ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ভিসানীতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করা হয়েছে: কাদের

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৭:৪১ পিএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ০৮:৪৪ পিএম
ভিসানীতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করা হয়েছে: কাদের
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ওপর ভিসানীতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

মঙ্গলবার (২১ মে) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যেটা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মিশনকে জেনারেল আজিজের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। জেনারেল আজিজের বিষয়ে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটা ভিসানীতির প্রয়োগ নয়, এটি অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন আইনের প্রয়োগ। এটা নিয়ে আমি আর কিছু বলব না। এ নিয়ে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলেছেন। আমরা এতটুকুই জানি, এটুকুই বললাম।’

আজ অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপেও উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক। যা ভোট পড়েছে, সেটাকে খুব বেশি ভালো বলা যাবে না। বলব মোটামুটি ভালো হয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে টার্ন আউট (ভোটার উপস্থিতি) নিয়ে আমার মনে হয় বেশি কথার বলার প্রয়োজন নেই।’ 

ভোটার উপস্থিতির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপিসহ সমমনাদের অবিরাম মিথ্যাচার মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। টিআইবির অপপ্রচারও আছে। আরও কিছু নামিদামি বুদ্ধিজীবী আছেন, তারাও মিথ্যাচার-অপপ্রচার করে মানুষের আগ্রহ নষ্ট করেছেন ভোটের ব্যাপারে। তবে তা সত্ত্বেও দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ এবং ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক।’ 

তিনি অতীতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘রক্তপাত ছাড়া বিএনপি আমলে কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়নি।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়, এটা বলা যাবে না। কিছু সংঘাত, প্রাণহানি ঘটে। এখানে আমাদের ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে ক্যাজুয়ালটি নেই।’ 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ। 

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটিতে আরও ১৭ জন

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:৫৪ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৩৩ পিএম
বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটিতে আরও ১৭ জন
বিএনপি

বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটিতে আরও ১৭ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট টু দ্য চেয়ারপারসনস ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির তিনজনকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্যের মর্যাদা পাওয়া তিন নেতা হলেন- বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সাবেক রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি তাসভিরুল ইসলাম।

স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট টু দ্য চেয়ারপারসন্স ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত ১৭ নেতা হলেন- আশরাফ উদ্দিন (সাবেক রাষ্ট্রদূত, কানাডা), ড. এনামুল হক চৌধুরী (সিলেট), এ এন এম ওহিদ আহমেদ (সাবেক ডেপুটি মেয়র, টাওয়ার হ্যামলেটস), আনোয়ার হোসেন খোকন (আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি), রাশেদুল হক (আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি), নাহিদ খান (সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি), ড. তোফাজ্জল হোসেন তপু (জাপান), হাফিজ খান সোহেল (ওয়াশিংটন), এ এস এম জি শাহ ফরিদ (পেনসিলভেনিয়া), বদরুল ইসলাম শিপলু (ক্যালিফোর্নিয়া), ডলি, নাসির (ইতালি), গোলাম ফারুক শাহিন (নিউইয়র্ক), শফিক দেওয়ান (জার্মানি), ড. শামীম পারভেজ (জার্মানি), হাজী হাবিব (ফ্রান্স), কবির আহমেদ (আয়ারল্যান্ড), মো. নায়েমুল বাসির (অস্ট্রিয়া)। 

২০১৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি গঠিত বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটি বিলুপ্ত করে গত ১৫ জুন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের চেয়ারপারসনস ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটি গঠিত হয়। দুই ভাগে এর নাম দেওয়া হয়েছে যথাক্রমে ‘বিএনপির চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটি এবং স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট টু দ্য চেয়ারপারসনস ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটি’।

শফিকুল ইসলাম/অমিয়/

বর্ণিল আয়োজনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ১০:২৪ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ১০:২৪ পিএম
বর্ণিল আয়োজনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন
ছবি : ইন্দ্রজিৎ কুমার ঘোষ

বর্ণিল আয়োজনে ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে দেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। রাজধানীসহ সারা দেশে দলটির শীর্ষ থেকে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগের ‘হীরকজয়ন্তী’র আনন্দঘন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। 

রবিবার (২৩ জুন) দিনভর আওয়ামী লীগ এবং দলের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতারা জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর সমাধি ও প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া মাহফিল, র‌্যালি, আলোচনা সভা, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন করেন। 

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। পরে দলের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আরেকবার বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন শেখ হাসিনা। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং ১৪-দলীয় জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও শাজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মির্জা আজম ও এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা বর্ণচোরা বিএনপি। সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ আজ আমাদের অভিন্ন শত্রু। এই শত্রু মোকাবিলা করে রক্তমূল্যে অর্জিত বিজয়কে সুসংহত করতে হবে। জনগণের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয়ে প্রতিরোধের দাবানল ছড়িয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনার নাম আওয়ামী লীগ। আমরা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে সৃষ্টির পতাকা ওড়াই।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার ছয় বছর পর শেখ হাসিনা অন্ধকারে আশার আলো হয়ে এসেছিলেন। তার নেতৃত্বে আজ গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছে। যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনরুত্থান হয়েছে। গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। 

আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, তাঁতী লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুব মহিলা লীগ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। দলীয় নেতাদের পাশাপাশি আওয়ামীপন্থি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল থেকেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এবং তার আশপাশ এলাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে। 

এদিকে এদিন সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদল। এতে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রমুখ। 

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। সমাবেশ মঞ্চে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাজধানীর আশপাশ থেকে আসা নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়াদী উদ্যানের দিকে মিছিল নিয়ে যান। রাজধানী ও আশপাশের আসনগুলোর এমপিদের অনুসারী এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ঢাকঢোল পিটিয়ে, বাঁশি বাজিয়ে, রং-বেরঙের টি-শার্ট ও ক্যাপ পরে জড়ো হন শাহবাগ ও টিএসসিসহ আশপাশের এলাকায়। জয় বাংলা স্লোগানে মুখরিত হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চারপাশ। এ উদ্যানের ফটকগুলো বেলা সাড়ে ১১টায় খুলে দেওয়া হয়। এরপর আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রবেশ করতে শুরু করেন। রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসেন। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র ব্যানার ও ফেস্টুনের মাধ্যমে তুলে ধরেন নেতা-কর্মীরা।

এদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের জন্য উপহার হিসেবে ফলমূল এবং মিষ্টান্ন পাঠান। এদিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ মো. আবু জাফর রাজু এবং সহকারী প্রেস সচিব এ বি এম সরওয়ার-ই-আলম সরকার তার পক্ষ থেকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের গজনবী রোডের যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রে (মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ার-১) যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে উপহারসামগ্রী হস্তান্তর করেন। 

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা প্রতিটি রাষ্ট্রীয় দিবস এবং উৎসবে যেমন- স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, পবিত্র ঈদ এবং বাংলা নববর্ষের দিনসহ এবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তাদের স্মরণ করার জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এদিকে সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ নেতা-কর্মীরা। 

ভারতের সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি জনগণ মানবে না: আবদুল কাইয়ূম

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৮:১৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৮:১৬ পিএম
ভারতের সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি জনগণ মানবে না: আবদুল কাইয়ূম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি জনগণ মানবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেললাইন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব প্রশ্নবিদ্ধ করবে। এমন চুক্তি হলে তা হবে দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দেওয়ার চুক্তি। অপরদিকে, ভারতের মুদ্রানীতি চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশকে শোষণ করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। ভারত তাদের নিজেদের সুবিধার জন্য বাংলাদেশের সড়কপথ এবং রেলপথ ব্যবহার করবে। 

রবিবার (২৩ জুন) কুমিল্লায় জেলা উত্তরের মুরাদনগরের পাহাড়পুরের পাঁচপুকুরিয়া বাজার খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা আবদুল কাইয়ূম বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা গবেষণার নামে বাংলাদেশের সমুদ্র সম্পদ লুট করার জন্য সমুদ্র চুক্তি করা হয়েছে। তথ্য হ্যাকিং ও অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের জন্য বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবা ভারত নিয়ন্ত্রণ করার ষড়যন্ত্র করছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সুনীল অর্থনীতির নামে ভারত বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলো বিনা শুল্কে ব্যবহার করতে চায়।

তিনি বলেন, বন্যা ও রাসেলস ভাইপারস দিয়ে বেনজীর-আজিজের দুর্নীতিবাজদের ইস্যু ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে। দেশে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোন ত্রাণ তৎপরতা নেই। বানভাসী মানুষ খাবারসহ বাঁচার জন্য আর্তনাদ করছে। বন্যার্তদের জন্য সরকারের কোন পদক্ষেপ নেই। 

সংগঠনের পাহাড়পুর ইউনিয়ন শাখা সভাপতি হাজী মো. তফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা আব্দুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরও উপস্থিতি ছিলেন ঢাকা জেলা দক্ষিণের যুগ সম্পাদক আলহাজ্ব শাহীন আহমদ, মুরাদনগর উপজেলা সভাপতি মাস্টার মফিজুল ইসলাম, সেক্রেটারি মোহাম্মদ হোসেন মোল্লা, আলহাজ্ব আব্দুল করীম, উপজেলা বামুক ছদর মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, হাফেজ বেলাল হোসাইন পাহাড়পুরী। সম্মেলন শেষে হাজী মো. তফাজ্জল হোসেনকে সভাপতি, মো. জসিমউদ্দিনকে সেক্রেটারি, ডা. জাহাঙ্গীর আলমকে যুগ্ম সম্পাদক ও হাফেজ আলাউদ্দিনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শফিক/এমএ/

খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে বসানো হলো পেসমেকার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৭:১৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৭:২৭ পিএম
খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে বসানো হলো পেসমেকার
ফাইল ছবি

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়েছে। হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রবিবার (২৩ জুন) ৫টার পরে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে পেসমেকার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

এর আগে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) কেবিন নং-৪২১৯ থেকে পাশের ক্যাথ ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়। এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ম্যাডামের হৃদরোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। সেজন্য হার্টে ব্লক ছিল, একটা স্টেনটিংও করা ছিল। সবকিছু পর্যালোচনা করে এখন মেডিকেল বোর্ড ম্যাডামের হার্টে পেসমেকার লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খালেদা জিয়ার পরিবার ও বিএনপি এজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।’ 

চিকিৎসকরা জানান, হৃৎপিন্ডের ডান অ্যাট্রিয়াম প্রাচীরের ওপর দিকে অবস্থিত বিশেষায়িত কার্ডিয়াক পেশিগুচ্ছে গঠিত ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত একটি ছোট অংশ যা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহ ছড়িয়ে দিয়ে হৃৎস্পন্দন সৃষ্টি করে এবং স্পন্দনের ছন্দময়তা বজায় রাখে এই পেসমেকার। পেসমেকার হৃদযন্ত্র নিয়মিত ছন্দে চলতে সাহায্য করে। হৃদযন্ত্রের স্পন্দন ঠিকমতো চলছে কি না, সেটাও এই যন্ত্র তদারকি করে।

মেডিকেল বোর্ডের এক চিকিৎসক বলেন, ‘গতকাল শনিবার রাতে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বৈঠকে তার হার্টে পেসমেকার বসানোর সিদ্ধান্ত হয়। রবিবার ৫টার পরে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।’

গত শুক্রবার (২১ জুন) রাত সাড়ে ৩টার দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থরাইটিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।

শফিকুল ইসলাম/সালমান/

শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল: ফারুক খান

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:৪৩ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:৪৫ পিএম
শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল: ফারুক খান
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন দল খুব কম আছে, যাদের সৌভাগ্য হয়েছে জনগণের আস্থা নিয়ে ৭৫ বছর ধরে সেবা করা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সেই ধরনের একটি সংগঠন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম কামাল হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা এক অভিন্ন। বঙ্গবন্ধু বিহীন বাংলাদেশে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ ও আধুনিক বাংলাদেশ এক অভিন্ন। পাকিস্তানের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সালের এই দিনে ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। যার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা।

রবিবার (২৩ জুন) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেতৃবৃন্দ এ মন্তব্য করে।

মন্ত্রী ফারুক খান বলেন, বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তার প্রতিষ্ঠা করা সেই দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যকে পরিবর্তন ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য। আমরা যে ৭৫ বছর অতিক্রম করেছি সেই বছরগুলো যেমন ছিল চ্যালেঞ্জিং, ঠিক তেমনিভাবে ছিল আনন্দের। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে উন্নয়নের রোল মডেল।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের ভাষণে বলেছিলেন বাংলাদেশ একদিন বিশ্বের উজ্জ্বল তারকা হবে, আশা করি বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সে অবস্থানে আছে। আর বাংলাদেশে যেন কোন দরিদ্র মানুষ না থাকে এটা আমরা দেখছি। আর সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। সামনের দিনগুলো আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৯৫৭ সালে। যার ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগের মাধ্যমে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। তাই আওয়ামী লীগের বড় অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা। উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে আজ উন্নয়নশীল ও মর্যাদাশীল দেশের রূপান্তরিত হয়েছে।

এর আগে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী লে. কর্ণেল অব ফারুক খানের নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। পরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহিদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর কেন্দ্রীয় যুবলীগ, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন নাহার, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুন্নাহার লাইলী, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু এমপি, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলী খান, সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহাবুদ্দিন আজম, গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আল-বেলী আফিফা, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবুল বাশার খায়ের, সাধারণ সম্পাদক বাবুল শেখ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনুল হক, পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফোরকান বিশ্বাস প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কেক কেটে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়। পরে আলোচনা সভা ও প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এদিকে, দিবসটি উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে কেক কাটা হয়। এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলী খান, সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহাবুদ্দিন আজমসহ দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। পরে দলীয় কার্যালয়ের সমানে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এর আগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্লাটিনাম জয়ন্তী পালনের কর্মসূচি শুরু করা হয়।

এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

বাদল সাহা/এমএ/