ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৪৮ পিএম
ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স
ছবি : সংগৃহীত

প্রাথমিক ধাক্কা সামলে জিমি নিশামের ঝড়ো ব্যাটে ১৮৫ রানের বড় সংগ্রহ পায় রংপুর রাইডার্স। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মারকাটারি ব্যাটিংয়ে এই লক্ষ্যও নিরাপদ হয়নি রংপুরের জন্য। শেষ পর্যন্ত রংপুর ম্যাচ হেরেছে ৬ উইকেটের ব্যবধানে।

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে স্কোরবোর্ডে ২৭ রান তুলে তিন উইকেট হারায় রংপুর রাইডার্স। তখন মনে হচ্ছিল এলিমিনেটরের মতো লো স্কোরিং ম্যাচ হতে যাচ্ছে। না শেষ পর্যন্ত আর লো স্কোরিং ম্যাচ হয়নি। জিমি নিশামের ৪৯ বলে ৯৭ রানের ইনিংসে ভর করে রংপুর পায় ১৮৫ রানের সংগ্রহ। এ ছাড়া ২৪ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। 

কুমিল্লার হয়ে খরুচে বোলিং করেন তরুণ পেসার মুশফিক হাসান। ১৮ ইকোনমিতে বোলিং করে খরচ করেন ৭২ রান। বিনিময়ে তার শিকার ছিল এক উইকেট। কুমিল্লার হয়ে সেরা বোলিং ছিল আন্দ্রে রাসেলের। ৩৭ রানে দুই উইকেট নেন তিনি।

জবাবে, প্রথম বলে উইকেট হারায় কুমিল্লা। সুনীল নারাইন ফেরেন গোল্ডেন ডাকের শিকার হয়ে। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগে উইকেট হারানো কুমিল্লা দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করে ১৪৩ রান। তাওহিদ হৃদয় ৬৪ রানে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এই জুটিই সহজ করে দেয় কুমিল্লার জয়ের পথ। অধিনায়ক লিটন দাসের ব্যাটে আসে ৮৩ রান। 

শেষ দিকে জনসন চার্লস ৩ বলে ১০, মঈন আলী ৬ বলে করেন ১২ রান। এতেই ৯ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ফাইনালে ওঠে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। অন্যদিকে রংপুর রাইডার্সকে ফাইনালে উঠতে অপেক্ষা করতে হবে আরও এক ম্যাচ। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হবে ফরচুন বরিশালের।

প্যালেসের কাছে লিভারপুলের অপ্রত্যাশিত হার

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৭ পিএম
প্যালেসের কাছে লিভারপুলের অপ্রত্যাশিত হার
ছবি : সংগৃহীত

ঘরের মাঠে ইউরোপা লিগে আতালান্তার কাছে পরাজয়ের ক্ষত শুকানোর আগেই এবার প্রিমিয়ার লিগেও পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে লিভারপুল। পয়েন্টস টেবিলের ১৪ নম্বরে থাকা ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে তাদের হারতে হয়েছে ১-০ গোলে।

অপ্রত্যাশিত এই হারে ম্যানচেস্টার সিটিকে টপকে শীর্ষে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া করেছে অলরেডরা।

৭১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে অবস্থান করা লিভারপুল খেলেছে ৩২ ম্যাচ। সমান ম্যাচে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে সিটি। এক ম্যাচ কম খেলা আর্সেনাল ৭১ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুইয়ে।

নিজেদের মাঠে প্রতিপক্ষ ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ৬৯ শতাংশ বল দখল করে এগিয়ে থাকার পরও হার এড়াতে পারেনি ক্লপের দল। এ সময় তারা গোলের জন্য শট নেয় ২১টি। এরমধ্যে একটিকেও গোলে রূপান্তর করতে না পারা লিভারপুল মাঠ ছাড়ে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে।

প্যালেসের হয়ে ম্যাচের ১৪ মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন এবেরেচি এজে।

যা গড়ে দিয়েছে ম্যাচের ভাগ্য। এই হারে শিরোপা সমীকরণে পিছিয়েই পড়ল লিভারপুল।

বায়ার্ন থেকে বায়ার!

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৭ এএম
বায়ার্ন থেকে বায়ার!
ছবি: সৃংগৃহীত

বায়ার্ন থেকে বায়ার। অদ্ভূত! খুব সুন্দরও বটে! হয়তো এটাই ফুটবল সৌন্দর্য।

বুন্দেসলিগা ছিল বায়ার্ন মিউনিখের রাজত্ব। ৬১ বছরের পুরনো টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৩২ বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন। আগের ১১ আসরের চ্যাম্পিয়ন। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে এমন স্বপ্নযাত্রার রেকর্ড নেই কোনো দলের। তাই বুন্দেসলিগার মৌসুম শুরুর আগেই চ্যাম্পিয়নের পাশে অনায়াসে লিখে দেওয়া যেত বায়ার্নের নাম। ২০১৩ সাল থেকে তারা ছাড়া অন্য কেউ জার্মানির টপ-ফ্লাইটে পড়েনি শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট।

