ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইংল্যান্ডের ফুটবল ও বুট চুরি করল কে? গণমাধ্যম সংস্কারে 'ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন' গঠনের তাগিদ মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ইউপি কার্যালয়ে চুরি শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গাড়ি ভেঙে ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, গ্রেপ্তার ২ কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিন শুধু সংখ্যা বাড়াতে বিশ্বকাপে আসেনি হাইতি বোয়ালমারীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা যদি এই ছবিগুলো আপনি না দেখে থাকেন শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.)-এর চুল মোবারক? কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির পরমাণু সুড়ঙ্গে মাইন পুঁতেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের দাবি কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনর্খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত যেভাবে ট্রিলিয়নিয়ার হলেন মাস্ক এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট দুর্ঘটনার তদন্তে আরও সময় লাগবে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা যুক্তরাষ্ট্রের দুপুরের মধ্যে ১১ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা ইরানের অবরুদ্ধ তহবিল ছাড়ে সম্মত হয়েছে আরব আমিরাত! ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল
Nagad desktop

নদীদূষণে হুমকির মুখে জনজীবন

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
নদীদূষণে হুমকির মুখে জনজীবন

শিল্পায়ন, নগরায়ণ ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নদী ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার কারণে নদীগুলো ক্রমেই স্বাভাবিক রূপ হারাচ্ছে। দেশের নদীমাতৃক পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় জলজ পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য ও সামগ্রিক অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়ছে। ঢাকাসহ দেশের নদীগুলোতে দূষণের মাত্রা আজ বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। দূষণের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য, ট্যানারি ও ডাইং কারখানার রাসায়নিক পদার্থ, পলিথিন, গৃহস্থালি এবং হাসপাতালের বর্জ্য। নদীগুলোতে মাইক্রো-প্লাস্টিকের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে বেশি। যেমন- টঙ্গী খালে প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৬০ হাজারেরও বেশি মাইক্রো-প্লাস্টিক কণিকা পাওয়া গেছে, যা বহু আন্তর্জাতিক নদীর তুলনায় অনেক বেশি। ঢাকার বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ের পানিতে গড়ে প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৩৬ হাজার মাইক্রো-প্লাস্টিক কণিকা রয়েছে। ঢাকার আশপাশের নদীগুলো দূষণের সংখ্যাগরিষ্ঠ উৎস শিল্প waste outlets প্রায় ১০২৪টি পর্যন্ত বেড়েছে, যেখানে আগে ছিল ৬০৮টি। নদীনির্ভর মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হওয়ায় জেলেদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে। কৃষিকাজে দূষিত পানি ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা কমে যাচ্ছে এবং খাদ্যচক্রে বিষাক্ত উপাদান প্রবেশের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে নদীর জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন থাকলেও দুর্বল তদারকি ও প্রভাবশালী মহলের চাপের কারণে দূষণকারীরা প্রায়ই দায়মুক্তি পেয়ে যাচ্ছে। নদী রক্ষায় কঠোর আইন প্রয়োগ করা জরুরি। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ সংকট আরও গভীর হবে, যার দায় এড়ানোর সুযোগ কারও থাকবে না।

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর ইসলাম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ পদক্ষেপ চাই

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ পদক্ষেপ চাই

গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে একই দিনে ছয়জন নবজাতকের মৃত্যু হয়। এটাকে অঘটন বলার কোনো সুযোগ নেই। অবশ্যই হাসপাতালের ত্রুটির জন্যই হয়েছে। কিন্তু এই ত্রুটি তো একদিনে হয়নি। ধীরে ধীরে ত্রুটি ছোট থেকে বড় হয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এটা অবশ্যই দায়িত্বের প্রতি অবহেলা ছিল। কিন্তু কেন? যেখানে মানুষের জীবন-মৃত্যুর লড়াই, সেখানে অবহেলা কেন? এর দায় যে শুধু হাসপাতালের, তা নয়। এর দায় রাষ্ট্রেরও। বাংলাদেশে ১৫ হাজার বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ৬ হাজারের কাছাকাছি নিবন্ধিত। এ ছাড়া এগুলোর বড় অংশরই লাইসেন্স নবায়ন নেই। তাহলে স্বাস্থ্য খাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাজ কী? নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দায়িত্ব এসব তদারকি করা। কিন্তু লাইসেন্স প্রদান করাই যখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ, তখন এভাবে মানুষের মৃত্যু হওয়াটা স্বাভাবিক। দেশে বর্তমান বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দেশে যত্রতত্র ক্লিনিক। এসব ক্লিনিকে কি আদৌ যথাযথ সেবা নিশ্চিত হয়? হয় না। এসব ক্লিনিকের রিপোর্টও যথাযথ হয় না। ফলে ভুল চিকিৎসা হওয়া স্বাভাবিক। এর শিকার দেশের অশিক্ষিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী। সরকারের স্বাস্থ্যনিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত সরকারিসহ, বেসরকারি হাসপাতালের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। সেই সঙ্গে দেশের ক্লিনিক ব্যবসার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া। যেখানে মানুষের বাঁচা-মরার লড়াই, অন্তত সেই জায়গায় উপযুক্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। 

মোজাহিদ হোসেন  
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

প্রিপেইড মিটার: প্রযুক্তির অগ্রগতি নাকি নতুন জনভোগান্তি?

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
প্রিপেইড মিটার: প্রযুক্তির অগ্রগতি নাকি নতুন জনভোগান্তি?

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা মানুষের জীবন সহজ করার কথা। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় সেই প্রযুক্তিই সাধারণ মানুষের জন্য নতুন দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রিচার্জে প্রায় ২০০ ডিজিটের দীর্ঘ টোকেন নম্বর চালু হওয়ার ঘটনায় এমন বাস্তবতাই সামনে এসেছে। এতদিন গ্রাহকরা মাত্র ২০ ডিজিটের টোকেন নম্বর ব্যবহার করে সহজেই প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করতে পারতেন। কিন্তু নতুন ট্যারিফ বা বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের পর অনেক গ্রাহকের মোবাইলে প্রায় ২০০ ডিজিটের টোকেন নম্বর পাঠানো হচ্ছে। দীর্ঘ এই নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই খাতায় নম্বর লিখে ধীরে ধীরে মিটারে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছেন। কেউ আবার অন্যের সহায়তা নিচ্ছেন। প্রশ্ন হলো–প্রযুক্তি কি মানুষের কাজ সহজ করার জন্য, নাকি নতুন জটিলতা তৈরির জন্য?
দেশের বড় একটি জনগোষ্ঠী এখনো প্রযুক্তি ব্যবহারে পুরোপুরি দক্ষ নয়। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষের জন্য ২০০ ডিজিটের নম্বর টাইপ করা অত্যন্ত কঠিন। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব পদ্ধতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, ভবিষ্যতে স্ক্যানিং, অ্যাপভিত্তিক আপডেট কিংবা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু করা জরুরি। কারণ প্রযুক্তির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের ভোগান্তি কমানো, বাড়ানো নয়।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে। তাই দ্রুত কার্যকর ও সহজ সমাধান নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ 
লেখক ও জনকল্যাণ বিশ্লেষক
[email protected]

ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম
ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক

সময়ের পরিক্রমায় ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল আমাদের অতি সন্নিকটে। স্বাগতিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের এ জমকালো আয়োজন। আগের আসরগুলোতে ৩২টি দল খেললেও এবারই প্রথম ৪৮টি সেরা দল ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে। ১৬টি শহরের ১৬টি স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে সর্বমোট ১০৪টি ম্যাচ। শিরোপার সোনার হরিণকে হাতের মুঠোয় আনতে চূড়ান্ত পারফরম্যান্সে টিকে থেকে মাঠে নামবেন বিশ্বের বাঘা বাঘা খেলোয়াড়রা। দর্শক-সমর্থকরা আকাঙ্ক্ষার পারদ তুঙ্গে নিয়ে মাঠে এবং স্ক্রিনে তাদের প্রিয় তারকাদের খেলা দেখবে। বাংলাদেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে এই জমকালো আয়োজন নিয়ে মাতামাতি, বাজি এবং সর্বোপরী উৎসাহ-উদ্দীপনা একটু বেশিই পরিলক্ষিত হয়। কখনো কখনো অপ্রীতিকর ঘটনারও সাক্ষী আমরা হয়েছি এই দুই হটডগের সমর্থনকে কেন্দ্র করে। দেশের প্রগতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার সুবিধার্তে ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখার বিনীত অনুরোধ রইল প্রশাসন ও সমর্থকদের প্রতি।

হারুন অর রশীদ 
পূর্ব নলছিয়া, বিনোদটঙ্গী, মাদারগঞ্জ, জামালপুর
[email protected]

বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয়

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয়

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে প্রতিবারের মতো এবারেও আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একপ্রকার উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনা শুরু হয়েছে। বিনোদন হিসেবে ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের মাঝে এক অপার আনন্দ বয়ে আনে। কিন্তু দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, প্রতিবছরই বিশ্বকাপ উন্মাদনা দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গাছের মগডালে, কিংবা ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ ছাদে প্রিয় দলের পতাকা টানাতে গিয়ে এ বছর ইতোমধ্যেই দুর্ঘটনায় কয়েকজনের প্রাণ গেছে। বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছে একজন। এ ছাড়া বিভিন্ন দলের সমর্থকরা বিতর্ককে ঘিরে সংঘর্ষে জড়ায়। এর ফলে দেশের নানা জায়গায় আহত ও নিহতের ঘটনা শোনা যায়। বিশ্বকাপ ঘিরে এমন রেষারেষি পরিচিতদের মধ্যেও অনেক সময় বিরোধ তৈরি করে, যা এক ধরনের সামাজিক ক্ষতি। সর্বোপরি, আসন্ন বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় এবং কোনো সামাজিক ক্ষতি না করে, সে ব্যাপারে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

মো. জাহিদ হাসান
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 
[email protected]

টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব

আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে টেলিমেডিসিন স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ভৌগোলিক দূরত্ব কমিয়ে ঘরে বসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার এই প্রযুক্তিগত পদ্ধতি বর্তমানে অত্যন্ত অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এটি টেলিকমিউনিকেশন এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রোগীর চিকিৎসা এবং সেবাদানের একটি উন্নত ডিজিটাল চিকিৎসাসেবা পদ্ধতি। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব অপরিসীম। মহামারির সময় চিকিৎসার সেরা বিকল্প টেলিমেডিসিন। করোনা রোগী হাসপাতালের চেয়ে বেশি সেবা পেয়েছে এই বিকল্প পন্থায়। করোনা ছড়িয়ে পড়া রোধে এটি একটি সফল মাধ্যম ছিল। একই সঙ্গে এটি শুধু বর্তমানেই নয়, ভবিষ্যতেও এর চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে। মূলত, টেলিমেডিসিনে ভিডিও কল, ফোন কল বা মেসেজিংয়ের মাধ্যমে রোগী ও ডাক্তারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। এভাবে চিকিৎসক ও রোগী শারীরিকভাবে একই স্থানে না থেকেও যোগাযোগ করতে পারে এবং চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারে। চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ভিডিও কনফারেন্স বা অনলাইনের বিভিন্ন কলিং সফটওয়্যার যেমন–হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো প্রভৃতি। টেলিমেডিসিন সেবা খুব শিগগিরই স্বাস্থ্যসেবার আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে। আমাদের এই বিশ্বে চিকিৎসার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সার্থক অবদান রয়েছে। এই তথ্যপ্রযুক্তিগুলো ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড, টেলিহেলথ সার্ভিস, মোবাইল টেকনোলজির ব্যবহার বৃদ্ধি করেছে। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে যোগাযোগের সময় রোগীর ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইন মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। সুতরাং এই তথ্যগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি থাকে।

মো. জাহিদুল ইসলাম 
নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান (আইসিটি সেল), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
[email protected]