ঢাকা ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জাতীয় কর্মসূচির মাধ্যমে চিকিৎসা পাবে ঠোঁট-তালুকাটা শিশুরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৫ বছরে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ইবিতে শিক্ষক নিয়োগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য কাসেমিরোকে ঘিরে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে তদন্তে এমএলএস ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা আফতাব মজুমদার জয় গ্রেপ্তার বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে যা বললো ফিফা শীর্ষ ২৭-এর বাইরে থেকেই বিদায়, পুরস্কারবঞ্চিত নেইমার তীব্র গ্যাস সংকটের কারণ জানিয়ে সরকারের দুঃখ প্রকাশ ইরান যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ৯৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট বিল পাস শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর হাতে ৯ ভারতীয় জেলে আটক প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই গোপন বিয়ে নিয়ে উমর (রা.)-এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি ও ক্রেডেন্স হাউজিং লিমিটেডের মধ্যে হোম লোন সুবিধা প্রদানে চুক্তি সই কামরাঙ্গীরচরে মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের চাঁদপুরে এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং নিয়ে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ মেক্সিকোর মেয়র গুলি করে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা ফিফার সেরা একাদশে আর্জেন্টিনার ৩ জন, জায়গা পাননি কোনো ব্রাজিলিয়ান মাসাই মারার 'গ্রেট মাইগ্রেশন'-কে বিখ্যাত করে তোলা ৭টি প্রাণী বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘৩৫টি দেশে ভিসা ছাড়া’ ভ্রমণ, বাস্তবতা কতটুকু? প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ফাস্টট্র্যাক আদালত ঘোষণা নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর রাজশাহীতে ভ্যানচালক হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনায় আঘাতের হুশিয়ারি ইরানের নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস এডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন কি পদত্যাগ করছেন? তাইওয়ানের গবেষণায় দাম্পত্যে ডিমেনশিয়ার নতুন আতঙ্ক ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১০ অঞ্চলে নদীবন্দর সতর্কসংকেত লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে ইয়েমেনের হুতিদের হামলা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে স্মারকলিপি দিলো ইবি ছাত্রদল

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন কি পদত্যাগ করছেন?

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ এএম
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন কি পদত্যাগ করছেন?
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করছেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলসহ সর্বত্র গতকাল দিনভর ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সারা দিনই এই তথ্যটি ছিল টক অব দ্য টাউন। সেই পোস্টে দাবি করা হয়, রাষ্ট্রপতির পতদ্যাগের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণিকে রাষ্ট্রপতি করা হবে।

তবে সরকারসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে বিএনপির সর্বজনগ্রাহ্য একজন শীর্ষ মন্ত্রীকে এই দায়িত্বে নির্বাচন করা হতে পারে। 

গতকাল বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে বঙ্গভবনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় খবরের সত্যতা নিরূপণের জন্য। কিন্তু এ নিয়ে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি আসেনি। পদত্যাগ না করলে তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা।

বঙ্গভবন সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি তার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে পদত্যাগের কথা জানিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির কথা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছেন। এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের অনেকেই বিষয়টি এড়িয়ে যান। 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানায়, তাদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। ফোনে না পাওয়ায় তাকে এসএমএস করা হয়েছিল বিডিনিউজের পক্ষ থেকে। জবাবে ফিরতি এসএমএসে সরওয়ার বলেন, ‘আপনার মতো আমিও (খবরটা) দেখছি।’

বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি আমাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রায়ই বলেন, ‘শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর। দেশে ফিরে ২৭ জুন তিনি জাতীয় সংসদে সফরের অর্জন নিয়ে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর থেকে ফেরার পর রাষ্ট্রপতিকে তার সফরের বিষয়ে অবহিত করার রেওয়াজ রয়েছে।

তবে তারেক রহমান গতকাল বুধবার পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বা অন্য কোনোভাবে সফরের ফল তাকে অবহিত করেছেন–এমন কোনো তথ্য বঙ্গভবন কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রকাশ করেনি।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে কী হবে

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে পারেন।

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। আর ৪৮(১) অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে।

ফলে পছন্দের তালিকায় নাম থাকলেই কাউকে সরাসরি রাষ্ট্রপতি নিয়োগের সুযোগ নেই। তাকে প্রার্থী হতে হবে এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে।

জাতীয় কর্মসূচির মাধ্যমে চিকিৎসা পাবে ঠোঁট-তালুকাটা শিশুরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
জাতীয় কর্মসূচির মাধ্যমে চিকিৎসা পাবে ঠোঁট-তালুকাটা শিশুরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

দেশে জন্মগত ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে সরকার জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ‘ঢাকায় স্মাইল এশিয়ার ৮ম আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডশিপ মেডিকেল মিশন উপলক্ষে আয়োজিত গালা ডিনার’ অনুষ্ঠানে এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের উদ্যোগে স্মাইল এশিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ঢাকা ব্যাংক এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনের ‘নতুন হাসির অঙ্গীকারে’ শীর্ষক সফল কর্মসূচি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৬৯ জন ঠোঁট ও তালুকাটা শিশুকে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওসমান এরশাদ ফয়েজ, সাজেদা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাহেদা ফিজ্জা কবির, স্মাইল এশিয়ার মহাসচিব অভিমন্যু তালুকদার, ঢাকার সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আ. রাজ্জাক সরকারসহ প্রমুখ। এছাড়া সভায় দেশি-বিদেশি চিকিৎসক দলে বিশেষজ্ঞ সার্জন, অ্যানেসথেসিওলজিস্ট, থেরাপিস্ট ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অংশ নেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জন্মগতভাবে ঠোঁটকাটা বা তালুকাটা সমস্যা নিয়ে জন্মানো শিশুদের অসহায়ত্ব ও আবেগ দেখে যে কারও হৃদয় কেঁদে ওঠে। কিন্তু অভিজ্ঞ চিকিৎসক, অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ও নার্সদের সমন্বয়ে গঠিত দলটি এই শিশুদের মুখে আবার হাসি ফুটিয়ে তুলেছে। সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের পূর্ণ সহযোগিতায় এই বিদেশি বিশেষজ্ঞ দলটি ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা শিশুদের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্মাইল এশিয়া ও সাজিদা ফাউন্ডেশনকে পুনরায় এই ধরনের কর্মসূচি হাতে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা পরবর্তীতে (স্মাইল এশিয়া) এলে সরকার একে একটি জাতীয় কর্মসূচিতে রূপ দেবে। যেন আরও বড় পরিসরে দেশের মানুষের সেবা করা যায়।

দেশের চিকিৎসকদের মেধা ও সক্ষমতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দেশীয় চিকিৎসকদের উদ্ভাবিত পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের দূরদূরান্তের জেলাগুলোতে ও ৪ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে ত্বক পৌঁছে দিয়ে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে অবদান রাখছেন চিকিৎসকরা। দেশের ১১টি জেলায় অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় এবং বন্যা পরবর্তী ডায়রিয়া, কলেরা, চর্মরোগ ও সাপের কামড়ের চিকিৎসায় ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের ছুটি ভুলে রাতদিন সেবা দিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিভেনম, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং চর্মরোগের ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে।

জয়ন্ত সাহা/খাদিজা রুমি/

৫ বছরে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
৫ বছরে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা। ছবি: খবরের কাগজ

আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে ছানিজনিত অন্ধত্ব (ক্যাটারাক্ট ব্লাইন্ডনেস) সম্পূর্ণ নির্মূলের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আয়োজিত "বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা" শীর্ষক স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হাইটেক চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেশের একদম প্রান্তিক ও গরিব মানুষের কাছে নাগরিক অধিকার হিসেবে পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত বলেন, 'বাংলাদেশে সরকারি খাত, বেসরকারি উদ্যোগ এবং এনজিও এই তিন সেগমেন্টেই চোখে পড়ার মতো ও প্রশংসনীয় কাজ হচ্ছে। তবে আমাদের একটি সমন্বিত ও কমন রিপোর্টিং সিস্টেম নেই। তাই আমরা একটি জাতীয় উদ্যোগ বা ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ গ্রহণ করছি। এই খাতটি এক দিনে পরিবর্তন হবে না, তাই আমরা পাঁচ বছর মেয়াদি পার্সপেক্টিভ প্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছি।'

তিনি আরও জানান, প্রথম বছরেই জেলা হাসপাতালগুলোতে বিদ্যমান আই কেয়ার সুবিধা ও প্ল্যানিং পুনর্মূল্যায়ন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আরও নতুন জনবল নিয়োগ এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রতিটি বয়সের মানুষের কাছে চক্ষুসেবা পৌঁছানোর জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করে বলেন স্কুলে যাওয়া ছোট ছোট শিশুদের চোখের সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় চশমা সরবরাহের জন্য সমন্বিত ক্যাম্পেইন ও প্রোগ্রাম চালানো হবে। প্রতিটি কলকারখানা, অফিস ও প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবী মানুষের চোখের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হবে এবং চশমা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে তাদের কাজের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়ে এমনটা উল্লেখ করেন ড. মুহিত।

তিনি বলেন, বয়স্ক মানুষদের ছানি দূর করতে ব্যাপকভিত্তিক ক্যাটারাক্ট সার্জারি প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হবে। প্রতি বছর কয়েক লাখ সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে দেশকে ছানিজনিত অন্ধত্বমুক্ত করা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত বলেন, 'ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো উদীয়মান চক্ষু সমস্যা চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নির্ভর এনহ্যান্সড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে পারি। প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে কমিউনিটি আউটরিচ বা মাঠপর্যায়ে সেবা দেওয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমরা চাই হাইটেক আই কেয়ার শুধু শহরের ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রান্তিক মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছাব।'

আই কেয়ার খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দক্ষ জনবলের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট এবং ট্রেনিং ক্যাডারের ওপর সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বর্তমানে এনজিও এবং প্রাইভেট খাতের অনেক ভালো ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন রয়েছে। আমাদের সরকারি-বেসরকারি সকল ইনস্টিটিউশনের সংখ্যা এবং মান বাড়িয়ে চিকিৎসকদের দক্ষতা অর্জনের পথ সহজ করতে হবে।'

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. এ.এস.এম.এম. ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক (অফথালমোলজি) ড. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এআরকে ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা।

কর্মশালার উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে দেশের প্রবীণ চক্ষু বিশেষজ্ঞ, একাদেমিক ব্যক্তিত্ব, জেলা ও পেরিফেরি পর্যায়ে কাজ করা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন চিকিৎসক, বিএনএসবি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

জয়ন্ত সাহা/তামান্না রুপা/

‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬: ড্রাইভিং ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ফর জবস অ্যান্ড প্রসপারিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ইনভেস্টরস এক্সপোতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও এক্সপো অনুষ্ঠান শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মূল সম্মেলন শুরুর আগে ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের পরবর্তী ধাপে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটি আরও বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের উদ্যোগ জোরদার করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে কার্যকর সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই লক্ষ্যে ‘ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)’-এর আয়োজনে ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬: ড্রাইভিং ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ফর জবস অ্যান্ড প্রসপারিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ইনভেস্টরস এক্সপো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রায় ৬০০ জন বিশিষ্ট প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। এতে উপস্থিত রয়েছেন- সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগী, বহুজাতিক কোম্পানির নির্বাহী কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী নেতা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।

সম্মেলনে আলোচনায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও উন্নত করা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিদ্যমান সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়েও মতবিনিময় করা হবে।

অনুষ্ঠানে ‘ফিকি এফডিআই’ রিপোর্ট উন্মোচন করা হয়। এই রিপোর্টে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশ্লেষণ, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া সম্মেলনে দেশের অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অবদান তুলে ধরা হয়, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো আলোচিত হয় এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে গঠনমূলক নীতিগত সুপারিশ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আজহার/

তীব্র গ্যাস সংকটের কারণ জানিয়ে সরকারের দুঃখ প্রকাশ

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পিএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
তীব্র গ্যাস সংকটের কারণ জানিয়ে সরকারের দুঃখ প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছে। এতে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের ওপর প্রভাব পড়েছে। আর এ প্রভাবে গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সরকার।

বুধবার (২২ জুলাই) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। সংশ্লিষ্ট এফএসআরইউ থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।

সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ হ্রাস পেয়েছে। ফলে শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সিএনজি স্টেশনগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় সিএনজি স্টেশনগুলো প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস পাচ্ছে না, যার ফলে দীর্ঘ সারি ও সাময়িক জনভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এফএসআরইউটির কারিগরি সমস্যা দ্রুত সমাধান করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছেন। একই সঙ্গে সীমিত গ্যাসের সর্বোত্তম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জরুরি সেবা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে।

সরকার জানায়, বর্তমান সংকটের তাৎক্ষণিক কারণ এফএসআরইউর কারিগরি ত্রুটি হলেও দীর্ঘদিন ধরে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরশীলতা এ পরিস্থিতির প্রভাব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অতীতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে পর্যাপ্ত গুরুত্ব না দেওয়ায় আমদানিনির্ভরতা বেড়েছে। ফলে আমদানি অবকাঠামোর কোনো অংশে সমস্যা দেখা দিলে জাতীয় গ্যাস সরবরাহব্যবস্থা চাপের মুখে পড়ে।

এই নির্ভরতা কমাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। বুধবার একনেক সভায় বেগমগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ এলাকায় ৭২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি কূপ খননের একটি প্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্থলভাগ ও সমুদ্রাঞ্চলে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারে উৎপাদন বণ্টন চুক্তির (পিএসসি) আওতায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টের কার্যক্রম চলছে। তবে অনুসন্ধান, কূপ খনন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা সময়সাপেক্ষ হওয়ায় দীর্ঘদিনের এ সংকটের স্থায়ী সমাধান রাতারাতি সম্ভব নয়।

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে সরকার কয়েকটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে চতুর্থ এফএসআরইউ স্থাপনে দরপত্র আহ্বান, মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আমদানির সম্ভাব্যতা যাচাই, ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে আনতে পাইপলাইনসহ বিভিন্ন পরিবহনব্যবস্থা পর্যালোচনা, নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জ্বালানি আমদানির উৎস ও সরবরাহ অবকাঠামোর বহুমুখীকরণ।

সরকার জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এফএসআরইউর কারিগরি সমস্যা সমাধান হলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহক ও সর্বসাধারণের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

অন্তরা/

প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পিএম
প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনপূর্বক নতুন পাসপোর্ট ইস্যু ও পুনঃইস্যুর (রি-ইস্যু) কার্যক্রমের সময়সীমা আরও ছয় মাস বাড়িয়েছে সরকার।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বিশেষ সুবিধা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন-৪ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রাখা এবং জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকারের পূর্বে জারি করা আদেশের মেয়াদ আরও ছয় মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর ফলে বিদেশে অবস্থানরত যেসব বাংলাদেশি নাগরিকের পাসপোর্টে নাম, জন্মতারিখ, পিতামাতার নাম বা অন্যান্য তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধিত তথ্যের ভিত্তিতে পাসপোর্ট ইস্যু বা পুনঃইস্যুর আবেদন করতে পারবেন।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৫ সালের ৮ জুলাই জারি করা আদেশের মেয়াদ ৩০ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।

সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, দেশের সব বাংলাদেশ মিশন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়সীমা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদেশে অবস্থানরত অনেক বাংলাদেশি, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারেননি, তারা এখন নতুন সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন।

এর ফলে প্রবাসীদের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ আরও সহজ হবে এবং বৈধ ভ্রমণ ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় তারা উপকৃত হবেন। সূত্র: বাসস

আজহার/