বুন্দেসলিগার চলতি মৌসুমেও একই গল্পের অপেক্ষায় থাকা সবাইকে বিশেষ চমক উপহার দিল বায়ার লেভারকুসেন। বিশ্বকে জানিয়ে দিল যে বায়ার্ন নয়, ২০২৩-২৪ মৌসুমে বুন্দেসলিগা শিরোপা বায়ার লেভারকুসেনের। জার্মানির টপ-ফ্লাইটে তাদের প্রথম শিরোপা জয়ে ফুটবল বিশ্ব থেমেছে বায়ার্ন থেকে বায়ারে।

জিতলেই শিরোপা নিশ্চিত হবে- এমনটা জেনে আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাতে ঘরের মাঠে নামে লেভারকুসেন। হোম ম্যাচে ওয়েডার ব্রিমেনকে বিধ্বস্ত করে ৫-০ ব্যবধানে। এই বড় জয় ছাপিয়েও বড় হয়ে ওঠেছে তাদের শিরোপা জয়ের গল্প। স্বপ্নযাত্রায় ২৯তম রাউন্ডেই শিরোপার নিষ্পত্তি করে ফেলেছে তারা। সেটাও অপরাজেয় থেকে।

২৯ ম্যাচের একটিও হারেনি লেভারকুসেন। ২৫ জয় এবং ৪ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৭৯। দুইয়ে থাকা বায়ার্নের পয়েন্ট ৬৩। অবশিষ্ট পাঁচ ম্যাচে জয় পেলেও লেভারকুসেনকে ধরার সুযোগ নেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। তাই তো ব্রিমেনের বিপক্ষে গোলোৎসবের পর ভক্তদের নিয়ে প্রথম দফার শিরোপা উল্লাস সেরে নিয়েছেন লেভারকুসেন।

মুম্বাইয়ে জিতল মোস্তাফিজের চেন্নাই

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৬ এএম
মুম্বাইয়ে জিতল মোস্তাফিজের চেন্নাই
ছবি: সংগৃহীত

ম্যাচের শেষ ওভারে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রোহিত শর্মা। তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছেও কোনো উচ্ছ্বাস ছিল না ভারতীয় অধিনায়কের চোখে-মুখে। একবারের জন্যও উঁচিয়ে ধরেননি ব্যাট। কারণ ততক্ষণে হার লেখা হয়ে গেছে তার দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের মাঠে মোস্তাফিজুর রহমানের দল চেন্নাই সুপার কিংস জিতেছে ২০ রান ব্যবধানে।

রানপ্রসবা ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং পেয়েছিল চেন্নাই। স্বাগতিক বোলারদের শাসন করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৬ রানের বিশাল পুঁজি পায় মোস্তাফিজের দল। জবাবে ৬ উইকেট ১৮৬ রানে থামে মুম্বাই। তাতে বৃথা যায় রোহিতের ১০৫ রানের ঝলমলে ইনিংসটি। দলের জয়ের দিনে বেশ খরুচে ছিলেন মোস্তাফিজ। ১ উইকেট শিকার করতে ৪ ওভারে ৫৫ রান দিয়েছেন টাইগার কাটার মাস্টার।

চেন্নাইয়ের জয়ের নায়ক মাথিশা পাথিরানা। লঙ্কান পেসারের গতিতে জয়ের নাগাল পায়নি মুম্বাই। পাথিরানা ৪ ওভারে মাত্র ২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হয়েছেন। ইনিংসের অষ্টম ওভারে স্বাগতিকদের ৭০ রানের উদ্বোধনী জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন পাথিরানা। ওই ওভারের তৃতীয় বলে সূর্যকুমার যাদবকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান তিনি।

বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়ে সূর্যের আলো নিভিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। এদিন তারা রোহিতকে দুবার জীবন দেন। সেই সুযোগেই সেঞ্চুরি হাতিয়ে নেন এই ওপেনার। কিন্তু অন্যদের ব্যর্থতায় কাজে আসেনি রোহিতের সেঞ্চুরি। এর আগে, প্রথম ইনিংসে ছিল মহেন্দ্র সিং ধোনি। মাত্র ৪ বল ৩ ছক্কায় ২০ রান করেন সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক।

চেন্নাইয়ের হয়ে হাফ সেঞ্চুরি হাঁকান অধিনায়ক রুতুরাজ এবং শিভম দুবে। রুতুরাজ ৬৯ রানে আউট হন। তার ৪০ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি করে চার-ছক্কার মার। দুবে অপরাজিত ছিলেন ৬৬ রানে। ৩৮ বল খেলে তিনি চার মারেন ১০টি এবং ছক্কা ২টি। তাদের গড়ে দেওয়া শক্ত প্লাটফর্মে দাড়িয়ে ইনিংসের শেষ ওভারে ঝড় তুলেছিলেন ধোনি।

