ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ব্যবসার জন্য পুঁজি যেখানে পাবেন

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০২ পিএম
আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:৩৪ পিএম
ব্যবসার জন্য পুঁজি যেখানে পাবেন

ব্যবসা করার জন্য যেমন নিত্যনতুন আইডিয়া দরকার ঠিক তেমনি প্রয়োজন অর্থ। নতুন ব্যবসা কিংবা উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে পুঁজি বা ফান্ডিং জোগাড় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কী পরিমাণ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে এবং সেগুলোর উৎস কী হবে, তা নির্ভর করে ব্যবসার পরিধি এবং ধরনের ওপর। নতুন কোনো উদ্যোগের স্টার্টআপ বা চলমান কোনো ব্যবসায় পুঁজি বা ফান্ডিং জোগাড় করার জন্য রয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় ও কার্যকরী পন্থা। সেগুলো হলো-

১. ব্যাংক ঋণ
পুঁজি জোগাড় করার ক্ষেত্রে ছোট এবং মাঝারি উদ্যোক্তাদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ব্যাংক ঋণ। দেশে এখন অনেকগুলো সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংক বিভিন্ন মেয়াদ ও সুযোগ-সুবিধায় ঋণ দিয়ে থাকে। নিজের ব্যবসার ধরন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংক ঋণ খুঁজে বের করতে হবে। তবে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, শুধু ভালো আইডিয়া থাকলেই ব্যাংক ঋণ পাওয়া যায় না। বরং ব্যাংক ঋণ পেতে কোম্পানির ভালো ট্র্যাক রেকর্ড এবং ক্রেডিট থাকা জরুরি। কোনো স্টার্টআপ ব্যবসার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের ব্যক্তিগত গ্যারান্টির দরকার পড়ে। ব্যাংক ঋণ সাধারণত দুই ধরনের হয়- ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল লোন এবং ফান্ডিং। ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল লোনের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে লাভের মুখ দেখেছে এমন উদ্যোগকে বাছাই করা হয়। অন্যদিকে ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন কিন্তু বাস্তবসম্মত এবং সম্ভাবনাময় ব্যবসায়িক পরিকল্পনাসংবলিত প্রোজেক্টগুলোকে বাছাই করা হয়।

২. সরকারি স্টার্টআপ ফান্ডিং
দেশে বেশ কয়েক বছর ধরেই স্টার্টআপ কালচার শুরু হয়েছে। সরকার বিভিন্ন মেয়াদে নতুন আইডিয়া সংবলিত স্টার্টআপ উদ্যোগগুলোয় বিনিয়োগ করে থাকে। এসব ফান্ডিং পেতে বেশ কিছু স্ক্রিনিং প্রসেস পার করতে হয়। আমাদের দেশে সরকারপ্রদত্ত স্টার্টআপ ফান্ডিংগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ইনোভেশন সার্ভিস ফান্ড, ইনোভেশন ফান্ড, আইসিটি ডিভিশন ফান্ড, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ইত্যাদি।

৩. ক্রাউড ফান্ডিং
সাধারণত ক্রাউড ফান্ডিং বলতে বোঝায় একটি ব্যবসায় অনেক লোকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনিয়োগ। বিভিন্ন পণ্য বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ক্রাউড ফান্ডিং একটি কার্যকরী পন্থা। ক্রাউড ফান্ডিংয়ে যারা টাকা তুলতে সহায়তা করে, তাদের প্ল্যাটফর্ম বলা হয়। অন্যদিকে ক্রাউড ফান্ডে যারা অর্থায়ন করেন তাদের বলা হয় ‘ব্রেইকার’। তাদের প্রদত্ত অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের পুরস্কার, স্বীকৃতি ইত্যাদি দেওয়া হয়। পুরস্কারগুলোর অর্থমূল্যের চেয়ে শুভেচ্ছামূল্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ যেমন- টি-শার্ট, স্টিকার, ধন্যবাদ জ্ঞাপকপত্র ইত্যাদি। প্ল্যাটফর্ম তাদের সেবার বদলে সার্ভিস চার্জ পেয়ে থাকে।

বিশ্বজুড়ে অনেক জনপ্রিয় হলেও ক্রাউড ফান্ডিং একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ ব্যবস্থা। কেননা এতে জালিয়াতির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত রাষ্ট্রগুলো ক্রাউড ফান্ডিংয়ে জালিয়াতি ঠেকাতে প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণমূলক নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশে ক্রাউড ফান্ডিং এখনো সেভাবে জনপ্রিয়তা পায়নি। তবে যেহেতু বর্তমানে বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ব্যবসায় উদ্যোক্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে শিগগির ক্রাউড ফান্ডিং এদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

৪. অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টিং
যখন কোনো উদ্যোক্তা তার ব্যবসার স্টার্টআপের সময় কিংবা চলমান ব্যবসায় আর্থিক সংকটের সময় অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে ব্যবসার অংশীদারত্ব বিক্রির মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে তখন তাকে অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টিং বলে। অংশীদারত্ব কেনার মাধ্যমে যিনি বিনিয়োগ করেন তাকে বলা হয় অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর। সাধারণত অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর উদ্যোক্তার কোনো আত্মীয়, বন্ধু কিংবা পরিচিত শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকেন। ব্যক্তির পাশাপাশি কোনো প্রতিষ্ঠানও অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর হিসেবে বিনিয়োগ করতে পারে। এ ধরনের ফান্ডিংয়ের একটি সুবিধা হলো সহজেই ইনভেস্টর পাওয়া যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে উদ্যোক্তার সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। কেননা, অংশীদারত্ব বিক্রির বিনিময়ে তিনি সঠিক পরিমাণ বিনিয়োগ পাচ্ছেন কি না, সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অন্যদিকে অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টরকে নিজের প্রতিষ্ঠানের পার্টনার হিসেবে গ্রহণ করার পর পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে মতের মিল ধরে রাখাও কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়াতে পারে।

৫. ভেঞ্চার ক্যাপিটাল
সাধারণত কোনো ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম বা কোম্পানি দ্বারা গঠিত হয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড বা তহবিল। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যসংবলিত (যেমন আইটি, আইটিইএস, বায়োমেডিকেল ইত্যাদি) তহবিল যেখানে বড় বড় প্রতিষ্ঠান কিংবা বিত্তশালীরা দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করেন। একটি ভেঞ্চার ফান্ডের সময়কাল সাধারণত ৫-১৫ বছর হয়ে থাকে। এই পুরো তহবিলের দেখাশোনা ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম করে থাকে যার বিনিময়ে তারা ব্যবস্থাপনা ফি নিয়ে থাকে। ভেঞ্চার ফান্ডে যারা বিনিয়োগ করেন তাদের লিমিটেড পার্টনার বা এলপি বলা হয়। অন্যদিকে যারা এই ফান্ড ব্যবস্থাপনা করে থাকে তাদের জেনারেল পার্টনার বা জিপি বলে। ভেঞ্চার ফান্ড থেকে বিভিন্ন উদ্যোগে বিনিয়োগের ব্যাপারটি ভেঞ্চার ফার্ম নিয়ন্ত্রণ করে। বিনিয়োগ সাধারণত দীর্ঘ মেয়াদের হয় (৩ থেকে ৮ বছর)। বিনিয়োগ প্রধানত সাধারণ শেয়ার ও আংশিক পুঁজির (কোয়াসি ইক্যুইটি) মাধ্যমে করা হয়। মেয়াদ শেষে অথবা সুবিধাজনক সময়ে ভেঞ্চার ফার্ম সেই শেয়ার বিক্রি করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে লাভ বা লোকসান যেকোনো কিছুই হতে পারে। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল একটি উদ্যোগের বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থায়ন করে- (১) সিড বা বীজ পর্যায়, যখন ব্যবসা উদ্যোক্তার মনে আইডিয়া আকারে থাকে (২) প্রাথমিক পর্যায়, যখন উদ্যোক্তা ব্যবসা শুরুর জন্য কাজ শুরু করেছে কিন্তু বিক্রয় বা সেবা প্রদান শুরু হয়নি (৩) সম্প্রসারণ পর্যায়, যখন বিক্রি শুরু হয়েছে কিন্তু কোম্পানি লাভ করছে না এবং (৪) বর্ধিষ্ণু পর্যায়, যখন কোম্পানি ভালো আয় বা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশে পরিচিত ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মধ্যে আছে, লংকা বাংলা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, এথেনা ভেঞ্চার এবং ইক্যুইটি লিমিটেড, বিডি ভেঞ্চার, ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, বিডি ভেঞ্চার লিমিটেড, মসলিন ক্যাপিটাল লিমিটেড, ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল লিমিটেড ইত্যাদি।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল দিয়ে বিশ্বের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলো আজকের পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ, স্ন্যাপ ডট ইনক, কিং ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট, যা ক্যানডি ক্রাশ সাগা গেমটি তৈরি করেছে—এরা সবাই ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মাধ্যমেই নিজেদের ব্যবসায় অর্থসংস্থান করেছে।

নতুন উদ্যোক্তাদের উচিত হবে, ব্যবসায় অর্থসংস্থানের জন্য ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জোগান নিশ্চিত করা।

৬. ক্ষুদ্রঋণ
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি বিভিন্ন এনজিও, যেমন গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা বাংলাদেশ ইত্যাদি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের আওতায় ঋণ দিয়ে থাকে। তারা মূলত তৃণমূল পর্যায়ে এমন উদ্যোক্তাদের খুঁজে বের করে, যাদের জন্য ক্ষুদ্রঋণই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষুদ্রঋণের অর্থ একসঙ্গে পাওয়া যায়। অন্যদিকে পরিশোধ করতে হয় ভেঙে ভেঙে। তাই, অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই ক্ষুদ্র ঋণ অর্থসংস্থানের জনপ্রিয় মাধ্যম।

জাহ্নবী

 

কারিতাস বাংলাদেশে চাকরি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:১৬ পিএম
কারিতাস বাংলাদেশে চাকরি

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। সংস্থাটি কক্সবাজারে ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স টু দ্য ফোরসিভলি ডিসপ্লেসড পিপল অব মিয়ানমার ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পে ম্যানেজার-শেল্টার পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

পদের নাম: ম্যানেজার-শেল্টার

পদসংখ্যা:

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। কোনো সংস্থায় শেল্টার সেক্টরে ম্যানেজার বা সমপদে অন্তত পাঁচ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা রেসপন্স প্রোগ্রামে শেল্টার ম্যানেজার পদে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এমএস অফিস অ্যাপ্লিকেশনের কাজ জানতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগে সাবলীল হতে হবে। সাংগঠনিক দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়স: সর্বোচ্চ ৪৫ বছর

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

কর্মস্থল: উখিয়া, কক্সবাজার

বেতন: ১,১০,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের কারিতাস বাংলাদেশের ওয়েবসাইটের এই https://caritasbd.org/career/job-career/ লিংকে গিয়ে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে আবেদন করতে হবে।

কারিগরি সহযোগিতায় [email protected] ঠিকানায় ই-মেইলে যোগাযোগ করা যাবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৫ জুন ২০২৪।

 কলি

 

গোল্ডেন হারভেস্টে বড় নিয়োগ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:১১ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:১১ পিএম
গোল্ডেন হারভেস্টে বড় নিয়োগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে গোল্ডেন হারভেস্ট ইনফোটেক লিমিটেডে (জিএইচআইটিএল)। ‘ডেটা এন্ট্রি অপারেটর’ পদে ৪০০ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত।

পদের নাম: ডেটা এন্ট্রি অপারেটর

পদসংখ্যা: ৪০০

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকলে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে আবেদন করা যাবে

অন্যান্য যোগ্যতা: বেসিক ইংরেজি, দ্রুত টাইপিংসহ কম্পিউটারের প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে।

অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয়।

আবেদনের বয়স: ১৮ থেকে ৩৫ বছর

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

কর্মস্থল: রাজধানী ঢাকার (মহাখালী)

বেতন: ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।

অন্যান্য সুবিধা: বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য সুবিধার মধ্যে বছরে দুটি উৎসব ভাতা ছাড়া ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকরি পেলে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া প্রশিক্ষণের সময় পাঁচ মাসের জন্য ‘প্যাকেজ অ্যালাউন্স’ বাবদ কিছু সুবিধা পাবেন।

যেভাবে আবেদন
আগ্রহী প্রার্থীদের https://jobs.bdjobs.com/bn/jobdetailsbn.asp?id=1262958&fcatId=61&ln=1 লিংকে গিয়ে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৩ জুলাই, ২০২৪।

কলি

স্কয়ার গ্রুপে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:০৬ পিএম
স্কয়ার গ্রুপে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

স্কয়ার গ্রুপের স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং বিভাগ ‘ব্র্যান্ড ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

শিক্ষাগত যোগ্যতা
যেকোনো স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিবিএ/এমবিএ ডিগ্রি থাকতে হবে। মার্কেটিংয়ে বিবিএ/এমবিএ থাকলে ভালো।

অভিজ্ঞতা
সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার মিলবে।

আবেদনের বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর

বেতন
আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন
আগ্রহীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে https://hotjobs.bdjobs.com/jobs/sq.toiletries/sq.toiletries284.htm ভিজিট করুন।

 কলি

 

উত্তরা ব্যাংক নেবে প্রবেশনারি অফিসার

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:০৪ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:২০ পিএম
উত্তরা ব্যাংক নেবে প্রবেশনারি অফিসার

দেশের অন্যতম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক উত্তরা ব্যাংক পিএলসিতে ‘প্রবেশনারি অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা ৩০ জুন পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের হার্ড কপি গ্রহণ করা হবে না।

পদের বিবরণ
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাস হতে হবে। একাডেমিক সব পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি অথবা জিপিএ-৫-এর মধ্যে ৪ থাকতে হবে।

বেতন: প্রথম বছর প্রবেশন বা প্রশিক্ষণ পিরিয়ড চলবে। এ সময় মাসে বেতন হবে ৪০ হাজার টাকা। প্রবেশনারী অফিসার শেষে সিনিয়র অফিসার হওয়ার সুযোগ থাকবে।

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

কর্মস্থল: যেকোনো স্থান

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স ৩০ জুন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা উত্তরা ব্যাংক পিএলসির https://www.uttarabank-bd.com/home/career মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত https://www.uttarabank-bd.com/downloads/Jobs/CO_PO_2024.pdf এই লিংকে প্রবেশ করে জানতে পারবেন।

 কলি

 

বিআইডব্লিউটিএতে নিয়োগ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:০১ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:০১ পিএম
বিআইডব্লিউটিএতে নিয়োগ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) একটি প্রকল্পে ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের বাংলাদেশ আঞ্চলিক অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন প্রকল্প-১ (বিআরডব্লিউটিপি-১)-এর আওতায় এ নিয়োগ দেওয়া হবে। নারী-পুরুষ যে কেউ এ পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা
ন্যূনতম এইচএসসি/সমমান পাস থাকলে ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর’ পদের আবেদন করা যাবে। কর্মক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছরের কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই প্রতি মিনিটে বাংলায় ৩০ অক্ষর ও ইংরেজিতে ৩০ অক্ষর টাইপ করার যোগ্যতা থাকতে হবে।

আবেদনপত্র সংগ্রহ
আগ্রহী প্রার্থীদের বিআইডব্লিউটিএর চাকরির আবেদন ফরম্যাটে আবেদন করতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদনের নমুনা বিআইডব্লিউটিএর ওয়েবসাইট (www.biwta.gov.bd) থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

আবেদনের ঠিকানা
প্রকল্প পরিচালক, বিআরডব্লিউটিপি-১ প্রকল্প, বিএসসি টাওয়ার (১৯ তলা)।

আবেদন ফি
আবেদনপত্রের সঙ্গে বিআরডব্লিউটিপি-১ প্রকল্প বরাবর ১০০ টাকার পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়
আগামী ৩০ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

 কলি