ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

বাজাজের চার চাকার ‘কিউট আরই৬০’

প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৪, ১১:৫২ এএম
বাজাজের চার চাকার ‘কিউট আরই৬০’

ছোট পরিবারের জন্য সাধ্যের মধ্যে পছন্দের একটি গাড়ি হতে পারে বাজাজের ‘কিউট আরই৬০’ মডেলের কোয়াড্রিসাইকেল। এটি বাজাজ কিউট নামেও পরিচিত। গাড়িটি ভারতীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বাজাজ অটো তৈরি করেছে। ২০১৬ সালে গাড়িটি প্রথম ভারতের বাজারে আসে।  

কোয়াড্রিসাইকেল এক ধরনের চার চাকার যানবাহন, যা সাধারণত মোটরসাইকেলের মতো হাল্কা হয়ে থাকে। তবে এটিতে চার চাকা থাকায় স্থিতিশীল হয়। এ ধরনের বাহন বিশেষ করে জনবহুল শহরে চলাচলের জন্য উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়। কারণ এই ছোট আকারের গাড়ি সহজেই পার্কিং করা যায়। কোয়াড্রিসাইকেলগুলো সাধারণত হাল্কা ওজনের হয়। পাশাপাশি জ্বালানিসাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধবও হয়ে থাকে।

কিউট আরই৬০ মডেলের গাড়িতে রয়েছে ৪ স্ট্রোকবিশিষ্ট লিকুইড কুল ডিটিএসআই ইঞ্জিন। সিঙ্গেল-সিলিন্ডারের এই ইঞ্জিন ২১৬ দশমিক ৬ সিসির। যা চার হাজার বার ঘুরে প্রায় ১৯ দশমিক ৬ টর্ক তৈরি করে। প্রতি লিটার জ্বালানিতে প্রায় ৩৬ কিলোমিটার যায়। এর সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। গাড়িটিতে চালকসহ চারজন বসা যায়। জ্বালানি ট্যাংকের ধারণক্ষমতা সাড়ে ১৬ লিটার। এতে ২০ লিটারের বুট স্পেস আছে। মাল্টি-ফাংশনাল স্টিয়ারিং হুইলের সঙ্গে রয়েছে হ্যান্ডেল ব্রেক। হাল্কা ওজনের দুই চাকার বাহনকে যানবাহন প্রকৌশল ও পাওয়ারট্রেন প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কিউট তৈরি করা হয়েছে। উচ্চমানের ইস্পাত দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এর বডি। এটিতে লাগেজের জন্য প্রচুর জায়গা রয়েছে। পেছনের আসন ভাঁজ করেও অনেক জিনিস রাখা যায়। এটি সিএনজি ও এলপিজি দুই ধরনের জ্বালানিতে চলার জন্য আলাদা আলাদা সংস্করণ রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কম খরচে জনসাধারণের যাতায়াতের চাহিদা মেটাতে গাড়িটি ডিজাইন করা হয়েছে। কোম্পানি এটি ১৬টিরও বেশি দেশে রপ্তানির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

যারা এ ধরনের চার চাকার বাহন খুঁজছেন, তাদের পছন্দ হবে বাজাজ কিউট। ভারতে এর দাম ৩ লাখ ৩৯ হাজার রুপি, তবে বাংলাদেশে এর দাম পড়বে ৫ লাখ টাকার আশপাশে। এ ধরনের যানবাহন বিভিন্ন দেশে শহরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে এই ছোট গাড়ি চারজনের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। দ্রুতগতিতে চলাচলের জন্য গাড়িটি মোটেও উপযুক্ত নয়। নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেবল একটি এয়ারব্যাগ রয়েছে। যারা বেশি শক্তি ও ফিচারের গাড়ি চান, তাদের এই গাড়ি এড়িয়ে যাওয়া উচিত হবে।

এ.জে/জাহ্নবী

গাড়িতে হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করল চীন

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ০১:৪২ পিএম
গাড়িতে হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করল চীন
ছবি: সংগৃহীত

চীন প্রথমবারের মতো ভারী যানবাহনে তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম একটি ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে। ধারণা করা হচ্ছে এই প্রযুক্তি দেশটির পরিবহন খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। প্রযুক্তিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি করপোরেশন (সিএএসসি) চলতি মাসের ১০ তারিখে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এ সিস্টেমটি ভারী ট্রাকে ব্যবহার করা হবে। এতে একবার হাইড্রোজেন জ্বালানি ভরে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে।

বিশ্বে হাইড্রোজেনচালিত যানবাহনের বিকাশে অগ্রগামী দেশে পরিণত হয়েছে চীন। দেশটিতে বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রোজেন ফুয়েলিং স্টেশন নেটওয়ার্ক রয়েছে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ হাইড্রোজেন চালিত যানবাহন রাস্তায় চালানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি।

মূলত চীনের পরিবহন খাতকে আরও বেশি পরিবেশবান্ধব করার প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এটি। দেশটির সরকার হাইড্রোজেনচালিত যানবাহনের গবেষণা ও উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ভারী যানবাহনের জন্য তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাটি। এই ব্যবস্থাটি পরিবেশবান্ধব ও প্রথাগত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে। সম্প্রতি ১০০ কেজি তরল হাইড্রোজেন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এ সিস্টেমটি তৈরিতে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা সিএএসসি জানিয়েছে, আগের চেয়ে এর ধারণক্ষমতা ২০ শতাংশ বেশি হয়েছে। তবে নতুন এ ব্যবস্থায় বাড়তি জায়গা লাগছে না। এ ব্যবস্থায় আগের থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমেছে। এ ছাড়া নতুন এ সিস্টেম ১০০ কেজি পর্যন্ত তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি ধারণক্ষমতাসহ এই সিস্টেমের গুণমান, হাইড্রোজেন স্টোরেজ ঘনত্ব ও রিফিলের সময়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। এই উদ্ভাবনটি ভারী যানবাহন শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে পারে, যা পরিবেশ দূষণ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।

হাইড্রোজেনকে মাইনাস ২৫২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শীতল করলে পাওয়া যাবে তরল হাইড্রোজেন। এটি একটি উচ্চ শক্তির জ্বালানি, যার বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। তবে এটি ব্যবহারে বেশ ঝুঁকিও রয়েছে। যানবাহনে তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের কিছু ঝুঁকি রয়েছে। এটি দ্রুত গরম হয়ে বিস্ফোরিত হতে পারে। তরল হাইড্রোজেন পরিবহন করা কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। 

এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা ট্যাংক ও ট্রাকগুলোয় পরিবহন করতে হয়। তরল হাইড্রোজেন রিফুয়েলিং স্টেশনগুলো সাধারণত গ্যাসোলিন স্টেশনগুলো তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়। এই ঝুঁকিগুলো সত্ত্বেও তরল হাইড্রোজেন শক্তিশালী জ্বালানি, যা পরিবহন শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে পারে। সূত্র: সিসিটিভি

শুরু হয়েছে ১৭তম ঢাকা মোটর শো ২০২৪

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম
শুরু হয়েছে ১৭তম ঢাকা মোটর শো ২০২৪
ছবি: সংগৃহীত

নতুন গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ নানারকম অটোমোবাইল পণ্য নিয়ে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী ১৭তম ঢাকা মোটর শো-২০২৪। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে শুরু হয়েছে এই আয়োজন।

এ প্রদর্শনী চলাকালে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘অষ্টম ঢাকা বাইক শো-২০২৪’, ‘সপ্তম ঢাকা অটো পার্টস শো-২০২৪’, ‘ষষ্ঠ ঢাকা কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো-২০২৪’ ও ‘প্রথম ইলেকট্রিক ভেহিকেল বাংলাদেশ এক্সপো-২০২৪’।

অন্যদিকে সেমস-গ্লোবাল ও বাংলাদেশ মোটর স্পোর্টসের যৌথ আয়োজনে বাণিজ্যমেলা প্রাঙ্গণে গতকাল প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় মোটরবাইক প্রতিযোগিতা ‘প্রথম ডার্ট ট্র্যাক চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪’। একই সঙ্গে ২৫ মে অনুষ্ঠিত হবে অফ-রোড রেসট্র্যাক সম্পর্কিত বাংলাদেশের জমকালো মোটর স্পোর্টস প্রতিযোগিতা ‘চতুর্থ র‍্যালিক্রস চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪’। প্রতিযোগিতা দুটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।