দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রসিডেন্ট ইউন সুক রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে সোমবার ( ১৪ এপ্রিল) প্রথম ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি হবেন। গত বছরের ডিসেম্বরে তার স্বল্পস্থায়ী সামরিক আইন জারি গণতান্ত্রিক দেশটিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেয়।
৬৪ বছর বয়সী ইউন গত বছরের ৩ ডিসেম্বর রাজনৈতিক কার্যকলাপ স্থগিত এবং মিডিয়ার উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে দেশে সামরিক শাসন আরোপের চেষ্টা করেন। যদিও দেশটির সাংসদে বিরোধীদলের বিপুল ভোটে মাত্র ছয় ঘন্টা স্থায়ী এই ডিক্রিটি বাতিল করে দেন।
এই বিপর্যয়কর প্রচেষ্টার ফলে দেশটির জাতীয় পরিষদ ইউনের অভিশংসন শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবিধানিক আদালত ৪ এপ্রিল তাকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে সম্পূর্ণরূপে বরখাস্ত করে।
এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটি প্রাথমিক শুনানির সময়, ইউনের আইনজীবীরা দাবি করেন ইউনের আটক পদ্ধতিগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আদালতসেই যুক্তি গ্রহণ করে তাকে গ্রেপ্তারের ৫২ দিন পর মুক্তি দেয়।
এরপর জানুয়ারিতে এক অভিযানে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসের প্রথম স্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দোষী সাব্যস্ত হলে, ইউন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এমনকি মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তির সম্মুখীন হতে পারেন।
এদিকে ইউনের অপসারণের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া একটি আগাম নির্বাচনের জন্য ৩ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হান ডাক-সু দেশটি পরিচালনা করছেন। সূত্র: আরন নিউজ
সুলতানা দিনা