ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
রোনালদো চাইলে পর্তুগাল দলেই থাকবেন: নতুন কোচ জেসুস ‘বাংলা কিউআর’ সেবা চালু করলো স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি আওয়ামী লীগ সরকার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতায় শত কোটি টাকার পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত ৪ সমুদ্রবন্দরের সতর্কসংকেত প্রত্যাহার ঘরেই বানান প্রাকৃতিক সাবান জয়পুরহাট সীমান্তে ৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা আর্জেন্টিনার দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছে সুইজারল্যান্ড শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার দাবি বিএসকেএফ সভাপতির ইরানের দিকে তাক করা আছে ১০০০ ক্ষেপণাস্ত্র: ট্রাম্প শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু গৌরীপুরে ক্রিয়েটিভ সন্ধানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ মিসরকে হারানোর পর এএফএর ই-মেইল সিস্টেমে সাইবার হামলা বৃক্ষরোপণে নিষেধাজ্ঞা জাককানইবি প্রশাসনের শত বছরের অমলিন কীর্তি তাজহাট জমিদারবাড়ি জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন ময়মনসিংহে লালনের গানে শেকড়ের সংস্কৃতি তুলে ধরল ‘ভাব তরঙ্গ’ নীলাম্বরী সাজে লালপুরে মেয়ের ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার বাবা কোয়ার্টারের আগে রক্ষণে সতর্ক আর্জেন্টিনা জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ফিফা বিক্রি করছে, আপনি কিনবেন বিশ্বকাপ ফাইনাল ভেন্যুর মাঠের ঘাস? প্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেম দেখে অনেকেই অপপ্রচারে লিপ্ত: এমপি খোকন কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ খুলনায় নিখোঁজ তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, দুই বার পালিয়ে বিয়ে করায় হত্যা! মিসর কোচের অভিযোগ ভিত্তিহীন: লিওনেল স্কালোনি ১১ দলের রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ বয়কট : সহকারী পরিচালক মাগুরার কালভার্ট ধস, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের ত্রাণ বিতরণ সাঙ্গুর পানি বিপৎসীমার উপরে, লোকালয়ে কমছে বন্যার পানি

ঘরেই বানান প্রাকৃতিক সাবান

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম
ঘরেই বানান প্রাকৃতিক সাবান

সুন্দর ত্বক ও পরিচ্ছন্নতার জন্য সাবান একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ। তবে বাজারে পাওয়া অনেক সাবানেই থাকে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান, যা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য সব সময় উপযোগী নাও হতে পারে। তাই অল্প কিছু উপকরণ ও সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করে ঘরে বসেই কীভাবে সাবান তৈরি করা যায় সে বিষয়ে জানাচ্ছেন আফরোজা খানম মুক্তা

রোজমেরি সাবান
উপকরণ
স্বচ্ছ সাবান বেস ১০০ গ্রাম, রোজমেরি তেল ১০ থেকে ১২ ফোঁটা, পছন্দমতো রং (গোলাপি), প্রয়োজনমতো রাবিং অ্যালকোহল, পছন্দমতো সিলিকন ছাঁচ। স্প্রে বোতল।

প্রণালি
একটা হাঁড়ির অর্ধেক পানি ভরে পানি ফুটিয়ে নিন। আরেকটা ছোট সসপ্যানে সাবানের বেস ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিন। পরে ফুটন্ত পানির ওপরে সসপ্যানের সাবানগুলো ৩০ সেকেন্ড গলিয়ে নিন। এবার গোলানো বেসের সঙ্গে রোজমেরি ওয়েল এবং গোলাপি রং ভালো করে মেশিয়ে নিন। মিশ্রণটি সিলিকন মোল্ডে ঢালুন।

সাবানের ওপর বুদবুদ থাকলে স্প্রে বোতল দিয়ে সামান্য অ্যালকোহল ছিটিয়ে দিন। বুদবুদ দূর হবে। সাবান শক্ত হলে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন। সাবান শক্ত হলে মোল্ড থেকে বের করে নিন। তারপর সাবান প্যাকেট করে নিন। রোজমেরি সাবান ত্বককে সতেজ রাখে এবং তেলতেলে ভাব দূর করতে সাহায্য করে। 

