দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নগরজুড়ে পোস্টার ও ব্যানার টানিয়েছিলেন সব প্রার্থী। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপর ব্যানার ও পোস্টারগুলো অপসারণের কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগ ইতোমধ্যে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে পৃথক পৃথক দলে বিভক্ত হয়ে মাঠে নেমেছে।
এবারের নির্বাচনে চট্টগ্রামের মোট ১৬টি আসনে সব মিলিয়ে ১২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। নগরীর মূল সড়ক থেকে আশপাশের অলিগলিতেও টানানো হয়েছে লাখ লাখ ব্যানার-পোস্টার।
সোমবার (৮ জানুয়ারি) নগরের ঈদগাঁ কাঁচা রাস্তা এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, চসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সড়ক ও রাস্তার পাশে দেয়ালের সঙ্গে টানানো ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে নিচ্ছেন। সকাল ১০টা থেকে পাঁচজন লোক এ কাজে নিয়োজিত ছিলেন। বেলা ২টা পর্যন্ত কাজ করেছেন তারা।
সেখানে কথা হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী অশোক দাসের সঙ্গে। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘চসিকের প্রতিটি ওয়ার্ডে চার থেকে পাঁচজনের টিম সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবাই সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ব্যানার-পোস্টার সরানোর কাজ করবেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল বেড়েছে, তাই কাজে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে অপসারণের কাজ শেষ হবে।’
নগরের হালিশহর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তুহিন বলেন, ‘নষ্ট যেন না হয় এ জন্য অধিকাংশ পোস্টারে প্লাস্টিকের আবরণ দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ দূষণকারী প্লাস্টিক যত দ্রুত অপসারণ করা যায়, ততই ভালো। আর এমনভাবে ব্যানার-পোস্টারগুলো টানানো হয়েছিল, চলাচলে অস্বস্তি লাগত। আজ দেখলাম এগুলো অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ায় চসিককে ধন্যবাদ।’
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘ভোট উৎসব শেষ হয়েছে। এখন তো আর সড়ক বা অলিগলিতে ব্যানার ও পোস্টার থাকার দরকার নেই। এতে করে পরিবেশ ও সৌন্দর্য দুটোই নষ্ট হয়। যান চলাচলেও অসুবিধা হচ্ছে। তাই আমি এগুলো দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছি।’