ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্বকাপ ফাইনাল মাতাবেন যারা ইরানে ২০ গুণ বড় মার্কিন হামলার ভিডিও শেয়ার করলেন ট্রাম্প টেক্সাসে ‘চেতনাতে নজরুল’: হৃদি হকের ব্যতিক্রমী সংগীত-নাট্য উপস্থাপনা ঘুষ নিয়ে ধরা বিমান কর্মকর্তা রাশেদ দণ্ডিত স্বাস্থ্যসেবায় নতুন ধারণা দিচ্ছে ডক্টরস২৪ জামালপুরে গৃহবধূ হত্যায় ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড চীনে বন্যায় নিহত ৩৯ মিসর-আর্জেন্টিনা ম্যাচের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে রেফারিদের পাশে কলিনা কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু বর্ষায় সঙ্গে রাখতে হবে যেসব জিনিস পর্তুগালের নতুন কোচ হতে যাচ্ছেন জর্জ জেসুস! আলমডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মধ্যেও স্থিতিশীল: এডিবি আগামী নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় ওষুধের কার্যকারিতা নারীর মুড সুইংয়ের বৈজ্ঞানিক কারণ পরিবেশ ও জাতীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রকৃতির কোলে এক নির্মল জলভূমি সিরাজগ‌ঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০ নারীরা কেন এত ক্লান্ত? অদৃশ্য শ্রম ও মানসিক চাপের বোঝা সুনামগঞ্জে বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড বান্দরবানে পাহাড়ধসে পৃথক দুই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু সারোয়ার আলমগীরের শপথে বাধা নেই: হাইকোর্ট ফেনীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ সিংড়ায় মাছ শিকারে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল যুবকের ষোলশহর-জানালীহাট সেকশন রেললাইনকে ৫ ফুট উঁচু করা হবে: রেল প্রতিমন্ত্রী ঝিনাইদহে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন মৌলভীবাজারে বেড়েছে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা পার্বতীপুরে বিলের জন্য সন্তানহারা প্রসূতিকে আটকে রাখার অভিযোগ কাশিয়ানীতে ওয়াকিটকিসহ প্রতারক গ্রেপ্তার

বর্ষায় সঙ্গে রাখতে হবে যেসব জিনিস

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
বর্ষায় সঙ্গে রাখতে হবে যেসব জিনিস

বর্ষাকালে প্রকৃতি যেমন সতেজ ও মনোরম হয়ে ওঠে, তেমনি এই সময় দৈনন্দিন জীবনেও আসে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ–হঠাৎ বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ, আর যাতায়াতে অনিশ্চয়তা। তাই বর্ষা মৌসুমকে আরামদায়ক ও ঝামেলাহীন রাখতে সঙ্গে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য প্রস্তুতিই অনেক বড় অস্বস্তি থেকে রক্ষা করতে পারে। লিখেছেন মুশফিরাত 

ছাতা: বর্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী
বর্ষাকালে সবচেয়ে প্রথম ও অপরিহার্য জিনিস হলো একটি ভালো মানের ছাতা। ছোট ও ভাঁজ করা যায় এমন ছাতা বহন করা সহজ এবং ব্যাগে বেশি জায়গাও নেয় না। হালকা বাতাসে উল্টে না যায় এমন শক্ত ফ্রেমের ছাতা বেছে নেওয়া ভালো। বাইরে বের হওয়ার সময় আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলেও ছাতা সঙ্গে রাখা উচিত, কারণ বর্ষায় বৃষ্টি কখন যে শুরু হবে তা বোঝা যায় না।

রেইনকোট বা পঞ্চো
ছাতার পাশাপাশি রেইনকোট বা পঞ্চো খুবই কার্যকর একটি জিনিস। বিশেষ করে যারা সাইকেল বা মোটরসাইকেলে চলাচল করেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। রেইনকোট শরীরকে পুরোপুরি ঢেকে রাখে এবং বৃষ্টির পানি ভেতরে ঢুকতে দেয় না। হালকা ও ভাঁজযোগ্য রেইনকোট ব্যাগে রাখা সহজ হয়, তাই অফিস বা কলেজে যাতায়াতকারীদের জন্য এটি আদর্শ।

ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ কভার
ল্যাপটপ, বই, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যাগের জন্য ওয়াটারপ্রুফ কভার ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় ছোট বৃষ্টিতেও ব্যাগ ভিজে ভেতরের জিনিস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একটি মানসম্মত ব্যাগ কভার এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

অতিরিক্ত পোশাক ও টিস্যু
বর্ষাকালে হঠাৎ ভিজে গেলে বা জামা-কাপড় নষ্ট হলে বদলানোর জন্য একটি অতিরিক্ত পোশাক সঙ্গে রাখা ভালো। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় বাইরে থাকেন, তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী। পাশাপাশি টিস্যু বা ছোট তোয়ালে রাখা যেতে পারে, যা ভেজা হাত, মুখ বা জুতা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

স্লিপার বা ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট জুতা
বর্ষাকালে রাস্তা প্রায়ই ভেজা, কাদা-মাখা ও পিচ্ছিল হয়ে থাকে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ কাপড় বা চামড়ার জুতা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পায়ে অস্বস্তি তৈরি করে। দীর্ঘক্ষণ ভেজা জুতা পরে থাকলে ফাঙ্গাল ইনফেকশন, দুর্গন্ধ এবং ত্বকে র‍্যাশের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষার জন্য বিশেষভাবে তৈরি ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট জুতা, রাবারের স্যান্ডেল বা দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন স্লিপার ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ ও আরামদায়ক।
এ ধরনের জুতা শুধু পানি থেকে পা রক্ষা করে না, বরং হাঁটাকে আরও সহজ ও স্থিতিশীল করে তোলে। বিশেষ করে শহরের জলাবদ্ধ রাস্তা বা ভাঙাচোরা ফুটপাতে চলাচলের সময় এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেক ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট জুতার সোল অ্যান্টি-স্লিপ ডিজাইনের হয়, যা পিচ্ছিল রাস্তায় পিছলে পড়ার ঝুঁকি কমায়। 

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ভেজা টিস্যু
বর্ষাকালে শুধু বৃষ্টি নয়, এর সঙ্গে আসে কাদা, নোংরা পানি ও নানা ধরনের জীবাণু। এসবের কারণে হাত-পা সহজেই সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ে। বিশেষ করে বাইরে চলাফেরা করার সময় বাসের হাতল, দরজার নব বা জনসমাগমের বিভিন্ন জায়গা থেকে জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তাই হ্যান্ড স্যানিটাইজার এই মৌসুমে একটি অত্যাবশ্যকীয় সঙ্গী হয়ে ওঠে।

বাইরে কোথাও খাওয়ার আগে, যাতায়াত শেষে বা জনসমাগম থেকে ফিরে আসার পর স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। এটি সহজে ব্যাগে বহন করা যায় এবং যেকোনো সময় ব্যবহার করা সম্ভব, যা বর্ষাকালের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখে।

প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ফার্স্ট এইড
বর্ষাকালে সর্দি, কাশি, জ্বর বা অ্যালার্জির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তাই সাধারণ ওষুধ যেমন প্যারাসিটামল, অ্যান্টিহিস্টামিন বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখা উচিত। ছোট একটি ফার্স্ট এইড কিট থাকলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মোবাইল পাওয়ার ব্যাংক ও প্লাস্টিক ব্যাগ
বর্ষায় যাতায়াত দীর্ঘ হলে মোবাইল চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই পাওয়ার ব্যাংক রাখা খুবই কার্যকর। পাশাপাশি ভেজা জিনিস বা বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া সামগ্রী রাখার জন্য কয়েকটি প্লাস্টিক ব্যাগও কাজে লাগে।

/এমটি 

টুয়েলভ ক্লদিংয়ে বিশেষ অফার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
টুয়েলভ ক্লদিংয়ে বিশেষ অফার

দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড টুয়েলভ ক্লদিং গ্রাহকদের কেনাকাটায় বাড়তি আনন্দ যোগ করতে নিয়ে এসেছে বিশেষ প্রচারণা। এই অফারের আওতায় বাংলাদেশের সব টুয়েলভ আউটলেটে একক ক্রয়ে ৫ হাজার টাকার কেনাকাটা করলেই গ্রাহকরা পাবেন ৫০০ টাকার ইনস্ট্যান্ট ভাউচার ব্যবহারের সুযোগ।

