ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি শহরেই বেশি হামের প্রকোপ মিরসরাইয়ে ১৫ দিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গে যমজ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে হাত-চোখ বেঁধে যুবককে নির্যাতন ঝিনাইদহে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ দিল্লিতে দগ্ধ ৮ বাংলাদেশির ৩ জনের অবস্থা গুরুতর রংপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে মারধরের অভিযোগে ওসি ক্লোজড চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা দুপক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নান্দাইল, ১৪৪ ধারা জারি খলিলুর রহমান কীভাবে সামলাবেন দুই দায়িত্ব গাছ থেকে পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজ ঘুরতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম প্রতিবন্ধী শিশুদের সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের যে বিশ্বাস মানুষের জীবনে এনে দেয় অভাবনীয় ৬টি পরিবর্তন? জনমুখী শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায় জাতীয় সংসদ: স্পিকার চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত ৫ জুন পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী গাজীপুরে বাসচাপায় অটোচালকসহ নিহত ২ আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়? প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ঈশ্বরগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় তরুণের মৃত্যু, চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনের নামে মামলা
Nagad desktop

চট্টগ্রামে বিপিএলের সফল মঞ্চায়ন

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:৩০ পিএম
চট্টগ্রামে বিপিএলের সফল মঞ্চায়ন
ছবি : আরিফুল ইসলাম তামিম

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই চার-ছক্কার প্রদর্শনী। হবে রানের ফুলঝুরি। বিপিএলের দশম আসর চট্টগ্রামে গিয়ে যেন পূর্ণতা পেয়েছিল অনেকটাই। দলগত ও ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের পাশাপাশি সেরা বোলিংও হয়েছে চট্টগ্রামে। দুশোর্ধ্ব ইনিংস হয়েছে একাধিকই। সেঞ্চুরিও হয়েছে একাধিক। এমন কি পাঁচ উইকেট নেওয়ার ঘটনাও হয়েছে একাধিক। বাদ যায়নি হ্যাটট্রিকও। আবার মান সম্পন্ন বিশ্ব মানের ক্রিকেটারদের উপস্থিতিও বেড়েছিল। সব মিলিয়ে দর্শকরা প্রাণভরে উপভোগ করেছেন চট্টগ্রামে ৮ দিন স্থায়ী বিপিএল।

৮ দিন চট্টগ্রামে অবস্থানকালীন বিপিএলে পেয়ে গেছে প্লে অফের তিন দলকেও। দল তিনটি হলো রংপুর রাইডার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। বাকি একটি আসনের জন্য লড়াই হবে ফরচুন বরিশাল ও খুলনা টাইগার্সের জন্য। এখানে আবার এগিয়ে বরিশাল। শেষ ম্যাচে তারা যদি কুমিল্লাকে হারাতে পারে, তাহলে চলে যাবে প্লে অফ রাউন্ডে। আর যদি হেরেও যায়, সেক্ষেত্রেও খুব একটা ক্ষতি হবে না। কারণ খুলনাকে তাদের শেষ ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে জিততে হবে বড় ব্যবধানে। আপত দৃষ্টিতে খুলনার জন্য যা কঠিনই মনে হচ্ছে। লিগ পর্বের খেলা বাকি আছে এই দুটিই। এই দুটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায় ২৩ ফেব্রুয়ারি। ৭ দলের আসর থেকে বাদ পড়েছে বর্তমান রানার্সআপ সিলেট স্ট্রাইকার্স ও নবাগত দুর্দান্ত ঢাকা। সিলেট ক্ষীণ সম্ভাবান নিয়ে চট্টগ্রাম গেলেও ঢাকা আগেই বাদ পড়ে গিয়েছিল। প্রথম ম্যাচ জেতার পর তারা টানা ১১ ম্যাচ হেরেছে।

ঢাকায় দুই দফা ও সিলেটে বিপিএল দর্শকদের খুব একটা আনন্দ দিতে পারেনি। ব্যক্তিগত ইনিংস যেমন বড় হচ্ছিল না, তেমনি দলগত ইনিংসও। তারপরও ঢাকা থেকে সিলেট গিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে আসার পর প্রথমবারের মতো দলগত সংগ্রহ দুই শ পার হয়েছিল। চট্টগ্রামের বিপক্ষে রংপুর করেছিল ৩ উইকেটে ২১১ রান। এখন এই রান তিনে নেমে এসেছে। চট্টগ্রামে দুশোর্ধ্ব রানের দুটি ইনিংসই হয়েছে প্রথম দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি। প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে কুমিল্লা করেছিল ৩ উইকেটে ২৩৯ রান। এই রান আবার বিপিএলের ইতিহাসেও দলগত সর্বোচ্চ। ২০১৯ সালে সমান রান রংপুরও করেছিল ৪ উইকেট হারিয়ে। প্রতিপক্ষ ছিল এই চট্টগ্রাম ভাইকিংস। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে রংপুর করেছিল ৫ উইকেটে ২১৯ রান। বিপিএলের ইতিহাসে দলগত সর্বোচ্চ ১০টি ইনিংসের প্রথম ৯টিই হয়েছে চট্টগ্রামে। রান ফায়ারার চট্টগ্রামে দলগত সর্বনিম্ন রান ছিল খুলনার ১২৭। প্রতিপক্ষ ছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

ঢাকায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে কুমিল্লার তাওহিদ হৃদয় অপরাজিত ১০৮ রান করেছিলেন। চট্টগ্রামে প্রথম দিনই স্বাগতিকদের বিপক্ষে সেঞ্চুরি উপহার দেন একই দলের বিদেশি ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস অপরাজিত ১০৮ রানের ইনিংস খেলে। তবে তাদেরকে পেছনে ফেলে চূড়ায় উঠে বসেন শেষ দিন স্বাগতিক দলের ওপেনার তানজিদ তামিম ১১৬ রানের ইনিংস খেলে। এ ছাড়া তাওহিদ হৃদয় দলের জয় নিশ্চিত হয়ে যাওয়াতে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দেখা পাননি। খুলনার বিপক্ষে ৯১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

 সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের তালিকায়ও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। ঢাকায় প্রথম পর্বে ও সিলেটে সবার ওপরে ছিলেন ফরচুন বরিশালের মুশফিকুর রহিম। ঢাকায় দ্বিতীয় পর্বে ৯ ম্যাচে ২৬৬ রান করে শীর্ষে উঠে এসেছিলেন দুর্দান্ত ঢাকার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। এখন তিনি নেমে গেছেন পাঁচে। ১২ ম্যাচে তার রান ৩১০। ১১ ম্যাচে ৩৮২ রান করে সবার ওপরে তানজিদ তামিম। সমান ম্যাচে ৩৫৮ রান করে দুইয়ে কুমিল্লার তাওহিদ হৃদয়। ১১ ম্যাচে ৩৫২ রান করে প্রথম পাঁচ জনের মাঝে একমাত্র বিদেশি দুর্দান্ত ঢাকার আলেকজান্ডার আয়ান রোজ। তিনি আছেন তিনে। এর পরের নামটিই বরিশালের কাপ্তান তামিম ইকবালের। ১১ ম্যাচে তার রান ৩২৫।

ব্যাটিংয়ের শীর্ষস্থানে পরিবর্তন হলেও বোলিংয়ের শীর্ষস্থানের পরিবর্তন হয়নি। শুরু থেকেই উইকেট শিকারির তালিকায় নিজের নামটি ধরে রেখেছেন ঢাকার শরিফুল। ২২ উইকেট নিয়ে তিনি সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে। ঢাকায় প্রথম পর্বে সর্বাধিক ৫টি করে উইকেট ছিল শরিফুলের সঙ্গে কুমিল্লার মোস্তাফিজুর রহমান ও বরিশালের সৈয়দ খালেদ আহমেদেরও। সিলেটে গিয়েও সর্বাধিক ১০টি উইকেট ছিল শরিফুলের। তার সঙ্গে এবার শামিল ছিলেন রংপুরের শেখ মাহেদী হাসান ও সিলেটের এনগ্রাবা। আবার ঢাকায় ফিরে আসার পর শরিফুল ১৭ উইকেট নিয়ে সবার উপরেই থাকেন। এবার আর কেউ তার সঙ্গে ভাগ বসাতে পারেননি। ১২ উইকেট নিয়ে দুইয়ে ছিলেন শেখ মাহেদী হাসান। চট্টগ্রাম পর্ব শেষেও দুইয়ে থাকা সাকিবের সঙ্গে শরিফুলের উইকেটের ব্যবধান ৫টি।

চট্টগ্রামে ৫ উইকেট নেওয়ার ঘটনা আছে দুটি। ঢাকায় খুলনার বিপক্ষে কুমিল্লার আমির জামালের ২৩ রানে ৫ উইকেট নেমে এসেছে দুইয়ে। সেরা বোলিং রংপুরের আবু হায়দার রনির। বরিশালের বিপক্ষে তিনি ১২ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। এ ছাড়া চট্টগ্রামে প্রথম দিন দুটি ম্যাচেই দুশোর্ধ্ব রানেই ইনিংসের সঙ্গে রংপুরের ইমরান তাহিরও নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। চট্টগ্রামের বিপক্ষে তিনি ২৬ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। এই একই দিন হ্যাটট্রিকেরও ঘটনা ছিল। রান ফোয়ারের ম্যাচে কুমিল্লার মঈন আলী চট্টগ্রামের বিপক্ষে এই হ্যাটট্রিক করেছিলেন। ৩.৩ ওভার বোলিং করে ২৩ রানে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। এবারের আসরে এটি ছিল দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। প্রথম হ্যাটট্রিক করেছিলেন আসরের প্রথম ম্যাচে ঢাকার শরিফুল। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লারে বিপক্ষে তিনি ৪ ওভারে ২৭ রান নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। 

মেসির সামনে একগুচ্ছ রেকর্ড ভাঙার হাতছানি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
মেসির সামনে একগুচ্ছ রেকর্ড ভাঙার হাতছানি
লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত

আরও একবার বিশ্বকাপ ট্রফিতে চুমু আঁকার স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে পাড়ি জমিয়েছেন লিওনেল মেসি। এই শহরেই ১৬ জুন এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি খেলবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দলটির অধিনায়ক ও সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসির সামনে এবার একগুচ্ছ রেকর্ড ভাঙার হাতছানিও থাকছে।

এবারের বিশ্বকাপে কমপক্ষে পাঁচটি রেকর্ড ভেঙে সেখানে নিজের নাম খোদাই করতে পারেন মেসি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক রেকর্ডগুলো-

সর্বাধিক ম্যাচ
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড ইতোমধ্যেই নিজের দখলে নিয়েছেন মেসি। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সাল মিলিয়ে ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন এই ফরোয়ার্ড। এবার নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে সেই সংখ্যা আরও বাড়িয়ে নিতে পারবেন তিনি। এ রেকর্ডে তিনি চলে যেতে পারেন সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সর্বাধিক গোল
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজের। ১৬টি গোল করেছেন তিনি। মেসি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে গোল করেছেন ১৩টি। আর চারটি গোল করলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক হবেন তিনি।

পাঁচ বিশ্বকাপে গোল
২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে গোল করেছেন মেসি। শুধু ২০১০ বিশ্বকাপে তিনি কোনো গোল করতে পারেননি। এবার যদি গোল করেন, তাহলে দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করার নজির গড়বেন তিনি। এ কীর্তি আছে কেবল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর।

সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট
বিশ্বকাপে সতীর্থদের দিয়ে আটটি গোল করিয়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ডটা এখন ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে যুগ্মভাবে মেসির দখলে রয়েছে। এ বিশ্বকাপে আর একটি গোল করালেই ম্যারাডোনাকে ছাপিয়ে যাবেন মেসি। আর দুটি গোল করালে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টে তার নামে লেখা থাকবে।

অধিনায়ক হিসেবে কীর্তি
এখনও পর্যন্ত অধিনায়ক হিসাবে জোড়া বিশ্বকাপ কেউ জিততে পারেননি। মেসি যদি এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারেন, তাহলে অধিনায়ক হিসেবে একমাত্র তিনিই দুটি বিশ্বকাপ হাতে তুলবেন। যদি এবার আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠে তাহলে তিনিই হবেন প্রথম অধিনায়ক, যিনি বিশ্বকাপে তিন বার দলকে ফাইনালে তুলবেন। এর আগে ২০১৪ ও ২০২২ সালে তার নেতৃত্বেই ফাইনাল খেলেছে আর্জেন্টিনা।

তোফায়েল/নাঈম

বিসিবির নির্বাচনে নতুন মুখ ৩ দশকের অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্বাচন করছেন পাপ্পু

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
৩ দশকের অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্বাচন করছেন পাপ্পু
সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিসিবির সভাপতি ছিলেন ফারুক আহমেদ। উদ্যোগ নিলেন গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের। দায়িত্ব দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায় বিসিবির পরিচালক হওয়া নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে। তিনি গঠনতন্ত্র কাটা-ছেঁড়া করতে গিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে হাত দিলেন। ক্লাব কোটার সংগঠকদের আধিপত্য কমাতে চান! যেখানে ১২ জন পরিচালক ছিলেন, সেখানে ৪ জন করার প্রস্তাব দেন! এতে করে ফুঁসে উঠেন ক্লাব সংগঠকরা। ঢাকা ক্রিকেট ক্লাব অর্গানাইজার্স অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে তারা নামেন আন্দোলনে। হোটেল পূর্বাণীতে সংবাদ সম্মেলন করেন। ঘোষণা আসে প্রস্তাবিত খসড়া গঠনতন্ত্র বাতিল না করা হলে তারা ঢাকার লিগ বর্জন করবেন। এতে টনক নড়ে বিসিবির।

সভাপতি ফারুক আহমেদ প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র স্থাগিতসহ গঠনতন্ত্র কমিটিও স্থগিত করেন। এই আন্দোলনে অন্যতম ভূমিকা পালন করেন ক্লাব ক্রিকেটের অতি পরিচিত মুখ তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমির সভাপতি সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু। ক্লাবের সংগঠকদের একত্রিত করা, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা, উপস্থাপন করা সবই তিনি করেন।

ক্লাব ক্রিকেটে যখনই কোনো দুর্যোগ আসে, সমস্যায় পড়ে, তখনই এগিয়ে আসেন সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিসিবির নির্বাচনে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ন্যক্কারজনক হস্তক্ষেপের কারণে বিএনপির ঘরনার ক্রীড়া সংগঠকরা নির্বাচন বর্জন করেছিলেন। অনেকটা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে মেনে নিতে পারেননি নির্বাচন বর্জনকারী সংগঠকরা। নামেন আন্দোলনে। এখানেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু। এবার ঘোষণা আসে বুলবুলের নেতৃত্বে তারা সিসিডিএমের কোনো লিগে অংশগ্রহণ করবেন না। ৭৬টি ক্লাবের মাঝে ৪৪টি ক্লাবই এক ছাতার নিচে দাঁড়ায়। যথারীতি সবার সঙ্গে যোগাযোগ করা, সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা, এসব কাজে তিনিই ভূমিকা রাখেন। বুলবুলের কমিটির বিরুদ্ধে তারা বেশ কয়েকটি সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সব সংবাদ সম্মেলনে বুলবুলের কমিটির বিভিন্ন অনিয়ম-অসংগতি তুলে ধরা হয়। যা বেকায়দায় ফেলে বুলবুলের কমিটিকে। বিএনপি সরকার গঠনের পর বুলবুলের কমিটি ভেঙে দিয়ে সরকার বিসিবিতে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে দেয়। ৩ মাস মেয়াদের অ্যাডহক কমিটি নির্বাচন দিয়েছে ৭ জুন। সেই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পরিচালক পদে লড়াই করছেন পোড় খাওয়া ক্রীড়া সংগঠক সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু।

বিসিবিতে সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু প্রথমবার নির্বাচন করাটা অনেকের কাছে অবাক করার মতোই! কারণ তিনি ক্রিকেট পাড়ায় অতি পরিচিত মুখ। অনেকে যেখানে ক্রিকেটের সঙ্গে কোনো রকম পূর্ব সম্পৃক্ততা ছাড়াই সরাসরি বিসিবির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন, সেখানে তিন দশকের বেশি সময় ধরে ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার পর নির্বাচন করছেন সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু। এখানেই ব্যতিক্রম তিনি। অভিজ্ঞতার ভান্ডার সমৃদ্ধ করে তবেই লড়ছেন বিসিবির নির্বাচনে। বয়স ৩০ পার হওয়ার আগেই তিনি দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগে উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে সংগঠক হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়ে ৬ বছর পর তিনি ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। বড় পদ পাওয়ার পর তার দায়িত্বও বেড়ে যায়। ক্লাবটিকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে ব্রত হন। সেখানে সফলও হন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাব প্রথম বিভাগ ও প্রিমিয়ার লিগে জায়গা করে নেয়। বর্তমানে তিনি তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগে তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই ক্লাবেরই কাউন্সিলর হয়ে বিসিবিতে পরিচালক পদে নির্বাচন করছেন।

সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু ১৯৯২ সালে ক্লাব সংগঠক হিসেবে যাত্রা শুরু করার পর ১৯৯৬ সালে বিসিবির সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে দায়িত্ব পালন করেন সিকিউরিটি কমিটির সদস্য হিসেবে। এরপর দায়িত্ব পালন করেন গ্রাউন্ডস কমিটিতে। তার সাংগঠনিক বিচক্ষণতার কারণে ২০০২-০৩ সালে তাকে লজিস্টিক অ্যান্ড প্রটোকল কমিটির প্রথমে সদস্যসচিব, পরে ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ক্লাব সংগঠক হিসেবে তিনি ২০০৫ সালে প্রথম বিসিবির কাউন্সিলর হন।

পর্যায়ক্রমে ২০০৮, ২০১৩, ২০২৫ ও ২০২৬ সালেও কাউন্সিলর মনোনীত হন। দীর্ঘ পথ যাত্রায় নিজের অভিজ্ঞতার ভান্ডার সমৃদ্ধ করে আরও ব্যাপকভাবে দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য নির্বাচন করছেন পরিচালক পদে। নির্বাচিত হলে তিনি সার্বিকভাবে দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ করে যেতে চান।

তিনি বলেন, ‘তিন দশকেরও বেশি সময় থেকে আমি ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত। নিজের এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবার আমি দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজে লাগাতে চাই। সার্বিকভাবে দেশের ক্রিকেটের জন্য কাজ করতে চাই। দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে হলে জেলা পর্যায়ে লিগ নিয়মিত আয়োজনের বিকল্প নেই। এই লিগ যাতে নিয়মিত হয়, এ নিয়ে আমি বিশেষ গুরুত্ব দেব। দেশের ক্রিকেটের উন্নতির জন্য তৃণমূলের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতেই হবে।’

 সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু কাউন্সিলরদেরও যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দিতে চান। তিনি বলেন, ‘বিসিবির কাউন্সিলর হওয়া খুবই গর্বের বিষয়। এই কাউন্সিলররা নিজ নিজ অবস্থান থেকে ক্রিকেটের জন্য কাজ করে যান। আমি তাদের সম্মান ও মর্যাদা প্রদানের জন্যও কাজ করে যাব।

নভেম্বরে ঢাকায় পুরুষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৫১ পিএম
নভেম্বরে ঢাকায় পুরুষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
ছবি: সংগৃহীত

বেশ কিছু দিন ধরেই আলোচনা- এ বছর ঢাকায় বসবে পুরুষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর। অবশেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এল। নভেম্বরে মর্যাদার এই আসর আয়োজন করবে বাংলাদেশ।

বুধবার (৩ জুন) ভারতের গোয়ায় চলমান নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সেমিফাইনাল শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাটেল। সেখানেই তিনি প্রতিযোগিতাটি ঢাকায় হওয়ার খবর নিশ্চিত করেন।

আগামী ৪ নভেম্বর টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে চলবে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত। খেলা হতে পারে ঢাকার দুই ভেন্যু জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায়। আর এবারের আসরে প্রথমবারের মতো ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ‘ভিএআর’ প্রযুক্তি ব্যবহারের আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন পুরুষোত্তম কাটেল।

সবশেষ ২০২৩ সালে ভারতে বসেছিল পুরুষ সাফের ১৪তস আসর। ফাইনালে অতিথি দল কুয়েতকে হারিয়ে রেকর্ড নবমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। বাংলাদেশ কুয়েতের বিপক্ষে সেমিফাইনালে হেরেছিল।

তোফায়েল/সালমান/

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা
ছবি: সংগৃহীত

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির আন্তর্জাতিক মানের চমৎকার উডেন (কাঠের) বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (২ জুন) ভেন্যুটি পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মেজর মোহাম্মদ আতিকুল হাফিজ (অব.) এবং বাংলাদেশ জাতীয় বাস্কেটবল দলের প্রধান কোচ ম্যাকক্যামন উইলিয়াম ফ্রেজার।

পরিদর্শনকালে অতিথিদের স্বাগত জানান বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোহাম্মদ মহসিনুল করিম।

তিনি জানান, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দক্ষতা বাড়াতে এই আধুনিক কোর্টটিকে নিয়মিত প্র্যাকটিস সেশনের জন্য ব্যবহার করার তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন জাতীয় দলের কোচ ও ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক।

কোর্টের আধুনিক অবকাঠামো এবং বিশেষ করে এর আন্তর্জাতিক মানের চমৎকার উডেন ফ্লোর দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন অতিথিরা। এই ভেন্যুটি দেশের বাস্কেটবলকে সম্পূর্ণ নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

ভবিষ্যতে এই বিশ্বমানের ভেন্যুতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজন করার ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাস্কেটবল ফেডারেশন কর্মকর্তরা। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি/এসএন

নিলামে উঠছে পেলের ১৯৫৮ সালের ফাইনালের জার্সি

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম
নিলামে উঠছে পেলের ১৯৫৮ সালের ফাইনালের জার্সি
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপকে সামনে রেখে যখন ফুটবলপ্রেমীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন খেলাটির ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক একজন খেলোয়াড়ের ব্যবহৃত একটি জার্সি উঠছে নিলামে। প্রয়াত পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে পরা ১০ নম্বর জার্সিটি ২৯ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত অনলাইন নিলামে তোলা হবে।

সোথেবির মডার্ন কালেক্টিবলস বিভাগের প্রধান ব্রাহ্ম ওয়াখটার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি সেই পোশাক, যা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় পরেছিলেন সেই রাতে, যেদিন তার রাজত্বের সূচনা হয়েছিল।’

জার্সিটি হলো সেই জার্সি, যা পেলে তার প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে পরেছিলেন। এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো, যিনি পেলে নামেই বেশি পরিচিত, মাত্র ১৭ বছর বয়সে স্টকহোমের রাসুন্ডা স্টেডিয়ামে আয়োজক সুইডেনের বিপক্ষে ব্রাজিলের ৫-২ গোলের জয়ে দুটি গোল করেছিলেন। এখনো পর্যন্ত তিনিই বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়।

২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ৮২ বছর বয়সে কোলন ক্যানসারে মারা যাওয়া পেলে ফাইনালের পর হাতে তৈরি এই জার্সিটি উপহার দিয়েছিলেন তার রুমমেট ও সতীর্থ দিদাকে। দশকের পর দশক জার্সিটি দিদার পরিবারের কাছেই ছিল। পরে এটি ব্রাজিলের একটি জাদুঘরে সংরক্ষিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২০০৪ সালে এর বর্তমান মালিক এটি সংগ্রহ করেন। বর্তমান মালিকের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

ফাইনালে পেলের প্রথম গোলটিকে সমর্থক ও খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি প্রথমে বুক দিয়ে বল নিয়ন্ত্রণ করেন, এরপর একজন সুইডিশ ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে বল তুলে দেন এবং গোল করেন। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের শেষ দিকে একটি হেড থেকে। পরবর্তীতে পেলে ১৯৭০ সালে মেক্সিকোয় নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জেতেন। মেক্সিকোই এবার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সঙ্গে বিশ্বকাপের তিন আয়োজক দেশের একটি।