ঢাকা ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
আবার ফাইনাল আয়োজনের দাবি আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ইস্ত্রির কালো দাগ দূর করবেন যেভাবে গোপালগঞ্জে বিচারকের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ খুবির নারী হলের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রেখে প্রতিবাদ চুলকানি হতে পারে বড় কোনো রোগের লক্ষণ বর্ষাকালে সুস্থ থাকতে…. হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু ২৭ জুলাই চাঁবিপ্রবির প্রো-ভিসি হলেন জাবির অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ঝিনাইদহে লাইসেন্সবিহীন গরু জবাই, মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: ইসি দানি ওলমোর সঙ্গে হাতাহাতি নিয়ে ক্ষমা চাইলেন আয়ালা ঠোঁটকাটা-তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচি করার প্রতিশ্রুতি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ছানিজনিত অন্ধত্ব ৫ বছরে নির্মূল করা হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ইবিতে শিক্ষক নিয়োগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য কাসেমিরোকে ঘিরে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে তদন্তে এমএলএস ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা আফতাব মজুমদার জয় গ্রেপ্তার বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে যা বললো ফিফা ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার দেহাবশেষ শীর্ষ ২৭-এর বাইরে থেকেই বিদায়, পুরস্কারবঞ্চিত নেইমার তীব্র গ্যাস সংকটের কারণ জানিয়ে সরকারের দুঃখ প্রকাশ ইরান যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ৯৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট বিল পাস শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর হাতে ৯ ভারতীয় জেলে আটক প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই গোপন বিয়ে নিয়ে উমর (রা.)-এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি ও ক্রেডেন্স হাউজিং লিমিটেডের মধ্যে হোম লোন সুবিধা প্রদানে চুক্তি সই কামরাঙ্গীরচরে মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের চাঁদপুরে এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং নিয়ে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ মেক্সিকোর মেয়র গুলি করে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা ফিফার সেরা একাদশে আর্জেন্টিনার ৩ জন, জায়গা পাননি কোনো ব্রাজিলিয়ান

স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: ইসি

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: ইসি
সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিতর্কিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলেছে, শুধু রাজনৈতিক দলের চিঠির ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারের রেফারেন্স বা আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেন, দলের চিঠির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি বিতর্কিত বিষয়। স্পিকার আমাদের কাছে বিষয়টি রেফার করলে বিরোধ (ডিসপিউট) পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে শুনানি শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

এ ধরনের ঘটনায় আইনি দিক ব্যাখ্যা করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, 'দল থেকে বহিষ্কার করলে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার সুযোগ নেই। তবে কোনো সংসদ সদস্য স্বেচ্ছায় দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়। স্পিকার আমাদের রেফার করলে বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের বিষয়ে কোনো চিঠি ইসিতে পৌঁছেনি। তিনি বলেন, শুধু দলের বহিষ্কারের চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। স্পিকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স বা চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের অযোগ্যতার বিষয়ে স্পিকারের রেফারেন্সের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাই কমিশন স্পিকারের আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে।

সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করলেও পরে গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে উল্লেখ করেন।

এরপর বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভায় মজলিসে শূরার সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলীয় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম।
দল থেকে বহিষ্কারের পর সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না-এ নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনগত মহলে আলোচনা চলছে।

 এলিস/আজহার/

হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু ২৭ জুলাই

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম
হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু ২৭ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২৭ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হজে যেতে আগ্রহীরা প্রাথমিক নিবন্ধন করতে পারবেন। 

বুধবার (২২ জুলাই) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রাথমিক নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আগামী বছরও ১৫ বছরের কম বয়সীরা হজে যেতে পারবেন না। প্রাথমিক নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। যাদের আগে থেকেই প্রাক-নিবন্ধন রয়েছে, তারা চাইলে ঘোষিত হজ প্যাকেজের পুরো অর্থ পরিশোধ করে একই সঙ্গে চূড়ান্ত নিবন্ধনও করতে পারবেন। অন্যথায় আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের বাকি অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিজে ই-হজ ব্যবস্থা ব্যবহার করে অথবা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, মডেল মসজিদ, বায়তুল মোকাররম কার্যালয় এবং আশকোনার হজ কার্যালয় থেকে নিবন্ধন করা যাবে। এছাড়া অনুমোদিত যেকোনো হজ এজেন্সির মাধ্যমেও নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলো হলো হজ প্যাকেজ-১ এবং সাশ্রয়ী হজ প্যাকেজ-২। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি সাধারণ হজ প্যাকেজের পাশাপাশি এজেন্সিগুলো অতিরিক্ত তিনটি প্যাকেজ দিতে পারবে, যা হজ পোর্টালে দেখা যাবে।

প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য বৈধ প্রাক-নিবন্ধন সনদ এবং আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক। নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীকে প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় নির্ধারিত হিসাবে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় একই পরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিরাই হজে যেতে পারবেন। হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির গুরুতর সমস্যা, স্নায়বিক বা মানসিক রোগ, স্মৃতিভ্রংশ, সক্রিয় ক্যানসারের চিকিৎসাধীন রোগী, যক্ষ্মা ও রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের মতো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না।

গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার নারীকে হজের জন্য উপযুক্ত বলে সনদ দেওয়া হবে না।

নিবন্ধনের পর সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় নির্ধারিত বেসরকারি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ এবং সিভিল সার্জন বা নির্ধারিত চিকিৎসকের কাছ থেকে শারীরিক সক্ষমতার সনদ সংগ্রহ করতে হবে।

প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। হজ-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানতে ১৬১৩৬ নম্বরে কল করে যোগাযোগ করা যাবে।

অন্তরা/

স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: ইসি

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: ইসি
সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিতর্কিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলেছে, শুধু রাজনৈতিক দলের চিঠির ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারের রেফারেন্স বা আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেন, দলের চিঠির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি বিতর্কিত বিষয়। স্পিকার আমাদের কাছে বিষয়টি রেফার করলে বিরোধ (ডিসপিউট) পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে শুনানি শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

এ ধরনের ঘটনায় আইনি দিক ব্যাখ্যা করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, 'দল থেকে বহিষ্কার করলে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার সুযোগ নেই। তবে কোনো সংসদ সদস্য স্বেচ্ছায় দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়। স্পিকার আমাদের রেফার করলে বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের বিষয়ে কোনো চিঠি ইসিতে পৌঁছেনি। তিনি বলেন, শুধু দলের বহিষ্কারের চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। স্পিকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স বা চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের অযোগ্যতার বিষয়ে স্পিকারের রেফারেন্সের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাই কমিশন স্পিকারের আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে।

সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করলেও পরে গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে উল্লেখ করেন।

এরপর বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভায় মজলিসে শূরার সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলীয় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম।
দল থেকে বহিষ্কারের পর সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না-এ নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনগত মহলে আলোচনা চলছে।

 এলিস/আজহার/

ঠোঁটকাটা-তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচি করার প্রতিশ্রুতি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
ঠোঁটকাটা-তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচি করার প্রতিশ্রুতি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

দেশে জন্মগত ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে সরকার জাতীয় কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ‘ঢাকায় স্মাইল এশিয়ার ৮ম আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডশিপ মেডিকেল মিশন উপলক্ষে আয়োজিত গালা ডিনার’ অনুষ্ঠানে এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের উদ্যোগে স্মাইল এশিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ঢাকা ব্যাংক এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনের ‘নতুন হাসির অঙ্গীকারে’ শীর্ষক সফল কর্মসূচি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৬৯ জন ঠোঁট ও তালুকাটা শিশুকে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওসমান এরশাদ ফয়েজ, সাজেদা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাহেদা ফিজ্জা কবির, স্মাইল এশিয়ার মহাসচিব অভিমন্যু তালুকদার, ঢাকার সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আ. রাজ্জাক সরকারসহ প্রমুখ। এছাড়া সভায় দেশি-বিদেশি চিকিৎসক দলে বিশেষজ্ঞ সার্জন, অ্যানেসথেসিওলজিস্ট, থেরাপিস্ট ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অংশ নেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জন্মগতভাবে ঠোঁটকাটা বা তালুকাটা সমস্যা নিয়ে জন্মানো শিশুদের অসহায়ত্ব ও আবেগ দেখে যে কারও হৃদয় কেঁদে ওঠে। কিন্তু অভিজ্ঞ চিকিৎসক, অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ও নার্সদের সমন্বয়ে গঠিত দলটি এই শিশুদের মুখে আবার হাসি ফুটিয়ে তুলেছে। সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের পূর্ণ সহযোগিতায় এই বিদেশি বিশেষজ্ঞ দলটি ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা শিশুদের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্মাইল এশিয়া ও সাজিদা ফাউন্ডেশনকে পুনরায় এই ধরনের কর্মসূচি হাতে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা পরবর্তীতে (স্মাইল এশিয়া) এলে সরকার একে একটি জাতীয় কর্মসূচিতে রূপ দেবে। যেন আরও বড় পরিসরে দেশের মানুষের সেবা করা যায়।

দেশের চিকিৎসকদের মেধা ও সক্ষমতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দেশীয় চিকিৎসকদের উদ্ভাবিত পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের দূরদূরান্তের জেলাগুলোতে ও ৪ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে ত্বক পৌঁছে দিয়ে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে অবদান রাখছেন চিকিৎসকরা। দেশের ১১টি জেলায় অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় এবং বন্যা পরবর্তী ডায়রিয়া, কলেরা, চর্মরোগ ও সাপের কামড়ের চিকিৎসায় ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের ছুটি ভুলে রাতদিন সেবা দিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিভেনম, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং চর্মরোগের ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে।

জয়ন্ত সাহা/খাদিজা রুমি/

ছানিজনিত অন্ধত্ব ৫ বছরে নির্মূল করা হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ পিএম
ছানিজনিত অন্ধত্ব ৫ বছরে নির্মূল করা হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা। ছবি: খবরের কাগজ

আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে ছানিজনিত অন্ধত্ব সম্পূর্ণ নির্মূলের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আয়োজিত "বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা" শীর্ষক স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হাইটেক চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেশের একদম প্রান্তিক ও গরিব মানুষের কাছে নাগরিক অধিকার হিসেবে পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত বলেন, 'বাংলাদেশে সরকারি খাত, বেসরকারি উদ্যোগ এবং এনজিও এই তিন সেগমেন্টেই চোখে পড়ার মতো ও প্রশংসনীয় কাজ হচ্ছে। তবে আমাদের একটি সমন্বিত ও কমন রিপোর্টিং সিস্টেম নেই। তাই আমরা একটি জাতীয় উদ্যোগ বা ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ গ্রহণ করছি। এই খাতটি এক দিনে পরিবর্তন হবে না, তাই আমরা পাঁচ বছর মেয়াদি পার্সপেক্টিভ প্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছি।'

তিনি আরও জানান, প্রথম বছরেই জেলা হাসপাতালগুলোতে বিদ্যমান আই কেয়ার সুবিধা ও প্ল্যানিং পুনর্মূল্যায়ন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আরও নতুন জনবল নিয়োগ এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রতিটি বয়সের মানুষের কাছে চক্ষুসেবা পৌঁছানোর জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করে বলেন স্কুলে যাওয়া ছোট ছোট শিশুদের চোখের সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় চশমা সরবরাহের জন্য সমন্বিত ক্যাম্পেইন ও প্রোগ্রাম চালানো হবে। প্রতিটি কলকারখানা, অফিস ও প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবী মানুষের চোখের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হবে এবং চশমা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে তাদের কাজের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়ে এমনটা উল্লেখ করেন ড. মুহিত।

তিনি বলেন, বয়স্ক মানুষদের ছানি দূর করতে ব্যাপকভিত্তিক ক্যাটারাক্ট সার্জারি প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হবে। প্রতি বছর কয়েক লাখ সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে দেশকে ছানিজনিত অন্ধত্বমুক্ত করা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত বলেন, 'ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো উদীয়মান চক্ষু সমস্যা চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নির্ভর এনহ্যান্সড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে পারি। প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে কমিউনিটি আউটরিচ বা মাঠপর্যায়ে সেবা দেওয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমরা চাই হাইটেক আই কেয়ার শুধু শহরের ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রান্তিক মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছাব।'

আই কেয়ার খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দক্ষ জনবলের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট এবং ট্রেনিং ক্যাডারের ওপর সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বর্তমানে এনজিও এবং প্রাইভেট খাতের অনেক ভালো ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন রয়েছে। আমাদের সরকারি-বেসরকারি সকল ইনস্টিটিউশনের সংখ্যা এবং মান বাড়িয়ে চিকিৎসকদের দক্ষতা অর্জনের পথ সহজ করতে হবে।'

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. এ.এস.এম.এম. ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক (অফথালমোলজি) ড. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এআরকে ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা।

কর্মশালার উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে দেশের প্রবীণ চক্ষু বিশেষজ্ঞ, একাদেমিক ব্যক্তিত্ব, জেলা ও পেরিফেরি পর্যায়ে কাজ করা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন চিকিৎসক, বিএনএসবি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

জয়ন্ত সাহা/তামান্না রুপা/

‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬: ড্রাইভিং ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ফর জবস অ্যান্ড প্রসপারিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ইনভেস্টরস এক্সপোতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও এক্সপো অনুষ্ঠান শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মূল সম্মেলন শুরুর আগে ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের পরবর্তী ধাপে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটি আরও বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের উদ্যোগ জোরদার করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে কার্যকর সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই লক্ষ্যে ‘ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)’-এর আয়োজনে ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬: ড্রাইভিং ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ফর জবস অ্যান্ড প্রসপারিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ইনভেস্টরস এক্সপো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রায় ৬০০ জন বিশিষ্ট প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। এতে উপস্থিত রয়েছেন- সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগী, বহুজাতিক কোম্পানির নির্বাহী কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী নেতা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।

সম্মেলনে আলোচনায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও উন্নত করা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিদ্যমান সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়েও মতবিনিময় করা হবে।

অনুষ্ঠানে ‘ফিকি এফডিআই’ রিপোর্ট উন্মোচন করা হয়। এই রিপোর্টে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশ্লেষণ, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া সম্মেলনে দেশের অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অবদান তুলে ধরা হয়, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো আলোচিত হয় এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে গঠনমূলক নীতিগত সুপারিশ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আজহার/