ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৭:৩৪ পিএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ০৭:৩৪ পিএম
কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ
প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান

দেশে কিশোর গ্যাং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তিনি বলেছেন, “সমাজে বেপরোয়া ‘কিশোর গ্যাং’ নিয়ে খবর হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শিশুকে শিশু বললেই হবে না। এরা অপরাধে জড়িয়েছে। অপরাধের ধরন পাল্টেছে। আগের সেই সামাজিক অবস্থা এখন নেই। তাই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উন্নয়ন (ক্রাইম কন্ট্রোল ম্যাকানিজম ডেভেলপ) করতে হবে।’ 

মঙ্গলবার (২১ মে) আলোচিত আশিকুর রহমান অপু হত্যা মামলার আপিলের শুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন। 

এ সময় বেঞ্চের অপর তিন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। শুনানিতে আসামিদের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সারোয়ার আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

২০০৮ সালের ২৩ মে সন্ধ্যায় রাজধানীর সূত্রাপুর থানার ৪/১ ওয়ারী হেয়ার স্ট্রিটের বাসা থেকে সন্ত্রাসীরা অ্যাডভোকেট রইস উদ্দিনের ছেলে ও আশিকুর রহমান খান অপুর ভাই আরিফুর রহমান খান সেতুকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মারতে মারতে স্থানীয় সিলভারডেল স্কুলের মাঠে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আশিকুর রহমান খান অপু ও আতিকুর রহমান খান বাপ্পী সেখানে গেলে সন্ত্রাসীরা তাদের এলোপাতাড়ি গুলি করে। এরপর তিন ভাইয়ের মৃত্যু নিশ্চিত মনে করে সন্ত্রাসীরা গুলি করতে করতে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তিন ভাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক অপুকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর দুই ভাই বেঁচে গেলেও চিরতরে পঙ্গু হয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের বোন আতিয়া খান কেয়া বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে মাহবুব আলম ও বিপ্লব পলাতক। বাকিরা জেলহাজতে।

পরে ২০১২ সালের ১৩ মার্চ আশিকুর রহমান খান অপু হত্যা মামলায় দুই আসামিকে ফাঁসি ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় দেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন আসামিরা।

শুনানি শেষে ২০১৮ সালের মে মাসে আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকে খালাস এবং অপর দুই আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি হাইকোর্ট। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন মঞ্জুরুল আবেদীন রাসেল ও নওশাদ হোসেন মোল্লা রবিন। এরপর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা। একই সঙ্গে খালাসপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০২:০২ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৩৯ পিএম
মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া মো. মতিউর রহমানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তার স্ত্রী নরসিংদীর রায়পুরার উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ ও তাদের ছেলে আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবের বিদেশযাত্রায়ও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৪ জুন) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এই আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন আদালত।

সম্প্রতি ছাগলকাণ্ডের পর মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে কয়েক শ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য সামনে আসে।

গত ২০ বছরে দুদকের অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেয়েছেন মতিউর। ২০০৪, ২০০৮, ২০১৩ ও ২০২১ সালে এই চারটি অনুসন্ধান হয়। তবে এই চার দফা অনুসন্ধানের পর দায়মুক্তি দেয় দুদক। পুরোনো এসব নথি খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নথি পাওয়া গেলে সেসব অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউরের অবৈধ সম্পদের তথ্য-উপাত্ত গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার আগেই তার বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে অবৈধ সম্পদ, হুন্ডি, আন্ডার ইনভয়েসিং ও ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৪ জুন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্তের প্রায় ২০ দিন পর উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়। টিমের অন্য দুই সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক মাহমুদ হোসেন ও উপসহকারী পরিচালক সাবিকুন নাহার। 

কমিটি গঠনের চিঠি পেয়েই মতিউরের অর্থ-সম্পদের তথ্য চেয়ে সারা দেশে ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চিঠি তৈরি করেছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তারা। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। আজ সোমবার এই চিঠি পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

মাহমুদুল আলম/অমিয়/

প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৪ কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:২৪ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:২৪ পিএম
প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৪ কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

প্রিমিয়ার ব্যাংকের চার কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন আদালত। কর্মকর্তারা হলেন ব্যাংকটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও নারায়ণগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. শহিদ হাসান মল্লিক, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নারায়ণগঞ্জ শাখার দ্বিতীয় কর্মকর্তা মুশফিকুল আলম, ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনচার্জ দীপক কুমার দেবনাথ ও ক্রেডিট ইনচার্জ মোহাম্মদ মেহেদী হাসান সরকার। তিন হাজার কোটি টাকার ভুয়া ঋণ মঞ্জুর করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের অনুসন্ধানের মধ্যে এই নির্দেশ দিলেন আদালত।

রবিবার (২৩ জুন) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আস্সামছ জগলুল হোসেনের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে এই নির্দেশ দেন।

আদালত থেকে বের হওয়ার পর কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

পিপি জানান, দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটির উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান আবেদনে উল্লেখ করেন, ব্যাংকটির নারায়ণগঞ্জ ও প্রধান কার্যালয়ের কতিপয় বিভাগের কর্মকর্তার যোগসাজশে ব্যাক টু ব্যাক এলসি সুবিধার আড়ালে জাল-জালিয়াতি, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪৩টি সন্দেহভাজন তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ভুয়া ঋণ মঞ্জুর করে আত্মসাৎসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সম্পৃক্ত ধারায় অপরাধ করার অভিযোগ অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে। জানা গেছে, অভিযোগসংশ্লিষ্টরা অর্থ পাচার ও দেশত্যাগের পরিকল্পনা করছেন। এ কারণে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা একান্ত প্রয়োজন। 

ছুটি কাটিয়ে চালু হলো বন্ধন এক্সপ্রেস

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৩:৩৪ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৩:৪৮ পিএম
ছুটি কাটিয়ে চালু হলো বন্ধন এক্সপ্রেস
ছবি : খবরের কাগজ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

রবিবার (২৩ জুন) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বন্ধন ট্রেনটি কলকাতা থেকে বেনাপোল স্টেশনে পৌঁছায়। পরে বেনাপোল স্টেশন থেকে ট্রেনটি খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, বন্ধন এক্সপ্রেস কলকাতা থেকে বাংলাদেশের খুলনা শহরের মধ্যে সপ্তাহে দুদিন চলাচল করে। ঈদুল আজহায় আন্তর্জাতিক রুটেরএই ট্রেনটি ১৬ ও ২০ জুন বন্ধ ছিল। প্রতিবছরই এ সময় ট্রেনটি চলাচল বন্ধ থাকে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম জানান, ঈদ উপলক্ষে বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুদিন বন্ধ ছিল। আজ থেকে আবার চালু হলো। যাত্রীরা যাতে দ্রুত গন্তব্যে যেতে পারেন, সেজন্য পুলিশ সদস্যরা আন্তরিক হয়ে কাজ করছে। তবে এই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও সড়কপথে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক ছিল। 

বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার সাইদুজ্জামান জানান, বন্ধন এক্সপ্রেস ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে গত ১৬ ও ২০ জুন এই দুই দিন বন্ধ ছিল। বন্ধের পর রবিবার আবার চালু হলো। সপ্তাহে রবিবার ও বৃহস্পতিবার দুদিন এ রুটে বন্ধন ট্রেনটি চলাচল করে।

নজরুল ইসলাম/জোবাইদা/অমিয়/

নারায়ণগঞ্জে যৌতুকের মামলায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কারাগারে

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৪, ০৯:৫৫ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৪, ০৯:৫৫ পিএম
নারায়ণগঞ্জে যৌতুকের মামলায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কারাগারে
মাকসুদ হোসেন

স্ত্রীর করা যৌতুকের মামলায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ উম্মে সরাবন তহুরা এ আদেশ দেন। 

এর আগে মাকসুদ হোসেন আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করেন আদালত। জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেন গত ৮ মে বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। গত ১১ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিবউদ্দিন আহমেদ জানান, গত ২৩ এপ্রিল মাকসুদের দ্বিতীয় স্ত্রী সুলতানা বেগম যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত মামলা রেকর্ড করে বিষয়টি তদন্তের জন্য বন্দর থানাকে নির্দেশ দেন। পরদিন বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি রেকর্ড হয়।

আ.লীগ নেতা টিপু হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৪, ০৮:৫৮ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৪, ০৮:৫৮ পিএম
আ.লীগ নেতা টিপু হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু

আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতি হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ তালুকদারসহ ৩৩ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আলী হোসাইনের আদালতে নিহত টিপুর স্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। সাক্ষ্য শেষে তাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। এ দিন তার জেরা শেষ না হওয়ায় পরবর্তী জেরার ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৮ জুলাই দিন ধার্য করেন আদালত।

২০২২ সালের ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে শাহজাহানপুরে ইসলামী ব্যাংকের পাশে বাটার শোরুমের সামনে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা সামিয়া আফরান প্রীতি (১৯) নামে এক কলেজছাত্রীও নিহত হন। এ ছাড়া টিপুর গাড়িচালক মুন্না গুলিবিদ্ধ হন। ওইদিন রাতেই শাহজাহানপুর থানায় নিহত টিপুর স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।

২০২৩ সালের ৫ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ইয়াসিন শিকদার ৩৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তদন্তে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলে। তবে এক্সেল সোহেল নামে এক আসামির পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় অব্যাহতির আবেদন করা হয়। এ ক্ষেত্রে বিচারের জন্য ৩৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আলী হোসাইন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। খবর বাসসের।