ফ্যাশনে আধুনিকতা, গুণগত মান এবং স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয়ে টুয়েলভ ক্লদিং দীর্ঘদিন ধরে সব বয়সী ফ্যাশনসচেতন ক্রেতাদের আস্থার নাম। গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও মূল্যবান করে তুলতেই এই বিশেষ আয়োজন।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অফারটি বাংলাদেশের সব টুয়েলভ আউটলেটে প্রযোজ্য। তবে ভাউচার সীমিত সংখ্যক হওয়ায় ক্রেতাদের বেশ আগ্রহও লক্ষ করা গেছে এই কেনাকাটায়।

স্টাইল, মান এবং সাশ্রয়ের অনন্য সমন্বয়ে টুয়েলভ ক্লদিংয়ের এই আয়োজন ফ্যাশনপ্রেমীদের জন্য হতে পারে ঈর্ষণীয় এক কেনাকাটার সুযোগ।

/এমটি

হোটেল আমারি ঢাকায় শুরু হলো ইন্টারন্যাশনাল লাঞ্চ বুফে

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
হোটেল আমারি ঢাকায়  শুরু হলো ইন্টারন্যাশনাল লাঞ্চ বুফে

রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল আমারি ঢাকা তাদের জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ আমায়া ফুড গ্যালারিতে নতুন আন্তর্জাতিক মধ্যাহ্নভোজ বুফে চালু করেছে। ‘লাঞ্চ লাইক অ্যা চ্যাম্পিয়ন’ শীর্ষক এই আয়োজনের মাধ্যমে অতিথিদের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় নানা স্বাদের খাবার উপভোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি এই নতুন বুফে সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্যকে এক ছাদের নিচে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বুফেতে বিভিন্ন দেশের জনপ্রিয় খাবারের পাশাপাশি রয়েছে লাইভ রান্নার বিশেষ স্টেশন, দেশি-বিদেশি প্রিমিয়াম পদ এবং দক্ষ শেফদের তৈরি আকর্ষণীয় ডেজার্টের সমাহার।

আমারি ঢাকার অভিজ্ঞ রন্ধনশিল্পীদের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত প্রতিটি পদ অতিথিদের জন্য একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও স্মরণীয় খাবারের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়িক মধ্যাহ্নভোজ, পারিবারিক আয়োজন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এই বুফে হতে পারে একটি উপযুক্ত গন্তব্য। আন্তর্জাতিক স্বাদের বৈচিত্র্য, থাই আতিথেয়তার উষ্ণতা এবং পাঁচতারকা মানের সেবার সমন্বয়ে অতিথিদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়েই এই আয়োজন সাজানো হয়েছে।

নতুন এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে আমারি ঢাকার এক মুখপাত্র বলেন, “আমরা সবসময় এমন ডাইনিং অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চাই, যা মানুষকে একত্রিত করে এবং স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করে। এই নতুন মধ্যাহ্নভোজ বুফের মাধ্যমে অতিথিরা আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন খাবার, সরাসরি রান্নার অভিজ্ঞতা এবং আমাদের বিশেষ আতিথেয়তার সমন্বয় উপভোগ করতে পারবেন। আমরা আশা করি, এটি রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় মধ্যাহ্নভোজ গন্তব্যে পরিণত হবে।”

নতুন বুফে সেবার উদ্বোধন উপলক্ষে আমারি ঢাকা একটি বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং জীবনধারাবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অতিথিরা বুফের বিভিন্ন পদ উপভোগের পাশাপাশি নতুন এই আয়োজন সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পান।

এ ছাড়া উদ্বোধন উপলক্ষে নির্বাচিত ব্যাংকের কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় ও আকর্ষণীয় সুবিধার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

/এমটি 

 

 

পদ্মফুলের গল্পে ভিজুক বর্ষা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
পদ্মফুলের গল্পে ভিজুক বর্ষা

