ঢাকা ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
নতুন দল গড়ছেন তুরস্কের বিরোধীদলীয় নেতা পানির খোঁজে এক মায়ের লড়াই মানবপাচারের ভয়াবহ রুট ক্যাম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড এক ব্রিজেই বদলে যাবে অর্থনীতি বার্নহ্যামের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন, বিদ্যুতে কর ছাড়ের ঘোষণা কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা শহিদ জিয়ার রাজনৈতিক বিকাশের অন্যতম কারিগর যাদু মিয়া: তথ্যমন্ত্রী যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের অভিযোগ, মোদি-শাহের পদত্যাগ দাবি চাঁদাবাজির অভিযোগে এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে মামলা দুর্যোগকালীন চিকিৎসায় ভয়কে জয় করার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের ১৭ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস পদ্মা পাড়ের ১ হাজার মানুষ পেলেন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এমপি গাজী নজরুলের নারীকাণ্ডে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে জামায়াত ফেনীতে ফুটপাত ও অবৈধ দখলমুক্ত করতে যৌথ অভিযান; রেস্তোরাঁকে জরিমানা থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলনে অংশ নিলেন আইজিপি পুলিশের চার ডিআইজিসহ ১৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বদলি ইবি শিক্ষকের স্ত্রীকে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন স্মার্টফোনের স্ক্রল নাকি এক প্রশান্তিময় ঘুম? সোনারগাঁকে আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়তে উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে: এমপি মান্নান সিংড়ায় স্বামীর হাতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী খুন হরিণাকুণ্ডুতে পাখিভ্যান-লাটাহাম্বার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২ নারায়ণগঞ্জে ‘জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে’ দুর্বৃত্তের আগুন স্পেনে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছেন দমকলকর্মীরা দিল্লিতে কংগ্রেসের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা তিস্তার আগ্রাসনে ভিটেমাটি হারাচ্ছেন গঙ্গাচড়ার মানুষ জাবি মেডিকেল সেন্টারে অনিয়মের অভিযোগ এসএমপির কমিশনার হলেন সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বিনিয়োগ টানতে ২৭ দেশে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ: বাণিজ্যমন্ত্রী তৌহিদ আফ্রিদির জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

কফি কিং শেফ আলী আজম

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫, ১১:২৭ এএম
কফি কিং শেফ আলী আজম

আজ আন্তর্জাতিক শেফ দিবস। একটা সময় ছিল, যখন রান্না ছিল শুধু ঘরকেন্দ্রিক। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে এখন রন্ধনশিল্পের সেক্টর অনেক শক্ত, যেখানে শেফরা এখন তারকা। রন্ধনশিল্পে দীর্ঘ সময় কাজ করছেন এবং এই পেশায় তরুণদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বারিস্তা ট্রেনিং বাংলাদেশ-এর ট্রেইনার আলী আজম। সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন ফ্যাশন প্লাসের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অজেয় চৌধুরী 

শেফ হিসেবে আপনার শুরুর গল্পটা জানতে চাই

আমার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে। ছোটবেলায় মায়ের রান্না দেখে আমার খুব ভালো লাগত। ছোটবেলা থেকেই রান্নার প্রতি আলাদা একটু আকর্ষণ ছিল। সেখান থেকেই আমি শেফ হওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছি এবং বড় হয়ে এই পেশার দিকে ঝুঁকেছি। আমি এসএসসি পাস করে ২০০১ সালে ঢাকায় চলে আসি। ঢাকায় এসে আমি একটি রেস্টুরেন্টে চাকরিতে যোগদান করি। রেস্টুরেন্টে পরিপূর্ণ রান্নার কাজ শেখার আমার খুব ইচ্ছা ছিল। সেই রেস্টুরেন্টের যে কাজগুলো ছিল সেগুলো আমি রপ্ত করি। এরপর আমি বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খাবার তৈরির কাজ শিখে পাঁচ তারকা হোটেলে যোগদান করি। পরবর্তী সময়ে আমি রান্নাবিষয়ক পেশাদার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি। এ জন্যই পেশাটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। রন্ধনশিল্পের এই পেশায় খুব আনন্দের সঙ্গে কাজ করছি।

আপনি একজন মাল্টি-কুইজিন শেফ। বারিস্তা ট্রেনিং বাংলাদেশ নামে আপনার একটি ট্রেনিং সেন্টারও আছে। আমাদের দেশে কফি এবং বারিস্তা ট্রেনিংয়ের ভবিষ্যৎ কেমন?

এই ইন্ডাস্ট্রিতে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা আমার। আমি কফি নিয়ে কাজ করার আগে থেকেই শেফ। আমি মূলত মাল্টি-কুইজিন ফুড নিয়ে কাজ করি। তবে কফি নিয়ে করছি ১২ বছর। বাংলাদেশে আগে কফি কালচার এতটা ছিল না। ১৫ বছর আগে ক্যাপাচিনো খেতে গেলে পাঁচ তারকা হোটেলে যেতে হতো। এখন রাস্তাঘাটে ক্যাপাচিনো তৈরি হয়। কফি কালচার আমাদের দেশে প্রতিনিয়িত বাড়ছে। সেই সঙ্গে এর আলাদা মার্কেটও তৈরি হচ্ছে। বারিস্তা ট্রেনিং বাংলাদেশ থেকে প্রতি মাসে ২০ জন করে শিক্ষার্থী বের হচ্ছে। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা যারা দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে যাচ্ছে, তারা স্বল্প সময়ের মধ্যে কোর্স করে স্কিল তৈরি করে চাকরির সুযোগ পাচ্ছে। বিদেশে অনেক কফি শপ আছে, তাই বারিস্তা ট্রেনিং করা থাকলে চাকরি পেতে সুবিধা হয়। তাই এটা নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আগ্রহ আছে। আমার ভালো লাগছে যে, আমি তাদের ট্রেইনআপ করাচ্ছি। গত দুই বছরে ২ হাজার বারিস্তা আমার হাতে তৈরি হয়েছে। যারা সারা বিশ্বের নানা জায়গায় ছড়িয়ে কাজ করছে। এটা আমার জন্য আনন্দের বিষয়। 

অনেকেই আপনাকে কফি কিং বলে সম্বোধন করেন। এ বিষয়টি আপনি কীভাবে ইনজয় করেন? 

আমাকে কফি কিং বলার কারণ আছে। শেফরা সাধারণত কফি নিয়ে কাজ করে না, তারা কিচেন নিয়ে কাজ করে। আমি কফি নিয়ে কাজ করতে আসি প্রায় ১২ বছর। আমি যখন শিখতে আসি, তখন আমি বাংলাদেশের মোটামুটি নামকরা শেফ। আমি মালয়েশিয়া ও নেপাল থেকে বারিস্তা ট্রেনিং করেছি এবং কফি নিয়ে পড়াশোনা করে এসেছি সিঙ্গাপুর থেকে। যারা বারিস্তা তাদের কিন্তু দেশের বাহিরে এতগুলো ট্রেনিং নেই। আমি যতগুলো দেশে গেছি, একটি করে কফি ট্রেনিং করে আসছি। এটা অন্য কোনো কফি ট্রেইনারের মধ্যে নেই। আবার আমি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি নিয়ে কাজ করছি। নেসলে বাংলাদেশের বারিস্তা ট্রেইনার আমি। আমার নিজের একটা অ্যাকাডেমিও আছে। আমার কয়েকটি কফির ব্র্যান্ড আমার নিজের হাতে তৈরি হয়েছে। যেখানে আমার হাতের কফি যারা খেয়েছে, তারা আমার কফির ভক্ত হয়েছে। এই মানুষগুলো ভালো লাগা থেকে আমাকে কফি কিং বলে সম্বোধন করেন।

 

/রোদসী  

বর্ষায় গাছের যত্ন নিবেন যেভাবে

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
বর্ষায় গাছের যত্ন নিবেন যেভাবে

বর্ষাকাল প্রকৃতির জন্য যেমন আশীর্বাদ, তেমনি গাছপালার জন্য একদিকে নতুন প্রাণের উৎস, অন্যদিকে কিছু ঝুঁকিরও সময়। এই সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টির পানিতে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও অতিরিক্ত পানি, আর্দ্রতা এবং রোগবালাইয়ের কারণে অনেক গাছ ক্ষতির মুখে পড়ে। তাই বর্ষাকালে গাছের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লিখেছেন মুশফিরাত 

অতিরিক্ত পানি নিয়ন্ত্রণে ড্রেনেজ নিশ্চিত করুন
বর্ষার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অতিরিক্ত পানি জমে যাওয়া। টবের গাছ বা বাগানের গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকলে শিকড় পচে যেতে পারে। তাই প্রথমেই নিশ্চিত করতে হবে টব বা মাটির ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক আছে কি না। টবের নিচে ছিদ্র খোলা রাখা এবং অতিরিক্ত পানি বের হওয়ার পথ তৈরি করা জরুরি। বাগানের ক্ষেত্রে মাটি যেন বেশি কাদা না হয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

মাটির আর্দ্রতা বুঝে পানি দিন
এই সময় গাছের মাটি নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। মাটি যদি সবসময় ভেজা থাকে, তাহলে পানি দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে। অনেকেই নিয়মিত পানি দেন, যা বর্ষাকালে ক্ষতির কারণ হতে পারে। বরং গাছের প্রয়োজন বুঝে পানি দেওয়া উচিত।

রোগবালাই ও ছত্রাক প্রতিরোধে সতর্কতা

বর্ষাকালে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ছত্রাক ও পোকামাকড়ের আক্রমণ বেড়ে যায়। পাতায় দাগ পড়া, পচন ধরা বা গাছ ঢলে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক বা হালকা জৈব কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। নিম তেল একটি কার্যকর ও নিরাপদ উপায়, যা নিয়মিত স্প্রে করলে অনেক রোগবালাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

পাতার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন

গাছের পাতা পরিষ্কার রাখাও বর্ষাকালের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বৃষ্টির পানির সঙ্গে ধুলো-ময়লা জমে পাতার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে পাতাগুলো হালকা পানি দিয়ে পরিষ্কার করা ভালো।

প্রয়োজন অনুযায়ী ছাঁটাই করুন
এই সময় গাছ ছাঁটাই করাও জরুরি হতে পারে। অতিরিক্ত বড় বা পচা ডালপালা কেটে ফেললে গাছের ভেতরে বাতাস চলাচল ভালো হয় এবং রোগের ঝুঁকি কমে। তবে ছাঁটাই করার সময় পরিষ্কার ও ধারালো সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে, যাতে গাছে ক্ষত না হয়।

সার প্রয়োগে রাখুন সংযম
বর্ষাকালে সার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। অতিরিক্ত সার দিলে গাছের শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই হালকা জৈব সার ব্যবহার করাই ভালো এবং তা নির্দিষ্ট বিরতিতে প্রয়োগ করা উচিত।

 

আয়নায় সহজে দাগ তোলার উপায়

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
আয়নায় সহজে দাগ তোলার উপায়

ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে আয়নার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ড্রইংরুম, শোবার ঘর কিংবা বাথরুম—প্রায় সব জায়গাতেই আয়নার ব্যবহার দেখা যায়। তবে নিয়মিত পরিষ্কার না করলে আয়নায় ধুলাবালি, পানির ছিটা, আঙুলের ছাপ ও বিভিন্ন ধরনের দাগ জমে যায়। ফলে আয়নার উজ্জ্বলতা কমে যায় এবং পুরো ঘরের সৌন্দর্যও ম্লান দেখায়। কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে খুব সহজেই আয়নার দাগ দূর করে ঝকঝকে রাখা সম্ভব।

ভিনেগার ও পানির মিশ্রণ

আয়না পরিষ্কারের সবচেয়ে কার্যকর ও সহজ উপায় হলো সাদা ভিনেগার ও পানি ব্যবহার করা। সমপরিমাণ ভিনেগার ও পানি একটি স্প্রে বোতলে মিশিয়ে আয়নার ওপর হালকা করে স্প্রে করুন। এরপর নরম মাইক্রোফাইবার কাপড় বা পরিষ্কার তুলার কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। ভিনেগার আয়নার ওপর জমে থাকা দাগ, পানির ছাপ ও ময়লা দূর করতে সাহায্য করে এবং আয়নাকে ঝকঝকে করে তোলে।

মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করুন

অনেকেই আয়না পরিষ্কার করতে পুরোনো কাপড় বা টিস্যু ব্যবহার করেন। এতে অনেক সময় আয়নার ওপর আঁশ বা দাগ থেকে যায়। আয়না পরিষ্কারের জন্য মাইক্রোফাইবার কাপড় সবচেয়ে ভালো। এটি সহজেই ময়লা শোষণ করে এবং কোনো ধরনের আঁচড় বা দাগ ফেলে না।

টুথপেস্টে দূর করুন ছোটখাটো দাগ

আয়নায় যদি হালকা দাগ বা চিহ্ন দেখা যায়, তাহলে অল্প পরিমাণ সাদা টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। একটি নরম কাপড়ে সামান্য টুথপেস্ট নিয়ে দাগের ওপর আলতোভাবে ঘষুন। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে শুকনো কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন। এতে অনেক সময় জেদি দাগও দূর হয়ে যায়।

সংবাদপত্রের ব্যবহার

অনেকের কাছে এটি পুরোনো পদ্ধতি মনে হলেও আয়না পরিষ্কারে সংবাদপত্র বেশ কার্যকর। পরিষ্কার করার দ্রবণ স্প্রে করার পর ভাঁজ করা সংবাদপত্র দিয়ে মুছলে আয়নায় কোনো দাগ বা রেখা থাকে না। তবে সংবাদপত্রের কালি হাতে লাগতে পারে, তাই প্রয়োজনে গ্লাভস ব্যবহার করা যেতে পারে।

পানির দাগ প্রতিরোধ করুন

বাথরুমের আয়নায় সাধারণত পানির ছিটা পড়ে সাদা দাগ তৈরি হয়। তাই গোসলের পর আয়নার ওপর জমে থাকা পানি দ্রুত মুছে ফেলুন। নিয়মিত শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে রাখলে দাগ জমার সুযোগ কমে যায়।

পরিষ্কারের সময় কিছু সতর্কতা

আয়নার ওপর সরাসরি অতিরিক্ত পরিমাণ ক্লিনার স্প্রে না করাই ভালো। এতে তরল পদার্থ আয়নার প্রান্তে ঢুকে ক্ষতির কারণ হতে পারে। কাপড়ে ক্লিনার স্প্রে করে তারপর আয়না মুছলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া শক্ত ব্রাশ বা রুক্ষ কাপড় ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে আয়নার পৃষ্ঠে আঁচড় পড়তে পারে।

নিয়মিত যত্ন ও সঠিক উপায়ে পরিষ্কার করলে আয়না দীর্ঘদিন নতুনের মতো উজ্জ্বল থাকে। ঘরের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে তাই আয়না পরিষ্কারের অভ্যাসকে দৈনন্দিন কাজের অংশ করে তুলুন

আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের গ্র্যাজুয়েশন উদযাপন

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের গ্র্যাজুয়েশন উদযাপন

এক দশকের নিরলস পথচলার উদ্যাপন। নতুন স্বপ্নের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। মডেলিং, প্যাজেন্ট্রি ও প্রেজেন্টিং–এই তিন বিভাগে তরুণ প্রতিভা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করা আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্প (এএমটিসি) প্রতিষ্ঠার দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রথমবারের মতো আয়োজন করেছে গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি।

রাজধানীর ধানমন্ডির বজুঁর ব্যাংকোয়েট হলে রবিবার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে একসঙ্গে সনদ গ্রহণ করেন এএমটিসির মডেলিং কোর্সের ১০টি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এবং প্রথমবারের মতো প্রেজেন্টিং ও পেজেন্ট্রি কোর্সের গ্র্যাজুয়েটরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মডেল, নৃত্য ও অভিনয়শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফ্যাশন এন্টারপ্রেনারস্ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এফইএবি)–এর প্রেসিডেন্ট এবং সাদা কালোর সহপ্রতিষ্ঠাতা আজহারুল হক আজাদহাল এবং হাল ফ্যাশন কনসালট্যান্ট শেখ সাইফুর রহমান। এএমটিসির প্রতিষ্ঠাতা আজরা মাহমুদের সঙ্গে তাঁরা বিভিন্ন ব্যাচের গ্র্যাজুয়েটদের হাতে সনদ তুলে দেন।

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্প তরুণদের মডেলিং, প্যাজেন্ট্রি ও প্রেজেন্টিংয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব এবং মঞ্চে নিজেকে উপস্থাপনের দক্ষতা গড়ে তুলতে কাজ করে আসছে। গত এক দশকে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে মডেলিংয়ের ১০টি ব্যাচ পরিচালনার পাশাপাশি প্রেজেন্টিং ও প্যাজেন্ট্রি বিষয়েও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করেছে। প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সব ব্যাচের অর্জনকে এক মঞ্চে উদ্যাপন করা হলো।

অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘স্টার স্টুডেন্ট’ সম্মাননা। এএমটিসি থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর যাঁরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন, তাঁদের বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে সম্মাননা সনদ তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে এএমটিসির প্রতিষ্ঠাতা আজরা মাহমুদ বলেন, দশ বছর আগে তরুণদের নিজেদের সম্ভাবনা আবিষ্কারের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ সব ব্যাচের গ্র্যাজুয়েটদের একসঙ্গে দেখে সেই স্বপ্ন পূরণের আনন্দ আরও গভীর হয়েছে।

প্রধান অতিথি সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, গত এক দশকে এএমটিসি শুধু সংখ্যার বিচারে নয়, বরং প্রশিক্ষণার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও পেশাদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।
সম্মাননা পেলেন যাঁরা

স্টার স্টুডেন্ট হিসেবে সম্মানিতদের মধ্যে ছিলেন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯ শিরিন আখতার শীলা, শাহেলা মজুমদার নিধি, বি. প্রসাদ, শারিয়ার আজরাফ, জারিফ শাবাব, ফাইজা ফেরদৌস খান, ফাইজা নূন, ফাতিহা খুলদ মিয়ামি, পারিনাজ লামিয়া, আবন্তিকা রহমান, মাহেলেকা জাবিন, মারিয়া আক্তার মৃদুলা, জিদনি খান, প্রজ্ঞা ইসলাম, রাহনুমা নুরাইন তানহা, ফাহমিদা আহমেদ বুশরা, ফাবলিহা খান, আফসানা আহমাদ, তাহমিনা আঞ্জুম ইলা, উম্মে জামিলাতুন নাইমা, ইয়াসিন আহমেদ সোকাল এবং যুক্তা ভৌমিক।

প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের অনেকেই দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ডিজাইনারদের সঙ্গে কাজ করছেন। কেউ আবার আন্তর্জাতিক মডেলিং প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, কেউ সফল কোরিওগ্রাফার, কেউ টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আবার কেউ বা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিউটি পেজেন্টে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।

বর্তমানে আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্প মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ, মিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, মিস কসমো বাংলাদেশ, মিস্টার কসমো বাংলাদেশ এবং ফেস অব বাংলাদেশ–এর লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান হিসেবেও কাজ করছে। এক দশকের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনেও নতুন প্রজন্মের প্রতিভা বিকাশে ভূমিকা রাখতে চায়।  

/এমটি 

 

বর্ষায় জুতা ভালো রাখবেন যেভাবে

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
বর্ষায় জুতা ভালো রাখবেন যেভাবে

বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির একটি হলো জুতার যত্ন। বৃষ্টির পানি, কাদা, আর্দ্রতা এবং স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের কারণে জুতা দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় জুতায় দুর্গন্ধ, ছত্রাক কিংবা রং নষ্ট হওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়। তাই বর্ষার মৌসুমে জুতার প্রতি একটু বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। লিখেছেন রোদসী 

জুতার ধরন নির্বাচন করুন সচেতনভাবে
বর্ষাকালে সব ধরনের জুতা ব্যবহার উপযোগী নয়। চামড়া বা ভেলভেটের জুতা বৃষ্টির দিনে সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই এই সময়ে পানি প্রতিরোধী উপকরণে তৈরি স্যান্ডেল, রাবারের জুতা বা জলরোধী স্নিকার্স ব্যবহার করা ভালো। এতে জুতা যেমন ভালো থাকবে, তেমনি পায়েরও আরাম নিশ্চিত হবে।

ভিজে গেলে দ্রুত শুকিয়ে নিন
বৃষ্টিতে ভিজে গেলে অনেকেই জুতা একপাশে রেখে দেন। এতে জুতার ভেতরে আর্দ্রতা জমে দুর্গন্ধ ও ছত্রাকের সৃষ্টি হতে পারে। জুতা ভিজে গেলে প্রথমে শুকনো কাপড় দিয়ে পানি মুছে ফেলুন। এরপর খবরের কাগজ বা টিস্যু ভরে রাখলে তা অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করতে সাহায্য করবে। তবে সরাসরি রোদে বা অতিরিক্ত তাপে জুতা শুকানো ঠিক নয়। এতে জুতার রং ও উপকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। স্বাভাবিক বাতাসে শুকানোই সবচেয়ে ভালো।

নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন
বর্ষাকালে জুতায় কাদা ও ময়লা বেশি জমে। তাই বাইরে থেকে ফিরে জুতা পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। নরম ব্রাশ বা ভেজা কাপড় দিয়ে জুতার গায়ে লেগে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে ফেলুন। সাদা রঙের জুতার ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে আরও বেশি নজর দিতে হবে। কারণ, সামান্য দাগও সহজে চোখে পড়ে।

দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে বর্ষাকালে জুতায় দুর্গন্ধ হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। এ সমস্যা এড়াতে জুতা ব্যবহারের পর কিছুক্ষণ খোলা জায়গায় রাখুন। চাইলে জুতার ভেতরে বেকিং সোডা বা সিলিকা জেল প্যাকেট রাখতে পারেন। এগুলো আর্দ্রতা শোষণ করে দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে। একই জুতা প্রতিদিন ব্যবহার না করে পালাক্রমে ব্যবহার করাও ভালো অভ্যাস। এতে জুতা শুকানোর পর্যাপ্ত সময় পায়।

সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন
জুতা ব্যবহারের বাইরে থাকলে শুকনো ও পরিষ্কার স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত। আলমারি বা জুতার র‍্যাকে রাখার আগে নিশ্চিত করুন জুতা সম্পূর্ণ শুকনো। আর্দ্র স্থানে রাখলে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে। জুতার আকৃতি ঠিক রাখতে শু-ট্রি বা কাগজ ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে জুতা দীর্ঘদিন নতুনের মতো থাকে।

পায়ের যত্নও জরুরি
জুতা ভালো রাখতে যেমন পরিচর্যা প্রয়োজন, তেমনি পায়ের যত্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ভেজা মোজা দীর্ঘ সময় পরে থাকা উচিত নয়। বৃষ্টিতে ভিজে গেলে দ্রুত পা পরিষ্কার করে শুকনো মোজা পরুন। এতে পা সুস্থ থাকবে এবং জুতার ভেতরেও দুর্গন্ধ কম হবে।

ব্যাচেলররা যেভাবে ঘর সাজাতে পারেন

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
ব্যাচেলররা যেভাবে ঘর সাজাতে পারেন

বর্তমান সময়ে কর্মজীবন, পড়াশোনা কিংবা ব্যক্তিগত কারণে অনেকেই একা থাকেন। ব্যাচেলরদের জন্য ঘর শুধু বিশ্রামের জায়গা নয়; বরং এটি কাজ, পড়াশোনা এবং ব্যক্তিগত সময় কাটানোরও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। তাই সঠিক পরিকল্পনা ও কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে ব্যাচেলরদের ঘরও হতে পারে পরিচ্ছন্ন, আধুনিক এবং নান্দনিক। লিখেছেন তাসকিন  

প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিন
ব্যাচেলরদের ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে প্রথমেই গুরুত্ব দিতে হবে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রকে। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় আসবাব বা সাজসজ্জার সামগ্রী ঘরকে অগোছালো করে তোলে। তাই ঘরের আয়তন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আসবাব নির্বাচন করা উচিত।
একটি আরামদায়ক বিছানা, কাজের জন্য একটি টেবিল, চেয়ার এবং প্রয়োজনীয় জিনিস রাখার জন্য একটি আলমারি বা তাক থাকলেই অনেকাংশে ঘর পরিপূর্ণ হয়ে যায়। কম জায়গায় বেশি সুবিধা পেতে বহুমুখী আসবাবও ব্যবহার করা যেতে পারে।

রঙের ব্যবহার হোক পরিমিত
ঘরের সৌন্দর্য অনেকটাই নির্ভর করে দেয়ালের রঙের ওপর। ছোট ঘরের ক্ষেত্রে হালকা রং ব্যবহার করলে ঘরকে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। সাদা, অফ-হোয়াইট, হালকা ধূসর, বেইজ বা হালকা নীল রং ব্যাচেলরদের ঘরের জন্য বেশ মানানসই। যদি ঘরে কিছুটা বৈচিত্র্য আনতে চান, তাহলে একটি দেয়ালে গাঢ় রঙের অ্যাকসেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ঘরে আধুনিকতার ছোঁয়া যোগ হবে।

আলো ব্যবস্থায় আনুন পরিবর্তন
সুন্দর আলো একটি ঘরের পরিবেশ পুরোপুরি বদলে দিতে পারে। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা উচিত। জানালার সামনে ভারী পর্দার পরিবর্তে হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করলে আলো সহজে ঘরে প্রবেশ করতে পারে। রাতের জন্য শুধু সিলিং লাইটের ওপর নির্ভর না করে টেবিল ল্যাম্প, ফ্লোর ল্যাম্প বা উষ্ণ আলো ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ঘর আরও আরামদায়ক ও আকর্ষণীয় দেখাবে।

গুছিয়ে রাখুন জিনিসপত্র
অগোছালো ঘর কখনোই সুন্দর দেখায় না। তাই ঘরের প্রতিটি জিনিসের নির্দিষ্ট স্থান থাকা প্রয়োজন। বই, নথিপত্র, গ্যাজেট কিংবা দৈনন্দিন ব্যবহার্য সামগ্রী আলাদা আলাদা স্থানে সংরক্ষণ করুন। দেয়ালে ঝুলানো তাক, স্টোরেজ বক্স কিংবা বিছানার নিচের জায়গা ব্যবহার করে সহজেই অতিরিক্ত জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা যায়। এতে ঘর পরিচ্ছন্ন দেখাবে এবং প্রয়োজনের সময় জিনিস খুঁজে পেতেও সুবিধা হবে।

ব্যক্তিত্বের ছোঁয়া দিন
ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিত্ব ও পছন্দের প্রতিফলন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। পছন্দের বই, ছবি, পোস্টার কিংবা শিল্পকর্ম দিয়ে ঘরের একটি অংশ সাজানো যেতে পারে। যারা ভ্রমণপ্রেমী, তারা ভ্রমণের স্মৃতি ধরে রাখতে ফ্রেমবন্দি ছবি ব্যবহার করতে পারেন। আবার সংগীতপ্রেমীরা তাদের পছন্দের বাদ্যযন্ত্র বা অ্যালবামের সংগ্রহও প্রদর্শন করতে পারেন। এতে ঘর আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

সবুজের স্পর্শ আনুন
ইনডোর প্ল্যান্ট বা ঘরের ভেতরের গাছ শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং ঘরের পরিবেশও সতেজ রাখে। ছোট জায়গার জন্য মানিপ্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট, জেড প্ল্যান্ট কিংবা পিস লিলির মতো গাছ উপযুক্ত হতে পারে। ঘরের কোণে কিংবা জানালার পাশে কয়েকটি ছোট গাছ রাখলে পুরো পরিবেশে একটি প্রাকৃতিক ও প্রশান্ত অনুভূতি তৈরি হয়।

কাজ ও বিশ্রামের আলাদা পরিবেশ তৈরি করুন
বর্তমানে অনেক ব্যাচেলর বাসা থেকেই কাজ বা পড়াশোনা করেন। তাই সম্ভব হলে ঘরের ভেতরে কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট কর্নার তৈরি করা ভালো।  একটি ছোট টেবিল, আরামদায়ক চেয়ার এবং প্রয়োজনীয় আলো থাকলে সহজেই একটি কার্যকর কর্মপরিবেশ তৈরি করা যায়। এতে কাজের সময় মনোযোগ বাড়ে এবং বিশ্রামের জায়গার সঙ্গে কাজের জায়গার একটি ভারসাম্য বজায় থাকে।

পর্দা ও কাপড়ের ব্যবহারে আনুন বৈচিত্র্য
ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে পর্দা, বেডশিট, কুশন কভার এবং কার্পেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঘরের রঙের সঙ্গে মিল রেখে এসব উপকরণ নির্বাচন করলে ঘর আরও পরিপাটি ও আকর্ষণীয় দেখায়। খুব বেশি রং বা নকশার পরিবর্তে সরল ও মার্জিত ডিজাইন বেছে নেওয়া ভালো। এতে ঘরে একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক আবহ তৈরি হয়।

প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার
ব্যাচেলরদের ঘরে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিপণ্য থাকে। টেলিভিশন, ল্যাপটপ, গেমিং কনসোল কিংবা স্পিকার ব্যবহারের সময় তারগুলো সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখা উচিত। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ক্যাবল ম্যানেজমেন্ট বক্স ও ক্লিপ ব্যবহার করে সহজেই তারের জট এড়ানো যায়। এতে ঘর আরও গোছানো দেখায়।