হলুদের সাবান
উপকরণ
সাবান বেস (গ্লিসারিন বা শিয়া বাটার বেস) ১০০ গ্রাম, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদ রঙের মাইকা পাউডার আধা চা-চামচ, পছন্দমতো এসেনশিয়াল অয়েল (ল্যাভেন্ডার বা টি ট্রি অয়েল) ১০ থেকে ১২ ফোঁটা, প্রয়োজনমতো রাবিং অ্যালকোহল, পছন্দমতো সিলিকন সাবানের ছাঁচ, স্প্রে বোতল, ডাবল বয়লারের জন্য দুটি পাত্র।

প্রণালি
সোপ বেজগুলো ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। পানির পাত্রের ওপর অন্য একটি পাত্র বসিয়ে (ডাবল বয়লার) বেজটি পুরোপুরি গলিয়ে নিন। গলানো তরল সাবানের সঙ্গে হলুদের গুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে দিন। এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে কাজ করে। এবার আপনার পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে দিন। আর হলুদ রঙের মাইকা পাউডার দিন আধা চা-চামচ। তরল সাবানটি সাবানের সিলিকন মোল্ডে ঢেলে দিন। কয়েক ঘণ্টা বা সারা রাত ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। সাবান শক্ত হয়ে গেলে ছাঁচ থেকে বের করে নিন।

অ্যালোভেরা সাবান
উপকরণ
গ্লিসারিন সাবান বেস ১০০ গ্রাম, তাজা অ্যালোভেরা জেল ১ থেকে ২ টেবিল-চামচ, পছন্দমতো এসেনশিয়াল অয়েল (ল্যাভেন্ডার বা টি ট্রি) ১০ থেকে ১২ ফোঁটা, ভিটামিন ই ক্যাপসুল ১ থেকে ২টি, সবুজ খাদ্য রং সামান্য (ঐচ্ছিক), গোট মিল্ক সোপ বেস প্রয়োজনমতো (ছোট ফুল তৈরির জন্য), সিলিকন সাবানের ছাঁচ।

প্রণালি
প্রথমে গোট মিল্ক সোপ বেস গলিয়ে ছোট ফুলের আকৃতির ছাঁচে ঢেলে নিন। ফুলের আকৃতির সাবানগুলো সম্পূর্ণ শুকিয়ে আলাদা করে রেখে দিন।

এরপর গ্লিসারিন সাবান বেস ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ডাবল বয়লার পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ গলিয়ে নিন। গলে যাওয়া মিশ্রণটি কিছুটা ঠাণ্ডা হলে এতে অ্যালোভেরা জেল, এসেনশিয়াল অয়েল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ভেতরের তরল যোগ করুন। চাইলে আকর্ষণীয় রঙের জন্য সামান্য সবুজ ফুড কালারও মেশাতে পারেন।

সব উপকরণ ভালোভাবে মিশে গেলে সিলিকন ছাঁচের নিচে আগে থেকে তৈরি করা ফুলের আকৃতির সাবানগুলো সাজিয়ে রাখুন। এরপর প্রস্তুত তরল সাবানের মিশ্রণটি ধীরে ধীরে ছাঁচে ঢেলে দিন।

ছাঁচটি ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ফ্রিজে অথবা ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। সাবান সম্পূর্ণ শক্ত হয়ে গেলে সাবধানে ছাঁচ থেকে বের করে নিন। প্রয়োজনে প্যাকেটজাত করে সংরক্ষণ করতে পারেন।

/এমটি 

নীলাম্বরী সাজে

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
নীলাম্বরী সাজে

বর্ষা এলে প্রকৃতি যেন নতুন করে সেজে ওঠে। এই ঋতুর আবহের সঙ্গে নীল রঙের রয়েছে এক গভীর সম্পর্ক। আকাশের বিস্তৃতি, বৃষ্টির জল আর প্রকৃতির প্রশান্ত সৌন্দর্য যেন নীলের নানা শেডে ধরা দেয়। তাই বর্ষা মৌসুমে ফ্যাশন সচেতনদের পোশাক নির্বাচনে নীল রং বিশেষ গুরুত্ব পায়। কামিজ, শাড়ি কিংবা বিভিন্ন ধরনের নকশাদার পোশাকে নীলের উপস্থিতি এই সময় হয়ে ওঠে আরও বেশি আকর্ষণীয়। লিখেছেন মুশফিরাত তাসকিন

