ঢাকা ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪
Khaborer Kagoj

সুপ্রিম কোর্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের ভোট ২৮ ডিসেম্বর

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:৩৮ পিএম
সুপ্রিম কোর্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের ভোট ২৮ ডিসেম্বর
ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাচন-২০২৪ এর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ইতোমধ্যে ট্রাস্টের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসাইনের স্বাক্ষরিত নোটিশ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন সিনিয়র বিচারপতি এ কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতির দায়িত্বে থাকেন। এর বাইরে সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্যরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভোটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, দপ্তর সম্পাদক, কল্যাণ সম্পাদক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, নারী (মহিলা) সম্পাদক, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও ১১জন নির্বাহী সদস্যসহ মোট ১৯ পদে নির্বাচিত হবেন।

ট্রাস্টে এবার ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৬৬৯ জন। তবে, যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত তাদেরকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

ঢাকা বার নির্বাচনে ২১ পদে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের জয়

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ১১:৪৮ এএম
ঢাকা বার নির্বাচনে ২১ পদে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের জয়
সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবদুর রহমান হাওলাদার (বাঁয়ে), সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাহাদাত শাওন।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির (বার) ২০২৪-২৫ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সম্পাদকীয় সব পদসহ ২১টি পদে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সাদা প্যানেল জয়লাভ করেছে। মোট ২৩টি পদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্যের নীল প্যানেল বাকি ২টি পদে জয়লাভ করেছে। 

গত বুধ ও বৃহস্পতিবার (২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি) টানা দুই দিনে এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়।

নির্বাচনে সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সাদা প্যানেলের আবদুর রহমান হাওলাদার এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আনোয়ার সাহাদাত শাওন জয়লাভ করেছেন। 

শুক্রবার (১ মার্চ) ভোট গণনা শেষে রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মোখলেছুর রহমান বাদল নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফল অনুসারে সম্পাদকীয় ১১টি পদের সবগুলোতে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সাদা প্যানেলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। তাদের মধ্যে সিনিয়র সহসভাপতি পদে আবুল কালাম মোহাম্মাদ আক্তার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. ওমর ফারুক, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক পদে মাসরাত আলী, সহসাধারণ সম্পাদক পদে আসাদুজ্জামান, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে হুমায়ুন কবির, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মনিরা বেগম, অফিস সম্পাদক পদে সরোয়ার জাহান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে প্রদীপ চন্দ্র সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. ওয়াকিলুর রহমান এবং নতুন পদ তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে সৈয়দা ফরিদা ইয়াছমিন (জেসি) জয়লাভ করেছেন।

আর ১০টি সদস্য পদের মধ্যে ৮টিতে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সাদা প্যানেলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। বাকি দুটিতে বিএনপি-জামায়াতপন্থি নীল দলের প্যানেলের প্রার্থী জয় লাভ করেন। সাদা প্যানেল থেকে কার্যকরী সদস্যপদে জয়ীরা হলেন হাফিজ আল মামুন, শাহীন আহমেদ রুপম, মো. ইমরান হাসান, কাজী হুমায়ুন কবির, এমদাদুল হক, মাহমুদুল হাসান, সুমন আহমেদ ও আব্দুর রহমান মিয়া। আর নীল প্যানেল থেকে জয়ীরা হলেন মো. আনোয়ার হোসেন চাঁদ ও গাজী তানজিল আহমেদ।

নির্বাচনে ২১ হাজার ২০৮ ভোটারের মধ্যে ৯ হাজার ৬৯০ জন ভোট দেন। অর্থাৎ ভোট পড়েছে ৪৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। 

মাহমুদুল/সালমান/

ড. ইউনূসকে ৫০ কোটি টাকা কর জমা দিয়ে আপিল করতে হবে

প্রকাশ: ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:৩৭ পিএম
ড. ইউনূসকে ৫০ কোটি টাকা কর জমা দিয়ে আপিল করতে হবে
আদালত চত্বরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টকে ৫০ কোটি টাকা জমা দিয়ে ২০১১ থেকে ২০১৩ করবর্ষের আয়কর আপিল দায়ের করার নির্দেশ দিয়ে রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের স্বাক্ষরের পর ২৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।  

এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টকে ৫০ কোটি টাকা জমা দিয়ে ২০১১ থেকে ২০১৩ করবর্ষের আয়কর আপিল দায়ের করার নির্দেশ দেন হাইকোর্টের এই ডিভিশন বেঞ্চ।

২০২০ সালের নভেম্বরে ২০১১ থেকে ২০১৩ দুই বছরের প্রায় ২৫০ কোটি টাকা আয়কর দাবি করে গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টকে নোটিশ পাঠায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। গ্রামীণ টেলিকম এই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের শুনানি নিয়ে নোটিশ কেন বেআইনি বলা হবে না- এ প্রশ্নে রুল জারি করেন উচ্চ আদালত।

এ বিষয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার তাহমিনা পলি জানান, ২০২০ সালের নভেম্বরে ২০১১ থেকে ২০১৩ দুই বছরের প্রায় ২৫০ কোটি টাকা আয়কর দাবি করে গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টকে নোটিশ পাঠায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনিবিআর)। এরপর এনবিআরের কাছে গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্ট অর্থ নেই বলে মওকুফ চায়। ওই আবেদন এনবিআর নাকচ করার পর তারা আয়করের টাকা মওকুফ চেয়েছিলেন। কিন্তু তখন তাদের একটি অ্যাকাউন্টেই প্রায় ৩৫০ কোটি থেকে ৪০০ কোটি টাকার মতো ছিল। কিন্তু অ্যাকাউন্টে অর্থ রয়েছে জানিয়ে এনবিআর অর্থ চেয়ে নোটিশ করে। কিন্তু গ্রামীণ টেলিকম সেই নোটিশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করে। রিটের শুনানি নিয়ে নোটিশ কেন বেআইনি বলা হবে না, এ নিয়ে রুলও জারি করেন আদালত। 

এরপর গত তিন বছরে বিভিন্ন আদালত ঘুরে মামলাটি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে আসে। সেটি শুনানি শেষে গ্রামীণ টেলিকমের রিট আবেদন খারিজ করেন উচ্চ আদালত। সেই সঙ্গে গ্রামীণ টেলিকমকে আদেশ দেন নিয়ম অনুযায়ী দাবি করা আয়করের ২৫ শতাংশ টাকা আগে জমা দিয়ে এরপর এনবিআরের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে। সূত্র : বাসস

সালমান/

 

যবিপ্রবির ‘লিফটকাণ্ড’ তদন্তে দুদক ও ইউজিসিকে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশ: ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৪১ এএম
যবিপ্রবির ‘লিফটকাণ্ড’ তদন্তে দুদক ও ইউজিসিকে হাইকোর্টের নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) আলোচিত ‘লিফটকাণ্ড’ তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল করিমের করা রিট পিটিশনে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসাইন এই নির্দেশ দেন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রিটের সার্টিফাইড কপি পেয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী মোস্তফা গোলাম কিবরিয়া।

এর আগে গত বছর মে মাসে যবিপ্রবিতে ১৪টি লিফট স্থাপন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। সাড়ে ১০ কোটি টাকার এই কাজে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দরপত্রের একাধিক শর্ত লঙ্ঘন করে লিফটের মালামাল সরবরাহ করা হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম ছিল, ‘মেশিনরুম টাইপ’-এর পরিবর্তে ‘মেশিনরুম লেস টাইপ’ লিফট সরবরাহ। দরপত্র অনুযায়ী সরবরাহ করা লিফট তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘নন কমপ্লাই’ উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেয় লিফট বুঝে নেওয়া কমিটি। 

মামলার বাদী ঝিকরগাছা উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল করিম জানান, যবিপ্রবিতে ১৪টি লিফট স্থাপন নিয়ে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। দুর্নীতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং লিফটের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট তার রিট পিটিশনের তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।

বাদীর আইনজীবী মোস্তফা গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘যবিপ্রবিতে ‘মেশিনরুম টাইপ’ লিফট স্থাপনের দরপত্র আহ্বান করা হলেও সেখানে ‘মেশিনরুম লেস টাইপ’ লিফট কেনা হয়েছে। এখানে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ থাকায় হাইকোর্ট রিটটি আমলে নিয়েছেন। হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসাইন গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত আদেশ দিয়েছেন।’ 

এ আদেশে দুদককে সুষ্ঠু তদন্ত করে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে  বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ইউজিসির উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

যবিপ্রবির লিফট বুঝে নেওয়া কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গালিব বলেন, ‘লিফট স্থাপন নিয়ে হাইকোর্টে রিটের বিষয়টি শুনেছি। তবে রুলের কোনো কপি এখনো পায়নি। কপি পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এ ব্যাপারে যবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশনাসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র এখনো হাতে পায়নি।’

ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৩০ পিএম
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ চলছে
ছবি : খবরের কাগজ

ঢাকা আইনজীবী সমিতির (২০২৪-২৫) কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। টানা দুই দিন চলবে ভোটগ্রহণ। 

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৯টায়। মাঝে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। দ্বিতীয় ও শেষদিন বৃহস্পতিবারও (২৯ ফেব্রুয়ারি) একইভাবে ভোটগ্রহণ হবে।

নির্বাচনে সরকারি দল আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যথাক্রমে আবদুর রহমান হাওলাদার ও মো. আনোয়ার শাহাদাত। আর বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে এই দুই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যথাক্রমে খোরশেদ মিয়া আলম ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

সাদা প্যানেলের অন্যান্য পদের প্রার্থীদের মধ্যে আছেন সিনিয়র সহসভাপতি পদে আবুল কালাম মোহাম্মাদ আক্তার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. ওমর ফারুক, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক পদে মাসরাত আলী, সহসাধারণ সম্পাদক পদে আসাদুজ্জামান, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে হুমায়ুন কবির, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মনিরা বেগম, অফিস সম্পাদক পদে সরোয়ার জাহান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে প্রদীপ চন্দ্র সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. ওয়াকিলুর রহমান এবং নতুন পদ তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে সৈয়দা ফরিদা ইয়াছমিন জেসি।

আর নীল প্যানেলে অন্যান্য পদের প্রার্থীদের মধ্যে আছেন সিনিয়র সহসভাপতি পদে আবদুর রাজ্জাক, সহসভাপতি পদে সহিদুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ পদে আবদুর রশীদ মোল্লা, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক পদে জহিরুল হাসান, সহসাধারণ সম্পাদক পদে সৈয়দ মো. মইনুল হোসেন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মাহবুব হাসান, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে নার্গিস পারভীন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নূরজাহান বেগম, দপ্তর সম্পাদক পদে আনোয়ারুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মোবারক হোসেন এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে মো. মাজহারুল ইসলাম। 

মাহমুদুল/সালমান/

বায়তুল মোকাররম এলাকায় সমাবেশ বন্ধের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৪১ পিএম
বায়তুল মোকাররম এলাকায় সমাবেশ বন্ধের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় রাজনৈতিক মিছিল, বিক্ষোভ-সমাবেশ বন্ধের আবেদন নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ।  

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, সাধারণ মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় রাজনৈতিক মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ বন্ধ করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গত ৭ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেন আবদুল্লাহ আল মামুন কৌশিক নামের এক ব্যক্তি। আবেদন নিষ্পত্তি না করায় পরে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের শুনানি নিয়ে বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় রাজনৈতিক মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ বন্ধ চেয়ে করা আবেদন ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন। শুনানিতে রিটের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সানোয়ার হোসেন।