বর্ষা মানেই প্রকৃতির এক অন্যরকম রূপ। আকাশজুড়ে মেঘের আনাগোনা, টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ, সজীব সবুজ আর চারপাশে এক প্রশান্ত আবহ। এই ঋতুর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে রংটি মিশে আছে, তা হলো নীল। মেঘলা আকাশ, বৃষ্টিভেজা প্রকৃতি এবং জলরাশির আবেশ যেন নীল রংকে আরও জীবন্ত করে তোলে। তাই বর্ষাকালে ফ্যাশনপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় নীল রঙের কামিজ, শাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের ড্রেস থাকে শীর্ষে। লিখেছেন মুশফিরাত তাসকিন 


শাড়িতে বর্ষার রোমান্টিক আবেদন
বাংলাদেশের নারীদের ফ্যাশনে শাড়ির আবেদন চিরন্তন। বর্ষাকালে নীল শাড়ি যেন এক বিশেষ অনুভূতির নাম। বৃষ্টিভেজা দিনে নীল জামদানি, তাঁত, কটন বা মসলিন শাড়ি সহজেই এনে দেয় স্নিগ্ধ ও মার্জিত সৌন্দর্য। গাঢ় নীলের ওপর সাদা নকশা কিংবা আকাশি নীলের সঙ্গে রুপালি কাজের শাড়ি বর্ষার আবহের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। বর্তমানে টাই-ডাই, ব্লক প্রিন্ট, বাটিক ও হ্যান্ডপেইন্ট করা নীল শাড়িও বেশ জনপ্রিয়।

নীল শাড়ির সঙ্গে রুপালি বা অক্সিডাইজড গহনা অসাধারণ মানিয়ে যায়। চাইলে মুক্তার গহনা বা ছোট্ট রুপালি কানের দুলও বেছে নেওয়া যেতে পারে। মেকআপে হালকা বেস, কাজল এবং ন্যুড লিপস্টিক রাখলে পুরো লুকটি হয়ে ওঠে আরও পরিশীলিত।


বর্ষার ফ্যাশনে কাপড় নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ
বর্ষাকালে ফ্যাশনের পাশাপাশি আরামকেও গুরুত্ব দিতে হয়। এ সময় ভারী কাপড় এড়িয়ে হালকা ও দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন কাপড় বেছে নেওয়া ভালো। কটন ব্লেন্ড, লিনেন, রেয়ন বা সফট ভিসকসের পোশাক আর্দ্র আবহাওয়ায় বেশি স্বস্তিদায়ক। অতিরিক্ত লম্বা পোশাক বা খুব ভারী ঘেরযুক্ত ডিজাইন বৃষ্টির দিনে কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে। তাই পোশাক নির্বাচনের সময় ব্যবহারিক দিকটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

নীলের সঙ্গে মানানসই অনুষঙ্গ
নীল পোশাকের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে সঠিক অনুষঙ্গ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। নীল কামিজ, শাড়ি বা ড্রেসের সঙ্গে সাদা, রুপালি, বেইজ বা ধূসর রঙের ব্যাগ ও জুতা দারুণ মানিয়ে যায়। গহনার ক্ষেত্রে অক্সিডাইজড সিলভার, মুক্তা বা মিনিমাল ডিজাইনের অলংকার লুকে আনে আভিজাত্য। বর্ষাকালে ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট স্যান্ডেল বা আরামদায়ক ব্লক হিল ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলের সাজে খোঁপা, পনিটেইল বা খোলা চুলের সঙ্গে সাদা কদম ফুল কিংবা ছোট্ট ফ্লোরাল হেয়ার অ্যাকসেসরি যোগ করলে সাজে ফুটে উঠবে বর্ষার স্নিগ্ধ আবহ।


বর্ষার ফ্যাশনে চিরন্তন নীল
বর্ষা ও নীল যেন একে অপরের পরিপূরক। মেঘলা আকাশ, বৃষ্টির ধারা আর প্রকৃতির সজীবতার সঙ্গে নীল রঙের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। তাই প্রতি বর্ষাতেই ফ্যাশনে নতুন করে ফিরে আসে আকাশি, টারকোয়েজ, রয়্যাল ব্লু কিংবা নেভি ব্লুর মতো নানা শেড।
ফ্যাশনের ধারা বদলালেও নীলের আবেদন কখনো ফুরায় না। স্নিগ্ধতা, আভিজাত্য ও স্বাচ্ছন্দ্যের অনন্য মিশেলে নীল রঙের কামিজ, শাড়ি বা ড্রেস বর্ষার ফ্যাশনে সব সময়ই থাকে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। তাই এই মৌসুমে নীল হতে পারে আপনার স্টাইলের সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ।


পদ্মফুল ও বৃষ্টির ছন্দে রঙ বাংলাদেশের বর্ষা সংগ্রহ
জলজ বাংলার সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক পদ্ম। পবিত্রতা, মমতা ও প্রেমের প্রতীক হিসেবে যুগ যুগ ধরে পদ্মফুল স্থান পেয়েছে বাঙালির সাহিত্য, সংগীত ও লোকজ ঐতিহ্যে। আর শান্ত জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে যে মৃদু তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তাতেও যেন ধরা দেয় বর্ষার নিজস্ব ছন্দ। প্রকৃতির এই দুই অনন্য অনুষঙ্গ পদ্মফুল এবং জলে বৃষ্টির ফোঁটার অপূর্ব দৃশ্য এবার পোশাকের নকশায় রূপ দিয়েছে রঙ বাংলাদেশ।

বর্ষা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে এসেছে পদ্মফুলের নান্দনিকতা এবং জলে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার মুহূর্ত থেকে অনুপ্রাণিত শাড়ি ও পাঞ্জাবির বিশেষ ম্যাচিং সংগ্রহ। জলরঙের মতো কোমল রঙ, পদ্মের পাপড়ির সূক্ষ্ম বিন্যাস এবং জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটার ছন্দময় বৃত্ত—সব মিলিয়ে প্রতিটি পোশাক যেন হয়ে উঠেছে একেকটি জীবন্ত ক্যানভাস।

বাংলার বর্ষা শুধু প্রকৃতির নয়, সম্পর্কেরও ঋতু। এক ছাতার নিচে পাশাপাশি হাঁটা, হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া কিংবা বিকেলের চায়ের আড্ডা এসব ছোট ছোট মুহূর্তেই জমে থাকে ভালোবাসার গল্প। সেই গল্পগুলোকে আরও রঙিন করে তুলতেই রঙ বাংলাদেশের এবারের আয়োজন। শাড়ি ও পাঞ্জাবির এই ম্যাচিং সিরিজে রয়েছে দম্পতিদের জন্য বিশেষ নকশা, যেখানে পদ্মফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটার সৃষ্ট বৃত্তাকার তরঙ্গও উঠে এসেছে সূক্ষ্ম মোটিফ ও অলংকরণে। ঐতিহ্য ও সমকালীন রুচির মেলবন্ধনে ফুটে উঠেছে বাংলার নিজস্ব বর্ষার রূপ।

আরামদায়ক কাপড়, পরিমিত রঙের ব্যবহার এবং সূক্ষ্ম নকশার সমন্বয়ে তৈরি এই সংগ্রহে রয়েছে বর্ষার মায়া, বাংলার প্রকৃতি এবং ভালোবাসার কোমল স্পর্শ। পরিবারের সঙ্গে কিংবা প্রিয় মানুষটির হাত ধরে বর্ষাকে উদযাপন করার জন্য এই সংগ্রহ হতে পারে অনন্য এক সঙ্গী।

নতুন সংগ্রহটি পাওয়া যাচ্ছে দেশের সকল রঙ বাংলাদেশ আউটলেট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে www.rang-bd.com এবং  রঙ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ।

শোবার ঘর হোক শান্ত ও আরামদায়ক

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
শোবার ঘর হোক শান্ত ও আরামদায়ক

ব্যস্ত দিনের শেষে মানুষ যে জায়গাটিতে ফিরে এসে স্বস্তি খোঁজে, সেটি হলো শোবার ঘর। একটি শান্ত, পরিপাটি ও আরামদায়ক শোবার ঘর শুধু ঘুমের মানই উন্নত করে না, মানসিক প্রশান্তি ও কর্মক্ষমতাও বাড়ায়। তাই শোবার ঘর সাজাতে শুধু সৌন্দর্য নয়, গুরুত্ব দিতে হবে আরাম, পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক পরিকল্পনায়। লিখেছেন রোদসী 

রঙের সঠিক ব্যবহার
শোবার ঘরের পরিবেশ তৈরিতে রঙের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উজ্জ্বল এবং চড়া রঙের পরিবর্তে হালকা ও নরম শেড যেমন অফ-হোয়াইট, হালকা নীল, প্যাস্টেল সবুজ, ল্যাভেন্ডার কিংবা হালকা ধূসর ব্যবহার করলে ঘরে এক ধরনের প্রশান্ত ভাব তৈরি হয়। এসব রং চোখকে আরাম দেয় এবং মনকে স্থির রাখতে সাহায্য করে। দেয়াল, পর্দা ও বিছানার চাদরে মিল রেখে রং নির্বাচন করলে ঘরটি আরও পরিপাটি ও নান্দনিক দেখায়।

সঠিক আলো ব্যবস্থাপনা
আলো শোবার ঘরের আবহ তৈরির অন্যতম উপাদান। খুব বেশি উজ্জ্বল আলো ঘুমের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে। তাই সাদা তীব্র আলো বাদ দিয়ে উষ্ণ ও নরম আলো ব্যবহার করা ভালো। বেডসাইড ল্যাম্প, ডিম লাইট বা ওয়াল লাইট ব্যবহার করলে ঘরে একটি কোমল পরিবেশ তৈরি হয়। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো প্রবেশের সুযোগ রাখা উচিত। জানালায় হালকা পর্দা ব্যবহার করলে আলো নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। 

আরামদায়ক বিছানা ও সঠিক আসবাব
শোবার ঘরের মূল আকর্ষণ হলো বিছানা। আরামদায়ক ম্যাট্রেস, নরম কিন্তু সাপোর্টিভ বালিশ এবং মানসম্মত চাদর ঘুমের মান উন্নত করে। বিছানার উচ্চতা, আকার ও অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাঝামাঝি বা দেয়ালের পাশে সঠিকভাবে বিছানা স্থাপন করলে চলাচলে সুবিধা হয়। অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কমিয়ে ঘরকে খোলামেলা রাখা উচিত। বেশি আসবাব ঘরকে ভারী ও অগোছালো করে তোলে, যা মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। প্রয়োজনীয় একটি ওয়ারড্রোব, ছোট ড্রেসিং টেবিল বা সাইড টেবিল যথেষ্ট।

পরিচ্ছন্নতা ও গুছিয়ে রাখা
পরিচ্ছন্ন ঘর মানেই মানসিক স্বস্তি। বিছানা, টেবিল বা মেঝেতে অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমিয়ে না রেখে নির্দিষ্ট স্থানে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিদিন সকালে বিছানা গুছিয়ে রাখা এবং নিয়মিত ঝাড়পোঁছ করলে ঘর সতেজ থাকে। অগোছালো পরিবেশ ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই বই, পোশাক বা ব্যক্তিগত সামগ্রী আলাদা বক্স বা ড্রয়ারে সংরক্ষণ করা ভালো। চাইলে মিনিমালিস্ট স্টাইল অনুসরণ করে কম জিনিসে ঘর সাজানো যেতে পারে।

শব্দ ও গন্ধ নিয়ন্ত্রণ
শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে শব্দ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। বাইরে থেকে শব্দ বেশি এলে ভারী পর্দা বা সাউন্ডপ্রুফিং উপকরণ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে নরম সংগীত বা হালকা প্রাকৃতিক শব্দ ঘুমে সহায়ক হতে পারে। সুগন্ধিও ঘরের পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।হালকা সুগন্ধি মোমবাতি, রুম ফ্রেশনার বা প্রাকৃতিক ফুল ব্যবহার করলে ঘর আরও সতেজ লাগে। তবে অতিরিক্ত তীব্র গন্ধ এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত রাখা
শোবার ঘরে টেলিভিশন, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ঘুমের আগে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে চোখের ওপর চাপ পড়ে। তাই শোবার ঘরকে প্রযুক্তিমুক্ত বা কম প্রযুক্তিনির্ভর রাখার চেষ্টা করা উচিত। ঘুমের অন্তত ৩০ মিনিট আগে মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করলে ভালো ঘুম নিশ্চিত করা সহজ হয়।

ব্যক্তিগত স্পর্শ
শোবার ঘর যেন আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন হয়। তাই সাজসজ্জায় এমন উপাদান রাখুন, যা আপনাকে স্বস্তি দেয় এবং আপনার পরিচয় বহন করে। পরিবারের ছবি, প্রিয় কোনো মুহূর্তের ফ্রেম বা ছোট শিল্পকর্ম ঘরে উষ্ণতা যোগ করে। যারা বই পড়তে ভালোবাসেন, তারা বেডসাইডে কয়েকটি প্রিয় বই রাখতে পারেন। এতে নান্দনিকতা যেমন বাড়ে, তেমনি ঘুমের আগে পড়ার অভ্যাসও তৈরি হয়। এ ছাড়া ছোট টবের মানিপ্ল্যান্ট বা সাকুলেন্টের মতো ইনডোর গাছ ঘরে সতেজতা আনে। তবে সবকিছুই সীমিত ও গুছিয়ে রাখাই মূল কথা। তাহলেই শোবার ঘর হয়ে উঠবে আরামদায়ক ও আপন।

 

মাছির উপদ্রব কমাতে

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০২ পিএম
মাছির উপদ্রব কমাতে

ঘরের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে মাছির উপদ্রব একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় মাছির সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়; যা শুধু বিরক্তির কারণই নয়, বরং বিভিন্ন রোগজীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকিও বাড়ায়। খাবার ও বসবাসের জায়গা নিরাপদ রাখতে তাই মাছি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। লিখেছেন রোদসী 

পরিচ্ছন্ন পরিবেশই প্রথম প্রতিরোধ
মাছির উপদ্রব কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা। খোলা খাবার, ময়লা-আবর্জনা কিংবা অপরিষ্কার রান্নাঘর মাছিকে সহজেই আকৃষ্ট করে। তাই খাবার সব সময় ঢেকে রাখা এবং রান্নার পরপরই টেবিল ও রান্নাঘরের স্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ডাস্টবিন নিয়মিত খালি করা এবং ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়ি ব্যবহার করলে মাছির বংশবিস্তার অনেকটাই কমে যায়। 

রান্নাঘর ও খাবার সংরক্ষণে সতর্কতা
মাছি সাধারণত খাবারের গন্ধে দ্রুত আসে। তাই রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় খোলা অবস্থায় রাখা উচিত নয়। ফলমূল, মিষ্টি বা রান্না করা খাবার ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ করলে মাছি আসার ঝুঁকি কমে। বিশেষ করে ঈদ বা পারিবারিক আয়োজনের সময় খাবার বেশি প্রস্তুত করা হলে এ বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

প্রাকৃতিক উপায়ে মাছি নিয়ন্ত্রণ
রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহারের পাশাপাশি কিছু প্রাকৃতিক উপায়ও মাছি দূরে রাখতে কার্যকর। লেবু ও লবঙ্গ একসঙ্গে রেখে দিলে তার গন্ধ মাছি দূরে রাখতে সাহায্য করে। তেজপাতা, তুলসী বা পুদিনা পাতার গন্ধও মাছির জন্য অপছন্দের। জানালার পাশে এসব প্রাকৃতিক উপাদান রাখা যেতে পারে। এছাড়া ভিনেগার বা লেবুর রস মিশ্রিত পানি দিয়ে রান্নাঘর পরিষ্কার করলে পরিবেশ সতেজ থাকে এবং মাছির উপস্থিতি কমে। 

দরজা-জানালায় সুরক্ষা ব্যবস্থা
ঘরে মাছি প্রবেশের অন্যতম পথ হলো খোলা দরজা ও জানালা। তাই জানালায় নেট বা জালি ব্যবহার করা একটি কার্যকর সমাধান। দিনের বেলায় আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ রেখেও মাছি প্রতিরোধ করা সম্ভব। দরজার সামনে পর্দা বা এয়ার কার্টেন ব্যবহারের মাধ্যমেও মাছির প্রবেশ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

আশপাশের পরিবেশের যত্ন
শুধু ঘরের ভেতর নয়, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। জমে থাকা পানি, খোলা ড্রেন বা আবর্জনার স্তূপ মাছির বংশবিস্তারের প্রধান স্থান। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে মাছির সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসে।