্রশিক্ষণ শেষে তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করার সুযোগ পাবেন।

তিনি জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথক লিগ্যাল এইড কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে তারা বিভিন্ন আইনি জটিলতায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনকে আরও সহজ করা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মানসিক ও সামাজিক চাপ কমিয়ে আনা।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ১০টি পাইলট প্রকল্পে এমন ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে কোনো অভিভাবক সন্তানকে স্কুলে রেখে অপেক্ষার সময় আয়মূলক কাজে যুক্ত হতে পারেন। এ সময় শিশুদের চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্ট ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে রাখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি পরিবর্তন আনতে চাই, যার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দেশের মূলধারায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে এবং তাদেরকে দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা যাবে।

থিওটোনিয়াস/