কামিজে নীলের স্নিগ্ধতা
প্রাত্যহিক পোশাক হিসেবে কামিজের জনপ্রিয়তা সব সময়ই বেশি। বর্ষাকালে আরামদায়ক ও স্টাইলিশ লুকের জন্য বিভিন্ন শেডের নীল কামিজ হতে পারে চমৎকার পছন্দ। স্কাই ব্লু, পাউডার ব্লু, টারকোয়েজ, রয়্যাল ব্লু কিংবা নেভি ব্লু প্রতিটি শেডই ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য প্রকাশ করে।

এই মৌসুমে কটন, লিনেন কিংবা সফট ভিসকস কাপড়ের কামিজ বেশি আরামদায়ক। নীল রঙের কামিজে সাদা, রুপালি বা হালকা ধূসর সূচিকর্ম বর্ষার আবহকে আরও ফুটিয়ে তোলে। সঙ্গে সাদা বা অফ-হোয়াইট পালাজ্জো, স্ট্রেইট প্যান্ট কিংবা সিগারেট প্যান্ট যোগ করলে লুক হয়ে ওঠে পরিপাটি ও আধুনিক। অফিস, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা দৈনন্দিন আড্ডা সব ক্ষেত্রেই নীল কামিজ একটি সহজ কিন্তু রুচিশীল ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তৈরি করতে পারে।

শাড়িতে ধরা পড়ে বর্ষার স্নিগ্ধ সৌন্দর্য
বাংলাদেশের নারীদের পোশাকের ভান্ডারে শাড়ির স্থান সব সময়ই বিশেষ। আর বর্ষাকালে এই ঐতিহ্যবাহী পোশাকটি যেন পায় নতুন মাত্রা। মেঘলা আকাশ, বৃষ্টিস্নাত প্রকৃতি আর নীলাভ আবহের সঙ্গে নীল রঙের শাড়ির মেলবন্ধন তৈরি করে এক অনন্য সৌন্দর্য।
এই মৌসুমে জামদানি, তাঁত, কটন কিংবা মসলিনের নীল শাড়ি নারীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় থাকে।

গাঢ় নীল, নেভি ব্লু, আকাশি কিংবা ফিরোজা প্রতিটি শেডই বর্ষার আবহে আলাদা আবেদন তৈরি করে। বিশেষ করে সাদা, রুপালি বা হালকা রঙের নকশায় সাজানো নীল শাড়ি বৃষ্টিভেজা দিনের সৌন্দর্যকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।

বর্তমান ফ্যাশন ধারায় ব্লক প্রিন্ট, বাটিক, টাই-ডাই এবং হ্যান্ডপেইন্টের নকশায় তৈরি নীল শাড়ির জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। এসব শাড়িতে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে তৈরি হয় আকর্ষণীয় এক স্টাইল স্টেটমেন্ট।

ওয়েস্টার্ন ও ফিউশন ড্রেসে নীলের আধিপত্য
ফ্যাশনের পরিবর্তিত ধারায় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ওয়েস্টার্ন ও ফিউশন পোশাকের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। আর বর্ষাকালের ফ্যাশনে নীল রং যেন এসব পোশাকে যোগ করে আলাদা মাত্রা। আরামদায়ক, স্টাইলিশ এবং ঋতুর আবহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় নীল রঙের ওয়েস্টার্ন ও ফিউশন ড্রেস এখন অনেকেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।

বর্ষার দিনে হালকা ও স্বস্তিদায়ক পোশাকের চাহিদা বেশি থাকে। সে কারণে নীল রঙের ম্যাক্সি ড্রেস, মিডি ড্রেস, কাফতান, টিউনিক কিংবা কো-অর্ড সেটগুলো হয়ে উঠেছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এসব পোশাক যেমন সহজে পরা যায়, তেমনি বৃষ্টিভেজা আবহে এনে দেয় স্নিগ্ধ ও ফ্যাশনেবল লুক। বিশেষ করে আকাশি, পাউডার ব্লু , টারকোয়েজ কিংবা রয়্যাল ব্লুর মতো শেডগুলো বর্ষার মেঘলা দিনের সঙ্গে চমৎকারভাবে মানিয়ে যায়।

ফিউশন ফ্যাশনের ক্ষেত্রে নীল রঙের কুর্তির সঙ্গে পালাজো, ক্রপ টপের সঙ্গে স্কার্ট কিংবা লং জ্যাকেটের সঙ্গে ফ্লোই ড্রেসের সমন্বয় বেশ জনপ্রিয়। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে তৈরি এসব পোশাক তরুণীদের মধ্যে বিশেষভাবে সমাদৃত। অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, বন্ধুদের আড্ডা কিংবা ছোটখাটো সামাজিক আয়োজনে ফিউশন পোশাক সহজেই তৈরি করে স্মার্ট ও রুচিশীল উপস্থিতি।

ডেনিম ব্লু শেডের পোশাকও বর্ষাকালের একটি উল্লেখযোগ্য ট্রেন্ড। ডেনিম ড্রেস, শার্ট ড্রেস কিংবা ডেনিম জ্যাকেটের সঙ্গে নীল টপ বা কুর্তির সমন্বয় তৈরি করতে পারে একটি ক্যাজুয়াল অথচ স্টাইলিশ লুক। যারা আরাম ও ফ্যাশনকে সমান গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ পছন্দ।

অনুষঙ্গ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও নীল ওয়েস্টার্ন ও ফিউশন পোশাক বেশ বহুমুখী। সাদা স্নিকার্স, বেইজ স্যান্ডেল, মিনিমাল গহনা কিংবা ছোট ক্রসবডি ব্যাগ পুরো লুককে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। বর্ষার দিনে স্বাভাবিক মেকআপ, হালকা কাজল এবং খোলা চুল বা সহজ হেয়ারস্টাইলের সঙ্গে নীল পোশাকের সমন্বয় এনে দেয় সতেজ ও আধুনিক উপস্থিতি।

অনুষঙ্গের সঠিক সমন্বয়
নীল রঙের পোশাকের সৌন্দর্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে অনুষঙ্গ নির্বাচনে থাকতে হবে রুচিশীলতা ও ভারসাম্য। শাড়ি, কামিজ কিংবা ওয়েস্টার্ন ড্রেস যে ধরনের পোশাকই হোক না কেন, এর সঙ্গে মানানসই ব্যাগ, জুতা ও গহনা পুরো লুককে এনে দিতে পারে ভিন্ন মাত্রা।

নীল পোশাকের সঙ্গে সাদা, অফ-হোয়াইট, রুপালি, বেইজ কিংবা ধূসর রঙের অনুষঙ্গ বেশ মানানসই। ব্যাগ ও জুতার ক্ষেত্রে এসব রঙের ব্যবহার পোশাকের সৌন্দর্যকে আরও ফুটিয়ে তোলে। গহনায় অক্সিডাইজড সিলভার, মুক্তা বা হালকা নকশার মিনিমাল অলংকার বেছে নিলে লুক হয়ে ওঠে মার্জিত ও পরিশীলিত।

বর্ষার দিনগুলোর কথা মাথায় রেখে আরামদায়ক ও ব্যবহারিক জুতাও গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট স্যান্ডেল, ফ্ল্যাটস কিংবা ব্লক হিল হতে পারে ভালো পছন্দ। চুলের সাজে খোঁপা, ঢিলেঢালা বেণি বা খোলা চুলের সঙ্গে কদম ফুলের স্পর্শ কিংবা ছোট্ট ফুলেল হেয়ার অ্যাকসেসরি যোগ করলে পুরো সাজে ফুটে উঠবে বর্ষার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও স্নিগ্ধতা।

বর্ষায় সঙ্গে রাখতে হবে যেসব জিনিস

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
বর্ষায় সঙ্গে রাখতে হবে যেসব জিনিস

বর্ষাকালে প্রকৃতি যেমন সতেজ ও মনোরম হয়ে ওঠে, তেমনি এই সময় দৈনন্দিন জীবনেও আসে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ–হঠাৎ বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ, আর যাতায়াতে অনিশ্চয়তা। তাই বর্ষা মৌসুমকে আরামদায়ক ও ঝামেলাহীন রাখতে সঙ্গে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য প্রস্তুতিই অনেক বড় অস্বস্তি থেকে রক্ষা করতে পারে। লিখেছেন মুশফিরাত 

ছাতা: বর্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী
বর্ষাকালে সবচেয়ে প্রথম ও অপরিহার্য জিনিস হলো একটি ভালো মানের ছাতা। ছোট ও ভাঁজ করা যায় এমন ছাতা বহন করা সহজ এবং ব্যাগে বেশি জায়গাও নেয় না। হালকা বাতাসে উল্টে না যায় এমন শক্ত ফ্রেমের ছাতা বেছে নেওয়া ভালো। বাইরে বের হওয়ার সময় আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলেও ছাতা সঙ্গে রাখা উচিত, কারণ বর্ষায় বৃষ্টি কখন যে শুরু হবে তা বোঝা যায় না।

রেইনকোট বা পঞ্চো
ছাতার পাশাপাশি রেইনকোট বা পঞ্চো খুবই কার্যকর একটি জিনিস। বিশেষ করে যারা সাইকেল বা মোটরসাইকেলে চলাচল করেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। রেইনকোট শরীরকে পুরোপুরি ঢেকে রাখে এবং বৃষ্টির পানি ভেতরে ঢুকতে দেয় না। হালকা ও ভাঁজযোগ্য রেইনকোট ব্যাগে রাখা সহজ হয়, তাই অফিস বা কলেজে যাতায়াতকারীদের জন্য এটি আদর্শ।

ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ কভার
ল্যাপটপ, বই, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যাগের জন্য ওয়াটারপ্রুফ কভার ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় ছোট বৃষ্টিতেও ব্যাগ ভিজে ভেতরের জিনিস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একটি মানসম্মত ব্যাগ কভার এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

অতিরিক্ত পোশাক ও টিস্যু
বর্ষাকালে হঠাৎ ভিজে গেলে বা জামা-কাপড় নষ্ট হলে বদলানোর জন্য একটি অতিরিক্ত পোশাক সঙ্গে রাখা ভালো। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় বাইরে থাকেন, তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী। পাশাপাশি টিস্যু বা ছোট তোয়ালে রাখা যেতে পারে, যা ভেজা হাত, মুখ বা জুতা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

স্লিপার বা ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট জুতা
বর্ষাকালে রাস্তা প্রায়ই ভেজা, কাদা-মাখা ও পিচ্ছিল হয়ে থাকে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ কাপড় বা চামড়ার জুতা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পায়ে অস্বস্তি তৈরি করে। দীর্ঘক্ষণ ভেজা জুতা পরে থাকলে ফাঙ্গাল ইনফেকশন, দুর্গন্ধ এবং ত্বকে র‍্যাশের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষার জন্য বিশেষভাবে তৈরি ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট জুতা, রাবারের স্যান্ডেল বা দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন স্লিপার ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ ও আরামদায়ক।
এ ধরনের জুতা শুধু পানি থেকে পা রক্ষা করে না, বরং হাঁটাকে আরও সহজ ও স্থিতিশীল করে তোলে। বিশেষ করে শহরের জলাবদ্ধ রাস্তা বা ভাঙাচোরা ফুটপাতে চলাচলের সময় এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেক ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট জুতার সোল অ্যান্টি-স্লিপ ডিজাইনের হয়, যা পিচ্ছিল রাস্তায় পিছলে পড়ার ঝুঁকি কমায়। 

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ভেজা টিস্যু
বর্ষাকালে শুধু বৃষ্টি নয়, এর সঙ্গে আসে কাদা, নোংরা পানি ও নানা ধরনের জীবাণু। এসবের কারণে হাত-পা সহজেই সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ে। বিশেষ করে বাইরে চলাফেরা করার সময় বাসের হাতল, দরজার নব বা জনসমাগমের বিভিন্ন জায়গা থেকে জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তাই হ্যান্ড স্যানিটাইজার এই মৌসুমে একটি অত্যাবশ্যকীয় সঙ্গী হয়ে ওঠে।

বাইরে কোথাও খাওয়ার আগে, যাতায়াত শেষে বা জনসমাগম থেকে ফিরে আসার পর স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। এটি সহজে ব্যাগে বহন করা যায় এবং যেকোনো সময় ব্যবহার করা সম্ভব, যা বর্ষাকালের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখে।

প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ফার্স্ট এইড
বর্ষাকালে সর্দি, কাশি, জ্বর বা অ্যালার্জির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তাই সাধারণ ওষুধ যেমন প্যারাসিটামল, অ্যান্টিহিস্টামিন বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখা উচিত। ছোট একটি ফার্স্ট এইড কিট থাকলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মোবাইল পাওয়ার ব্যাংক ও প্লাস্টিক ব্যাগ
বর্ষায় যাতায়াত দীর্ঘ হলে মোবাইল চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই পাওয়ার ব্যাংক রাখা খুবই কার্যকর। পাশাপাশি ভেজা জিনিস বা বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া সামগ্রী রাখার জন্য কয়েকটি প্লাস্টিক ব্যাগও কাজে লাগে।

/এমটি 

টুয়েলভ ক্লদিংয়ে বিশেষ অফার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
টুয়েলভ ক্লদিংয়ে বিশেষ অফার

দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড টুয়েলভ ক্লদিং গ্রাহকদের কেনাকাটায় বাড়তি আনন্দ যোগ করতে নিয়ে এসেছে বিশেষ প্রচারণা। এই অফারের আওতায় বাংলাদেশের সব টুয়েলভ আউটলেটে একক ক্রয়ে ৫ হাজার টাকার কেনাকাটা করলেই গ্রাহকরা পাবেন ৫০০ টাকার ইনস্ট্যান্ট ভাউচার ব্যবহারের সুযোগ।

ফ্যাশনে আধুনিকতা, গুণগত মান এবং স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয়ে টুয়েলভ ক্লদিং দীর্ঘদিন ধরে সব বয়সী ফ্যাশনসচেতন ক্রেতাদের আস্থার নাম। গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও মূল্যবান করে তুলতেই এই বিশেষ আয়োজন।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অফারটি বাংলাদেশের সব টুয়েলভ আউটলেটে প্রযোজ্য। তবে ভাউচার সীমিত সংখ্যক হওয়ায় ক্রেতাদের বেশ আগ্রহও লক্ষ করা গেছে এই কেনাকাটায়।

স্টাইল, মান এবং সাশ্রয়ের অনন্য সমন্বয়ে টুয়েলভ ক্লদিংয়ের এই আয়োজন ফ্যাশনপ্রেমীদের জন্য হতে পারে ঈর্ষণীয় এক কেনাকাটার সুযোগ।

/এমটি

হোটেল আমারি ঢাকায় শুরু হলো ইন্টারন্যাশনাল লাঞ্চ বুফে

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
হোটেল আমারি ঢাকায়  শুরু হলো ইন্টারন্যাশনাল লাঞ্চ বুফে

রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল আমারি ঢাকা তাদের জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ আমায়া ফুড গ্যালারিতে নতুন আন্তর্জাতিক মধ্যাহ্নভোজ বুফে চালু করেছে। ‘লাঞ্চ লাইক অ্যা চ্যাম্পিয়ন’ শীর্ষক এই আয়োজনের মাধ্যমে অতিথিদের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় নানা স্বাদের খাবার উপভোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি এই নতুন বুফে সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্যকে এক ছাদের নিচে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বুফেতে বিভিন্ন দেশের জনপ্রিয় খাবারের পাশাপাশি রয়েছে লাইভ রান্নার বিশেষ স্টেশন, দেশি-বিদেশি প্রিমিয়াম পদ এবং দক্ষ শেফদের তৈরি আকর্ষণীয় ডেজার্টের সমাহার।

আমারি ঢাকার অভিজ্ঞ রন্ধনশিল্পীদের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত প্রতিটি পদ অতিথিদের জন্য একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও স্মরণীয় খাবারের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়িক মধ্যাহ্নভোজ, পারিবারিক আয়োজন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এই বুফে হতে পারে একটি উপযুক্ত গন্তব্য। আন্তর্জাতিক স্বাদের বৈচিত্র্য, থাই আতিথেয়তার উষ্ণতা এবং পাঁচতারকা মানের সেবার সমন্বয়ে অতিথিদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়েই এই আয়োজন সাজানো হয়েছে।

নতুন এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে আমারি ঢাকার এক মুখপাত্র বলেন, “আমরা সবসময় এমন ডাইনিং অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চাই, যা মানুষকে একত্রিত করে এবং স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করে। এই নতুন মধ্যাহ্নভোজ বুফের মাধ্যমে অতিথিরা আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন খাবার, সরাসরি রান্নার অভিজ্ঞতা এবং আমাদের বিশেষ আতিথেয়তার সমন্বয় উপভোগ করতে পারবেন। আমরা আশা করি, এটি রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় মধ্যাহ্নভোজ গন্তব্যে পরিণত হবে।”

নতুন বুফে সেবার উদ্বোধন উপলক্ষে আমারি ঢাকা একটি বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং জীবনধারাবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অতিথিরা বুফের বিভিন্ন পদ উপভোগের পাশাপাশি নতুন এই আয়োজন সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পান।

এ ছাড়া উদ্বোধন উপলক্ষে নির্বাচিত ব্যাংকের কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় ও আকর্ষণীয় সুবিধার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

/এমটি 

 

 

পদ্মফুলের গল্পে ভিজুক বর্ষা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
পদ্মফুলের গল্পে ভিজুক বর্ষা

বর্ষা মানেই প্রকৃতির এক অন্যরকম রূপ। আকাশজুড়ে মেঘের আনাগোনা, টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ, সজীব সবুজ আর চারপাশে এক প্রশান্ত আবহ। এই ঋতুর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে রংটি মিশে আছে, তা হলো নীল। মেঘলা আকাশ, বৃষ্টিভেজা প্রকৃতি এবং জলরাশির আবেশ যেন নীল রংকে আরও জীবন্ত করে তোলে। তাই বর্ষাকালে ফ্যাশনপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় নীল রঙের কামিজ, শাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের ড্রেস থাকে শীর্ষে। লিখেছেন মুশফিরাত তাসকিন 


শাড়িতে বর্ষার রোমান্টিক আবেদন
বাংলাদেশের নারীদের ফ্যাশনে শাড়ির আবেদন চিরন্তন। বর্ষাকালে নীল শাড়ি যেন এক বিশেষ অনুভূতির নাম। বৃষ্টিভেজা দিনে নীল জামদানি, তাঁত, কটন বা মসলিন শাড়ি সহজেই এনে দেয় স্নিগ্ধ ও মার্জিত সৌন্দর্য। গাঢ় নীলের ওপর সাদা নকশা কিংবা আকাশি নীলের সঙ্গে রুপালি কাজের শাড়ি বর্ষার আবহের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। বর্তমানে টাই-ডাই, ব্লক প্রিন্ট, বাটিক ও হ্যান্ডপেইন্ট করা নীল শাড়িও বেশ জনপ্রিয়।

নীল শাড়ির সঙ্গে রুপালি বা অক্সিডাইজড গহনা অসাধারণ মানিয়ে যায়। চাইলে মুক্তার গহনা বা ছোট্ট রুপালি কানের দুলও বেছে নেওয়া যেতে পারে। মেকআপে হালকা বেস, কাজল এবং ন্যুড লিপস্টিক রাখলে পুরো লুকটি হয়ে ওঠে আরও পরিশীলিত।


বর্ষার ফ্যাশনে কাপড় নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ
বর্ষাকালে ফ্যাশনের পাশাপাশি আরামকেও গুরুত্ব দিতে হয়। এ সময় ভারী কাপড় এড়িয়ে হালকা ও দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন কাপড় বেছে নেওয়া ভালো। কটন ব্লেন্ড, লিনেন, রেয়ন বা সফট ভিসকসের পোশাক আর্দ্র আবহাওয়ায় বেশি স্বস্তিদায়ক। অতিরিক্ত লম্বা পোশাক বা খুব ভারী ঘেরযুক্ত ডিজাইন বৃষ্টির দিনে কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে। তাই পোশাক নির্বাচনের সময় ব্যবহারিক দিকটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

নীলের সঙ্গে মানানসই অনুষঙ্গ
নীল পোশাকের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে সঠিক অনুষঙ্গ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। নীল কামিজ, শাড়ি বা ড্রেসের সঙ্গে সাদা, রুপালি, বেইজ বা ধূসর রঙের ব্যাগ ও জুতা দারুণ মানিয়ে যায়। গহনার ক্ষেত্রে অক্সিডাইজড সিলভার, মুক্তা বা মিনিমাল ডিজাইনের অলংকার লুকে আনে আভিজাত্য। বর্ষাকালে ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট স্যান্ডেল বা আরামদায়ক ব্লক হিল ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলের সাজে খোঁপা, পনিটেইল বা খোলা চুলের সঙ্গে সাদা কদম ফুল কিংবা ছোট্ট ফ্লোরাল হেয়ার অ্যাকসেসরি যোগ করলে সাজে ফুটে উঠবে বর্ষার স্নিগ্ধ আবহ।


বর্ষার ফ্যাশনে চিরন্তন নীল
বর্ষা ও নীল যেন একে অপরের পরিপূরক। মেঘলা আকাশ, বৃষ্টির ধারা আর প্রকৃতির সজীবতার সঙ্গে নীল রঙের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। তাই প্রতি বর্ষাতেই ফ্যাশনে নতুন করে ফিরে আসে আকাশি, টারকোয়েজ, রয়্যাল ব্লু কিংবা নেভি ব্লুর মতো নানা শেড।
ফ্যাশনের ধারা বদলালেও নীলের আবেদন কখনো ফুরায় না। স্নিগ্ধতা, আভিজাত্য ও স্বাচ্ছন্দ্যের অনন্য মিশেলে নীল রঙের কামিজ, শাড়ি বা ড্রেস বর্ষার ফ্যাশনে সব সময়ই থাকে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। তাই এই মৌসুমে নীল হতে পারে আপনার স্টাইলের সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ।


পদ্মফুল ও বৃষ্টির ছন্দে রঙ বাংলাদেশের বর্ষা সংগ্রহ
জলজ বাংলার সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক পদ্ম। পবিত্রতা, মমতা ও প্রেমের প্রতীক হিসেবে যুগ যুগ ধরে পদ্মফুল স্থান পেয়েছে বাঙালির সাহিত্য, সংগীত ও লোকজ ঐতিহ্যে। আর শান্ত জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে যে মৃদু তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তাতেও যেন ধরা দেয় বর্ষার নিজস্ব ছন্দ। প্রকৃতির এই দুই অনন্য অনুষঙ্গ পদ্মফুল এবং জলে বৃষ্টির ফোঁটার অপূর্ব দৃশ্য এবার পোশাকের নকশায় রূপ দিয়েছে রঙ বাংলাদেশ।

বর্ষা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে এসেছে পদ্মফুলের নান্দনিকতা এবং জলে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার মুহূর্ত থেকে অনুপ্রাণিত শাড়ি ও পাঞ্জাবির বিশেষ ম্যাচিং সংগ্রহ। জলরঙের মতো কোমল রঙ, পদ্মের পাপড়ির সূক্ষ্ম বিন্যাস এবং জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটার ছন্দময় বৃত্ত—সব মিলিয়ে প্রতিটি পোশাক যেন হয়ে উঠেছে একেকটি জীবন্ত ক্যানভাস।

বাংলার বর্ষা শুধু প্রকৃতির নয়, সম্পর্কেরও ঋতু। এক ছাতার নিচে পাশাপাশি হাঁটা, হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া কিংবা বিকেলের চায়ের আড্ডা এসব ছোট ছোট মুহূর্তেই জমে থাকে ভালোবাসার গল্প। সেই গল্পগুলোকে আরও রঙিন করে তুলতেই রঙ বাংলাদেশের এবারের আয়োজন। শাড়ি ও পাঞ্জাবির এই ম্যাচিং সিরিজে রয়েছে দম্পতিদের জন্য বিশেষ নকশা, যেখানে পদ্মফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটার সৃষ্ট বৃত্তাকার তরঙ্গও উঠে এসেছে সূক্ষ্ম মোটিফ ও অলংকরণে। ঐতিহ্য ও সমকালীন রুচির মেলবন্ধনে ফুটে উঠেছে বাংলার নিজস্ব বর্ষার রূপ।

আরামদায়ক কাপড়, পরিমিত রঙের ব্যবহার এবং সূক্ষ্ম নকশার সমন্বয়ে তৈরি এই সংগ্রহে রয়েছে বর্ষার মায়া, বাংলার প্রকৃতি এবং ভালোবাসার কোমল স্পর্শ। পরিবারের সঙ্গে কিংবা প্রিয় মানুষটির হাত ধরে বর্ষাকে উদযাপন করার জন্য এই সংগ্রহ হতে পারে অনন্য এক সঙ্গী।

নতুন সংগ্রহটি পাওয়া যাচ্ছে দেশের সকল রঙ বাংলাদেশ আউটলেট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে www.rang-bd.com এবং  রঙ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ।