ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
‘প্রাকৃতিক সুস্থতার জন্য হিজামা একটি অনন্য সুন্নত’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন: এমপি ফখরুল স্বাধীন সাংবাদিকতায় অপতথ্য ও গুজব বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এআই দিয়ে প্রবেশপত্র তৈরি, পরীক্ষার্থীসহ সহযোগীকে অর্থদণ্ড চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেলেন ৬ লেখক নিয়োগ দেবে এসএমসি, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা মতলবে ছেলের হাতে মা খুন প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল নেতা বহিষ্কার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন রিয়াদ মাহরেজ জার্মানি-নাগেলসম্যানের বিচ্ছেদ! থাইল্যান্ডে ধর্মীয় শোভাযাত্রা দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ সাদাপাথরে নিখোঁজ চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ৪০ জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু র‌্যাগিংয়ের দায়ে হাবিপ্রবির ৭২ শিক্ষার্থীকে শোকজ ফুটবলের উৎপত্তি প্রসঙ্গে আলাস্কার পাগল স্ল্যাকে১ ফুটবল খেলা চলছে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী টেড হিউজ ও মিরোস্লাভ হোলুবের কবিতা কৌতুকপ্রিয়তা আর সমাজ-নিরীক্ষণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী গ্রামে আমাদের বিশেষ আকর্ষণ ছিল পদ্মার নৌকাভ্রমণ খামেনির মরদেহ নেওয়া হয়েছে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া দেশে বন্যা হতে পারে জুলাই-আগস্টে: এফএফডব্লিউসি ‘আত্মতুষ্টি আপনাকে শেষ করে দিতে পারে’, অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্পেন কোচ রস্তায় ফেলে যাওয়া বৃদ্ধের দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু বাজেটের প্রভাবে স্থিতিশীল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম রংপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

জলবায়ু ট্রাস্টের প্রকল্পে স্বচ্ছতা-জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম
জলবায়ু ট্রাস্টের প্রকল্পে স্বচ্ছতা-জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। 

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। 

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতে ওঠা যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের প্রকল্প নির্বাচন ও বাস্তবায়ন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) গত বছরের ৪ নভেম্বর ‘বিগত ১৪ বছরে ২ হাজার ১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে তহবিলের অর্থায়নে প্রকল্প গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়। বিষয়টি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে।”

তিনি জানান, ট্রাস্ট ফান্ডের ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত বাস্তবায়িত প্রকল্পের তথ্য ইতোমধ্যে দুদকের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। জলবায়ু ট্রাস্টের কার্যক্রমে সুশাসন নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে- প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করা, পিপিএস সফটওয়্যারের আওতায় আনা, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্প বাছাইয়ের জন্য গাইডলাইন প্রণয়ন এবং ১২ সদস্যবিশিষ্ট কারিগরি সাব-কমিটি গঠন। এ ছাড়া অনুমোদিত প্রকল্পের জন্য ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ট্রাস্ট ফান্ড ব্যবহারের নীতিমালা সংশোধন (২০২৫) করা হয়েছে এবং স্থায়ী তহবিলের আমানত ব্যবস্থাপনার জন্য পৃথক গাইডলাইন প্রণয়ন ও হালনাগাদ করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রমেও স্বচ্ছতা বাড়াতে ডিজিটাল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইন করা হয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মকর্তাদের নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

এলিস/এসজি/

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন: এমপি ফখরুল

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন: এমপি ফখরুল
নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। ছবি: খবরের কাগজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে অসহায় দুঃস্থদের মধ্যে নগদ অর্থ সহযোগিতা দিয়ে মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন, নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নোয়াখালী-৫ আসনের কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা এবং সদরের দুই ইউনিয়নে ৪৫০ দুঃস্থ নারীর মধ্যে মানবিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফখরুল ইসলাম বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের সময় তার দেওয়া কথা রেখেছেন। ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ কার্ড পেয়ে জনগণ অত্যন্ত খুশি।'

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ত্রাণ সহায়তা থেকে আজ আমি আমার এলাকার সাড়ে চারশ অসহায় দুঃস্থ নারীদের মধ্যে ৯ লাখ টাকা বিতরণ করেছি। এ ছাড়াও গত দুই ঈদে এখানে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নগদ ২০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

ফখরুল ইসলাম জনগণকে সতর্ক করে বলেন, ভোট এলে একটি রাজনৈতিক দল বেহেশতের টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে ভোটারদেরকে বিভ্রান্ত করে। আমি জানি এ-সব কথা বলে অতীতে তারা সফল হয়নি ভবিষ্যতেও হবে না ইনশাআল্লাহ।

মন্জু/থিওটোনিয়াস/

জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০১ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সরকার মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। সরকারের মূল নীতি হল জাল যার, জল তার। এ নীতি অনুযায়ী প্রকৃত মৎস্যজীবীদের সুবিধার্থে জলাশয় উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় নেত্রকোণা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাওরাঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে দেশের সকল জলাশয় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত রাখবে সরকার। একই সঙ্গে বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে বোরো ফসল রক্ষায় নদী ও খাল খনন কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, ইজারা দিয়ে প্রভাবশালীরা যেভাবে হাওর বা জলাশয় দখল করে রাখতো এবং সাধারণ মানুষকে নামতে বাধা দিত, সেই প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। সরকার আইনিভাবে সকল বাধা দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ ও মৎস্যজীবীরা নির্বিঘ্নে জলাশয়ে মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।

এ ছাড়াও নদীর নাব্যতা যাতে না কমে যায় এবং জলাবদ্ধতায় যাতে মানুষ দুর্ভোগে না পড়ে, জলাশয়গুলোতে যাতে মৎস্য চাষ করতে পারে, সেই ব্যাপারে আমরা ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছি।

মত বিনিময়কালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

এ ছাড়াও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

থিওটোনিয়াস/

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা প্রদান এবং অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণ: ব্লু কার্বন অর্থায়নের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা’ শীর্ষক সেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ব্লু কার্বন ইকোসিস্টেমকে জলবায়ু সম্পদ, কমিউনিটি সম্পদ এবং উন্নয়ন সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। 

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ছাড়া, জলবায়ু অভিবাসন বিশ্লেষণের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভ বন ও উপকূলীয় জলাভূমি শুধু পরিবেশগত সম্পদ নয়, বরং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় জলবায়ু অবকাঠামো।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় অত্যন্ত সজাগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু ও বাস্তুতন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত। বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়াসহ এ অঞ্চলের দেশগুলো ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় ক্ষয়ক্ষতির মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তাই ব্লু কার্বন ম্যাপিং, কার্বন পরিমাপের অভিন্ন পদ্ধতি এবং আঞ্চলিক কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। 

সেশনে পাকিস্তানের পরিবেশমন্ত্রী শেজরা মানসাব আলী খান খারাল, মালদ্বীপের পরিবেশমন্ত্রী আলী শরীফ, এসকাপের নির্বাহী সচিব আরমিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা এবং বিভিন্ন দেশের পরিবেশমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

থিওটোনিয়াস/

প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। ছবি: সংগৃহীত

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রাপ্য সব ধরনের সেবা পর্যায়ক্রমে একটি ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ এর আওতায় আনবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অটিজম ও স্নায়ু বিকাশজনিত সমস্যা বিষয়ক সেল আয়োজিত প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, এমপি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কাজ শুরু করা হবে। পাশাপাশি অন্তত ১০টি জেলা বা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সমন্বিতভাবে নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিদ্যমান সক্ষমতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও বিকশিত করা হবে। তারা যে পণ্য উৎপাদন করবেন, সেগুলোর বাজারজাতকরণের ব্যবস্থাও করা হবে।

ফারজানা শারমীন বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে একই কমপ্লেক্সে একটি মাস্টার সার্ভিস সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগ্রহীরা প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। প্রশিক্ষণ শেষে তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করার সুযোগ পাবেন।

তিনি জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথক লিগ্যাল এইড কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে তারা বিভিন্ন আইনি জটিলতায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনকে আরও সহজ করা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মানসিক ও সামাজিক চাপ কমিয়ে আনা।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ১০টি পাইলট প্রকল্পে এমন ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে কোনো অভিভাবক সন্তানকে স্কুলে রেখে অপেক্ষার সময় আয়মূলক কাজে যুক্ত হতে পারেন। এ সময় শিশুদের চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্ট ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে রাখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি পরিবর্তন আনতে চাই, যার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দেশের মূলধারায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে এবং তাদেরকে দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা যাবে।

থিওটোনিয়াস/

দেশে বন্যা হতে পারে জুলাই-আগস্টে: এফএফডব্লিউসি

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০৩ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
দেশে বন্যা হতে পারে জুলাই-আগস্টে: এফএফডব্লিউসি
ছবি: সংগৃহীত

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশের ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান গণমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘জলবায়ুর কারণে বাংলাদেশে জুলাই ও আগস্ট মাসে সব সময়ই বন্যার ঝুঁকি থাকে। এ সময়ে দেশের প্রধান নদীগুলোর অববাহিকা ও উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়, যা দেশে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। তাই দেশে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।'

ঐতিহাসিকভাবে বর্ষা মৌসুমের এই মধ্যবর্তী সময়েই দেশে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যাগুলো ঘটেছে। ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় আগস্ট-সেপ্টেম্বরে অতিবৃষ্টির ফলে দেশের প্রায় ৮২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা, অর্থাৎ প্রায় ৬০ শতাংশ ভূখণ্ড প্লাবিত হয়েছিল।

একই ভাবে ১৯৯৮ সালের বন্যা জুলাই ও আগস্টজুড়ে স্থায়ী হয়। ফলে এক হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ৩ কোটি মানুষ সাময়িক বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় একই সময়ে পানির উচ্চপ্রবাহই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। ২০০৪ সালে জুলাইয়ের শেষ দিকে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পানির সর্বোচ্চ প্রবাহ একসঙ্গে মিলিত হওয়ায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয় এবং শুধু উত্তর-পূর্বাঞ্চলেই প্রায় ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়।

এ ছাড়া ২০২২ সালের মেঘনা অববাহিকার বন্যা এবং ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় সম্মিলিতভাবে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন, যা উজানের অতিবৃষ্টির ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে।

সারদার উদয় রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, ‌'বর্তমানে এফএফডব্লিউসি দেশের অভ্যন্তরীণ নদী অববাহিকার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই বন্যার পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। তবে উপকূলীয় নদীগুলোর ক্ষেত্রে তিনদিন আগে পূর্বাভাস দেওয়া যায়।'

দেশের নদ-নদীর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।

তিনি বলেন, অববাহিকা ও উজানে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আগামী কয়েক দিন মেঘনা নদী অববাহিকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে।

এফএফডব্লিউসির এই নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার ফলে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

থিওটোনিয়াস/