ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ঝিনাইদহে বাসচাপায় ট্রাকচালক নিহত কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে কোরআন সুন্নাহ মাল্টিমিডিয়ার তিন হাফেজের সৌদি আরব যাত্রা অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ফিনল্যান্ডে বছরের দীর্ঘতম দিন, মধ্যরাতেও হাসে সূর্য রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা কঠিন পরাজয় সুইডেনকে আরও শক্তিশালী করবে: পটার সালাহকে ঠেকাতে চাই দলগত প্রচেষ্টা: হার্বার্ট আব্বা আমার জীবনের আদর্শ: ববিতা গৌরীপুরে রিপোর্টার্স ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তৃতীয়বার মা হচ্ছেন অ্যানি হ্যাথাওয়ে সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন আর নেই অদ্ভুত ঠোঁটের রহস্যময় শুবেল রাশিয়ার ২০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা নিয়োগ দেবে ব্র্যাক এনজিও, সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন জনাব মো. ফজলুর রহমান ব্রিটিশ ভারতের পথিকৃৎ নারী চিকিৎসক ডা. যামিনী সেন আমার ‘দুই’ বাবা: রক্তের সম্পর্কে একজন, ভালোবাসায় আরেকজন জাইমা রহমানকে নিয়ে অশালীন পোস্ট, আখাউড়া থানায় অভিযোগ নারীর সফল ক্যারিয়ারের ৬ টিপস রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল জাপান বদলির সাড়ে চার মাসেও দায়িত্বভার হস্তান্তরে গড়িমসি ইউএইচএফপিওর ইরাক ম্যাচের আগে ছোটখাটো পরিবর্তনের পথে ফ্রান্স শিশু গৃহকর্মীর মৃত্যু: রিমান্ডে প্রকৌশলী সবিবুর ও তার স্ত্রী নিউমার্কেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, আটক ৪ শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন চলতি বছরেই: বিমানমন্ত্রী রূপগঞ্জে আন্তর্জাতিক ইয়োগা দিবস পালিত প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

Wh-Question –এর ১টি Example নিয়ে আলোচনা, ৪র্থ পর্ব, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ইংরেজি

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:৪৬ পিএম
আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:৪৬ পিএম
Wh-Question –এর ১টি Example নিয়ে আলোচনা, ৪র্থ পর্ব, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ইংরেজি
শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে। ছবি- সংগৃহীত

৮ নম্বর প্রশ্ন : Wh-Question 

(গত ২ অক্টোবর প্রকাশের পর)

Example

1. Make Wh-questions from the given sentences with who, what, when, where, why, which and how using the underlined word/ word (এখানে ৫টি প্রশ্ন থাকে অনুশীলনের সুবিধার জন্য ১০টি দেওয়া হলো)।

(a) Jessica is going to Chattogram.
(b) The students are playing in the field.
(c) They come to the club to practice speaking English.
(d) She can’t eat very much because she has a runny nose.
(e) Saikat likes books about animals.
(f) She needs some medicine.
(g) Saikat’s father is a banker.
(h) I play with my family on weekends.
(i) I went to Sonargoan last year.
(j) We went to our village home.

আরো পড়ুন : Wh-Question–এর Structure, Example নিয়ে আলোচনা, ৩য় পর্ব, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ইংরেজি

Answer:
(a) Who is going to Chattogram?
(b) Who are playing in the field?
(c) Why do they come to the club?
(d) Why can’t she eat very much?
(e) Which books does Saikat like?
(f) What does she need?
(g) What is Saikat father?
(h) When do you play with your family?
(i) When did you go to Sonargaon?
(j) Where did you go?

লেখক : সিনিয়র শিক্ষক
বিএএফ শাহীন কলেজ, কুর্মিটোলা, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
C++ ১৯৮৩ সালে শুরু হয়। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১১০. = কোন ধরনের অপারেটর?
ক. গাণিতিক     খ. রিলেশনাল 
গ. লজিক্যাল     ঘ. অ্যাসাইনমেন্ট

১১১. প্রোগ্রামে কোন ধরনের ভুলের জন্য কম্পিউটার বার্তা দেয়?
ক. সিনট্যাক্স ভুল     
খ. লজিক্যাল ভুল 
গ. ডেটা ভুল     
ঘ. যেকোনো ভুল

১১২. কোন ভাষায় প্রোগ্রাম কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে থাকে?
ক. উচ্চ স্তরের ভাষা     খ. নিম্ন স্তরের ভাষা 
গ. মেশিন ভাষা            ঘ. কৃত্রিম ভাষা

১১২. উচ্চ স্তরের ভাষা কোনটি?
ক. Word Star      খ. Visicale 
গ. C++               ঘ. Lotus 1-2-3

১১৪. C++ কোন সালে শুরু হয়?
ক. ১৯৮০ সালে     খ. ১৯৮২ সালে
গ. ১৯৮৩ সালে     ঘ. ১৯৮৪ সালে

১১৫. চলক ও মেথডকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিনে নেয় কোনটি?
ক. পাইথন       খ. এডা 
গ. ফোরট্রান     ঘ. বেসিক

১১৬. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত কোন প্রজন্মের কম্পিউটার ভাষা?
ক. দ্বিতীয়     খ. তৃতীয় 
গ. চতুর্থ        ঘ. পঞ্চম

১১৭. কোন ধরনের এক্সপ্রেশন ব্যবহার করে শর্ত তৈরি করা হয়?
ক. কন্ডিশনাল এক্সপ্রেশন     
খ. প্রোগ্রামিং এক্সপ্রেশন
গ. কম্পাইলার এক্সপ্রেশন     
ঘ. রিলেশনাল এক্সপ্রেশন

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১১৮. কোনটির মাধ্যমে একই ধরনের একাধিক ডেটা রাখা যায়?
ক. স্ট্রিং      খ. পয়েন্টার 
গ. সর্টিং     ঘ. অ্যারে

১১৯. একটি প্রোগ্রামের কতটি অংশ থাকে?
ক. ২টি     খ. ৩টি 
গ. ৪টি     ঘ. ৫টি

১২০. সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রাম তৈরির ধাপ কয়টি?
ক. ২টি     খ. ৩টি 
গ. ৪টি     ঘ. ৫টি

১২১. প্রোগ্রাম টেস্টিংয়ের পূর্ববর্তী ধাপ কোনটি?
ক. সমস্যা বিশ্লেষণ     খ. কোডিং 
গ. প্রোগ্রাম উন্নয়ন     ঘ. প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ 

১২২. কোন ভাষা 0 ও 1 নির্ভর?
ক. মেশিন ভাষা     
খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. কৃত্রিম ভাষা     
ঘ. কম্পাইলার ভাষা

১২৩. প্রোগ্রামের ভুলকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
ক. দুই ভাগে     খ. তিন ভাগে 
গ. চার ভাগে     ঘ. পাঁচ ভাগে

১২৪. অ্যালগরিদম কী?
ক. পর্যায়ক্রম     খ. সিদ্ধান্তক্রম 
গ. অনুক্রমিক     ঘ. ফ্লোচার্ট

১২৫. অ্যাসেম্বলি ভাষার নির্দেশাবলিকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. ৩ ভাগে    খ. ৪ ভাগে
গ. ৫ ভাগে    ঘ. ৬ ভাগে

উত্তর: ১১০. খ, ১১১. ক, ১১২. ক, ১১৩. গ, ১১৪. গ, ১১৫. ক, ১১৬. ঘ, ১১৭. ক, ১১৮. ঘ, ১১৯. খ, ১২০. ঘ, ১২১. গ, ১২২. ক, ১২৩. খ, ১২৪. খ, ১২৫. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
পোকা দমনের জন্য ওষুধ ছিটানোর কাজেও যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : কৃষিকাজে বিজ্ঞান

