ঢাকা ৭ বৈশাখ ১৪৩১, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

জাপার ভরাডুবি না হলে সব মানতাম: রওশন এরশাদ

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:১৫ এএম
জাপার ভরাডুবি না হলে সব মানতাম: রওশন এরশাদ
রওশন এরশাদ

জাতীয় পার্টির শীর্ষনেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নাম মুছে ফেলার অভিযোগ এনেছেন দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ। তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টি থেকে যারা এরশাদের নাম মুছে ফেলতে চান, তাদের দলের পরিচয় দেওয়ার অধিকার নেই।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রওশন এরশাদ তার অনুসারী নেতাদের বর্ধিত সভায় এ কথা বলেন।

জাপা থেকে সদ্য অব্যাহতি পাওয়া সাবেক কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু এ সভায় উপস্থিত ছিলেন। 

রওশন এরশাদ বলেন, পল্লিবন্ধুর নীতি-আদর্শ, তার চেতনা-প্রেরণা, তার ভাবমূর্তি হচ্ছে জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব। সেই অস্তিত্বকে যারা মুছে দিতে চায়- তারা জাতীয় পার্টির পরিচয় দেওয়ার অধিকার রাখে না। 

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এবারের নির্বাচনি ইশতেহারের মলাট থেকে পল্লিবন্ধুর ছবি মুছে ফেলা হয়েছে। জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠার পর এবার নির্বাচনে পার্টির প্রার্থীদের পোস্টারে পল্লিবন্ধুর ছবি ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তার নির্বাচনি পোস্টারে বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখেছেন। অথচ জাতীয় পার্টির পোস্টারে সাবেক চেয়ারম্যানের পল্লিবন্ধুর ছবি জায়গা পায়নি। এটা জাতীয় পার্টির অগণিত নেতা-কর্মীর মনে আঘাত দিয়েছে, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তারা ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। 

গেল নির্বাচনে কেন তিনি অংশ নেননি সেই প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রওশন এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টির নিবেদিতপ্রাণ অনেক নেতা- যাদের ভোটে জয়লাভের সম্ভাবনা ছিল-এমন প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এসব জনপ্রিয় ও যোগ্য নেতা এবং অভিভাবকহীন অসংখ্য নেতা-কর্মী ও প্রার্থীকে বিপদে রেখে আমি নির্বাচনে যেতে পারি না। 

তিনি বলেন, আমার ছেলের আসন যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমি কি নির্বাচনে যেতে পারি? নিশ্চয় না। তারপরও আমি সব কিছু মেনে নিতে পারতাম- যদি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ভরাডুবি না হতো। জাতীয় পার্টিকে ধ্বংসের শেষ সীমানায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এটা কীভাবে মেনে নেব? 

জাপার প্রধান পৃষ্ঠপোষক বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে পার্টিকে উদ্ধারের জন্য আপনারাই প্রথমে উদ্যোগ নিয়েছেন। দলের অগণিত নেতা-কর্মীর একান্ত দাবির মুখে আমি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি। আজ আপনারা আমার দায়িত্ব গ্রহণকে অনুমোদন দিয়েছেন। আপনারাই জাতীয় পার্টির সব ক্ষমতার উৎস। আপনারা যেভাবে চাইবেন-পার্টি সেভাবেই পরিচালিত হবে। 

জাতীয় পার্টিতে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক চর্চা হবে উল্লেখ করে রওশন এরশাদ বলেন, তার জন্য আগামী ৯ মার্চ জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হতে পারে। কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো বিভ্রান্তিতে আপনারা কান দেবেন না। ৯ মার্চের সম্মেলন সফল করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনের জন্য রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া গেছে। আপনারা সকাল দশটার মধ্যে প্রত্যেক কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটদের নিয়ে সম্মেলন স্থানে উপস্থিত হবেন। ওই দিন আপনারাই নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।

সাংবিধানিকভাবে দেশে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ বলেন, নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অশনিসংকেত শোনা যাচ্ছে। সরকার যদি তা মোকাবিলা করতে না পারে, তাহলে দেশে বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। 

রওশন এরশাদ আরও বলেন, দ্রব্যমূল্য এখনই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। আর রমজানকে সামনে রেখে অসাধু ব্যবসায়ীরা ওত পেতে বসে আছে। এক্ষেত্রে সরকারের প্রধান কাজ হবে- দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। 

ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ঝাঁকি দিতে হবে : মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৫৯ পিএম
ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ঝাঁকি দিতে হবে : মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শত নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করে, জীবন দিয়েও দানবকে সরানো যাচ্ছে না। তাই এখন প্রয়োজন সমগ্র জাতি ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। যারা দেশকে ভালোবাসেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চান, যারা ন্যায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চান তাদের প্রত্যেককে এক হয়ে শুধু রাজপথে নেমে নয়, সোচ্চার কণ্ঠে সমস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রকে ঝাঁকি দিতে হবে। তাহলেই আমরা ডা. জাফরুল্লাহর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারব।’

শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। আয়োজন করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভা আয়োজক কমিটি। 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন কঠিন দুঃসময় অতিক্রম করছে। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট আমাদের ভয়াবহভাবে আক্রমণ করেছে। এর থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমরা লড়াই-সংগ্রাম করছি। এখান থেকে অতিক্রম করতে হলে ডা. জাফরুল্লাহর প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘কে কী বলল দেখার দরকার নেই, যে আকাঙ্ক্ষা আছে, যে কারণে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, সে কারণে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে যারা পুরো জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে, সব মানুষকে দাসানুদাসে পরিণত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই-সংগ্রামে অংশ নিতে হবে।’

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে স্মরণ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘তিনি ছিলেন আমার অভিভাবক। দেশ ও জাতির অভিভাবক, একজন বিপ্লবী মানুষ। তাকে কখনো নিরাশ হতে দেখিনি, পরাজিতবোধ করতেও দেখিনি। একবার পারেননি তো আবারও নতুন করে শুরু করেছেন। সমাজের পরিবর্তনের জন্য সব সময় তরুণদের কাছে ছুটে গেছেন। তিনি একটা নতুন সমাজ ও পৃথিবী নির্মাণ করতে চেয়েছেন।’

বাবার স্মৃতিচারণ করে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মেয়ে বৃষ্টি চৌধুরী বলেন, ‘আমার বাবা দেশপ্রেমিক ছিলেন। তিনি সব সময় সাধারণ জনগণের পাশে দাঁড়াতে ভালোবাসতেন। বাবা বিশ্বাস করতেন, শুধু রক্তের সম্পর্ক হলেই পরিবার নয়, সমাজের যেকোনো মানুষই পরিবারের অংশ- এই শিক্ষা আমাদের দিয়েছেন।’ 

এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ১২-দলীয় জোটপ্রধান ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বিশিষ্ট আলোকচিত্রশিল্পী ও সমাজকর্মী শহীদুল আলম প্রমুখ।

শোষকশ্রেণির বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জামায়াতের

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৪১ পিএম
শোষকশ্রেণির বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জামায়াতের
মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি : সংগৃহীত

জুলুম-নির্যাতন ও শোষণের অবসান ঘটাতে শোষকশ্রেণির বিরুদ্ধে সবাইকে এক কাতারে এসে কঠিন গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ হারানো গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরে পেতে চায়। লুটেরাদের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে চায়। অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে চায়।’ 

শনিবার (২০ এপ্রিল) নরসিংদী জেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক দায়িত্বশীল শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

জেলা আমির মাওলানা মোছলেহুদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আমজাদ হোসাইন প্রমুখ। 

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘৭ জানুয়ারি দেশে কোনো নির্বাচন হয়নি। ডামি নির্বাচনে দেশের মানুষ যায়নি। ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার জনসমর্থনহীন হয়ে পড়েছে। জনগণকে সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সেকুলার, আল্ট্রা সেকুলার রূপ দিয়ে দেশের মানুষকে ধর্মহীন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। মুসলমানদের ধর্মীয় কাজকর্ম সংকুচিত করা হচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত বিরাজনীতিকরণের কারণে দেশের মানুষ সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা।’ 

মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য আমাদের ভূমিকা অব্যাহত রাখতে হবে। জীবনের বাঁকে বাঁকে জমে থাকা জঞ্জাল ঠেলে সামনে এগিয়ে যেতে  হবে। সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

শফিকুল/সালমান/

১০ দিনে পাঁচ লাখ গাছ লাগাবে ছাত্রলীগ

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩৯ পিএম
১০ দিনে পাঁচ লাখ গাছ লাগাবে ছাত্রলীগ
ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবছর নিয়মিতভাবে ছাত্রলীগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে থাকে। পরিবেশ দিবস ২০২৪-কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এক কোটি বৃক্ষরোপণ করে গিনেজ বুকস অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্তির কর্মসূচি পরিকল্পনা করেছে। সাম্প্রতিক এই তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে ছাত্রলীগ আগামী ১০ দিনে পাঁচ লাখের বেশি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। 

শনিবার (২০ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

এক্ষেত্রে সংগঠনের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও রয়েছে। তা হলো চলতি এপ্রিল মাসের ২১-৩০ তারিখের মধ্যে এই কর্মসূচি শেষ করতে হবে; কৃষি বিশেষজ্ঞ ও সরকারের কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহযোগিতা নিয়ে উপযুক্ত স্থানে নিয়মমাফিক বৃক্ষরোপণ করবে; শুষ্ক মৌসুম বিধায় নিয়মিত গাছে পানি দিতে হবে; রোপণকৃত বৃক্ষের পরিচর্যা করতে হবে; প্রতিটি উপজেলা ইউনিট এক হাজার এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইউনিট ৫০০ বৃক্ষরোপণ করবে; বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে; বৃক্ষরোপণের ছবি, ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করতে হবে; একই সঙ্গে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রত্যেক নেতা-কর্মী ও অন্যান্য সাংগঠনিক ইউনিটকে নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছে সংগঠনটি।

প্রধানমন্ত্রীর আতঙ্ক এখনো কাটেনি : রিজভী

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:২৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর আতঙ্ক এখনো কাটেনি : রিজভী
ছবি : খবরের কাগজ

বিনা কারণে লাল দেয়ালের কারাগার এখন বিএনপি নেতা-কর্মীদের ঠিকানা বেশি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, “অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আতঙ্ক এখনো কাটেনি। আতঙ্কিত হওয়ার কারণ তিনি (প্রধানমন্ত্রী) তো জানে জনগণ তো তাকে ভোট দেয়নি। দেশের ৯৫ শতাংশ জনগণ তাকে ভোট দেয়নি। ‘আমি আর ডামি’ ‘আমরা আর মামুদের’ মার্কা নির্বাচন হয়েছে।”

শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে ‘বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবের মুক্তি’র দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

রিজভী বলেন, ‘এই অবৈধ সরকার চোরাবালির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো সময় এই সরকারের গদি বালির মধ্যে ডুবে যাবে। সেই কারণে সরকার ভয়ে হাবিবুন নবী খান সোহেল, সাইফুল আলম নীরব, আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ নেতা-কর্মীদের আটক করে রেখেছে।’

রাজনৈতিক কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা বন্দি নেই- প্রধানমন্ত্রীর গতকাল শুক্রবারের বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘এক এগারোর সময়ে আপনার বিরুদ্ধেও তো মামলা হয়েছিল, সেই মামলাগুলো গেল কোথায়? ব্যাংক লুট হচ্ছে, ঘরবাড়ি লুট হচ্ছে তাদের আপনি ধরতে পারেন না। এর প্রত্যেকটির সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা জড়িত। আর আপনি গ্রেপ্তার করেন আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিবদের।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এই প্রচণ্ড রোদের মধ্যে আপনাদের যে আত্মপ্রত্যয় দেখেছি আমি বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার পতন হবেই। শেখ হাসিনা সরকার টিকবে না। পৃথিবীতে ভালোর জয় হয়, মন্দের পরাজয় হয়। সুতরাং শেখ হাসিনার পতন অনিবার্য।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক আব্দুস সালাম আজাদ, কৃষকদলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব কাজী আবুল বাশার, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ওমর ফারুক কাওসার প্রমুখ।

শফিকুল/সালমান/

শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১৯ পিএম
শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
ছবি : সংগৃহীত

গণঅধিকার পরিষদের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মোহিবুল্লাহ মহিব এবং সদস্যসচিব মাসকুর আলম মামুন সরকার।

শনিবার (২০ এপ্রিল) গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কর্নেল অব. মিয়া মশিউজ্জামান ও সদস্য সচিব ফারুক হাসান বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেন।

কমিটি প্রসঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ফারুক হাসান বলেন, ‘শ্রমিক অধিকার পরিষদ হবে সত্যিকারের শ্রমিকবান্ধব সংগঠন। তারা আমাদের মূল দলের পেছনে ভ্যানগার্ড হয়ে কাজ করবে না, বরং তারা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সব সময়ই সচেষ্ট থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি শ্রমিক অধিকার পরিষদের নতুন নেতৃত্ব শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাবে। কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করবে যে সত্যিকারের শ্রমিক সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ।’

সবুজ/সালমান/