ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

গাছ লাগানোর ভিন্ন উপায়

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ১০:৩৯ এএম
আপডেট: ২৮ মে ২০২৪, ১০:৩৯ এএম
গাছ লাগানোর ভিন্ন উপায়

আমরা যারা শহরে বাস করি। চাইলেও গাছ লাগানোর জায়গা নেই। অনেক বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াদের ছাদকৃষি করতে দেন না। কিন্তু আমরা জানি, গাছ বৃদ্ধি ছাড়া পরিবেশ ভালো করার পথ নেই। এ অবস্থায় ড্রাম, বালতি, টবে গাছ লাগিয়ে তা বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে রাখা যেতে পারে। এতে দুই দিক দিয়েই লাভ। পরিবেশ ভালো থাকবে। আর যারা সৌন্দর্য বৃদ্বির জন্য ফুলের গাছ লাগাতে চান। 

তাদের সৌন্দর্য-শোভা বৃদ্ধি হবে। গাছ যখন ফুলে ভরে যাবে তখন কতই না ভালো লাগবে। অনেক বাড়ির সামনে খালি জায়গা পড়ে থাকে। সেখানে এমনিভাবে গাছ লাগানো যায়। এসব গাছের যে খুব দেখভাল করতে হবে, তাও নয়। একটু সময়মতো পানি দিলেই হয়। গাছ হলো অক্সিজনের ফ্যাক্টরি। তাই বৃদ্ধি যেভাবে যতটুকু করা যাবে। ততটাই আমাদের কল্যাণ।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বাসা-৩২, রোড-২৯ বি, মিরপুর-১২. মুসলিম বাজার ,ঢাকা
[email protected] 

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ১০:৪৩ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ১০:৪৩ এএম
নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি

কথায় বলে বিষয় না বিষ। এই প্রবাদ কতটা সত্যি তা এখনো প্রমাণ হচ্ছে। এক বৃদ্ধের সব সম্পত্তি লিখে নিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তার পরিবার। বৃদ্ধকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রেজিস্ট্রি অফিসে। সেখানে সই-সাবুদ হওয়ার পর বৃদ্ধকে এক জায়গায় বসিয়ে চম্পট দেয় তার পরিবারের লোকজন। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে সেখানে বসে থাকতে দেখে রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মীরা উদ্যোগ নিয়ে জেলা শাসকের সাহায্যে তাকে একটি বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানো হয়। 

এ ঘটনার দুই দিন পর আরেকটি ঘটনা সামনে আসে। ৭২ বছরের এক বৃদ্ধাকে মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যা করে তারই নাতি ও নাতবউ। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ওই বৃদ্ধার সম্পত্তি পাওয়ার লোভেই তাকে হত্যা করা হয়। যদিও বৃদ্ধার সব সম্পত্তির নমিনি ছিল ওই নাতিই। কিন্তু তাদের আর তর সইছিল না। তাই সম্পত্তি হাতে পাওয়ার জন্য বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়।  এ রকম আরেকটি, বৃদ্ধ বাবাকে সম্পত্তির লোভে এক উপাসনালয়ের সামনে ফেলে রেখে পালায় তার চাকরিজীবী ছেলে।
 
অমানবিকতা ও সামাজিক অবক্ষয়ের এমন ঘটনা মাঝেমধ্যেই পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে। এর জন্য নৈতিক শিক্ষার ঘাটতিই দায়ী, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব পিতা-মাতা সন্তানকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কেরিয়ারিস্ট করে তুলতে আগ্রহী। কিন্তু তাদের নৈতিক শিক্ষা কতটা দেওয়া হলো, সেদিকে আর নজরটা থাকে না। এবার তাই অন্যভাবে ভাববার সময় এসেছে। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

পলিথিনের উৎপাদন বন্ধ করুন

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৪, ১১:১৭ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৪, ১১:১৭ এএম
পলিথিনের উৎপাদন বন্ধ করুন

যদিও এখন আষাঢ় মাস, তবু গরম চোখ রাঙাচ্ছে। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসকে বর্ষাকাল বলা হলেও বর্ষা হতেও পারে, আবার না-ও হতে পারে। এমনিতেই শহর, শহরতলি, গ্রামগঞ্জে নিকাশি ব্যবস্থার হাল খুব খারাপ। 

পানি নিকাশের জায়গাগুলো ক্রমশ সরু হয়ে গেছে। ফলে বর্ষার জমা পানি বেরোতে না পেরে জমে থাকে। পানি নিকাশি নালা-নর্দমা, ম্যানহোল, পাম্পিং স্টেশনগুলো আবর্জনা ও প্লাস্টিক ব্যাগ, বোতল, চিপস, বিস্কুটের প্যাকেটে ভরে থাকায় পানি নিকাশ হতে পারে না। 

প্লাস্টিক কেবল পরিবেশের ক্ষতি করে তাই নয়, পানি নিকাশিও বন্ধ করে দেয়। প্লাস্টিক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এর ব্যবহার রমরমিয়ে চলছে। যত্রতত্র আবর্জনা ফেলার জন্য নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা। যতই প্লাস্টিক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে মানুষকে সচেতন করা হোক, মানুষ যে জিনিস সহজে হাতের সামনে পাবে তা ব্যবহার করবেই। তাই প্লাস্টিকের উৎপাদন নিষিদ্ধ করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। সরকার তৎপর হলে সহজেই পলিথিন উৎপাদন আটকাতে পারে। না হলে নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের ব্যবহার যেমন চলছে, তেমনি চলতেই থাকবে। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ব্লু-টুথ যখন মৃত্যুর কারণ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৪, ১১:১৭ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৪, ১১:১৭ এএম
ব্লু-টুথ যখন মৃত্যুর কারণ

নানা রকম প্রযুক্তিপণ্য এখন বাজারভর্তি। এসব পণ্যের সুবিধা যেমন আছে, তেমনি অসুবিধাও আছে। কীভাবে ব্যবহার করছেন, ব্যবহার পদ্ধতি, সময় ঠিক আছে কি না, সেটা আসল কথা।

ব্লু-টুথের কথাই ধরা যাক। এটি কানে থাকলে ফোন হাতে না নিয়েও কথা বলা যায়, গান শোনা যায়। ভালোই তো, তাই না? কিন্তু খারাপ দিক হলো- এটি কানের মধ্যে থাকলে চারপাশে কী হচ্ছে তা বোঝা যায় না। শব্দ কানে আসে না। ধরেন রাস্তায় হাঁটছেন। পেছনে গাড়ি হর্ন দিয়েই চলছে। আপনি শুনছেন না। আবার রেললাইন পাড় হচ্ছেন। কানে ব্লু-টুথ। রেল আসার খবরই জানেন না। ফলে ঘটছে দুর্ঘটনা। বছরে অনেক মানুষ মারা যান এই ব্লু-টুথ অথবা হেডফোন কানে থাকার জন্য। তারা ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। যখন কোথাও বসে আছেন, তখন ব্লু-টুথ ব্যবহার করা উত্তম। রাতে শুয়ে শুয়ে ব্লু-টুথ ব্যবহার করে গান শুনতে পারেন। কিন্তু চলতে-ফিরতে ব্লু-টুথ ব্যবহার করা খুবই বিপজ্জনক। সব সময় ব্লু-টুথ ব্যবহার করা কানের জন্যও ভালো নয়। শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। শুধু নিজেই নয়, এ বিষয়ে সমাজের সবাইকে সচেতন করা নাগরিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বনানী, ঢাকা
[email protected]

জীবনের জন্য বৃক্ষরোপণ জরুরি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৪, ১০:৪১ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৪, ১০:৪১ এএম
জীবনের জন্য বৃক্ষরোপণ জরুরি

আজ একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আমরা নগরায়ণের তীব্র নেশায় বুঁদ হয়ে প্রায় সর্বত্রই চালিয়ে যাচ্ছি অরণ্য ধ্বংসের তাণ্ডবলীলা। আর এই অন্তহীন লোভ প্রকৃতপক্ষে নিশ্চিত করছে আমাদের সভ্যতার ধ্বংসকেই। বেড়ে চলছে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা। মেরু প্রদেশে বরফ গলছে। ফলে ক্রমশই বেড়ে চলেছে পৃথিবীর জলস্তর। নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য। গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মির অত্যধিক পরিমাণে পৃথিবীর বুকে আগমন সমাজ তথা ব্যক্তিজীবনে ডেকে আনছে নানা রকম অসুখ। 

বিশেষজ্ঞদের অভিমত অনুযায়ী, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূ-ভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নিচে নেমে  যাবে, তখনই সেই দেশ চরম থেকে চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে- এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। 

আজ বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এ সমস্যায় জর্জরিত, সে কথা বলার আর অপেক্ষা রাখে না। অরণ্য সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণের পক্ষে জোরদার লড়াই করছে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন। যত্রতত্র কারণে-অকারণে গাছ কাটার বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে হবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে, প্রতিবাদের আগুন জ্বালাতে হবে সমাজের সচেতন নাগরিকদের মধ্যে। 

আমাদের এ কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে গাছই আমাদের অক্সিজেন জোগায়, ঝড়ের গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করে, মরুভূমির সম্ভাবনাকে ব্যাহত করে, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। তীব্র দাবদাহের হাত থেকে রক্ষা পেতে, আমাদের নিরাপদে বেঁচে থাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র রয়েছে গাছের। তাই নিজেদের অস্তিত্ব পৃথিবীতে টিকিয়ে রাখতে হলে গাছ লাগাতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। 

লিয়াকত হোসেন খোকন
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

বিশুদ্ধ পানির সুব্যবস্থা চাই

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৪, ১০:৩৯ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৪, ১০:৩৯ এএম
বিশুদ্ধ পানির সুব্যবস্থা চাই

পথ চলতে চলতে পানির পিপাসা কার না পায়? এই পিপাসা মেটানোর জন্যও এই শহরে টাকা খরচ করতে হয়। পানি কিনে খেতে হয়। কিন্তু শহরের কিছু কিছু ভবনের সামনে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা দেখা যায়। যেখানে পানি খেতে টাকা খরচ করতে হয় না। পানি খেয়ে বোতল ভরে পানি নিতেও বাধা নেই। ফলে পথচারীদের সুবিধা হয়। কিন্তু এই ব্যবস্থা সব জায়গায় নেই। বেসরকারি কোম্পানি, প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের অফিস ভবনের সামনে এমন বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রাখতে পারে। এতে শুধু মানুষের উপকার হবে না; পরকালের জন্যও কল্যাণকর হবে। আর এই ব্যবস্থা করতে খুব খরচ হবে- ব্যাপারটা এমনও নয়। শুধু একটু সদিচ্ছা থাকলেই হলো। এ বিষয়ে সবার দৃষ্টি অকর্ষণ করছি যেন এমন ভালো কাজে সবাই এগিয়ে আসেন।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বনানী, ঢাকা
[email protected]