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের ব্যবহার: উৎপাদনের সব স্তরে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে চাষাবাদ পদ্ধতিতে বিজ্ঞানের প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ পদ্ধতিতে প্রাচীন আমলের কাঠের লাঙল, বলদ, মই, নিড়ানি, কোদাল, কাস্তে ইত্যাদির পরিবর্তে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, যেমন- জমি চাষের জন্য ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, বীজ বোনার জন্য সিডলিং, মই দেওয়ার জন্য লেভেলার, পানি সেচের জন্য গভীর ও অগভীর নলকূপ, পাওয়ার পাম্প, আগাছা পরিষ্কারের জন্য উইডার, ফসল সংগ্রহের জন্য হারভেস্টার, ফসল মাড়াইয়ের জন্য থ্রেসার ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

কৃষি গবেষণায় বিজ্ঞান: কৃষি গবেষণায় বিজ্ঞানের প্রয়োগ অপরিহার্য। যেমন-
(ক) কৃষিজাত দ্রব্য বা পণ্যের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও নতুন ধরনের বীজ উদ্ভাবন।
(খ) অপ্রচলিত কৃষিজাত দ্রব্য বা পণ্যের ব্যবহার এবং চাষাবাদ-সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ও তথ্য সংগ্রহ।
(গ) পরিবেশ ও আবহাওয়া দূষণের সঙ্গে সম্পর্ক বিধান করে কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহারোপযোগী সার ও কীটনাশক প্রভৃতির প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞানের ব্যবহার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি কাজের গুরুত্ব: বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার সবটাই জোগান দেয় কৃষি। অথচ ক্ষুদ্রায়তন বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনায় কৃষি জমির পরিমাণ খুবই অপ্রতুল। আমাদের দেশের কৃষকরা প্রচলিত প্রাচীন চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সমতা বজায় রেখে কৃষিক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না। আমাদের দেশের   তুলনায় জাপানের মাটির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা এক-চতুর্থাংশ। অথচ তারা কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আমাদের চেয়ে কম জমিতে সর্বাধিক ফসল ফলিয়ে খাদ্য সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে। তাই আমাদের দেশে উন্নত বীজ ও কৃষিক্ষেত্রের মান অনুযায়ী রাসায়নিক সার, কীটনাশক প্রয়োগ ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে।

কৃষক ও কৃষি:  কালের স্রোতধারায় গোটা বিশ্ব আজ  ছুটে চলেছে উন্নয়নের স্বর্ণশিখরের দিকে। অথচ বাংলাদেশের কৃষক আর কৃষি আজও সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। মানুষের জীবনকে নিরাপত্তাদানের ব্যাপারে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তার সঙ্গে বিজ্ঞানের সংযোগ ঘটেছে ঠিকই, কিন্তু ব্যাপক সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। উন্নত দেশগুলোতে কৃষিকাজে বিজ্ঞানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠলেও আমাদের দেশে তেমন অগ্রগতি সাধিত হয়নি। কৃষিব্যবস্থা এখনো প্রাচীন পদ্ধতিতেই চলছে। উন্নত কৃষিপদ্ধতির সঙ্গে এ দেশের নিরক্ষর কৃষক সমাজ এখনো পরিচিত হয়ে উঠতে পারেনি। এদেশে আধুনিক কৃষিব্যবস্থা প্রয়োগের মতো জ্ঞান ও অর্থ তাদের নেই। তাই ফসলের উৎপাদন বাড়ছে না। ফলে অনেকটা ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশের কৃষকসমাজ প্রকৃতির খেয়ালখুশির খেলনা হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরছে।