এই জয়ের পর টেবিলের তৃতীয় স্থানেই রয়ে গেছে চেন্নাই। ৬ ম্যাচে মোস্তাফিজদের অর্জন ৮ পয়েন্ট। তাদের সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ৫ ম্যাচ খেলা কলকাতা নাইট রাইডার্স। শীর্ষে রাজস্থান রয়্যালস। ৬ ম্যাচে তাদের অর্জন ১০ পয়েন্ট।

‘জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল খেলানো উচিত’

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩১ পিএম
‘জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল খেলানো উচিত’
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই ফরম্যাটে দুটো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। প্রথমটি ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এরপর বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজ। বলার অপেক্ষা রাখে না, সিরিজ দুটো বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ দলের জন্য। আর এজন্যই খালেদ মাহমুদ সুজন বললেন, জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকেই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল খেলানো উচিত।

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে আগামী ৩ মে। প্রথম তিন ম্যাচ হবে চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। শেষ দুটো গড়াবে মিরপুরে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। ১২ মে শেষ হবে দ্বিপক্ষীয় সিরিজটি। এরপরই বিশ্বকাপ যাত্রা বাংলাদেশ দলের। মূল টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

হাউস্টনে ম্যাচ তিনটি হবে যথাক্রমে ২০, ২২ এবং ২৪ মে। প্রস্তুতি পর্ব শেষে ৭ জুন শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে যে দলটা খেলবে, সেই দলটাকেই জিম্বাবুয়ে সিরিজে দেখতে চান সুজন। আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) মিরপুরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘যারা বিশ্বকাপে খেলবে, তাদের আসলে জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে শুরু করা উচিত।’

সুজন আরও বলেন, ‘হাতে তো বেশি সময় নেই, এরকম না যে দুইটা ম্যাচ এ খেললো, দুইটা ম্যাচ ও খেললো, আবার দুজনেই ফেইল করলো। তখন পাঁচ নাম্বার ম্যাচে কাকে নিয়ে খেলবেন আসলে। আপনি কনফিডেন্স নষ্ট করলেন দুইটা ছেলের। ওরকম না করে, একটা ছেলেকেই চারটা ম্যাচেই খেলান। যদি দুই ম্যাচে ফেইলও করে, তারপরও সুযোগ থাকবে তৃতীয়-চতুর্থ ম্যাচের রান করে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর।’

কলকাতার পাঁচে চার

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১১ পিএম
কলকাতার পাঁচে চার
ছবি: সংগৃহীত

উড়তে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মাটিয়ে নামিয়েছিল চেন্নাই কিংস। হ্যাটট্রিক জয়ে আইপিএলের ১৭তম আসর শুরু করা শাহরুখ খানের দলকে প্রথম হারের স্বাদ দিয়েছিল মোস্তাফিজুর রহমানের দল। সেই ধাক্কা সামলে ফের জয়ের ধারায় ফিরেছে কলকাতা। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়েছে ৮ উইকেট ব্যবধানে। টুর্নামেন্টে পাঁচ ম্যাচে এটা চতুর্থ জয় তাদের।

আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে দিনের প্রথম ম্যাচে ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৭ উইকেটে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় লক্ষ্ণৌ। কিন্তু বোলিংয়ে তাদের লড়াইয়ের সুযোগ দেননি ফিলিপ সল্ট এবং শ্রেয়াস আইয়ার। দুজনের ১২০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে হেসেখেলে জয়ের বন্দরে নোঙর করে কলকাতা। সেটাও ২৬ বল হাতে রেখে।

লক্ষ্য তাড়ায় দ্রুত রান তোলার নেশায় প্রথম পাওয়াপ্লেতেই জোড়া উইকেট হারায় কলকাতা। বিধ্বংসী ওপেনার সুনীল নারিনকে (৬) অল্পতেই থামান মহসিন খান। তার বলেই পতন হয় রাঘুবংশীর উইকেট। তিনি আউট হন ৭ রানে। এরপর সল্ট এবং শ্রেয়াসের ব্যাটিং তাণ্ডবে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে লক্ষ্ণৌর বোলারদের জীবন। ৪৭ বলে ১৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৯ রানে অপরাজিত ছিলেন সল্ট।

কলকাতা অধিনায়ক আইয়ার অপরাজিত ছিলেন ৩৮ রানে। তার ৩৮ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চারের মার। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে সল্টের হাতে। এই জয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানেই রয়ে গেছে কলকাতা। ৫ ম্যাচে তাদের অর্জন ৮ পয়েন্ট। ১০ দলের টেবিলে লক্ষ্ণৌর অবস্থান পঞ্চম স্থানে। ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট তাদের।