ঢাকা ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, রোববার, ২৬ মে ২০২৪

আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:১৫ পিএম
আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি নেতা তৈমুর রহমানের স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : খবরের কাগজ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ আর রাজনৈতিক দল নেই, সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে গেছে। এখন তারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সরকার চালায়। এখন আওয়ামী লীগ নেই, পুলিশ লীগ হয়ে গেছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়ায় সদ্য প্রয়াত জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমানের স্মরণ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী কায়দায় একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ৭৫ সালে তারা বাকশাল করেছিল, এখন আবার তারা একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সর্বপ্রথম যে কাজটি করেছে, নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। মানুষ এই সরকারকে আর দেখতে চায় না। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে চাপ সৃষ্টি করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই সরকারকে বাধ্য করতে হবে সত্যিকার অর্থেই একটা অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন দেওয়ার জন্য।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘চুরি করতে করতে দেশটাকে তারা লুটপাট করে নিয়েছে। অর্থনীতি শেষ। ব্যাংকগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক অবস্থান ধসের দিকে যাচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন এখন থামেন।  মেগা প্রজেক্ট দিয়ে মেগা দুর্নীতি বন্ধ করেন। না হলে এ দেশ আর টিকবে না।’ 

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সুলতানুল ফেরদৌস নম্র, পয়গাম আলী, অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আমিন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, মহিলা দলের সভাপতি ফুরাতুন নেহার প্যারিস প্রমুখ।

নবীন/সালমান/

 

যুবদলের কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের সংবর্ধনা

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৯:১৮ পিএম
যুবদলের কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের সংবর্ধনা
ছবি : সংগৃহীত

বিগত আন্দোলনে কারাবরণকারি ও হামলা-মামলার শিকার নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের নেতা-কর্মীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রবিবার (২৬ মে) সকালে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদল এই কর্মসূচির আয়োজন করে। এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের আওতাধীন বিভিন্ন থানা, উপজেলা, পৌর এবং ইউনিয়ন যুবদলের কারা-নির্যাতিত নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃবৃন্দ। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন হাসান বলেন, বর্তমান সরকার একঘরে সরকার, মাফিয়া সরকার। শুধু বন্দুকের জোরে আর সন্ত্রাসী রূপে রাষ্ট্রীয় যন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। কিন্তু অবৈধভাবে ক্ষমতায় আর বেশিদিন থাকতে পারবে না। এই সরকারের পতন খুব তাড়াতাড়ি-ই হবে বাংলার মাটিতে। 
 
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাদেকুর রহমান সাদেকের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি ও জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজিবের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় ( ঢাকা বিভাগীয়) সহ-সভাপতি রেজাউল করিম পল, বিশেষ অতিথি যুবদল কেন্দ্রীয় সদস্য (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মর্যাদা) মোস্তফা জগলুল পাশা পায়েল, কোষাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, সদস্য মমতাজ উদ্দিন মন্তু, তৌফিকুর রহমান চৌধুরী তুহিন, সাইদুর রহমান সোহেল, আহসান উল্লাহ শিমু। আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সালু প্রমুখ। 

সবুজ/এমএ/

গুমকে নির্লজ্জের মতো অস্বীকার করে আসছে সরকার: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৯:০০ পিএম
গুমকে নির্লজ্জের মতো অস্বীকার করে আসছে সরকার: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আওয়ামী লীগ সরকার বরাবরই গুমের বিষয়টি সব আন্তর্জাতিক মহলে নির্লজ্জের মতো অস্বীকার করে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গুমের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রবল প্রতিবাদী হলেও আওয়ামী সরকার কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা করছে না। একদিকে সমাজ ও রাজনীতিতে মাফিয়াদের উত্থান অন্যদিকে গণতন্ত্রকামী মানুষ গুমের আতঙ্কে দিনরাত উদ্বিগ্ন থাকছে। বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে গুমের সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।’

রবিবার (২৬ মে) ‘গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ’ উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও মে মাসের শেষ সপ্তাহে পালিত হচ্ছে গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গণবিচ্ছিন্ন সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মানুষের জীবনের নিরাপত্তা চরম সংকটাপন্ন। দেশের মানুষের মতো প্রকাশের স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করার জন্য একের পর এক কালো আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। সেজন্য জোরপূর্বক গুমকে অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়ে এরা দেশকে এক ভীতিকর জনপদে পরিণত করেছে। একচ্ছত্র ক্ষমতা ধরে রাখতে ডামি সরকার গুমের মতো মনুষ্যত্বহীন পন্থায় বিরোধী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার সর্বাধিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গভীর শঙ্কা, ভয় ও শিহরণের মধ্যে বাস করছে জনগণ।’ 

তিনি বলেন, ‘ভিন্ন মতাবলম্বী ব্যক্তিদের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা চালিয়ে ডামি সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় টিকে আছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ বর্তমানে দ্বিতীয় বাকশাল কায়েম করার পর বিএনপিসহ বিরোধী দলের যেসব নেতা-কর্মী গুম হয়েছেন তাদের বাবা-মা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তানদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। অবিলম্বে এম ইলিয়াস আলী, সাইফুল ইসলাম হিরু, চৌধুরী আলম, হুমায়ন পারভেজ, সাজেদুল ইসলাম সুমন, জাকিরসহ গুম হওয়া অসংখ্য নেতা-কর্মীকে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। 

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমি মনে করি, ভুক্তভোগী বা তাদের পরিবারকে আইনি ও নৈতিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি শুনানির আয়োজন করা প্রয়োজন।’

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার পরিসংখ্যান তুলে ধরে ফখরুল বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে প্রায় ৬৬৬ জন ব্যক্তি গুম হয়েছেন। এদের মধ্যে কাউকে মৃত, কাউকে অনেক দিন পর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে আবার অনেকের কোনো তথ্যই পাওয়া যায়নি। আমরা জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি- তারা যেন অবিলম্বে বাংলাদেশ সরকারকে গুমের ঘটনা বন্ধ করতে এবং গুমের শিকার সকলের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে তাদের পরিবারকে তথ্য দেয় ও ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ছাত্রলীগ

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৭:৪৫ পিএম
ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ছাত্রলীগ
ছাত্রলীগ

ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকতে নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। 

রবিবার (২৬ মে) দুপুরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানের সই করা এক বিবৃতিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় রিমালে রূপ নিয়েছে; যা অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বা সুপারসাইক্লোনে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতোমধ্যে উপকূলবর্তী এলাকাসহ মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে বিপদসংকেত জারি করেছে। ঘূর্ণিঝড়টি পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাগর-দ্বীপের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান করছে। আজ গভীর রাতে কিংবা ২৭ মে ভোরের দিকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলবর্তী এলাকায় এটি আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশব্যাপী অতি ভারী বৃষ্টি, প্রবল দুর্যোগ এবং সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। প্রবল বৃষ্টির ফলে ভূমিধস হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সহযোগিতা ও মাইকিং করে প্রচার চালিয়ে যেতে হবে। এ ছাড়া শুকনো ও রান্না করা খাবার, খাওয়ার স্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ, ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে হবে। তা ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সংস্কার, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং স্থানীয় প্রশাসনের নেওয়া কার্যক্রমে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সরকারের চাপে স্বাধীন সাংবাদিকতা আর নেই : রিজভী

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৫:১৫ পিএম
সরকারের চাপে স্বাধীন সাংবাদিকতা আর নেই : রিজভী
ডিআরইউয়ের অনুষ্ঠানে কথা বলছেন রুহুল কবির রিজভী। ছবি : খবরের কাগজ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না বলে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের চাপে এখন আর দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতা নাই। দেশে যখন মানুষের ভোটাধিকার থাকে না, মানুষের কথা বলার অধিকার থাকে না এমন সময়ে সাংবাদিকদের ভয়ের মধ্যে কাজ করতে হয়। আর বর্তমানে দেশে সেই অবস্থা বিরাজমান। 

রবিবার (২৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) তিন দশক পূর্তি অনুষ্ঠানে বিএনপির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য সুখকর বিষয় নয়। সাংবাদিকদের জন্য এই আইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এমন একটি আইন, যে আইন থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না।’ 

তিনি বলেন, ‘যারা মুক্ত চিন্তার মানুষ, তারা তাদের মতামত ব্যক্ত করতে গিয়ে কারাবন্দি হয়েছেন। এমন একটি আইন দেশে বিদ্যমান। এমন পরিস্থিতিতে সংবাদপত্রের পথচলা দুঃসাধ্যের বিষয়।’

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির তিন দশক পূর্তি উপলক্ষে দুপুর ১২টার দিকে সেগুনবাগিচায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়। 

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, ডিআরইউর সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম আজাদ, ডিইউজের সহসভাপতি রাশেদুল হক, রফিক মোহাম্মদ, ডিআরইউ বহুমুখী সমিতির সভাপতি আবুল হোসেনসহ সংগঠনের সাবেক নেতা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুল ইসলাম/সালমান/

ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় নেতা-কর্মীদের ৬ নির্দেশনা ছাত্রদলের

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৪:০১ পিএম
ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় নেতা-কর্মীদের ৬ নির্দেশনা ছাত্রদলের
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল

ঘূর্ণিঝড় রিমালের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি রোধে ও জানমালের নিরাপত্তায় নেতা-কর্মীদের ৬টি নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

রবিবার (২৬ মে) দলটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ নির্দেশনা দেন।

নির্দেশনাগুলো হলো- উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষকে রিমালের ধ্বংসাত্মক প্রবণতা সম্পর্কে জরুরিভাবে সতর্ক করার প্রয়োজনে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনার কাজে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে, গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে হবে এবং বাঁধ সংস্কারের কাজে সহযোগিতা করতে হবে। শুকনো কিংবা রান্না করা খাবার, খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রস্তুত রাখতে হবে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধারকাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে প্রতিটি ইউনিটে অন্তত এক‌টি রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখতে হবে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে হবে। নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের যেকোনো দুর্যোগ-দুর্বিপাকে কিংবা সংকটে এক‌টি দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। রিমালের বিধ্বংসী প্রবণতা থেকে উপকূলের মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের প্রতি এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

ক্রমান্বয়ে আরও শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিক ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের কাছের দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর বিপৎসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শফিকুল ইসলাম/সালমান/