আরো পড়ুন : কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

বিজ্ঞানের দান: কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের দান বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যাটি সমগ্র বিশ্বে বিদ্যমান থাকায় কৃষির উৎপাদন বাড়িয়ে তা মোকাবিলা করার উদ্যোগ উন্নত বিশ্বে দেখা যায়। ফলে, কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের প্রয়োগ হওয়ায় কৃষির অনেক উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাষাবাদ পদ্ধতি এখন যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। কৃষি উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যবস্থায় বিজ্ঞান অবদান রেখেছে। বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে বিজ্ঞানের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। সার, সেচ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ব্যবহার হচ্ছে। বিভিন্ন কৃষিজ ফসল নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে উন্নতমানের এবং বেশি পরিমাণে ফসল ফলনের উপায় উদ্ভাবন করা হয়েছে। এসব অগ্রগতির ফলে বিশ্বের বহু দেশে কৃষির উৎপাদন  বেড়েছে এবং উৎপাদিত ফসল বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশে কৃষি কাজে বিজ্ঞান: উন্নত দেশের কৃষিকাজ সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল। উন্নত দেশে জমি কর্ষণ, বীজ বপন, সেচকার্য, ফসল কাটা, মাড়াই, বাছাই ইত্যাদি সব কাজ আজ যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। ট্রাক্টরের সাহায্যে জমি চাষ করে মেশিন দিয়ে জমিতে বীজ বপন করা হয়। বপনের জন্য সংরক্ষিত বীজ বাছাই কাজও যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। 
জমিতে প্রয়োজনমতো সার দেওয়া কিংবা ফসলে পোকা লাগলে পোকা দমনের জন্য ওষুধ ছিটানোর কাজও যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। আজকের যুগে ফসলের জমিতে সেচের জন্য মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে না। অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি শস্য জন্মানোর ক্ষেত্রে অন্তরায় হয় না। আজ মানুষ গভীর নলকূপ এবং পাম্পের সাহায্যে জমিতে সেচ দেয়। মানুষ ফসল কাটা যন্ত্রের সাহায্যে একদিকে ফসল কাটছে, অন্যদিকে মাড়াই হয়ে শস্য ও খড় আলাদা হয়ে যাচ্ছে। উন্নত দেশের লোকেরা কৃষিকাজকে যান্ত্রিক করে ফেলেছে। শীতপ্রধান দেশে ‘শীত নিয়ন্ত্রণ’ ঘর বানিয়ে শাকসবজি এবং ফলমূল সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানের সাহায্যে বর্তমানে শুষ্ক মরুভূমির মতো জায়গায় সেচ, সার ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ করে উন্নত দেশের কৃষকরা ফসল ফলাচ্ছে। ফলে, একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় বিজ্ঞান কৃষিকাজে এক যুগান্তকারী বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশে কৃষি কাজে বিজ্ঞান: আমাদের দেশেও এখন কৃষি কাজে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। খণ্ডবিখণ্ডতার কারণে জমি কর্ষণে ব্যাপকভাবে ট্রাক্টর ব্যবহার করা যাচ্ছে না। মানুষ এখন আর চাতক পাখির মতো বৃষ্টিধারার জন্য আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে না। এখন সেচের জন্য ব্যবহার করা হয় গভীর নলকূপ এবং মেশিনচালিত পাম্প। বপনের জন্য ব্যবহার করা হয় উন্নতমানের বীজ। 
বীজ সংরক্ষণে সাহায্য নেওয়া হয় বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির। রাসায়নিক সার ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের মাত্রা বাড়ানো হচ্ছে। আগে যে জমিতে এক ধরনের ফসল হতো, বিজ্ঞানের সাহায্যে এখন সেখানে তিন ধরনের ফসল হয়। তবে আমাদের দেশের কৃষিকাজ এখনো সম্পূর্ণ যান্ত্রিক করা সম্ভব হয়নি। চাষাবাদে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের খাদ্য সমস্যা সমাধান করা যাবে, এটা নিশ্চিত বলা যায়।

কৃষিতে বিজ্ঞানের অবদান: অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো কৃষি কাজেও বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে। বর্তমানে কৃষি কাজে বিজ্ঞানের প্রয়োগ হওয়ায় কৃষির যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাষাবাদ পদ্ধতি এখন যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। আদিম লাঙল-মই প্রযুক্তি পরিহার করে বর্তমানে ট্রাক্টরের সাহায্যে অতি স্বল্প সময়ে, স্বল্প পরিশ্রমে অধিক পরিমাণ জমি চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে। তাই বলা যায়, কৃষি উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যবস্থায় বিজ্ঞান অবদান রাখছে।

