গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স রোগের উপসর্গ নিয়ে রুজিনা বেগম (৪৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।
রুজিনার বাড়ি উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী।
তার শরীরে অ্যানথ্রাক্স রোগের উপসর্গ ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দিবাকর বসাক।
তিনি বলেন, শনিবার খুব খারাপ অবস্থায় রুজিনা বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। তার শরীরে অ্যানথ্রাক্স রোগের উপসর্গ ছিল। তবে তার অন্য শারীরিক জটিল সমস্যাও ছিল। যেমন হৃদরোগ এবং ফুসফুসের সমস্যা ছিল। এ সময় রোগীর প্রেসার কমে গিয়েছিল এবং শ্বাসকষ্ট ছিল। পরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে তিনি মারা যান।
তিনি আরও বলেন, সাধারণত গবেষণায় দেখা গেছে অ্যানথ্রাক্স রোগে মৃত্যু হয় না।
বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, 'রুজিনা বেগমের তিনটি ছাগল ছিল। এরমধ্যে একটি ছাগল অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ ছাগলটির অবস্থা বেগতিক দেখে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সেটি জবাই করেন। এ সময় তার হাতের আঙ্গুলে ক্ষত হয়। পরে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। এতে কাজ না হলে তাকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তার পরিবারের লোকজন। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে তিনি মারা যান। রবিবার পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
রফিক খন্দকার/মৌসুমী/