ঢাকা ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, রোববার, ২৬ মে ২০২৪

সাংবাদিক আতিকুর রহমানের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১৭ পিএম
সাংবাদিক আতিকুর রহমানের দাফন সম্পন্ন
ভোরের কাগজ পত্রিকার যুগ্ম বার্তা সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান হাবিব। ছবি : সংগৃহীত

ভোরের কাগজ পত্রিকার যুগ্ম বার্তা সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান হাবিব ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি..... রাজিউন)। গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার গারট্ট গ্রামে চতুর্থ জানাজা শেষে পারিবারিক করস্থানে তাকে দাফন করা হয়। 

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর।   

কর্মস্থল ভোরের কাগজ কার্যালয়ে দুপুর ১২টায় আতিকুর রহমানের প্রথম জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধার আয়োজন করা হয়। এরপর দুপুরে পর্যায়ক্রমে জাতীয় প্রেসক্লাব ও ডিআরইউ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় ও তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), টাঙ্গাইল জেলা সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশ সাব-এডিটর কাউন্সিলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শেষ শ্রদ্ধা জানান। 

জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিকেলে তার মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার গারট্ট গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চতুর্থ জানাজা শেষে পারিবারিক করস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, মা, তিন ভাই, দুই বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।  

সাংবাদিক আতিকুর রহমান ১৯৭৬ সালে টাঙ্গাইলে জন্মগ্রহণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলায় স্নাতক সম্পন্ন করেন। সেখানে অধ্যয়নকালে দৈনিক আলআমিন পত্রিকায় যোগদানের মাধ্যমে তার সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি। পরে দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক দিনের শেষে ও দৈনিক আজকালের খবর পত্রিকায় এবং বিগত ১০ বছর ধরে তিনি দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকায় কাজ করছিলেন।  
 
এলিস/এমএ/

সাংবাদিক ফরিদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে ক্র্যাবের আলটিমেটাম

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৪, ০৮:৫৪ পিএম
সাংবাদিক ফরিদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে ক্র্যাবের আলটিমেটাম
ছবি : খবরের কাগজ

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য ও দৈনিক যুগান্তরের অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদক ইকবাল হাসান ফরিদের ওপর কেমিক্যাল হামলাকারী দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আগামী ৭ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দিয়েছে ক্র্যাব।

রবিবার (৫ মে) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) চত্বরে ক্র্যাব আয়োজিত মানববন্ধন থেকে ওই আলটিমেটাম দেওয়া হয়।

এদিকে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত এ মামলার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। মামলাটি থানা থেকে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। ডিবি কাজ শুরু করেছে।

মানববন্ধনে ক্র্যাব সভাপতি কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করুন। না হলে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ অন্য সাংবাদিক সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’

সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ইকবাল হাসান ফরিদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে গত ১৯ এপ্রিল। দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্তে অগ্রগতি নেই। থানা পুলিশ এবং তদন্ত কর্মকর্তার ভূমিকা শুরু থেকেই রহস্যজনক। এখন যেহেতু মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে, তাই আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য ডিবিকে ৭ দিন সময় দিতে চাই। এই সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে বা তদন্তে অগ্রগতি না হলে আরও কঠিন কর্মসূচি দেওয়া হবে। বাদীর অনেক সন্দেহ থাকতে পারে। তবে পুলিশের কাজ, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা।’

মানববন্ধনে ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম, আসাদুজ্জামান বিকু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লতিফ রানা ও আতাউর রহমান বক্তব্য রাখেন।

ঢাকায় অফিস শেষে ফেরার পথে গত ১৯ এপ্রিল রাতে সাভারের দক্ষিণ কলমায় সাংবাদিক ফরিদের বাসার কাছে দুর্বৃত্তরা সাভারের দুই জনপ্রতিনিধির নাম বলে এক মাসের মধ্যে এলাকা না ছাড়লে সপরিবারে হত্যার হুমকি দেন। একপর্যায়ে মাথায়, মুখে ঝাঁঝালো কেমিক্যাল ছুড়ে দেন। মানববন্ধনে ক্র্যাব যুগ্ম সম্পাদক দিপন দেওয়ান, অর্থ সম্পাদক হরলাল রায় সাগর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

‘মুক্ত সাংবাদিকতার চর্চা পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে’

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৪, ০৪:২৪ পিএম
‘মুক্ত সাংবাদিকতার চর্চা পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে’
ছবি : খবরের কাগজ

বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে দেশের গণমাধ্যম। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হয়েছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এ দিবসে বিশ্বব্যাপী চলমান পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় সংবাদমাধ্যমগুলোর আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখার ওপর জোর দিয়েছেন সাংবাদিকরা।

শুক্রবার (৩ মে) বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে রাজধানীতে আলোচনা সভার আয়োজন করে গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়নবিষয়ক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘সমষ্টি’।

সভায় বক্তারা বলেন, ‘পরিবেশ ও জলবায়ুপ্রবণতা, সেগুলোর কারণ ও প্রভাব নিয়ে পদ্ধতিগত উপায়ে বিশ্লেষণধর্মী এবং অনুসন্ধানী রিপোর্ট করার মাধ্যমে তারা পরিবেশের ক্ষতি মোকাবিলায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপূর্ণ চর্চা থাকলে পরিবেশ ও জলবায়ুগত অনেক বিষয়ে সাংবাদিকরা আরও ভূমিকা রাখতে পারবেন।’

তারা বলেন, ‘পরিবেশের বিষয়গুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যের অভাব, পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্তদের চাপ বা হুমকি, নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয় এ ধরনের সাংবাদিকতার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার এমন বিশেষায়িত বিষয়বস্তুর ওপর সাংবাদিকদের প্রস্তুতির ঘাটতিও এ ধরনের রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক নজরুল ইসলাম মিঠু, জাহিদ নেওয়াজ খান, শাহনাজ বেগম, কাওসার সোহেলি, বোরহানুল হক সম্রাট, সালমা ইয়াসমিন, শাহনাজ শারমীন, শাহনাজ পারভীন এলিস, তানিয়া রহমান, কামরুন্নাহার, আতিকা রহমান প্রমুখ।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমষ্টির নির্বাহী পরিচালক ও চ্যানেল আইয়ের জ্যেষ্ঠ বার্তা সম্পাদক মীর মাসরুর জামান।

এরপর বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের প্রতিপাদ্যের বিভিন্ন দিক এবং ২০২২ সালে সমষ্টি আয়োজিত প্রেস ফ্রিডম ক্যাম্পে প্রণীত ঢাকা ঘোষণার সার-সংক্ষেপ তুলে ধরেন সমষ্টির গবেষণা ও যোগাযোগ পরিচালক রেজাউল হক।

ঢাকা ঘোষণায় স্বাধীন সাংবাদিকতাকে আরও সুরক্ষিত করা ও সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হয় এমন আইন, নীতি, বিধিবিধান ও অন্যান্য উপাদান বিলুপ্ত করতে এবং গণমাধ্যমের বিভিন্ন দিক নিয়ে আইনপ্রণেতা ও নীতিনির্ধারণী পক্ষ, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক সংগঠনসহ বিভিন্ন অংশীজনের জন্য সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়।

এলিস/পপি/

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৪, ১০:১৬ এএম
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ
ছবি : সংগৃহীত

আজ ৩ মে। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।

১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় প্রতিবছর ৩ মে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ অথবা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এই দিনে বিশেষ করে, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ গ্রহণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়।

এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, মুক্ত গণমাধ্যম কোনো বিকল্প নয়, বরং প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে জবাবদিহির মতোই গুরুত্বপূর্ণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। জবাবদিহি না থাকলে যেমন কার্যক্রম ব্যাহত হয়, তেমনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা না থাকলে আমাদের অন্যান্য স্বাধীনতাও থাকে না। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে দেশের সরকার, বেসরকারি খাত এবং সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। গত ১৫ বছরে পরিবেশবিষয়ক সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে অন্তত ৭৫০টি ছোট-বড় হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুধু যে পরিবেশবিষয়ক সাংবাদকিরা ঝুঁকিতে রয়েছেন- এমন নয়। বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা যুদ্ধ ও গণতন্ত্রের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে নিজেদের প্রাণ ঝুঁকিতে ফেলছেন। গাজায় যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইতোমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন উল্লেকযোগ্যসংখ্যক সংবাদকর্মী।

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির, সম্পাদক জাওহার

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৪৬ পিএম
ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির, সম্পাদক জাওহার
ছবি : সংগৃহীত

পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে মুক্তাদির অনিক ও সাধারণ সম্পাদক পদে জাওহার ইকবাল খান বিজয়ী হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাতে এ ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। এর আগে সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয় গণনা।

সভাপতি পদে ৩৫৯ ভোট পেয়ে মুক্তাদির অনিক বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কে এম শহীদুল হক ২৩২ ভোট ও আবুল কালাম আজাদ পান ২২৮ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে জাওহার ইকবাল খান ৪৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কবীর আলমগীর পেয়েছেন ৩১৬ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শহীদ রানা ৪৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৌফিক অপু পেয়েছেন ৩২৯ ভোট।

নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে আলী ইমাম সুমন ৪৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাবিন রহমান পেয়েছেন ৩৫৪ ভোট। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মনির আহমাদ জারিফ ৫০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল রাণা পেয়েছেন ২৮২ ভোট।

এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ পদে নাজিম উদ-দৌলা সাদি ৪২১ ভোট ও মোহাম্মদ আবদুল অদুদ ৩৫৭ ভোট পেয়েছেন। দপ্তর সম্পাদক পদে জাফরুল আলম ৪৯৮ ভোট ও মো. মামুনুর রশীদ পেয়েছেন ২৫৭ ভোট।

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে আরিফ আহমেদ ৪৬১ ভোট ও হাসান আহমেদ পেয়েছেন ২৮০ ভোট। প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক পদে তারেক হোসেন বাপ্পি ৪০২ ভোট ও আবু জাফর সাইফুদ্দিন পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট।

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নাহিদ হাসান ৪০৯ ভোট ও মলয় বিকাশ দেবনাথ পেয়েছেন ৩৩২ ভোট। কল্যাণ সম্পাদক পদে সাফায়েত হোসেন ৪০৩ ভোট ও মীম ওয়ালী উল্লাহ ৩৫৫ ভোট পেয়েছেন। নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে ফারহানা নাজনীন (ফ্লোরা) ৩৯৯ ভোট ও হালিমা খাতুন পেয়েছেন ৩৭৩ ভোট।

কার্যনির্বাহী সদস্যদের মধ্যে শামসুল আলম সেতু ৪৩৮ ভোট, আনজুমান আরা শিল্পী ৪৩৩ ভোট, আনজুমান আরা মুন ৩৯০ ভোট, জেসমিন জাহান ৩৮৫ ভোট, তানজিমুল নয়ন ৩৩২ ভোট, মাশরেকা জাহান ৩০৫ ভোট ও মোহাম্মদ আবু ইউসুফ ২৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

খাজা/সালমান/

সাংবাদিক জিয়াউল হক আর নেই

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০৯ পিএম
সাংবাদিক জিয়াউল হক আর নেই
সাংবাদিক জিয়াউল হক। ছবি : সংগৃহীত

প্রবীণ সাংবাদিক, বিশিষ্ট ট্রেড ইউনিয়নিস্ট, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য জিয়াউল হক আর নেই।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৫টায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোমবার রাতে বাদ এশা মিরপুর সাংবাদিক আবাসিক এলাকায় মসজিদুল ফারুকে নামাজে জানাজা শেষে কালশী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

জিয়াউল হক দীর্ঘদিন স্পোর্টস সাংবাদিকতা করেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক ইত্তেফাকে সিনিয়র সহকারি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। কাজ করেছেন দৈনিক পূর্বদেশসহ আরও কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায়। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য আজীবন সোচ্চার ছিলেন।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম সাংবাদিক জিয়াউল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, খাঁটি দেশপ্রেমিক এই সাংবাদিক নেতার মৃত্যুতে সাংবাদিকতায় যে ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়। মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এদিকে, সাংবাদিক জিয়াউল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর (পাভেল) ও সদস্য সচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ মিডিয়া সেল সদস্যরা।

শোক বানীতে তারা বলেন, জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী এই সাংবাদিক নেতার মৃত্যুতে সাংবাদিকতায় যে ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়।