(বাকি অংশ ৩য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।’-ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে পলাশীর প্রান্তরে শহিদ বীরদের আত্মদান যেন বৃথা না যায়, সে প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে। 
পরাজিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা রাজধানীতে এসে দরবারে সমবেত সাধারণ মানুষকে ধেয়ে আসা শত্রুদের মোকাবিলার কথা বলেন। প্রতিরোধ গড়তে তিনি জনগণকে সাহস নিয়ে শত্রুর সামনে দাঁড়াতে বলেন। কিন্তু জনতা সেই জাতীয়তাবাদী চেতনা ধারণ করতে পারেনি। তাই সবাইকে নবাব জানান, পলাশীর প্রান্তরে যে বীর সেনাপতিরা দেশের জন্য প্রাণ দিলেন, তারা তো চাইলেই পালাতে পারতেন। কিন্তু দেশকে ভালোবেসে তারা জীবন দিয়ে দেশের মাটি রঙিন করলেন। বীরের এই আত্মদান যেন ব্যর্থ না হয়। একবার দেশবাসী দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হলেই সব শত্রু পরাজিত হবে। পলাশীর শহিদদের আত্মদানের তাৎপর্য সাধারণ জনতা সেদিন বোঝেনি। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘ইনি কি নবাব, না ফকির?’- ক্লাইভের এ উক্তির কারণ ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে কর্নেল রবার্ট ক্লাইভের এ সংলাপে মীর জাফরের ব্যক্তিত্বহীনতা দেখে তার প্রতি এমন ব্যঙ্গাত্মক অনুভূতি ব্যক্ত হয়েছে। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর চুক্তিমতো নবাব হন বিশ্বাসঘাতক ও ক্ষমতালোভী প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খান। তার অভিষেকের দিন রাজদরবারে এসে তিনি সিংহাসনে না বসে সিংহাসনের হাতল ধরে কর্নেল ক্লাইভের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। ক্লাইভ না এলে তিনি বাংলার মসনদে বসবেন না। ইতোমধ্যে ক্লাইভ এসে মীর জাফরের এসব কথা শুনে বিস্মিত হন। বাংলার নবাব ফকিরের মতো সিংহাসন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন; অথচ তিনি তো পরাক্রমশালী হওয়ার কথা। আসলে ক্লাইভও বুঝে যান মীর জাফর সত্যিকার অর্থে অযোগ্য গর্দভ। ফলে ব্যঙ্গাত্মক কথায় তিনি নতুন নবাবকে অপমানও করেন; অবশ্য মীর জাফর সেটিও বোঝেননি। 

প্রশ্ন:  ‘মীর জাফর বেইমান নয়’- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে নতুন নবাব মীর জাফর আলী খানের এ সংলাপে ক্লাইভের প্রতি তার ব্যক্তিত্বহীন আনুগত্যের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। 
পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজের পরাজয় হলে বাংলার নবাব হন মীর জাফর। ইংরেজদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেই মীর জাফর ও তার সহচররা নবাব সিরাজের পরাজয় নিশ্চিত করেন। তাই তিনি নিজেকে বেইমান নয় আখ্যা দিয়ে ক্লাইভের হাত ধরে সিংহাসনে বসেন। এতে মীর জাফরের নৈতিকতা নয়; বরং অনৈতিক ও দুর্বল মানসিকতারই প্রকাশ ঘটেছে। কারণ, নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও দেশের সঙ্গে যে বেইমানি তিনি করেছেন তারপরও এমন কথা বলে তিনি নিজেকে হাস্যকর চরিত্রে পরিণত করেছেন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি। ছবি- সংগৃহীত

চতুর্থ অধ্যায় : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর 

১। জীবের প্রতিরূপ সৃষ্টির প্রক্রিয়ার নাম কী?
ক) স্পোর     খ) পরাগায়ন 
গ) জনন      ঘ) প্রজাতি

২। কোন প্রক্রিয়ায় কচুরিপানায় বংশবিস্তার ঘটে?
ক) ফসফেটের মাধ্যমে     
খ) গ্যামেটের মাধ্যমে 
গ) অফসেটের মাধ্যমে      
ঘ) স্পোরের মাধ্যমে

৩। প্রজনন প্রধানত কত প্রকার?
ক) ২ প্রকার     খ) ৩ প্রকার 
গ) ৪ প্রকার     ঘ) ৫ প্রকার

৪। অযৌন জনন কত ধরনের?
ক) ৫ ধরনের     
খ) ৪ ধরনের 
গ) ৩ ধরনের     
ঘ) ২ ধরনের

৫। কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচে শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে যে, কন্দের সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
ক) স্টোলন     খ) রাইজোম 
গ) বুলবিল      ঘ) টিউবার

আরো পড়ুন : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

৬। নিচের কোনটি রাইজোম?
ক) রসুন     খ) আদা 
গ) লাউ       ঘ) পেঁয়াজ

৭। পর-পরাগায়ন নিচের কোনটিতে দেখা যায়?
i. কুমড়া গাছে    
ii. পেঁপে গাছে
iii. শিমুল গাছে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) ii ও iii 
গ) i ও ii       ঘ) i, ii ও iii

৮। মিষ্টি আলুর প্রজনন ঘটে নিচের কোনটির মাধ্যমে?
ক) কাণ্ড     খ) পাতা 
গ) মূল        ঘ) পরবীজ

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৯ ও ১০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

সুমনা ফুলের এমন একটি অংশ দেখল, যেটি দেখতে সবুজ রঙের। এটি ফুলের অন্য অংশগুলোকে বিশেষত কুঁড়ি অবস্থায় রোদ, বৃষ্টি ও পোকা-মাকড় এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

৯। ওপরের উদ্দীপকে ফুলের কোন অংশের কথা বলা হয়েছে?
ক) দলমণ্ডল     খ) পুংকেশর 
গ) গর্ভকেশর     ঘ) বৃতি

১০। সম্পূর্ণ ফলে কয়টি অংশ থাকে? 
ক) ২টি     খ) ৩টি 
গ) ৪টি      ঘ) ৫টি

উত্তর: ১. গ, ২. গ, ৩. ক, ৪. ঘ, ৫. ঘ, ৬. খ, ৭. খ, ৮. গ, ৯. ঘ, ১০. ঘ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক 
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের পাঠ শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৯ : টুকটুক ও চিকু

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরসহ বাক্যটি লেখ।

গ. টুকটুক বিড়াল ছানাটির গা মুছিয়ে দিল—।
গামছা দিয়ে
কাপড় দিয়ে
জামা দিয়ে
তোয়ালে দিয়ে

উত্তর: টুকটুক বিড়াল ছানাটির গা মুছিয়ে দিল তোয়ালে দিয়ে।

ঘ. বিড়ালছানার নাম ‘চিকু’ রেখেছে—।
রাতুল
নীলা
টুকটুক
মা

উত্তর: বিড়ালছানার নাম ‘চিকু’ রেখেছে টুকটুক।

ঙ. চড়ুইভাতির আয়োজন করল—।

টুকটুক ও নীলা
টুকটুক, রাতুল ও নীলা
রাতুল ও নীলা
টুকটুক ও রাতুল

উত্তর: চড়ুইভাতির আয়োজন করল টুকটুক, রাতুল ও নীলা।

আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: কোন বাক্যে বিবরণ, প্রশ্ন, বিস্ময় বোঝাচ্ছে তা ডান পাশে লেখ।

ক. আগামীকাল থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু। 
খ. ভয় পেয়েছ? 
গ. অনেক কিছু শিখে গেলে। 
ঘ. টুকটুক ওর নাম রাখল ‘চিকু’। 
ঙ. সত্যি, মাগো! 
চ. কেন পারবি না? 

উত্তর: ক. আগামীকাল থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু। — বিবরণ
খ. ভয় পেয়েছ? — প্রশ্ন
গ. অনেক কিছু শিখে গেলে। — বিবরণ
ঘ. টুকটুক ওর নাম রাখল ‘চিকু’। — বিবরণ
ঙ. সত্যি, মাগো! — বিস্ময়
চ. কেন পারবি না? — প্রশ্ন

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর