আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সামরিক ড্রোন উৎপাদনে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তির বিষয়টি পত্রিকার মাধ্যমে প্রথম জেনেছেন বলে জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। গত মঙ্গলবার ঢাকায় চুক্তিটি হয়। চীনের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তির ফলে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের চুক্তি অন্য দেশও করে, তাই এ ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই যে, ভারতীয় কর্মকর্তা বা তাদের পরিবার বিপদে আছেন বা শঙ্কা আছে। এটা তাদের একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। এ রকম একটি ঘটনাও ঘটেনি। আশঙ্কা তাদের মনে হয়তো থাকতে পারে, অথবা তারা হয়তো কোনো বার্তা দিতে চাইছেন। কিন্তু আমি আসলে এর মধ্যে সঠিক কোনো বার্তা খুঁজে পাচ্ছি না। তারা তাদের কর্মীদের পরিবারকে যেকোনো সময় চলে যেতে বলতেই পারেন।
তিনি আরও বলেন, আমি এটাকে এভাবে বলব- তারা যদি তাদের পরিবার-পরিজনকে ফেরত নিতে চান, এ ব্যাপারে আমাদের তো কিছুই করার নেই। সার্বিকভাবে নিরাপত্তায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। আমরা যদি আগের দিকে তাকাই, যখন নির্বাচন হতো- তখন নির্বাচনের সময়ে ছোটখাটো কিছু মারামারি, ধাক্কাধাক্কি সব সময়ই হতো। এবার তার থেকে বেশি কিছু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। এ ছাড়া মাঝখানে তো অনেক দিন নির্বাচন হয়নি।
কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ভারত নিরাপত্তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানিয়েছে কি না- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা বিপদে আছেন–এ রকম কোনো কথা আমাদের জানানো হয়নি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সরকার মনে করে, নির্বাচনে সহিংসতা হলে ভোটে না থাকা দলগুলোর পক্ষ থেকেই তা ঘটতে পারে। তিনি বলেন, সরকার চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসুক। ভারতীয় সাংবাদিকরাও পর্যবেক্ষণে আসতে চাইলে ভিসা দেওয়া হবে।