ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

সহজেই করুন ড্রাইভিং লাইসেন্স

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫১ এএম
সহজেই করুন ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স কেবল গাড়ি চালানোর অনুমতিপত্র নয়, এটি ব্যক্তি পরিচয় শনাক্তকরণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। দেশের যেকোনো স্থানে গাড়ি চালানোর জন্য বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স অপরিহার্য। এটি কেবল চালকের কারিগরি দক্ষতা প্রমাণ করে না বরং পথচারী ও চালকের নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ মোটরযান অধ্যাদেশ-১৯৮৩-এর ৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া সর্বসাধারণের ব্যবহৃত গাড়ি রাস্তায় চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই দেশের যেকোনো স্থানে গাড়ি চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পূর্বশর্ত
এখন কেউ চাইলেই ঘরে বসে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বিআরটিএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট bsp.brta.gov.bd-তে ঢুকে মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে, লগইন করতে হবে। তারপর লার্নার লাইসেন্সের জন্য একটি ফরম আছে, সেটি পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। যেকোনো ধরনের ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হলে প্রথমেই লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। অপেশাদারের জন্য বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৮ বছর। আর পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স হতে হবে ন্যূনতম ২১ বছর। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে।

অনলাইন সিস্টেম থেকে তার লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু হবে ও গ্রাহক সঙ্গে সঙ্গেই সিস্টেম থেকেই তার শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। এরপর তাকে দুই থেকে তিন মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্টে অংশগ্রহণ করতে হবে। এ সময় প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র, লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে।

আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে গিয়ে আবেদন করতে হয়। এখানে বেশ কিছু ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে। 

আবেদনকারীর ছবি (সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোবাইট)। 
রেজিস্টার্ড ডাক্তারের মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট)।
জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট)।
ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট, আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা যদি ভিন্ন হয়, তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত 
করতে হবে)।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট)।

তবে মনে রাখতে হবে, অনলাইনে আবেদন দাখিলের সময় ভুয়া তথ্য দিলে তার লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিআরটিএ।

লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুনরায় একটি নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি দিয়ে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপ নিয়ে স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হয়। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএসের মাধ্যমে তা গ্রহণের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়।

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
রেজিস্টার্ড ডাক্তারের কাছ থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট।
জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
নির্ধারিত ফি বিআরটিএর নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দেওয়ার রসিদ।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন।
সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট 
সাইজ ছবি

প্রয়োজনীয় ফি
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে আবেদন শেষে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। ক্যাটাগরি ১ এবং ২-এর জন্য ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

এ ছাড়া দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় (ডিসিটিসি) উত্তীর্ণ প্রার্থীকে স্মার্ট কার্ডের জন্য ১০ বছর মেয়াদি অপেশাদার লাইসেন্স ও ৫ বছর মেয়াদি পেশাদার লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ফি বিআরটিএর নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরণ করা হয়, 
তাই ফির সঙ্গে অতিরিক্ত ৬০ টাকা দিতে হবে।

তথ্য সূত্র: বিআরটিএ

জাহ্নবী

 

গাড়িতে হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করল চীন

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ০১:৪২ পিএম
গাড়িতে হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করল চীন
ছবি: সংগৃহীত

চীন প্রথমবারের মতো ভারী যানবাহনে তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি বহনে সক্ষম একটি ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে। ধারণা করা হচ্ছে এই প্রযুক্তি দেশটির পরিবহন খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। প্রযুক্তিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি করপোরেশন (সিএএসসি) চলতি মাসের ১০ তারিখে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এ সিস্টেমটি ভারী ট্রাকে ব্যবহার করা হবে। এতে একবার হাইড্রোজেন জ্বালানি ভরে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে।

বিশ্বে হাইড্রোজেনচালিত যানবাহনের বিকাশে অগ্রগামী দেশে পরিণত হয়েছে চীন। দেশটিতে বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রোজেন ফুয়েলিং স্টেশন নেটওয়ার্ক রয়েছে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ হাইড্রোজেন চালিত যানবাহন রাস্তায় চালানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি।

মূলত চীনের পরিবহন খাতকে আরও বেশি পরিবেশবান্ধব করার প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এটি। দেশটির সরকার হাইড্রোজেনচালিত যানবাহনের গবেষণা ও উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ভারী যানবাহনের জন্য তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাটি। এই ব্যবস্থাটি পরিবেশবান্ধব ও প্রথাগত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে। সম্প্রতি ১০০ কেজি তরল হাইড্রোজেন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এ সিস্টেমটি তৈরিতে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা সিএএসসি জানিয়েছে, আগের চেয়ে এর ধারণক্ষমতা ২০ শতাংশ বেশি হয়েছে। তবে নতুন এ ব্যবস্থায় বাড়তি জায়গা লাগছে না। এ ব্যবস্থায় আগের থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমেছে। এ ছাড়া নতুন এ সিস্টেম ১০০ কেজি পর্যন্ত তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি ধারণক্ষমতাসহ এই সিস্টেমের গুণমান, হাইড্রোজেন স্টোরেজ ঘনত্ব ও রিফিলের সময়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। এই উদ্ভাবনটি ভারী যানবাহন শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে পারে, যা পরিবেশ দূষণ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।

হাইড্রোজেনকে মাইনাস ২৫২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শীতল করলে পাওয়া যাবে তরল হাইড্রোজেন। এটি একটি উচ্চ শক্তির জ্বালানি, যার বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। তবে এটি ব্যবহারে বেশ ঝুঁকিও রয়েছে। যানবাহনে তরল হাইড্রোজেন জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের কিছু ঝুঁকি রয়েছে। এটি দ্রুত গরম হয়ে বিস্ফোরিত হতে পারে। তরল হাইড্রোজেন পরিবহন করা কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। 

এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা ট্যাংক ও ট্রাকগুলোয় পরিবহন করতে হয়। তরল হাইড্রোজেন রিফুয়েলিং স্টেশনগুলো সাধারণত গ্যাসোলিন স্টেশনগুলো তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়। এই ঝুঁকিগুলো সত্ত্বেও তরল হাইড্রোজেন শক্তিশালী জ্বালানি, যা পরিবহন শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে পারে। সূত্র: সিসিটিভি

শুরু হয়েছে ১৭তম ঢাকা মোটর শো ২০২৪

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম
শুরু হয়েছে ১৭তম ঢাকা মোটর শো ২০২৪
ছবি: সংগৃহীত

নতুন গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ নানারকম অটোমোবাইল পণ্য নিয়ে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী ১৭তম ঢাকা মোটর শো-২০২৪। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে শুরু হয়েছে এই আয়োজন।

এ প্রদর্শনী চলাকালে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘অষ্টম ঢাকা বাইক শো-২০২৪’, ‘সপ্তম ঢাকা অটো পার্টস শো-২০২৪’, ‘ষষ্ঠ ঢাকা কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো-২০২৪’ ও ‘প্রথম ইলেকট্রিক ভেহিকেল বাংলাদেশ এক্সপো-২০২৪’।

অন্যদিকে সেমস-গ্লোবাল ও বাংলাদেশ মোটর স্পোর্টসের যৌথ আয়োজনে বাণিজ্যমেলা প্রাঙ্গণে গতকাল প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় মোটরবাইক প্রতিযোগিতা ‘প্রথম ডার্ট ট্র্যাক চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪’। একই সঙ্গে ২৫ মে অনুষ্ঠিত হবে অফ-রোড রেসট্র্যাক সম্পর্কিত বাংলাদেশের জমকালো মোটর স্পোর্টস প্রতিযোগিতা ‘চতুর্থ র‍্যালিক্রস চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪’। প্রতিযোগিতা দুটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।