ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রূপগঞ্জে আন্তর্জাতিক ইয়োগো দিবস পালিত প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি জার্মানদের ওপর চটেছেন আইভরি কোস্টের কোচ নবীগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোচালক নিহত, সড়ক অবরোধ লন্ডনে হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে চাহিদা বাড়ছে ই-বাইকের বেফাঁস মন্তব্যে প্রত্যাহার কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান নিহত পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাইক হবে আগামীর স্মার্ট বাহন টিভিতে আজকের খেলা প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন বিকেলে বাজেটে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর স্বার্থ প্রতিফলিত হয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে জাপান পেকুয়ায় শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু তিউনিসিয়া-জাপান ম্যাচে রেফারির কেন বিশেষ পোশাক? গোয়ালন্দে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিল মাদক ব্যাবসায়ীরা ৬ষ্ঠ জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬-এ ইস্পাহানির অনন্য অর্জন মোহাম্মদপুরের সন্ত্রাসী ‘মাওরা সোহেল’ গ্রেপ্তার মাদকে জড়িত বিএনপি নেতাকর্মীদের আগে গ্রেপ্তার করুন: এমপি মামুন দিনাজপুরে পুরাতন বইয়ের বাজারে মন্দা, কমেছে পাঠক বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে চালক ও সহকারী নিহত মা-বাবাকে অবহেলা করো না, জাহান্নাম নেমে আসবে পৃথিবীতে! রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার তামু ও তার সুপারহিরো বাবার গল্প বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচ ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকায় ১২তম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত আমরা শুধু কেপ ভার্দে নই, পুরো আফ্রিকার জন্য খেলছি: বুবিস্তা বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

কম্পিউটার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৫, ০৭:০০ পিএম
কম্পিউটার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা

কম্পিউটার 

ভূমিকা: সভ্যতার সূচনা থেকেই মানুষ আপন উদ্ভাবনী ক্ষমতার বলে নতুন নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে পৃথিবীকে ক্রমেই হাতের মুঠোয় এসেছে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানের উচ্চ প্রযুক্তি সংবলিত যে আবিষ্কারটি বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে, সবাইকে বিস্ময়াভিভূত করেছে তা হলো কম্পিউটার। কম্পিউটার এমনই একটা যন্ত্র যা মানুষের কর্মময় জীবনে অনুগত ভৃত্যের মতো হুকুম তামিল করে। বর্তমান যুগ হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যুগ। ড. শমসের আলী বলেন, “Computer is an innovation in the realm of science, has vibraled our domain of life.”

কম্পিউটার কী: কম্পিউটার ইংরেজি শব্দ। লাতিন শব্দ ‘কম্পিউটেয়ার’ থেকে কম্পিউটার শব্দের উদ্ভব। এর আভিধানিক অর্থ হিসাব বা গণনাকারী যন্ত্র। মূলত এটি একটি হিসাবের যন্ত্র হিসেবে আবিষ্কৃত হয়েছিল। এখন এটি মানুষের মতো কাজ করে বেড়াচ্ছে, যা বিশ্ববাসীকে উন্নয়নের উচ্চ শিখরে নিয়ে গেছে। টাইপরাইটার, লাইন প্রিন্ট, কার্ড রিডার, কার্ড পাঞ্চিং, ম্যাগনেটিক, টেপ ট্রানজিস্টর, সার্কিট প্রভৃতি সর্বাধিক গণনামূলক ব্যবস্থাই হচ্ছে কম্পিউটার।

আবিষ্কার: কম্পিউটার একদিনে আবিষ্কার হয়নি। শতাব্দীর পর শতাব্দী বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আজ আমরা একটি সর্বোত্তম কম্পিউটার যন্ত্র ব্যবহার করছি। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক মনে করা করা হয়। ১৯৪৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয় ইলেকট্রো মেকানিকাল কম্পিউটার। ১৯৪৬ সালে তৈরি হয় প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। ১৯৭১ সালের পর থেকে কম্পিউটারের নবযুগের সূচনা হয়। 
কাঠামো: কম্পিউটারের প্রধান দুটি দিক রয়েছে। যথা- ১। হার্ডওয়্যার, ২। সফটওয়্যার।
তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয় প্রবেশ মুখ, অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া প্রক্রিয়ার জন্য গাণিতিক অংশ, তথ্য সংরক্ষণের জন্য স্মৃতি তথা মেমোরি, নিয়ন্ত্রণ বর্তনী হলো যান্ত্রিক সরঞ্জাম বা হার্ডওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। এ অংশ প্রোগ্রামের সাহায্যে কার্যকর ও কর্মক্ষম হয়ে উঠে। প্রোগ্রাম আবার দুই প্রকার। ব্যবহারিক প্রোগ্রাম আর পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম। ব্যবহারিক প্রোগ্রাম গাণিতিক সমস্যা সমাধান করে এবং পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম কম্পিউটারের অন্যান্য অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং ব্যবহারিক প্রোগ্রামের কার্যক্ষমতাকে সক্রিয় রাখে।

কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য: কম্পিউটারে সংখ্যার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে হিসাবনিকাশ সমাধান করা যায়। ‘প্রোগ্রাম’ ও উপাত্ত’র মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হয়। কম্পিউটারে প্রথমে প্রোগ্রাম ও উপাত্তকে ‘ইনপুট’ অংশে দেওয়া হয়। এখানে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ রূপান্তরের পর সংরক্ষণের জন্য কম্পিউটার তা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি অংশে পাঠায়। এখান থেকে সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ কাম্য তথ্যের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। অতঃপর নির্গমন মুখ অংশের মাধ্যমে ফলাফল পাওয়া যায়। দ্রুতগতি, ভ্রমশূন্যতা ও স্মৃতি এই তিনটি হচ্ছে কম্পিউটারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে দুই কোটি সাধারণ যোগ করতে পারে।

কম্পিউটারের প্রোগ্রাম: কম্পিউটারে বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য এর মেমোরিতে যে কার্য নির্দেশিকা সংরক্ষিত থাকে, তাকে কম্পিউটারের প্রোগ্রাম বলে। কম্পিউটারের এ কার্য নির্দেশের প্রক্রিয়াটি বুঝিয়ে দিতে যে ভাষার প্রয়োজন হয় তাকে কম্পিউটারের ভাষা বলে।

কম্পিউটারের গঠন বৈশিষ্ট্য:  কম্পিউটার যখন প্রথম আবিষ্কার হয় তখনকার গঠন প্রণালি এবং বর্তমানের কম্পিউটারের মধ্যে অনেক পার্থক্য। বর্তমানে কম্পিউটার অনেক উন্নত, এটি পরিচালনা করা সহজ হয়েছে। তা ছাড়া আগে কম্পিউটারে শুধু ইংরেজি ভাষা ইনপুট করা ছিল। বর্তমানে কম্পিউটারে বাংলার প্রচলন হয়েছে। 
কম্পিউটারের মূল গঠন বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ প্রত্যেক কম্পিউটারে রয়েছে- ১। ইনপুট, ২। স্টোরেজ, ৩। কন্ট্রোল, ৪। প্রসেসিং এবং ৫। আউটপুট।

কম্পিউটারের প্রকার: আধুনিক কম্পিউটার তিন প্রকার। যথা-
১। অ্যানালগ কম্পিউটার, ২। ডিজিটাল কম্পিউটার, ৩। হাইব্রিড কম্পিউটার।
অভ্যন্তরীণ গঠন, আকৃতি এবং কাজ সম্পাদনের গতি ইত্যাদির বিচারে কম্পিউটারকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- সুপার কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, মিনি এবং মাইক্রো কম্পিউটার। এ ছাড়া অ্যাপেল ও আইবিএম নামে দুটি কম্পিউটার পাওয়া যায়।

কম্পিউটারের ক্রমোন্নতি: ‘ইনিয়াক’ নামক পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটারটি সর্বপ্রথম ১৯৪৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আবিষ্কৃত হয়। তখন এর মাধ্যমে সেকেন্ডে ৩০০টি গুণনের কাজ করা সম্ভব ছিল। আজকের কম্পিউটার ইনিয়াকের উন্নতির রূপ। প্রথম পর্যায়ে জেনারেশন কম্পিউটার, অতঃপর নতুন জেনারেশন কম্পিউটারের প্রচলন হয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ৬৪০ আইবিএম, ইউনিভ্যাক-১ সিস্টেম, ৩৬০ আইসিএল-২৯০০, এডস্যক-৪৩০০ ব্যবহার করা হচ্ছে। তা ছাড়া সুপার কম্পিউটার ক্রে-১, ক্রে-২ এর ব্যবহারও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

(বাকি অংশ আগামীকাল প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
C++ ১৯৮৩ সালে শুরু হয়। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১১০. = কোন ধরনের অপারেটর?
ক. গাণিতিক     খ. রিলেশনাল 
গ. লজিক্যাল     ঘ. অ্যাসাইনমেন্ট

১১১. প্রোগ্রামে কোন ধরনের ভুলের জন্য কম্পিউটার বার্তা দেয়?
ক. সিনট্যাক্স ভুল     
খ. লজিক্যাল ভুল 
গ. ডেটা ভুল     
ঘ. যেকোনো ভুল

১১২. কোন ভাষায় প্রোগ্রাম কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে থাকে?
ক. উচ্চ স্তরের ভাষা     খ. নিম্ন স্তরের ভাষা 
গ. মেশিন ভাষা            ঘ. কৃত্রিম ভাষা

১১২. উচ্চ স্তরের ভাষা কোনটি?
ক. Word Star      খ. Visicale 
গ. C++               ঘ. Lotus 1-2-3

১১৪. C++ কোন সালে শুরু হয়?
ক. ১৯৮০ সালে     খ. ১৯৮২ সালে
গ. ১৯৮৩ সালে     ঘ. ১৯৮৪ সালে

১১৫. চলক ও মেথডকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিনে নেয় কোনটি?
ক. পাইথন       খ. এডা 
গ. ফোরট্রান     ঘ. বেসিক

১১৬. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত কোন প্রজন্মের কম্পিউটার ভাষা?
ক. দ্বিতীয়     খ. তৃতীয় 
গ. চতুর্থ        ঘ. পঞ্চম

১১৭. কোন ধরনের এক্সপ্রেশন ব্যবহার করে শর্ত তৈরি করা হয়?
ক. কন্ডিশনাল এক্সপ্রেশন     
খ. প্রোগ্রামিং এক্সপ্রেশন
গ. কম্পাইলার এক্সপ্রেশন     
ঘ. রিলেশনাল এক্সপ্রেশন

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১১৮. কোনটির মাধ্যমে একই ধরনের একাধিক ডেটা রাখা যায়?
ক. স্ট্রিং      খ. পয়েন্টার 
গ. সর্টিং     ঘ. অ্যারে

১১৯. একটি প্রোগ্রামের কতটি অংশ থাকে?
ক. ২টি     খ. ৩টি 
গ. ৪টি     ঘ. ৫টি

১২০. সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রাম তৈরির ধাপ কয়টি?
ক. ২টি     খ. ৩টি 
গ. ৪টি     ঘ. ৫টি

১২১. প্রোগ্রাম টেস্টিংয়ের পূর্ববর্তী ধাপ কোনটি?
ক. সমস্যা বিশ্লেষণ     খ. কোডিং 
গ. প্রোগ্রাম উন্নয়ন     ঘ. প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ 

১২২. কোন ভাষা 0 ও 1 নির্ভর?
ক. মেশিন ভাষা     
খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. কৃত্রিম ভাষা     
ঘ. কম্পাইলার ভাষা

১২৩. প্রোগ্রামের ভুলকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
ক. দুই ভাগে     খ. তিন ভাগে 
গ. চার ভাগে     ঘ. পাঁচ ভাগে

১২৪. অ্যালগরিদম কী?
ক. পর্যায়ক্রম     খ. সিদ্ধান্তক্রম 
গ. অনুক্রমিক     ঘ. ফ্লোচার্ট

১২৫. অ্যাসেম্বলি ভাষার নির্দেশাবলিকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. ৩ ভাগে    খ. ৪ ভাগে
গ. ৫ ভাগে    ঘ. ৬ ভাগে

উত্তর: ১১০. খ, ১১১. ক, ১১২. ক, ১১৩. গ, ১১৪. গ, ১১৫. ক, ১১৬. ঘ, ১১৭. ক, ১১৮. ঘ, ১১৯. খ, ১২০. ঘ, ১২১. গ, ১২২. ক, ১২৩. খ, ১২৪. খ, ১২৫. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
পোকা দমনের জন্য ওষুধ ছিটানোর কাজেও যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : কৃষিকাজে বিজ্ঞান

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের ব্যবহার: উৎপাদনের সব স্তরে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে চাষাবাদ পদ্ধতিতে বিজ্ঞানের প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ পদ্ধতিতে প্রাচীন আমলের কাঠের লাঙল, বলদ, মই, নিড়ানি, কোদাল, কাস্তে ইত্যাদির পরিবর্তে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, যেমন- জমি চাষের জন্য ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, বীজ বোনার জন্য সিডলিং, মই দেওয়ার জন্য লেভেলার, পানি সেচের জন্য গভীর ও অগভীর নলকূপ, পাওয়ার পাম্প, আগাছা পরিষ্কারের জন্য উইডার, ফসল সংগ্রহের জন্য হারভেস্টার, ফসল মাড়াইয়ের জন্য থ্রেসার ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

কৃষি গবেষণায় বিজ্ঞান: কৃষি গবেষণায় বিজ্ঞানের প্রয়োগ অপরিহার্য। যেমন-
(ক) কৃষিজাত দ্রব্য বা পণ্যের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও নতুন ধরনের বীজ উদ্ভাবন।
(খ) অপ্রচলিত কৃষিজাত দ্রব্য বা পণ্যের ব্যবহার এবং চাষাবাদ-সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ও তথ্য সংগ্রহ।
(গ) পরিবেশ ও আবহাওয়া দূষণের সঙ্গে সম্পর্ক বিধান করে কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহারোপযোগী সার ও কীটনাশক প্রভৃতির প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞানের ব্যবহার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি কাজের গুরুত্ব: বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার সবটাই জোগান দেয় কৃষি। অথচ ক্ষুদ্রায়তন বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনায় কৃষি জমির পরিমাণ খুবই অপ্রতুল। আমাদের দেশের কৃষকরা প্রচলিত প্রাচীন চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সমতা বজায় রেখে কৃষিক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না। আমাদের দেশের   তুলনায় জাপানের মাটির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা এক-চতুর্থাংশ। অথচ তারা কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আমাদের চেয়ে কম জমিতে সর্বাধিক ফসল ফলিয়ে খাদ্য সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে। তাই আমাদের দেশে উন্নত বীজ ও কৃষিক্ষেত্রের মান অনুযায়ী রাসায়নিক সার, কীটনাশক প্রয়োগ ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে।

কৃষক ও কৃষি:  কালের স্রোতধারায় গোটা বিশ্ব আজ  ছুটে চলেছে উন্নয়নের স্বর্ণশিখরের দিকে। অথচ বাংলাদেশের কৃষক আর কৃষি আজও সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। মানুষের জীবনকে নিরাপত্তাদানের ব্যাপারে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তার সঙ্গে বিজ্ঞানের সংযোগ ঘটেছে ঠিকই, কিন্তু ব্যাপক সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। উন্নত দেশগুলোতে কৃষিকাজে বিজ্ঞানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠলেও আমাদের দেশে তেমন অগ্রগতি সাধিত হয়নি। কৃষিব্যবস্থা এখনো প্রাচীন পদ্ধতিতেই চলছে। উন্নত কৃষিপদ্ধতির সঙ্গে এ দেশের নিরক্ষর কৃষক সমাজ এখনো পরিচিত হয়ে উঠতে পারেনি। এদেশে আধুনিক কৃষিব্যবস্থা প্রয়োগের মতো জ্ঞান ও অর্থ তাদের নেই। তাই ফসলের উৎপাদন বাড়ছে না। ফলে অনেকটা ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশের কৃষকসমাজ প্রকৃতির খেয়ালখুশির খেলনা হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরছে।

আরো পড়ুন : কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

বিজ্ঞানের দান: কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের দান বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যাটি সমগ্র বিশ্বে বিদ্যমান থাকায় কৃষির উৎপাদন বাড়িয়ে তা মোকাবিলা করার উদ্যোগ উন্নত বিশ্বে দেখা যায়। ফলে, কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের প্রয়োগ হওয়ায় কৃষির অনেক উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাষাবাদ পদ্ধতি এখন যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। কৃষি উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যবস্থায় বিজ্ঞান অবদান রেখেছে। বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে বিজ্ঞানের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। সার, সেচ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ব্যবহার হচ্ছে। বিভিন্ন কৃষিজ ফসল নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে উন্নতমানের এবং বেশি পরিমাণে ফসল ফলনের উপায় উদ্ভাবন করা হয়েছে। এসব অগ্রগতির ফলে বিশ্বের বহু দেশে কৃষির উৎপাদন  বেড়েছে এবং উৎপাদিত ফসল বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশে কৃষি কাজে বিজ্ঞান: উন্নত দেশের কৃষিকাজ সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল। উন্নত দেশে জমি কর্ষণ, বীজ বপন, সেচকার্য, ফসল কাটা, মাড়াই, বাছাই ইত্যাদি সব কাজ আজ যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। ট্রাক্টরের সাহায্যে জমি চাষ করে মেশিন দিয়ে জমিতে বীজ বপন করা হয়। বপনের জন্য সংরক্ষিত বীজ বাছাই কাজও যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। 
জমিতে প্রয়োজনমতো সার দেওয়া কিংবা ফসলে পোকা লাগলে পোকা দমনের জন্য ওষুধ ছিটানোর কাজও যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। আজকের যুগে ফসলের জমিতে সেচের জন্য মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে না। অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি শস্য জন্মানোর ক্ষেত্রে অন্তরায় হয় না। আজ মানুষ গভীর নলকূপ এবং পাম্পের সাহায্যে জমিতে সেচ দেয়। মানুষ ফসল কাটা যন্ত্রের সাহায্যে একদিকে ফসল কাটছে, অন্যদিকে মাড়াই হয়ে শস্য ও খড় আলাদা হয়ে যাচ্ছে। উন্নত দেশের লোকেরা কৃষিকাজকে যান্ত্রিক করে ফেলেছে। শীতপ্রধান দেশে ‘শীত নিয়ন্ত্রণ’ ঘর বানিয়ে শাকসবজি এবং ফলমূল সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানের সাহায্যে বর্তমানে শুষ্ক মরুভূমির মতো জায়গায় সেচ, সার ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ করে উন্নত দেশের কৃষকরা ফসল ফলাচ্ছে। ফলে, একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় বিজ্ঞান কৃষিকাজে এক যুগান্তকারী বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশে কৃষি কাজে বিজ্ঞান: আমাদের দেশেও এখন কৃষি কাজে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। খণ্ডবিখণ্ডতার কারণে জমি কর্ষণে ব্যাপকভাবে ট্রাক্টর ব্যবহার করা যাচ্ছে না। মানুষ এখন আর চাতক পাখির মতো বৃষ্টিধারার জন্য আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে না। এখন সেচের জন্য ব্যবহার করা হয় গভীর নলকূপ এবং মেশিনচালিত পাম্প। বপনের জন্য ব্যবহার করা হয় উন্নতমানের বীজ। 
বীজ সংরক্ষণে সাহায্য নেওয়া হয় বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির। রাসায়নিক সার ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের মাত্রা বাড়ানো হচ্ছে। আগে যে জমিতে এক ধরনের ফসল হতো, বিজ্ঞানের সাহায্যে এখন সেখানে তিন ধরনের ফসল হয়। তবে আমাদের দেশের কৃষিকাজ এখনো সম্পূর্ণ যান্ত্রিক করা সম্ভব হয়নি। চাষাবাদে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের খাদ্য সমস্যা সমাধান করা যাবে, এটা নিশ্চিত বলা যায়।

কৃষিতে বিজ্ঞানের অবদান: অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো কৃষি কাজেও বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে। বর্তমানে কৃষি কাজে বিজ্ঞানের প্রয়োগ হওয়ায় কৃষির যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাষাবাদ পদ্ধতি এখন যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। আদিম লাঙল-মই প্রযুক্তি পরিহার করে বর্তমানে ট্রাক্টরের সাহায্যে অতি স্বল্প সময়ে, স্বল্প পরিশ্রমে অধিক পরিমাণ জমি চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে। তাই বলা যায়, কৃষি উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যবস্থায় বিজ্ঞান অবদান রাখছে।

(বাকি অংশ ৩য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।’-ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে পলাশীর প্রান্তরে শহিদ বীরদের আত্মদান যেন বৃথা না যায়, সে প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে। 
পরাজিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা রাজধানীতে এসে দরবারে সমবেত সাধারণ মানুষকে ধেয়ে আসা শত্রুদের মোকাবিলার কথা বলেন। প্রতিরোধ গড়তে তিনি জনগণকে সাহস নিয়ে শত্রুর সামনে দাঁড়াতে বলেন। কিন্তু জনতা সেই জাতীয়তাবাদী চেতনা ধারণ করতে পারেনি। তাই সবাইকে নবাব জানান, পলাশীর প্রান্তরে যে বীর সেনাপতিরা দেশের জন্য প্রাণ দিলেন, তারা তো চাইলেই পালাতে পারতেন। কিন্তু দেশকে ভালোবেসে তারা জীবন দিয়ে দেশের মাটি রঙিন করলেন। বীরের এই আত্মদান যেন ব্যর্থ না হয়। একবার দেশবাসী দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হলেই সব শত্রু পরাজিত হবে। পলাশীর শহিদদের আত্মদানের তাৎপর্য সাধারণ জনতা সেদিন বোঝেনি। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘ইনি কি নবাব, না ফকির?’- ক্লাইভের এ উক্তির কারণ ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে কর্নেল রবার্ট ক্লাইভের এ সংলাপে মীর জাফরের ব্যক্তিত্বহীনতা দেখে তার প্রতি এমন ব্যঙ্গাত্মক অনুভূতি ব্যক্ত হয়েছে। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর চুক্তিমতো নবাব হন বিশ্বাসঘাতক ও ক্ষমতালোভী প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খান। তার অভিষেকের দিন রাজদরবারে এসে তিনি সিংহাসনে না বসে সিংহাসনের হাতল ধরে কর্নেল ক্লাইভের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। ক্লাইভ না এলে তিনি বাংলার মসনদে বসবেন না। ইতোমধ্যে ক্লাইভ এসে মীর জাফরের এসব কথা শুনে বিস্মিত হন। বাংলার নবাব ফকিরের মতো সিংহাসন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন; অথচ তিনি তো পরাক্রমশালী হওয়ার কথা। আসলে ক্লাইভও বুঝে যান মীর জাফর সত্যিকার অর্থে অযোগ্য গর্দভ। ফলে ব্যঙ্গাত্মক কথায় তিনি নতুন নবাবকে অপমানও করেন; অবশ্য মীর জাফর সেটিও বোঝেননি। 

প্রশ্ন:  ‘মীর জাফর বেইমান নয়’- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে নতুন নবাব মীর জাফর আলী খানের এ সংলাপে ক্লাইভের প্রতি তার ব্যক্তিত্বহীন আনুগত্যের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। 
পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজের পরাজয় হলে বাংলার নবাব হন মীর জাফর। ইংরেজদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেই মীর জাফর ও তার সহচররা নবাব সিরাজের পরাজয় নিশ্চিত করেন। তাই তিনি নিজেকে বেইমান নয় আখ্যা দিয়ে ক্লাইভের হাত ধরে সিংহাসনে বসেন। এতে মীর জাফরের নৈতিকতা নয়; বরং অনৈতিক ও দুর্বল মানসিকতারই প্রকাশ ঘটেছে। কারণ, নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও দেশের সঙ্গে যে বেইমানি তিনি করেছেন তারপরও এমন কথা বলে তিনি নিজেকে হাস্যকর চরিত্রে পরিণত করেছেন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি। ছবি- সংগৃহীত

চতুর্থ অধ্যায় : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর 

১। জীবের প্রতিরূপ সৃষ্টির প্রক্রিয়ার নাম কী?
ক) স্পোর     খ) পরাগায়ন 
গ) জনন      ঘ) প্রজাতি

২। কোন প্রক্রিয়ায় কচুরিপানায় বংশবিস্তার ঘটে?
ক) ফসফেটের মাধ্যমে     
খ) গ্যামেটের মাধ্যমে 
গ) অফসেটের মাধ্যমে      
ঘ) স্পোরের মাধ্যমে

৩। প্রজনন প্রধানত কত প্রকার?
ক) ২ প্রকার     খ) ৩ প্রকার 
গ) ৪ প্রকার     ঘ) ৫ প্রকার

৪। অযৌন জনন কত ধরনের?
ক) ৫ ধরনের     
খ) ৪ ধরনের 
গ) ৩ ধরনের     
ঘ) ২ ধরনের

৫। কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচে শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে যে, কন্দের সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
ক) স্টোলন     খ) রাইজোম 
গ) বুলবিল      ঘ) টিউবার

আরো পড়ুন : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

৬। নিচের কোনটি রাইজোম?
ক) রসুন     খ) আদা 
গ) লাউ       ঘ) পেঁয়াজ

৭। পর-পরাগায়ন নিচের কোনটিতে দেখা যায়?
i. কুমড়া গাছে    
ii. পেঁপে গাছে
iii. শিমুল গাছে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) ii ও iii 
গ) i ও ii       ঘ) i, ii ও iii

৮। মিষ্টি আলুর প্রজনন ঘটে নিচের কোনটির মাধ্যমে?
ক) কাণ্ড     খ) পাতা 
গ) মূল        ঘ) পরবীজ

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৯ ও ১০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

সুমনা ফুলের এমন একটি অংশ দেখল, যেটি দেখতে সবুজ রঙের। এটি ফুলের অন্য অংশগুলোকে বিশেষত কুঁড়ি অবস্থায় রোদ, বৃষ্টি ও পোকা-মাকড় এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

৯। ওপরের উদ্দীপকে ফুলের কোন অংশের কথা বলা হয়েছে?
ক) দলমণ্ডল     খ) পুংকেশর 
গ) গর্ভকেশর     ঘ) বৃতি

১০। সম্পূর্ণ ফলে কয়টি অংশ থাকে? 
ক) ২টি     খ) ৩টি 
গ) ৪টি      ঘ) ৫টি

উত্তর: ১. গ, ২. গ, ৩. ক, ৪. ঘ, ৫. ঘ, ৬. খ, ৭. খ, ৮. গ, ৯. ঘ, ১০. ঘ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক 
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের পাঠ শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৯ : টুকটুক ও চিকু

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরসহ বাক্যটি লেখ।

গ. টুকটুক বিড়াল ছানাটির গা মুছিয়ে দিল—।
গামছা দিয়ে
কাপড় দিয়ে
জামা দিয়ে
তোয়ালে দিয়ে

উত্তর: টুকটুক বিড়াল ছানাটির গা মুছিয়ে দিল তোয়ালে দিয়ে।

ঘ. বিড়ালছানার নাম ‘চিকু’ রেখেছে—।
রাতুল
নীলা
টুকটুক
মা

উত্তর: বিড়ালছানার নাম ‘চিকু’ রেখেছে টুকটুক।

ঙ. চড়ুইভাতির আয়োজন করল—।

টুকটুক ও নীলা
টুকটুক, রাতুল ও নীলা
রাতুল ও নীলা
টুকটুক ও রাতুল

উত্তর: চড়ুইভাতির আয়োজন করল টুকটুক, রাতুল ও নীলা।

আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: কোন বাক্যে বিবরণ, প্রশ্ন, বিস্ময় বোঝাচ্ছে তা ডান পাশে লেখ।

ক. আগামীকাল থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু। 
খ. ভয় পেয়েছ? 
গ. অনেক কিছু শিখে গেলে। 
ঘ. টুকটুক ওর নাম রাখল ‘চিকু’। 
ঙ. সত্যি, মাগো! 
চ. কেন পারবি না? 

উত্তর: ক. আগামীকাল থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু। — বিবরণ
খ. ভয় পেয়েছ? — প্রশ্ন
গ. অনেক কিছু শিখে গেলে। — বিবরণ
ঘ. টুকটুক ওর নাম রাখল ‘চিকু’। — বিবরণ
ঙ. সত্যি, মাগো! — বিস্ময়
চ. কেন পারবি না? — প্রশ্ন

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর