ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

বড় হারে শেষ বাংলাদেশের মিশন

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৪, ০১:২৬ এএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৪, ০১:২৬ এএম
বড় হারে শেষ বাংলাদেশের মিশন
ছবি : বাফুফে

স্বপ্ন ছিল জয়। সেটা না হলেও অন্তত ড্র করা ছিল প্রত্যয়। কিন্তু লেবাননের বিপক্ষে ফিরতি পর্বের ম্যাচে জামাল ভূঁইয়াদের লক্ষ্য পূরণ হয়নি। বড় হার দিয়েই এশিয়ান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাই মিশন শেষ করতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

কাতারের খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার (১১ জুন) অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ৪-০ গোলে হেরেছে হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই গোল আদায় করে নেওয়া দলটি প্রথমার্ধ শেষ করে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে। পরে আদায় করে আরও দুই গোল। হ্যাটট্রিক তুলে নেন লেবানের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলতে নামা অধিনায়ক হাসান মাতুক। অন্য গোলটি নাদের মাতার।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের থেকে ৬৪ ধাপ এগিয়ে আছে লেবানন। বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে ১৮৪, লেবানন সেখানে আছে ১২০তম স্থানে। তবে প্রথম লেগে ঘরের মাঠ বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় এই দলকেই ১-১ গোলে রুখে দিয়েছিল বাংলাদেশ। যুদ্ধ বিধ্বস্ত লেবানন নিজেরে হোম ম্যাচগুলো খেলছে কাতারে। প্রথম দেখার সুখস্মৃতি নিয়ে সেই কাতারেও বড় স্বপ্নই দেখছিল বাংলাদেশের ফুটবলাররা। 

কিন্তু লেবাননও আসলে তেঁতে ছিল। কারণ আগের পাঁচ ম্যাচে তারাও ছিল জয় শূন্য। বাংলাদেশের বিপক্ষে তারাও যেকোনো মূল্যে জয় চেয়েছিল। পূরণ হয়েছে তাদের লক্ষ্যটাই। দুই দলের পঞ্চম দেখায় বাংলাদেশের এটি তৃতীয় হার। বাকি দুই ম্যাচের একটি করে জয় ও ড্র বাংলাদেশের।

এদিন বাংলাদেশ রক্ষণের ভুলে শুরুতেই গোল হজম করেছে। পরেও ভুলের পুনরাবৃত্তি হয়েছে ম্যাচে। যদিও বার কয়েক সুযোগ তৈরি করেছে বাংলাদেশও। কিন্তু গোল না পাওয়ায় ম্যাচের রংও বদলায়নি। দাপট দেখিয়ে জিতেছে লেবানন।

‘আই’ গ্রুপে ৬ ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে সবার তলানিতে থেকেই শেষ হলো বাংলাদেশের এবারের বিশ্বকাপ মিশন। এই ৬ ম্যাচে বাংলাদেশ হজম করেছে ২০ গোল। বিপরীতে দিতে পেরেছে মাত্র ১টি। ৬ ম্যাচের সবগুলো জিতে অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ সেরা হয়েছে। ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ফিলিস্তিন, ৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় লেবানন। অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিস্তিন বিশ্বকাপের তৃতীয় রাউন্ড ও এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছে। লেবানন ও বাংলাদেশকে খেলতে হবে এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে।

ক্ষুধার্ত সাকিবই এখন তৃপ্ত!

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম
ক্ষুধার্ত সাকিবই এখন তৃপ্ত!
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সেরা সাকিব আল হাসান। দূরদর্শী ক্রিকেটারও বটে। এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। নিজের দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনা এবং ক্ষুধার্ত মনোভাব দেখিয়েই তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটে ‘পোস্টার বয়’। সময়ের স্রোতে এই সাকিবই যেন তৃপ্ত অল্পতে!

চলমান বিশ্বকাপে সুপার এইটে দুই ম্যাচ হেরেও আফগানিস্তানের জয়ে সমীকরণের মারপ্যাঁচে সুতোয় টিকে আছে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল ভাগ্য। সেই সমীকরণ নিয়ে বাংলাদেশ কতটুকু ভাবছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও ফর্মের সঙ্গে লড়াই করা সাকিব এবারের আসরকে উল্লেখ করলেন ‘খারাপ নয়’ বলে। তার কথায়, ‘আমরা ৩টা জিতেছি, ৩টা হেরেছি। ৫০ শতাংশ সফল। সেদিক থেকে খুব একটা খারাপ নয়।’

সাকিবের এমন সন্তুষ্টি অবশ্য প্রথম নয়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স নিয়েও সাকিব জানিয়েছিলেন নিজের সন্তুষ্টির কথা। বেসরকারি এক চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটা (সুপার ফোর) জিততাম তাহলে আর কোনো অভিযোগ থাকত না কারো।’

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে পাকিস্তানের বিপক্ষেও ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। যাদের বিপক্ষে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি সাকিবরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে হওয়া সেই গলদঘর্ম অবস্থাকে খুব একটা আমলে নেননি সাকিব। খুব সম্ভবত ফাইনালে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভারতের বিপক্ষে মূল্যহীন জয়ে।

দিন কয়েক আগে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাকিব কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ দলের ২০১৯ বিশ্বকাপ নিয়েও। যে বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত ছিলেন তিনি। সেই বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগ পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে থাকায় বড় স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বকাপে পাড়ি দেওয়া সাকিবই সেই আসরকে আখ্যায়িত করেছেন এক হিসেবে ভালো আসর হিসেবে। বলেছিলেন, ‘একভাবে বললে ভালো বিশ্বকাপ, আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলেছি। ধারাবাহিক ছিলাম ব্যাটিং ও বোলিংয়ে। দুয়েকটা ম্যাচে ভালো করতে পারিনি। কিন্তু সবমিলিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করেছি।’

অথচ সেই বিশ্বকাপ খেলে এসে সেসময় অন্য আরেক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছিলেন, ‘আমি সব সময়ই বিশ্বাস করেছি যে এবার অনেক দূরে যাওয়া সম্ভব। হয়তো সবার সাহায্য পেলে আমরা সেমিফাইনালেও চলে যেতাম।’ ২০১৯ বিশ্বকাপ নিয়ে ২০২৪ সালে এসে সাকিবের মন্তব্যে কমে গেছে ধার। যেই ধারের ঘাটতি দেখা গেছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে করা মন্তব্যেও। ভুলেভরা আসর নিয়ে নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তিনি ‘খারাপ নয়’ বলে।

ধারণা করা হয় পেশাগত জীবনের পারফরম্যান্স প্রভাব ফেলে ব্যক্তির মানসিকতা থেকে ব্যক্তিগত জীবনেও। ২০২৩ বিশ্বকাপ থেকেই ব্যাটে-বলে হতশ্রী সাকিব যেন হারিয়ে খুঁজছেন নিজেকে। সবসময় মাঠের ক্রিকেটে দাপুটে দেশের ক্রিকেটের আকাশে ১৮ বছর ধরে সবচেয়ে জ্বলজ্বল করা তারাটার এমন অল্পতে তৃপ্ত হয়ে যাওয়াটা খুব সম্ভবত পারফরম্যান্সে পিছিয়ে থাকার প্রভাবেই। ব্যাপারটা খানিকটা ‘নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়’ চরণের মতোই।

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে উইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১১:১৫ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১১:১৯ এএম
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে উইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা
ছবি : সংগৃহীত

বৃষ্টিবিঘ্নিত শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩ উইকেটে হারিয়ে সুপার এইটে তিন ম্যাচের তিনটিতে জিতে সেমিফাইনালে পা রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের এই জয়ে আসরজুড়ে দাপুটে ক্রিকেট খেলা স্বাগতিকদের বিদায় নিতে হয়েছে শূন্য হাতে। 

সোমবার (২৪ জুন) অ্যান্টিগার ব্যাটিং উইকেটে উইন্ডিজের দেওয়া ১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ ওভারে ১৫ রান তুলে ২ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপরই বাঁধা আসে বৃষ্টির। বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকার পর খেলাম কমিয়ে আনা হয় ১৭ ওভারে এবং নতুন টার্গেট নির্ধারণ করা হয় ১২৩ রান। এই লক্ষ্য টপকাতেই অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে শেষ ওভারের প্রথম বলে মার্কো ইয়ানসেন ম্যাকয়কে ছয় হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি দশ বছর পর এই সংস্করণের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে নেয়।

এই ক্ষুদ্র লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্রুত ৩ উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। ৪২ রানেই রেজা হেনড্রিকস, কুইন্টন ডি কক ও এইডেন মার্করামের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আফ্রিকানরা। সেই চাপ সামাল দেন ১০ বলে ২২ করা হেনরিখ ক্লাসেন ও ২৭ বলে ২৯ রান করা ট্রিস্টান স্টাবস। শেষদিকে চাপের মধ্যেও মার্কো ইয়ানসেনের অপরাজিত ১২ রানে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় এইডেন মার্করামদের

উইন্ডিজের হয়ে রস্টন চেইজ ৩টি, আন্দ্রে রাসেল ও আলজারি জোসেফ নেন ২টি করে উইকেট।

এর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার আমন্ত্রণে ব্যাটিং করতে নেমে ৫ রানেই দুই উইকেট হারানো উইন্ডিজ।,। সবশেষ ২০ ওভার শেষে রান করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান। সর্বোচ্চ ৪২ বলে ৫২ রান আসে রস্টন চেইজের বলে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন কাইল মায়ার্স। 

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তাব্রাইজ শামসি ৩টি উইকেট পান। আনরিখ নরকিয়া ছাড়া বাকি বোলাররা পান ১টি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হন শামসি।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৬:১২ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৬:১৫ এএম
টস জিতে ফিল্ডিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা
ছবি : সংগৃহীত

স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা দুই দলই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুই দলই বেশ ভালো ফর্মে আছে। সুপার এইট থেকে সেমিফাইনালে ওঠার পথেও দুই দলের লড়াই মাঠে। এমন ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম।

সোমবার (২৪ জুন) অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হতে যাচ্ছে ম্যাচটি। সুপার এইটে গ্রুপ-২ যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা দুইয়ে অবস্থান করছে দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে। স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় দুই ম্যাচ খেলে একটিতে।

বিশ্বকাপের আগেও এই আসরের প্রস্তুতিস্বরূপ দুই দল খেলেছিল তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। যেখানে ৩-০ তে আফ্রিকাকে ধবলধোলাই করেছিল উইন্ডিজ। সেই সিরিজের আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই আজ মাঠে নামবে স্বাগতিকরা।

টস জিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট ম্যাচ খেলার আশা এইডেন মার্করামের। অন্যদিকে, স্বাগতিকরা নিজেদের মাঠের পরিচিত কন্ডিশনকে কাজে লাগিয়ে ভালো করতে চায়।

জুনিয়র এএইচএফ কাপ আবারও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:২৬ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:২৬ এএম
আবারও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দল। ফাইনালেও লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের রুখা গেল না। মেহরাব হাসান, মোহাম্মদ জয়, আমিরুল ইসলামরা ধরে রাখলেন নিজেদের অপরাজেয় যাত্রা। সুবাদে জুনিয়র এশিয়ান হকি ফেডারেশন কাপের (এএইচএফ কাপ) সপ্তম আসরে শিরোপা ধরে রাখল বাংলাদেশ।

রবিবার (২৩ জুন) সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে চীনকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ট্রফি ধরে রাখে আশিকুজ্জামানের শিষ্যরা। ফাইনালে জোড়া গোল করেন মোহাম্মদ হাসান। আমিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ জয় করেন একটি করে গোল। গত বছর জানুয়ারিতে ওমানে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায়ও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।

ওমানে অনুষ্ঠিত ওই আসরে চীন ছিল না। এবার শক্তিশালী দলটি থাকায় বাংলাদেশের জন্য শিরোপা ধরে রাখা ছিল চ্যালেঞ্জের। তবে চীন বাধা জয় করেই বিজয় উল্লাস করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধরা।

ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে কোনো গোল হয়নি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে তিন গোল আদায় করে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। ২২-২৭, এই ৫ মিনিটে গোল তিনটি করে তারা। প্রথম ও তৃতীয় গোলটি করেন রকিবুল হাসান। দুটিই ছিল ফিল্ড গোল। পেনাল্টি কর্নার থেকে মাঝের গোলটি করেন আমিরুল ইসলাম। তৃতীয় কোয়ার্টারে জোড়া গোল করে ম্যাচ জমিয়ে তোলে চীন। ৩৩ মিনিটে জিয়ালং লুও এবং ৪১ মিনিটে চেন সিয়ানজেন চীনের পক্ষে গোল দুটি করেন। তাতে ৩-২ হয় ম্যাচের স্কোর লাইন। চতুর্থ ও শেষ কোয়ার্টারে একটি গোলই হয়েছে। ফিল্ড গোল থেকে সেটা করেছেন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জয়।

এই প্রতিযোগিতা জুনিয়র এশিয়া কাপের বাছাই পর্বও। অংশ নেওয়া ১১টি দলের মধ্যে ৫টি দল জুনিয়র এশিয়া কাপের ছাড়পত্র পেয়েছে। বাংলাদেশ সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই যা অর্জন করেছিল। ‘এ’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ হারিয়ে। এরপর থাইল্যান্ডকে ৪-২ ও ইন্দোনেশিয়াকে ৭-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবে সেমিফাইনালে পা রাখে। শেষ চারের লড়াইয়ে চাইনিজ তাইপকে ৫-১ গোলে হারায় তারা।

ছেলেদের এই প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সিঙ্গাপুরেই একই সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে উইমেন্স জুনিয়র এএইচএফ কাপ হকি। লিগভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। রবিবার নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরকে ৭-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তাতে ৬ ম্যাচে ৫ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করেছে তারা। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চাইনিজ তাইপে। ৭ দলের এই প্রতিযোগিতা থেকে ৫ দল উইমেন্স জুনিয়র এশিয়া কাপের টিকিট পেয়েছে। বাংলাদেশ যা নিশ্চিত করেছিল আগেই।

 

যুক্তরাষ্ট্রকে গুঁড়িয়ে সেমিতে ইংল্যান্ড

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:১৬ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:১৬ এএম
যুক্তরাষ্ট্রকে গুঁড়িয়ে সেমিতে ইংল্যান্ড
ছবি: সংগৃহীত

ক্রিস জর্ডানের হ্যাটট্রিকে যুক্তরাষ্ট্রকে রীতিমতো গুঁড়িয়ে দাপুটে এক জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। বার্বাডোসে রবিবার (২৩ জুন) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচেটিতে টস জিতে প্রতিপক্ষকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল তারা। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে হারানো যুক্তরাষ্ট্র এদিন দাঁড়াতেই পারেনি। ৭ বল বাকি থাকতে মাত্র ১১৫ রানে অলআউট হয়ে যায় দলটি। ১১৬ রানের লক্ষ্য ইংলিশরা ছুঁয়ে ফেলে মাত্র ৯.৪ ওভারেই। ১০ উইকেটের এই জয়ের সুবাদে গ্রুপ-২ থেকে সবার আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের।

অধিনায়ক জস বাটলার ৩৮ বলে ৮৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেছেন। ৬টি চারের সঙ্গে ৭টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। অন্য প্রান্তে ফিল সল্ট ২১ বলে ২ চারে অপরাজিত ২৫ রান করেন।

তবে ইংলিশদের এই জয়ের নায়ক বোলাররাই। সবার আগে যেখানে ক্রিস জর্ডানের নামটাই বলতে হবে। ইংল্যান্ডের প্রথম বোলার হিসেবে পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েছেন তিনি। ২.৫ ওভার বল করে ১০ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন তিনি। চারটি উইকেটই যুক্তরাষ্ট্রের লেজের ব্যাটারদের। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে উইকেট নেন। এরপর তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের স্বাদ নেন। দ্বিতীয় বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের ম্যাচে এক ওভারে ৪ উইকেট নিলেন তিনি।

জর্ডানের জন্মভূমি বার্বাডোস। এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা তার। সেই জন্মভূমিতেই টানা তিন বলে উইকেটের স্বাদ পেয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী পেসার। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি তৃতীয় হ্যাটট্রিক। অন্য দুই হ্যাটট্রিক অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্সের। পরে দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে তিনিও গড়েছেন আরেক ইতিহাস।

জর্ডানের এই তোপে ৫ উইকেটে ১১৫ থেকে ১১৫ রানেই অল আউট হয় যুক্তরাষ্ট্র। দলটির পক্ষে নিতিশ কুমার সর্বোচ্চ ২৪ বলে ৩০ ও কোরি অ্যান্ডারসন ২৮ বলে ২৯ রান করেন। তবে জর্ডানকে ছাপিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন আদিল রশিদ। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান খরচায় যিনি ২ উইকেট নিয়েছেন।