ঢাকা ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

শিল্পাঞ্চল মধ্যপাড়াকে উপজেলা ঘোষণা করা হোক

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৪৯ এএম
শিল্পাঞ্চল মধ্যপাড়াকে উপজেলা ঘোষণা করা হোক

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এখানে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র কঠিন শিলাখনি প্রকল্প; যা মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড বা মধ্যপাড়া কঠিন শিলাখনি প্রকল্প নামে পরিচিত। এই খনিজ শিল্পাঞ্চল থেকে সাত কিলোমিটার পশ্চিমে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এবং বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প অবস্থিত। মধ্যপাড়ায় রয়েছে বন বিভাগের ২ হাজার ২০০ একর বনভূমি। দিনাজপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয় ও বিট অফিসারের সদর দপ্তর। সেই সঙ্গে কঠিন শিলার নিরাপত্তার জন্য আলাদা পুলিশ ক্যাম্প। সোনালী ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। শিক্ষা বিস্তারে রয়েছে মধ্যপাড়া মহাবিদ্যালয়, মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইন স্কুল ও মধ্যশিলা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়সহ আধুনিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। রয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম রেলওয়ে স্টেশন। খনিজ শিল্পাঞ্চল থেকে ৫ কিমি দূরেই রয়েছে দেশের অন্যতম মুখরিত পিকনিক স্পট স্বপ্নপুরী। এলাকার বৃহৎ জনগোষ্ঠীর প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য মধ্যপাড়াকে উপজেলা ঘোষণা সময়ের দাবি। বাস্তবতা উপলব্ধি করে মধ্যপাড়া উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে ২০১১ সালের ৯ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন এলাকাবাসী। সচেতন মহল মনে করেন, ‘শেখ হাসিনার মেগা মাইনিং সিটি’ অবশ্যই উপজেলায় রূপান্তর হবে। প্রশাসনিক সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মধ্যপাড়াকে নতুন উপজেলা ঘোষণার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শুভদৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

খন্দকার এইচ আর হাবিব 
প্রধান সমন্বয়ক ও রূপকার 
মধ্যপাড়া উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটি, দিনাজপুর
[email protected]

তারের জঞ্জালে নাগরিকরা বড় অসহায়!

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ১০:৫৭ এএম
তারের জঞ্জালে নাগরিকরা বড় অসহায়!

তারের জঞ্জালে রাস্তা দিয়ে হাঁটা বড় মুশকিল। ঘর থেকে বের হতেই তারের জঞ্জাল। ইন্টারনেট, ডিশ আরও কত কী সব তার অবিরত ঝুলছে মাথার ওপর। বিদ্যুতের খাম্বার সঙ্গে ঝুলছে ডিশের তার। 

ঝুলছে ইন্টারনেটের তার। তারের জঞ্জালে নাগরিকরা দিশেহারা, তারের জঞ্জালে পেঁচিয়ে কখন কী হয়, কে মরে কে বাঁচে! মরলে পড়ে টনক নড়বে ওদের। মামলা হলে পালিয়েও ওরা বাঁচবে! কারণ টাকা দিলে সবকিছুই চাপা পড়ে যায়। কেউ সরায় না তারের জঞ্জাল। দায়দায়িত্ব ভুলে গেছে দায়িত্ববানরা। তারের জঞ্জালে নাগরিক বড় অসহায়! 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

থাইরয়েড প্রতিরোধে সচেতনতা প্রয়োজন

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ১০:৫৩ এএম
থাইরয়েড প্রতিরোধে সচেতনতা প্রয়োজন

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব থাইরয়েড দিবস। দেশে প্রায় ৫ কোটি মানুষের বিভিন্ন থাইরয়েড সমস্যা রয়েছে। থাইরয়েডে আক্রান্ত অর্ধেকেরও বেশি মানুষ জানে না যে তারা এ সমস্যায় ভুগছে। এ ছাড়া পুরুষের তুলনায় নারীরা চার-পাঁচ গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। এ অবস্থায় থাইরয়েডের লাগাম টানতে জন্মের পর নবজাতকের দ্রুত থাইরয়েড পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। 

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত। তাদের অর্ধেকের বেশিই জানে না যে, তারা থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের প্রায় ২ শতাংশ এবং পুরুষদের প্রায় শূন্য দশমিক ২ শতাংশ হাইপারথাইরয়েডিজম রোগে ভোগে। সাধারণত আয়োডিনের অভাবে গলা ফোলা রোগ হয়ে থাকে, যাকে আমাদের সাধারণ ভাষায় ঘ্যাগ রোগ বলা হয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের বেশির ভাগ স্কুলগামী শিশু এবং গর্ভবতী মায়েদের আয়োডিনের অভাব রয়ে গেছে। এ আয়োডিন শরীরে অতি প্রয়োজনীয় থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

থাইরয়েডের বেশির ভাগ সমস্যা থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে বিচ্যুতি ঘটার কারণে হয়। যদিও কিছু থাইরয়েড অবস্থার অপ্রীতিকর বা অস্বস্তিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। সঠিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার মাধ্যমে বেশির ভাগই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই আসুন, আমরা সবাই থাইরয়েড রোগ সম্পর্কে জানি এবং এর প্রতিকার ও প্রতিরোধে এগিয়ে আসি।

ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ 
[email protected]  

গাছ লাগানোর ভিন্ন উপায়

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ১০:৩৯ এএম
গাছ লাগানোর ভিন্ন উপায়

আমরা যারা শহরে বাস করি। চাইলেও গাছ লাগানোর জায়গা নেই। অনেক বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াদের ছাদকৃষি করতে দেন না। কিন্তু আমরা জানি, গাছ বৃদ্ধি ছাড়া পরিবেশ ভালো করার পথ নেই। এ অবস্থায় ড্রাম, বালতি, টবে গাছ লাগিয়ে তা বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে রাখা যেতে পারে। এতে দুই দিক দিয়েই লাভ। পরিবেশ ভালো থাকবে। আর যারা সৌন্দর্য বৃদ্বির জন্য ফুলের গাছ লাগাতে চান। 

তাদের সৌন্দর্য-শোভা বৃদ্ধি হবে। গাছ যখন ফুলে ভরে যাবে তখন কতই না ভালো লাগবে। অনেক বাড়ির সামনে খালি জায়গা পড়ে থাকে। সেখানে এমনিভাবে গাছ লাগানো যায়। এসব গাছের যে খুব দেখভাল করতে হবে, তাও নয়। একটু সময়মতো পানি দিলেই হয়। গাছ হলো অক্সিজনের ফ্যাক্টরি। তাই বৃদ্ধি যেভাবে যতটুকু করা যাবে। ততটাই আমাদের কল্যাণ।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বাসা-৩২, রোড-২৯ বি, মিরপুর-১২. মুসলিম বাজার ,ঢাকা
[email protected] 

বিজ্ঞাপন যেন লোক ঠকানোর নতুন পন্থা

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ১০:২৮ এএম
বিজ্ঞাপন যেন লোক ঠকানোর নতুন পন্থা

পণ্য প্রস্তুতকারীরা নিজেদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে বেশি দামে ও বেশি পরিমাণে বিক্রি করার জন্য অভিনেতা -অভিনেত্রী ও কোনো কোনো খেলোয়াড়কে অনেক টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপন করান। যা অনেক সময় লোক ঠকানোর পর্যায়ে পড়ে। সেই সব তারকা নিজেরা কখনই সেই জাতীয় পণ্য ব্যবহার করেন না। 

সেই পণ্যের গুণাগুণ কেমন, তাও জানেন না। অথচ, টাকার বিনিময়ে তারাই জনসাধারণকে সেই সব পণ্য ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন। এর জন্য শুধু বিজ্ঞাপনদাতাই নন, যারা বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ করছেন, তাদেরও শাস্তি হওয়া দরকার। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

বুড়িগঙ্গা নদী ফিরে আসবে কি আগের মতো!

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৪, ১১:৪০ এএম
বুড়িগঙ্গা নদী ফিরে আসবে কি আগের মতো!

বুড়িগঙ্গা নদী আগের মতো সচ্ছ জলের স্পর্শ পেয়ে হাসবে কি! ঢাকার সব নদী কি নাব্য ফিরে পাবে। নদী নিয়ে পরিকল্পনা-মহাপরিকল্পনা। শুনতে শুনতে বৃদ্ধ হয়ে গেলাম! কিছুই হলো না, কিছু দেখা হলো না! কতবার ভেবেছি, বুড়িগঙ্গা নদীর জল হবে স্বচ্ছ; নদীর নাব্য ফিরে আসবে, আসবেই ফিরে। নদীর দুই তীরে গাছপালায় ভরে উঠবে। দীর্ঘ জায়গাজুড়ে হবে উদ্যান আর উদ্যান। লোক দেখানো সংবাদ প্রকাশ হয় শুধু, হয় না ঢাকার নদনদীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি। নদী ভরাট, চর দখল চলে অবিরত। কেল্লার মোড়ে নদীর বহু জায়গাজুড়ে বাড়িঘর, সে খবর কেউ রাখে না, জানে তবুও বলে না। নদীর প্রতি, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা নেই কারও। হবে কি কখনো বুড়িগঙ্গা আর পাশের নদীর উন্নয়ন! দখলে-দূষণে বুড়িগঙ্গা হাহাকার করছে! বুড়িগঙ্গা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ছে! কত মহারথীর কথা শুনেছি। সবই গর্জন, সবই রূপকথার গল্পের কল্পকাহিনি। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]