ঢাকা ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

প্লাস্টিকপণ্য নয়, শিশুদের বই উপহার দিন

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:১৬ এএম
প্লাস্টিকপণ্য নয়, শিশুদের বই উপহার দিন

২ ফেব্রুয়ারি খবরের কাগজ সূত্রে জানতে পারলাম, আমেরিকার শিশুরা বছরে ৩০০ থেকে ১ হাজার বই পড়ে। গুণী কোনো ব্যক্তি বলেছিলেন- ‘যে জাতি যত শিক্ষিত, সেই জাতি তত উন্নত’। উন্নয়নশীল দেশগুলোর দিকে তাকালে তাই বোঝা যায়।  কিন্তু আমাদের দেশে শিশুর কান্না থামাতে ফোন দিতে হয়। ভাত না খেলে হাতে ফোন দিতে হয়। তথ্যপ্রযুক্তির যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আসলে আমরা সেটার ভালো ব্যবহারের বদলে খারাপটাই করি বেশি। 

একটা শিশুকে ছোটবেলায় যা শেখানো যায় সে তাই শেখে। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের উপহার হিসেবে প্লাস্টিকপণ্য দেওয়া হয়। আমরা প্লাস্টিকপণ্যের বদলে উপহার হিসেবে তাদের বই দিচ্ছি না কেন। বইয়ের চাইতে দামি কোনো উপহার হয় না। সেটা ৫০ টাকা দামের বই হোক বা শত টাকা দামের। আমাদের কোমলমতি শিশুদের ছোট থেকেই বইপ্রেমী বানাতে হবে। তাই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা এসব প্লাস্টিকপণ্য শিশুদের উপহার না দিয়ে, একটা করে বই উপহারের ব্যবস্থা করুন। আপনাদের চেষ্টাতেই একটি সুন্দর পরিবর্তন হবে এই দেশে।

মো. হারুন মিয়া
শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  
গৌরীপুর উপজেলা, ময়মনসিংহ
[email protected]

অরণ্য রক্ষা করুন

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৪১ এএম
অরণ্য রক্ষা করুন

বাংলাদেশে ক্রমশ সবুজ গাছগাছালির সংখ্যা কমছে। ঢাকা শহরে তো গাছপালার কোনো দেখা নেই। গাছের প্রয়োজন কতটা, এ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। মনে রাখতে হবে, সবুজ প্রকৃতি না থাকলে আগামী দিনে আমাদের অস্তিত্ব থাকবে না। দুর্ভাগ্য, অরণ্য ধ্বংস করে সভ্যতা গড়ে তোলা হয়েছে। অপরদিকে গভীর বনজঙ্গলকে এখন ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে লোভী মানুষ। 

সবুজ প্রকৃতি ধ্বংসের কারণে বন্য প্রাণীর মধ্যে নানা ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে। ভূমির জলন্তর কমছে, নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা চারদিকে অনবরত। এত কিছুর পরও অধিকাংশ মানুষ এখনো সচেতন হয়ে উঠতে পারেনি সঠিকভাবে। সরকারও তো কম নয়, গাছপালা উজাড় করে শহরের আয়তন বৃদ্ধি করেই চলেছে। আবাসনের জন্য ঢাকার আশপাশে যত খাল, বিল, জলাশয় রয়েছে তা ভরাট করেই যাচ্ছে। কে কাকে বাধা দেবে, সবাই যে অরণ্য, বিল, জলাশয় ও ফসলের খেত ধ্বংসের দলে। বনাঞ্চল থেকে অযথা বৃক্ষ নিধন চলছে। সেই সঙ্গে ম্যানগ্রোভ ধ্বংস চলছে। অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে বৃক্ষনিধন। বেশি বেশি করে গাছ রোপণ করতে হবে। নদী-খাল-বিল-জলাশয় রক্ষা করতে হবে। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

রবিবার নাকি রোববার!

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৩৯ এএম
রবিবার নাকি রোববার!

আমরা ছোটবেলা থেকে জেনে আসছি ও পড়ে আসছি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনটি হচ্ছে রবিবার। কিন্তু ইদানীং বেশ কিছু পত্রপত্রিকা, প্রচার ও গণমাধ্যম, পাঠ্যপুস্তকে রবিবারের স্থলে লেখা হচ্ছে ও বলা হচ্ছে রোববার। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কোনটি সঠিক, রবিবার নাকি রোববার? নাকি দুটিই সঠিক! আমার জানামতে, এটি বাংলা সাধু বা চলিত ভাষারীতির কোনো বিষয় নয়। তাহলে বানানে বা উচ্চারণে কেন দ্বৈতনীতি?

আমাদের পাশের দেশ ভারতে কিন্তু এখনো রবিবার বলা হয় বা লেখা হয়। তাহলে আমাদের দেশে কেন বানানে ভিন্ন রীতি। এমন কোনো মহৎ ব্যক্তি আছেন কি, এ বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা দিতে পারবেন! এ বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা পেলে আমার মতো অনেকেই উপকৃত হবেন এবং সঠিক বিষয়টি জানতে পারবেন। বিশেষ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কোমলমতি শিশুরা সঠিক বিষয়টি জানতে ও বুঝতে পারবে। আশা করি, বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং এর সঠিক উত্তর পাব।

মো. মোশতাক মেহেদী 
সহকারী প্রধান শিক্ষক, বুজরুক বাঁখই মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমারখালী, কুষ্টিয়া
[email protected]

রাস্তা দখলিদের অত্যাচার আর কতকাল সইব?

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:০৬ এএম
রাস্তা দখলিদের অত্যাচার আর কতকাল সইব?

রাস্তা-ফুটপাত দখল করে আছে দখলবাজরা। রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকানপাট, হাটবাজার, চায়ের দোকান বসিয়েছে, কেউবা নির্মাণসামগ্রী ইট-বালু-রড রেখেছে, কেউবা রাস্তা দখল নিয়ে স্টিলের আলমারি-কাঠের আসবাবপত্রের কাজ করছে। আসবাবের কাজের ফাঁকে সিগারেটের বিষাক্ত ধোঁয়াটা ছেড়ে দিচ্ছে পথচারীদের মুখের ওপর। রাস্তার ওপর মাছ বা মুরগি কাটতে কাটতে পথচারীর জামাকাপড়ে রক্ত ছিটিয়ে দিচ্ছে। এ রকম হরেক রকমের দৃশ্য চোখে পড়ে। যে জন্য সাধারণ মানুষ চলাচল করতে পারছে না। 

যারা রাস্তা-ফুটপাত দখল করে আছে, তাদের চেহারার মধ্যে একটা হিংস্র ভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। এরা রাস্তার বৈদ্যুতিক খুঁটির তারের ওপর তার ফেলে বিদ্যুৎও চুরি করছে। যদি তাদের লাজলজ্জা থাকত তাহলে রাস্তা ও ফুটপাত দখল নিত না। কেউ কেউ বলেন, এরা এক ধরনের সন্ত্রাসী। অনেকে বলেন, রাস্তা, ফুটপাত, অলিগলি যারা দখল করে রাখে এরা এক ধরনের অসভ্যতামি করে যাচ্ছে। আবার খালি জায়গা পেলে সেখানে ঘরবাড়ি তুলে নিজেরা তো থাকছে, আবার ভাড়াও দিচ্ছে।

কেউবা গ্যাসও চুরি করছে। আবার নিকটস্থ মরা খালে ময়লা আবর্জনার স্তূপ করে ফেলছে। ফলে সেখানে উৎপন্ন হচ্ছে এডিস মশা। এসব দেখতে দেখতে প্রশ্ন জাগে, প্রশাসন কোথায়? 

সুতরাং কর্তৃপক্ষের নিকট জানতে ইচ্ছুক রাস্তা, ফুটপাত ও অলিগলি দখলিদের কবে থেকে আইনের আওতায় এনে জেল-জরিমানা করা হবে? জরুরি ভিত্তিতে দখলবাজদের আইনের মুখোমুখি করা হোক। রাস্তা ও ফুটপাত দখলবাজদের ধরে ধরে বিচারের মুখোমুখি করা হলে সাধারণ নাগরিকরা চলাচল করার সুযোগ বা অধিকারটুকু পাবে বলে আমরা মনে করি। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

কিশোর গ্যাংরা ভয়ংকর

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৪৭ এএম
কিশোর গ্যাংরা ভয়ংকর

এক শ্রেণির কিশোরদের এখনই যদি নিয়ন্ত্রণ করা  না যায় তাহলে  তাদের ভয়বহতা হবে আরও ব্যাপক, যা কল্পনাও করা যাবে না। সমাজে এসব কিশোর মূলত উচ্ছৃঙ্খল এবং তাদের বয়স ১৪ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। এসব কিশোর-তরুণ লেখাপড়ায় মনোযোগ না দিয়ে কিশোর গ্যাংদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে। তারা বাব-মা বা অভিভাবকদের কথাও শোনে না। অনেক সময় টাকা-পয়সার জন্য বাবা-মার ওপর চড়াও হয়। তাদের নিয়ন্ত্রণ করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। কিশোর গ্যাং দ্বারা অহরহ যৌন হয়রানি, গণধর্ষণ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, চাঁদাবাজি, মারামারি, ইভটিজিং, অপহরণ এমনকি খুনের মতো অপরাধও ঘটনা ঘটছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে জনজীবন শুধু অতিষ্ট নয়, আতঙ্কিত বটে। কিশোর গ্যাং অনেক জায়গায় আধিপত্য বিস্তারে ঝগড়া-বিবাদ ও মারামারি করে থাকে। তারা চাঁদাবাজি থেকে সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। 
কিশোরদের পথভ্রষ্ট হওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয়। আশা করি সমাজ ও দেশ থেকে এসব কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য দূর করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
 
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী 
লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]

ফিটনেসবিহীন বাস অপসারণ জরুরি

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৪৪ এএম
ফিটনেসবিহীন বাস অপসারণ জরুরি

রাজধানীতে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল এবং মহামারি আকারে সড়ক দুর্ঘটনা নতুন কোনো সমস্যা নয়। বহু পুরোনো সমস্যা। নগরপিতারা ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ এবং দুর্ঘটনা রোধে বহু আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়নের ছিটেফোঁটাও নেই বললেই চলে। এসব ফিটনেসবিহীন যানে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণে পাওয়া গেছে, গত বছর (২০২৩) শুধু ঢাকাতেই ২৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪৩ জন নিহত এবং ৩৩৬ জন আহত হয়েছেন। এক মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে আমাদের এ শহর। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে পরিপূর্ণ নগর পরিকল্পনার সঙ্গে ফিটনেসবিহীন বাস অপসারণ এবং নগরে বিআরটিসি বাসের মতো বাসসেবার দাবি জানাই। 

মো. জামিউল ইসলাম 
আজিমপুর, ঢাকা
[email protected]